Abu Hurairah narrated that:the Prophet said: "The best day that the sun has risen upon is Friday. On it Adam was created, on it he entered Paradise, and on it, he was expelled from it. And the Hour will not be established except on Friday
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন? যেসব দিনে সূর্য উদয় হয় তার মধ্যে জুমুআর দিনই উত্তম। এ দিনেই আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনই তাকে জান্নাত হতে বের করা হয়েছে। আর জুমুআর দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। —সহীহ। সহীহাহ– (১৫০২), সহীহ আবু দাউদ- (৯৬১), মুসলিম, তা’লীক সহীহ ইবনু খুজাইমাহ- (৩/১১৬)। এ অনুচ্ছেদে আবু লুবাবা, সালমান, আবু যার, সা’দ ইবনু উবাদা ও আওস ইবনু আওস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ।
Anas bin Malik narrated that :the Prophet said: "Seek out the hour that is hoped for on Friday after Asr until the sun has set
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমুআর দিনের যে মুহুর্তে (দুআ কুবুল হওয়ার) আশা করা যায় তা আসরের পর হতে সূর্যাস্তের মধ্যে খোজ কর। -হাসান। মিশকাত— (১৩৬০), তা’লীকুর রাগীব- (১/২৫১)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। অন্য একটি সূত্রেও এ হাদীসটি আনাসের নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনু আবু হুমাইদ একজন দুর্বল রাবী। একদল বিশেষজ্ঞ তার স্মরণশক্তি দুর্বল বলেছেন। তাকে হাম্মাদ ইবনু আবু হুমাইদও বলা হয়ে থাকে। কেউ কেউ বলেছেন, ইনি আবু ইবরাহীম আনসারী, ইনি একজন প্রত্যাখ্যাত রাবী। একদল সাহাবা ও তাবিঈর ধারণা হল দু’আ কুবুলের এ সময়টি আসরের পর হতে শুরু করে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন। আহমাদ বলেছেন, যে সময়ে দু’আ কবুলের আশা করা যায় সে সম্পর্কিত বেশিরভাগ হাদীস হতে জানা যায়, এ সময়টি আসরের পর এবং সূর্য ঢলে যাওয়ার পর হতেও এর আশা করা যায়।
#490Shakir: Very DaifAl-Albani: Very DaifZai: Daif
Kathir bin Abdullah bin Amr bin Awf Al-Muzani narrated from his father, from his grandfather, that :the Prophet said: "On Friday there is an hour in which the worshipper does not ask Allah for anything except that Allah grants it to him." They said: "O Messenger of Allah! Which hour is it?" He said: "When the prayer is begun until it is finished
। আমর ইবনু আওফ (রাঃ) হতে পর্যায় ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমুআর দিনের মধ্যে একটি বিশেষ সময় আছে। এ সময়ে বান্দাহ আল্লাহ তা'আলার নিকট যা চায় আল্লাহ তা'আলা তাকে তা দান করেন। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এ সময়টি কখন? তিনি বললেনঃ যখন নামায শুরু হয় তখন হতে তা শেষ হওয়া পর্যন্ত। খুবই দুর্বল, ইবনু মাজাহ (১৩৮৪) এ অনুচ্ছেদে আবূ মূসা, আবূ যার, সালমান, আবদুল্লাহ ইবনু সালাম, আবূ লুবাবা ও সা’দ ইবনু উবাদা এবং আবূ উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আমর ইবনু আওফের হাদীসটি হাসান এবং গারীব।
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger said: The best day that the sun has risen upon is Friday. On it Adam was created, on it he entered Paradise, and on it, he was sent down from it. And in it there is an hour in which the Muslim worshipper would not stand in Salat, asking Allah for anything except that He would give it to him.'" Abu Hurairah said: "I met Abdullah bin Salam, and I mentioned this Hadith to him. He said: 'I am more knowledgeable about that hour.' So I said: 'Inform me about it, and do not keep any of it from me.' He said: 'It is after al-Asr until the sun has set.' I said: 'How can it be after Al-Asr when Allah's Messenger said: ' the Muslim worshipper would not stand in Salat.' And that is a time that prayer is not performed in?" So Abdullah bin Salam said: 'Didn't Allah's Messenger say: "Whoever sat in a gathering awaiting the Salat then he is in Salat"? I said: 'Of course.' He said: 'Then that is it
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যেসব দিনে সূর্য উদয় হয় তার মধ্যে জুমুআর দিনই সর্বশ্রেষ্ঠ। এ দিনেই আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিল। এদিনেই তাকে সেখান হতে (পৃথিবীতে) নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ দিনের মধ্যে এমন একটি সময় আছে যখন কোন মুসলিম বান্দা নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলার নিকট কিছু চাইলে তিনি অবশ্যই তাকে তা দান করেন। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু সালামের সাথে সাক্ষাত করে তাকে এ হাদীস প্রসঙ্গে জানালাম। তিনি বলেন, আমি সে সময়টি জানি। আমি বললাম, তাহলে আমাকেও বলে দিন, এ ব্যাপারে কৃপণতা করবেন না। তিনি বললেন, এ সময়টি আসরের পর হতে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আমি বললাম, তা কি করে আসরের পর হতে পারে? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বান্দা নামাযরত অবস্থায় এই মুহুর্তটি পেয়ে...। অথচ আপনি যে সময়ের কথা বলেছেন, তখন তো নামায আদায় করা হয় না। 'আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননিঃ যে ব্যক্তি নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে প্রকারান্তরে সে নামাযের মধ্যেই থাকে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, সেটাই এ সময়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩৯)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#492Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Salim narrated from his father, from his grandfather, that he heard :the Prophet saying: "Whoever comes on Friday, then let him perform Ghusl
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমু'আর নামাযে আসে সে যেন গোসল করে আসে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৮৮)। এ অনুচ্ছেদে উমার, আবু সাঈদ, জাবির, বারাআ, আয়িশাহ ও আবু দারদা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ।
Salim narrated:(Another chain) from Abdullah bin Umar from the Prophet which is similar
। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে অন্য সূত্রেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
#494Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَيْضًا وَهُوَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ رَوَاهُ يُونُسُ وَمَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَيَّةُ سَاعَةٍ هَذِهِ فَقَالَ مَا هُوَ إِلاَّ أَنْ سَمِعْتُ النِّدَاءَ وَمَا زِدْتُ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ . قَالَ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِالْغُسْلِ . حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ .
And Yunus and Ma'mar reported, from Az-Zuhri, from Salim Wudu from his father:"Umar bin Al-Khattab was giving a Khutbah on Friday when a man from the Companions of the Prophet entered. So he said: "What time is it?" So he said: 'I don't know, I heard the call and did nothing more than perform Wudu.' So he said: And Wudu again!? I know surely that the Messenger of Allah has ordered Ghusl
। ইবনু উমর (রাঃ) বলেনঃ একদা উমার (রাঃ) জুমু'আর নামাযের খুতবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী এসে (মসজিদে) ঢুকলেন। তিনি (উমার) প্রশ্ন করলেন, এটা কোন সময় (দেরি কেন)? তিনি বললেন, আমি আযান শুনেই ওযু করে চলে এসেছি, মোটেই দেরি করিনি। তিনি (উমার) বললেন, শুধু ওযুই করলেন? অথচ আপনার জানা আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসল করারও নির্দেশ দিয়েছেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৩৬৭), বুখারী ও মুসলিম। এ হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
(Another chain reaching to Az-Zuhri) with this Hadith.Malik reported this Hadith from Az-Zuhri, from Salim who said:"Umar [bin al-Khattab] was giving a Khutbah on Friday." And he mentioned this Hadith
। ইউনুস যুহরী হতে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ বুখারীকে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম, তিনি বললেন, সালিম তার পিতা থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
Aws bin Aws narrated:"Allah's Messenger said to me: 'Whoever performs Ghusl on Friday, and bathes completely, and goes early, arriving early, gets close and listens and is silent, there will be for him in every step he take the reward of a year of fasting and standing (in prayer)
। আওস ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ যে ব্যক্তি গোসল করল এবং গোসল করাল, সকাল সকাল মসজিদে আসল, ইমামের নিকটবর্তী হয়ে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল এবং নিশ্চুপ থাকল— তার জন্য প্রতি কদমের বিনিময়ে এক বছরের (নফল) রোযা ও নামাযের সাওয়াব রয়েছে। ওয়াকী বলেন, ‘গোসল করল এবং করাল’ শব্দের অর্থ নিজে গোসল করল এবং স্ত্রীকে গোসল করাল। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১০৮৭)। ইবনুল মুবারাক বলেনঃ গোসল করল ও গোসল করাল এর অর্থ হলো— নিজে গোসল করল এবং মাথা ধুল। এ অনুচ্ছেদে আবু বাকর, 'ইমরান ইবনু হুসাইন, সালমান, আবু যার, আবু সাঈদ, ইবনু উমার ও আবু আইউব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। আবু আশ'আসের নাম শারাহীল। আবু জানাব হলেন, ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব।
Samurah bin Jundah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever performs Wudu on Friday, then he will receive the blessing, and whoever performs Ghusl then Ghusl is more virtuous
। সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিন শুধু ওযু করল সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি গোসল করল, গোসল করাই উত্তম। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৯১)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আনাস ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ সামুরার হাদীসটি হাসান। কেউ কেউ উল্লেখিত হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও তাদের পরবর্তীগণ শুক্রবার গোসল করা উত্তম মনে করেছেন, যদিও শুধু ওযু করাও যথেষ্ট। ইমাম শাফিঈ বলেন, জুমু'আর দিন গোসল করার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে হুকুম দিয়েছেন তা মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয়। তার বক্তব্যের সপক্ষে দলীল হলঃ উমার (রাঃ) উসমান (রাঃ)-কে বললেন, শুধু ওযুই করলেন? অথচ আপনি জানেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ নির্দেশ দ্বারা যদি গোসল করা ওয়াজিব প্রমাণিত হত তবে উমার (রাঃ) উসমান (রাঃ)-কে বসতে দিতেন না; বরং তাকে মাসজিদ হতে বের হয়ে গোসল করে আসতে বাধ্য করতেন। অধিকন্তু উসমান (রাঃ) নিজেও গোসল করে আসতেন, শুধু ওযু করে আসতেন না। কেননা উসমান (রাঃ) পর্যাপ্ত জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। অতএব জুমুআর দিন গোসল করা উত্তম কিন্তু ওয়াজিব নয়।
#498Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairh narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever performs Wudu, performing his Wudu well, then he comes to the Friday (prayer), and he gets close, listens and is silent, then whatever (sin) was between that and (the last) Friday are forgiven for him, in addition to three days. And whoever touches the pebbles, he has committed Lagha (useless activity)
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ভালভাবে ওযু করে জুমু'আর নামায আদায় করতে আসে, ইমামের নিকটবর্তী হয়ে মনোযোগ সহকারে নীরবে খুতবা শুনে, তার এ জুমুআ হতে ঐ জুমুআ পর্যন্ত এবং আরো তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি কাকর-বালি ইত্যাদি নাড়াচাড়া করল সে বাজে কাজ করল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৯০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#499Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever performs Ghusl on Friday - the Ghusl for Janabah - then he goes, he is like one who gave a camel in charity. Whoever goes in the second hour then he is like one who gave a cow in charity. Whoever goes in the third hour then he is like the one who have a ram in charity. Whoever goes in the fourth hour then he is like the one who gave a chicken in charity. Whoever goes in the fifth hour, then he is like one who gave an egg in charity. When the Imam comes out, the angels are present listening to the remembrance
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিন নাপাকির গোসলের মত গোসল সেরে প্রথমে (জুমু'আর নামায আদায় করার জন্য) মসজিদে আসল সে যেন একটি উট কুরবানী করল। অতঃপর দ্বিতীয় মুহুর্তে যে ব্যক্তি আসল সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। তৃতীয় মুহুর্তে যে আসল সে যেন শিংযুক্ত একটি মেষ কুরবানী করল। চতুর্থ মুহুর্তে যে ব্যক্তি আসল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। পঞ্চম মুহুর্তে যে ব্যক্তি আসল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন (নামাযের জন্য) বের হয়ে আসেন তখন ফেরেশতাগণ আলোচনা শুনার জন্য উপস্থিত হয়ে যান। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৯২)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#500Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan
Abu Al-Ja'd - meaning Ad-Damri - narrated, and he was a Companion according to the claim of Muhammad bin Amr:"Allah's Messenger said: 'Whoever neglects the Friday prayer three times (in a row) without an excuse, then Allah sets a seal upon his heart
। আবুল জা'দ আয-যমরী মুহাম্মাদ ইবনু "আমরের ধারণানুযায়ী তিনি একজন সাহাবী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক নিছক অলসতা ও গাফলতি করে পর পর তিন জুমুআ ছেড়ে দেয় আল্লাহ তা'আলা তার অন্তরে মোহর মেরে দেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১২৫)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস ও সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবুল জাদের হাদীসটি হাসান। ইমাম বুখারীকে আবুল জাদের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি অজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, তার সূত্রে কেবল এই হাদীসটি বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবনু আমরের সূত্রেই শুধুমাত্র আমরা এই হাদীসটি জেনেছি।
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَدُّويَهْ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَهْلِ قُبَاءَ عَنْ أَبِيهِ، وَكَانَ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - قَالَ أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَشْهَدَ الْجُمُعَةَ مِنْ قُبَاءَ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا وَلاَ يَصِحُّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَلاَ يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْءٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " الْجُمُعَةُ عَلَى مَنْ آوَاهُ اللَّيْلُ إِلَى أَهْلِهِ " . وَهَذَا حَدِيثٌ إِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ إِنَّمَا يُرْوَى مِنْ حَدِيثِ مُعَارِكِ بْنِ عَبَّادٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ . وَضَعَّفَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيَّ فِي الْحَدِيثِ . قَالَ وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ عَلَى مَنْ تَجِبُ الْجُمُعَةُ فَقَالَ بَعْضُهُمْ تَجِبُ الْجُمُعَةُ عَلَى مَنْ آوَاهُ اللَّيْلُ إِلَى مَنْزِلِهِ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ تَجِبُ الْجُمُعَةُ إِلاَّ عَلَى مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ .
Thuwair narrated from a man among the people of Quba, from his father, who was one of the Companions of the Prophet, that :he said: "The Prophet ordered us to attend the Friday prayer in Quba
। জনৈক সাহাবী হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কুবা পল্লী হতে জুমু'আর নামাযে হাযির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই হাদীসটির সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি আমরা কেবল উল্লেখিত সনদেই জানতে পেরেছি। এ অনুচ্ছেদে সহীহ সনদ সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস নেই। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “এমন ব্যক্তির উপরও জুমুআ ওয়াজিব যে নামায আদায় করে রাতের প্রথম দিকেই নিজ পরিবারে পৌছে যেতে পারে।" এটাও যঈফ হাদীস। কেননা এ হাদীসের এক রাবী আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল-মাকবুরী হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান তাকে দুর্বল বলেছেন। জুমু'আর নামায কার উপর ওয়াজিব তা নিয়ে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। কেউ কেউ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু'আর নামায আদায় করে রাতের মধ্যেই ঘরে পৌছে যেতে পারে তার উপর জুমুআ ওয়াজিব। অন্য একদল মনীষী বলেছেন, যতদূর আযানের শব্দ পৌছে ততদূর পর্যন্ত লোকদের উপর জুমুআ ওয়াজিব। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত দিয়েছেন।
#502Shakir: Very DaifAl-Albani: Very DaifMaarouf: Daif
سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ، يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فَذَكَرُوا عَلَى مَنْ تَجِبُ الْجُمُعَةُ فَلَمْ يَذْكُرْ أَحْمَدُ فِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا . قَالَ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ فَقُلْتُ لأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ أَحْمَدُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ حَدَّثَنَا مُعَارِكُ بْنُ عَبَّادٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْجُمُعَةُ عَلَى مَنْ آوَاهُ اللَّيْلُ إِلَى أَهْلِهِ " . قَالَ فَغَضِبَ عَلَىَّ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَقَالَ لِي اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ . قَالَ أَبُو عِيسَى إِنَّمَا فَعَلَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ هَذَا لأَنَّهُ لَمْ يَعُدَّ هَذَا الْحَدِيثَ شَيْئًا وَضَعَّفَهُ لِحَالِ إِسْنَادِهِ .
Narrator not mentioned:I heard Ahmad bin Husain saying: "We were with Ahmad bin Hanbal, so they mentioned the one upon whom the Friday prayer is obligatory. Ahmad did not mention anything about it from the Prophet." Ahmad bin Al-Hasan said: "I said to Ahmad bin Hanbal: 'There is something about it from Abu Hurairah, from the Prophet.' So Ahmad bin Hanbal said: 'From the Prophet?' I said: 'Yes.'" [Ahmed bin Hanbal said:] "Hajjaj bin Nusair narrated to us; Mubarik bin Abbad narrated to us from Abdullah bin Sa'eed Al-Maqburi, from his father, from Abu Hurairah that the Prophet said: "The Friday prayer is required from whomever can return to his family by the night." He said: "So Ahmad [bin Hanbal] became angry with me, and he said to me: 'Seek forgiveness from your Lord, seek forgiveness from your Lord
। আমি (তিরমিয়ী) আহমাদ ইবনু হাসানকে বলতে শুনেছিঃ আমরা আহমাদ ইবনু হাম্বলের নিকট উপস্থিত ছিলাম। কার উপর জুমুআ ওয়াজিব এ নিয়ে আলোচনা জমে উঠল। আহমাদ ইবনু হাম্বল এ বিষয়ের উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস উল্লেখ করেননি। আহমাদ ইবনু হাসান বলেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বলকে বললাম, আবূ হুরাইরা (রাঃ) এ প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস! আমি বললাম, হ্যাঁ। আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি রাত হতে হতে বাড়ি পৌছতে পারবে তার উপরও জুমুআ ওয়াজিব।” এ হাদীস শুনে আহমাদ ইবনু হাম্বল আমার উপর রেগে গেলেন এবং বললেন, তোমার আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চাও, তোমার আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চাও। খুবই দুর্বল, মিশকাত (১৩৭৬) আবূ ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু হাম্বল একথা এজন্যই বলেছেন, তিনি এ হাদীসকে গণায়ই ধরেন না। কেননা তার সনদ দুর্বল।
#503Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Bukhari
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْجُمُعَةَ حِينَ تَمِيلُ الشَّمْسُ .
Anas bin Malik narrated:"The Prophet would pray the Friday prayer when the sun was declining
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে গেলে জুমু'আর নামায আদায় করতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৯৯৫), বুখারী।
(Another chain) from Anas, :from the Prophet, similarly
। উসমান ইবনু আব্দুর রহমান তাইমীর সূত্রেও আনাস (রাঃ) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে সালামা ইবনুল আকওয়া, জাবির ও যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ মনীষীর মতে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর জুমু'আর ওয়াক্ত শুরু হয়, যেমন যুহরের ওয়াক্ত। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত ব্যক্ত করেছেন। একদল আলিমের মতে, জুমু'আর নামায সূর্য চলে যাওয়ার পূর্বে আদায় করে নিলে তাও জায়িয এবং নামায হয়ে যাবে। ইমাম আহমাদ বলেন, যে ব্যক্তি সূর্য ঢলে যাওয়ার পূর্বে জুমুআ আদায় করে নিল আমর মতে তার নামায আবার আদায় করা তার উপর ওয়াজিব নয়।
#505Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Bukhari And Muslim
Ibn Umar narrated:"The Prophet would give the Khutbah next to the trunk of a date palm. When he [the Prophet] began using the Minbar the trunk cried out for him until he came to it and held it, so it became quiet
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর গাছের গুড়ির সাথে ভর দিয়ে জুমু'আর বক্তৃতা করতেন। যখন মিম্বার তৈরী করা হল খেজুরের গুড়িটা কাঁদতে লাগল। তিনি গাছটির নিকট গেলেন এবং তা স্পর্শ করলেন। ফলে এটা চুপ করল। -সহীহ। সহীহাহ– (২১৭৪), বুখারী। এ অনুচ্ছেদে আনাস, জাবির, সাহল ইবনু সা’দ, উবাই ইবনু কা'ব, ইবনু আব্বাস ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান, গারীব সহীহ। মু'আয ইবনুল 'আলা বাসরার অধিবাসী, তিনি আবু আমর ইবনুল আলা এর ভাই।
#506Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"The Prophet would give a Khutbah on Friday, then sit, then stand and give (another) Khutbah." He said: "Similar to what they do today
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিনে খুতবা দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর উঠে আবার খুতবা দিতেন, যেমন আজকালকার দিনে তোমরা কর। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০০২), ইরওয়া— (৬০৪), বুখারী ও মুসলিম সংক্ষিপ্তভাবে। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ দুই খুতবার মাঝখানে বসে উভয় খুতবার মধ্যে দূরত্ব রচনা করার কথা বলেছেন।
#507Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Jabir bin Samurah narrated:"I would pray with the Prophet, and his prayer was moderate, and his Khutbah was moderate
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করেছি। তার নামায ছিল মাঝারি ধরনের এবং খুতবাও ছিল মাঝারি ধরনের (সংক্ষেপও নয়, দীর্ঘও নয়)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১০৬), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আম্মার ইবনু ইয়াসির ও ইবনু আবৃ আওফা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামুরার হাদীসটি হাসান সহীহ।
#508Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Safwan bin Ya'la bin Umayyah narrated from his father who said:"I heard the Prophet reciting, when on the Minbar: And they will cry: "O Malik (keeper of Hell)!"." [He said:] There are narrations on this topic from Abu Hurairah and Jabir bin Samurah
। সাফওয়ান ইবনু ইয়া'লা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (ইয়া'লা) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের উপর দাড়িয়ে “ওয়া নাদাও ইয়া মালিকু.......” (সূরাঃ যুখরুফ- ৭৭) আয়াত পাঠ করতে শুনেছি। —সহীহ। ইরওয়া- ৩/৭৫), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইয়া'লা ইবনু উমাইয়ার হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। একদল বিদ্বান জুমুআর খুতবায় কুরআনের আয়াত পাঠ করার নীতি অনুসরণ করেছেন। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, ইমাম যদি তার খুতবার মধ্যে কুরআনের আয়াত পাঠ না করে থাকে তবে তাকে আবার খুতবা দিতে হবে।
#509Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Daif
حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَوَى عَلَى الْمِنْبَرِ اسْتَقْبَلْنَاهُ بِوُجُوهِنَا . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَحَدِيثُ مَنْصُورٍ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ . وَمُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ ضَعِيفٌ ذَاهِبُ الْحَدِيثِ عِنْدَ أَصْحَابِنَا . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ يَسْتَحِبُّونَ اسْتِقْبَالَ الإِمَامِ إِذَا خَطَبَ . وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَلاَ يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْءٌ .
Abdullah bin Mas'ud narrated:"When Allah's Messenger descending the Minbar he would face our direction
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বারে উঠতেন তখন আমরা তার দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতাম। —সহীহ। সহীহাহ– (২০৮০), বুখারী অনুরূপ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। উল্লেখিত হাদীসটি যঈফ। কেননা এর এক বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল এবং তার স্মরণশক্তি ক্ষীণ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যরা খুতবা চলাকালে ইমামের দিকে মুখ করে বসা পছন্দ করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম আমল করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে কোন সহীহ হাদীস নেই।
#510Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَصَلَّيْتَ " . قَالَ لاَ . قَالَ " قُمْ فَارْكَعْ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ .
Jabir bin Abdullah narrated:"The Prophet was delivering a Khutbah on Friday when a man came. The Prophet said: 'Have you prayed?' He said no. So he said: 'Then stand and pray.'" Abu Eisa said: This Hadith is Hasan Sahih [It is the most correct thing about this topic]
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর খুতবা দিচ্ছিলেন। এমন সময় একটি লোক এসে উপস্থিত হল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি (তাহিয়াতুল মাসজিদ) নামায আদায় করেছ? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ ওঠো এবং নামায আদায় কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে এটি সর্বাধিক সহীহ হাদীস।
#511Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Daif IsnaadMaarouf: Hasan Sahih
Iyad bin Abdullah bin Abi Sarh narrated:"Abu Sa'eed Al-Khudri entered (the mosque) on Friday while Marwan was giving the Khutbah, so he began praying. Two guards came to make him sit down but he refused until he had prayed. When he finished he came to us and we said: 'May Allah have mercy upon you. They nearly harmed you.' He said: 'I was not going to stop performing them (the two Rak'ah) after what I saw from Allah's Messenger.' Then he mentioned that a man who appeared untidy came on Fridy while the Prophet was delivering the Friday Khutbah, so he ordered him to pray two Rak'ah all the while the Prophet was delivering the Khutbah
। আবদুল্লাহ ইবনু আবু সারহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জুমুআর দিন (মসজিদে) ঢুকলেন। মারওয়ান তখন খুতবা দিচ্ছিল। তিনি নামায আদায় করতে দাড়ালেন। মারওয়ানের চৌকিদার তাকে বসিয়ে দেওয়ার (নামায হতে বিরত রাখার) জন্য আসল। কিন্তু তিনি তা মানলেন না এবং নামায আদায় করলেন। তিনি অবসর হলে আমরা তার নিকট আসলাম। আমরা বললাম, আল্লাহ তা'আলা আপনার উপর দয়া করুন, তারা আপনাকে পরাজিত করার জন্য এসেছিল। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটা করতে দেখেছি। এরপর আমি এ দুই রাকাআত কখনও ছাড়তে পারি না। তারপর তিনি উল্লেখ করলেন, জুমু'আর দিন এক ব্যক্তি তাড়াহুড়া করে উস্ক খুস্ক অবস্থায় মসজিদে আসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন জুমু'আর খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি তাকে নির্দেশ দিলে সে দুই রাকাআত নামায আদায় করল। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিতে থাকলেন। —হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১৩)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসের এক রাবী ইবনু আবী উমার বলেন, ইবনু উআইনা মসজিদে এসে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন; ইমাম তখন খুতবা দিতে থাকতেন। তিনি এটা আদায় করার নির্দেশও দিতেন। আবু আবদুর রহমান আল-মাকবুরীও তাকে এরকম করতে দেখেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু আজলান একজন সিকাহ রাবী এবং হাদীসশাস্ত্রে তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, জাবির এবং সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। একদল আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম মত দিয়েছেন। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, ইমাম যখন খুতবা দিতে থাকেন তখন কোন লোক আসলে সে বসে যাবে এবং নামায আদায় করবে না। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণ এই মত পালন করেন। কিন্তু প্রথম মতই বেশি সহীহ। ‘আলী ইবনু খালিদ আল-কুরাশী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি হাসান আল-বাসরীকে জুমুআর দিন মসজিদে ঢুকতে দেখলাম, ইমাম তখন খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি দুই রাকাআত নামায আদায় করলেন, তারপর বসলেন। হাদীসের অনুসরণ করার জন্যই হাসান এরকমটি করলেন। তিনি এ সম্পর্কিত হাদীস জাবির (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।
#512Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever said: 'Be quiet' while the Imam is giving the Khutbah then he has committed Laghw (useless activity)
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিনে ইমামের খুতবা দানকালে (অন্যকে) বলল, "চুপ কর সে অকারণে কথা বলল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আবু আওফা ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা ইমামের খুতবা চলাকালে কথা বলাকে মাকরূহ বলেছেন। যদি কেউ কথা বলে তবে হাত দিয়ে ইশারায় তাকে থামিয়ে দিবে। কিন্তু তারা সালামের উত্তর দেওয়া ও হাচির জবাব দেওয়ার ব্যাপারে মত পার্থক্য করেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক ইমামের খুতবা চলার সময়ে সালামের উত্তর দেওয়া ও হাচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলার সম্মতি দিয়েছেন। একদল তাবিঈ এটাকে মাকরুহ বলেছেন। ইমাম শাফিঈ এই মত গ্রহণ করেছেন।
Sahl bin Ma'adh bin Anas al Jahni narrated from his father that :Allah's Messenger said: "Whoever steps over the necks of the people on Friday, he has taken a bridge to Hell
। সাহাল ইবনু মুআয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (মুয়ায রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু'আর দিন (নামাযের সময়) যে ব্যক্তি লোকের ঘাড় টপকিয়ে (কাতার ভেদ করে) সামনে যাবার চেষ্টা করল সে যেন (এই কাজ টিকে) জাহান্নামের পুল (সাঁকো) বানাল। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১১১৬) এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। কেবল রিশদীন ইবনু সাদের সূত্রেই আমরা এ হাদীস জানতে পেরেছি। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে লোকদের ঘাড় টপকিয়ে কোন ব্যক্তির সামনে যাওয়া মাকরুহ বলেছেন এবং কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। এ হাদীসের রাবী রিশদীন ইবনু সাদকে কিছু হাদীস বিশারদ স্মরণশক্তির দিক হতে দুর্বল বলেছেন।
Sahl bin Ma'adh narrated from his father:"The Prophet prohibited Al-Habwah on Friday while the Imam is delivering the Khutbah
। সাহল ইবনু মুআয (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর দিনে ইমামের খুতবা চলার সময়ে দুই হাতে (পায়ের) নলা জড়িয়ে ধরে বসতে নিষেধ করেছেন। -হাসান। মিশকাত— (১২৯৩), সহীহ আবু দাউদ- (১০১৭) আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। একদল বিদ্বান জুমুআর দিনে ইমাম খুৎবা দান কালে পায়ের নলা জড়িয়ে ধরে বসাকে মাকরূহ বলেছেন, কিছু কিছু বিদ্বান এর অনুমতি দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তাদের একজন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের এটাই অভিমত।
#515Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Husain narrated:"I heard Umarah bin Rawaibah Ath-Thaqafi - while Bishr bin Marwan was delivering Khutbah and raising his hands in supplication - so Umarah said: 'May Allah disgrace these two insignificant hands, I have seen Allah's Messenger, and he would not do any more than this;'" and Hushaim (one of the narrators) motioned with his index finger
। উমারা ইবনু রুওয়াইবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদিন বিশর ইবনু মারওয়ান জুমুআর খুতবা দেওয়াকালে দু'আ করার সময় উভয় হাত উপরে তুললেন। এতে উমারা বললেন, আল্লাহ এই বেঁটে হাত দুটিকে কুৎসিত করুন। আমি নিশ্চিতরূপে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি নিজের হাত দিয়ে এর বেশি কিছু করতেন না। (অধঃস্তন রাবী) হুশাইম এ কথা বলার সময় নিজের তর্জনী দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০১২), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#516Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَيَّاطُ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ كَانَ الأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ وَإِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ رضى الله عنه زَادَ النِّدَاءَ الثَّالِثَ عَلَى الزَّوْرَاءِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
As-Sa'ib bin Yazid narrated:"The Adhan during the time of Allah's Messenger, Abu Bakr, and Umar was when the Imam came out, [and when] the Iqamah was called for the Salat. Then Uthman [may Allah be pleased with him] added a third call at Az-Zawra
। সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর ও উমর (রাঃ)-এর যুগে ইমাম বের হয়ে আসলে এবং নামায শুরু হওয়ার সময় জুমুআর আযান হত। উসমান (রাঃ) খালীফা হওয়ার পর 'যাওরায় তৃতীয় আযানের প্রচলন করেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩৫), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#517Shakir: ShadhAl-Albani: ShadhZai: Daif
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُكَلَّمُ بِالْحَاجَةِ إِذَا نَزَلَ عَنِ الْمِنْبَرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ . قَالَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدًا يَقُولُ وَهِمَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَالصَّحِيحُ مَا رُوِيَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَأَخَذَ رَجُلٌ بِيَدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَمَا زَالَ يُكَلِّمُهُ حَتَّى نَعَسَ بَعْضُ الْقَوْمِ . قَالَ مُحَمَّدٌ وَالْحَدِيثُ هُوَ هَذَا . وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ رُبَّمَا يَهِمُ فِي الشَّىْءِ وَهُوَ صَدُوقٌ . قَالَ مُحَمَّدٌ وَهِمَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ فِي حَدِيثِ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي " . قَالَ مُحَمَّدٌ وَيُرْوَى عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ فَحَدَّثَ حَجَّاجٌ الصَّوَّافُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي " . فَوَهِمَ جَرِيرٌ فَظَنَّ أَنَّ ثَابِتًا حَدَّثَهُمْ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger would talk as necessary after descending from the Minbar
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বার হতে নামতেন তখন প্রয়োজনবোধে কথা বলতেন। শাজ, ইবনু মাজাহ (১১১৭) আমি (তিরমিয়ী) এ হাদীসটি কেবলমাত্র জারীর ইবনু হাযিমের সূত্রে জানতে পেরেছি। আমি মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, জারীর ইবনু হাযিম এ হাদীসে সংশয়ে পড়ে গেছেন। আনাসের সূত্রে সাবিত যে বর্ণনা করেছেন সেটাই সহীহ। তাতে আছেঃ “নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হল। এমন সময় এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত ধরে কথা বলতে থাকল। এমনকি লোকেরা নিদ্রার আবেশে আচ্ছন্ন হতে লাগল।" মুহাম্মাদ বলেন, আসলে হাদীস হল এটি। কখনও কখনও জারীর ইবনু হাযিম অনুমানে লিপ্ত হন কিন্তু তিনি সত্যবাদী। যেমন এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “নামাযের জন্য ইকামাত হয়ে গেলেও আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা নামাযে দাড়াবে না।" জারীরের বর্ণিত সনদের পরিপ্রেক্ষিতে এ হাদীসটি ভুল কিন্তু অন্য সনদে সহীহ হাদীস। তিনি রাবীদের সনদ বর্ণনায় ত্রুটি করে ফেলেন। যেমন হাদীসটি সাবিত আল-বুনানী আবূ কাতাদা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর সংশয়ের বশবর্তী হয়ে আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত বলেছেন।
#518Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ مَا تُقَامُ الصَّلاَةُ يُكَلِّمُهُ الرَّجُلُ يَقُومُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَمَا يَزَالُ يُكَلِّمُهُ فَلَقَدْ رَأَيْتُ بَعْضَنَا يَنْعَسُ مِنْ طُولِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَهُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Anas narrated:"I saw the Prophet, after the Iqamah was called for Salat, talking to a man who was standing between him and the Qiblah, he did not stop talking, and I saw some of them getting sleepy from his lengthy standing the Prophet
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি ইকামাত হয়ে যাওয়ার পর এক ব্যক্তিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কথা বলতে দেখলাম। লোকটি তার ও কিবলার মাঝখানে দাড়ানো ছিল। সে অনেক সময় কথা বলল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকার ফলে আমি লোকদেরকে নিদ্রার আবেশে আচ্ছন্ন হতে দেখেছি। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১৯৭), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#519Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ubaidullah bin Abi Rafi the freed slave of Allah's Messenger said:"Marwan left Abu Hurairah in charge of Al-Madinah and he went to Makkah. So Abu Hurairah led us in Salat in Friday, reciting Surah Al-Jumuah (in the first Rak'ah) and in the second prostration (Rak'ah): When the hypocrites come to you." Ubaidullah said: "So I caught up with Abu Hurairah and said to him: 'You recited two Surah that Ali recited in Al-Kufah. Abu Hurairah said: 'Indeed I heard Allah's Messenger reciting them
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আযাদকৃত গোলাম আবু রাফি (রাঃ)-এর পুত্র উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একবার মারওয়ান আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে মাদীনায় তার প্রতিনিধি করে মক্কায় চলে গেলেন। আবু হুরাইরা (রাঃ) আমাদের জুমু'আর নামায আদায় করালেন। তিনি প্রথম রাকাআতে সূরা জুমুআ এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ইযা জাআকাল মুনাফিকূন পাঠ করলেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, আমি আবু হুরাইরার সাথে দেখা করে তাকে বললাম, আপনি এমন দুটি সূরা পাঠ করলেন যা আলী (রাঃ) কুফায় পাঠ করতেন। আবু হুরাইরা (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ দুটো সূরা পাঠ করতে শুনেছি। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১৮), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, নুমান ইবনু বাশীর ও আবু ইনাবা আল-খাওলানী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। অপর এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর নামাযে সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা’ ও ‘হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়া সূরা পাঠ করতেন। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবী রাফি আলী (রাঃ)-এর কাতিব (সচিব) ছিলেন।
#520Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Abbas narrated:"For the Fajr prayer on Friday, Allah's Messenger would recite: Alif Lam Mem (which is) revealed in (Surat) As-Sajdah and, Has there not been over man
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন ফজরের নামাযে তানযীলুস সিজদা এবং হাল আতা 'আলাল ইনসান সূরা দুটি পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮২১), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে সা’দ, ইবনু মাসউদ ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। সুফিয়ান সাওরী ও অন্যরা এ হাদীসটি মুখাওয়ালের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
#521Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Salim narrated from his father:"The Prophet would pray two Rak;ah after the Friday prayer
। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর (ফরযের) পরে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩১), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নাফি (রহঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ ও আহমাদ একই রকম কথা বলেছেন।
#522Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا صَلَّى الْجُمُعَةَ انْصَرَفَ فَصَلَّى سَجْدَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ ذَلِكَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Nafi narrated about Ibn Umar:"When he prayed the Friday prayer, he left and prayed two prostrations (Rak'ah) in his house. Then he said: 'Allah's Messenger would do this
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি জুমুআর (ফরয) নামায শেষ করে বাড়িতে গিয়ে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। তারপর তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩০), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#523Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever among you is to pray after the Friday prayer, then let him pray four
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমু'আর নামাযের পর নামায আদায় করতে চায় সে যেন চার রাকাআত আদায় করে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩২)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন, সুহাইল ইবনু আবু সালিহ হাদীসশাস্ত্রে একজন নির্ভরযোগ্য রাবী। একদল আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) জুমুআর (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে চার রাকাআত (সুন্নাত) নামায আদায় করতেন। আলী (রাঃ) প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, তিনি জুমু'আর পর দুই রাকাআত তারপর চার রাকাআত আদায় করার হুকুম দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী ও ইবনুল মুবারাক (রহঃ) ইবনু মাসউদের মত গ্রহণ করেছেন। ইসহাক বলেছেন, জুমুআর দিন যদি মসজিদে (সুন্নাত) নামায আদায় করা হয় তবে চার রাক'আত আদায় করবে আর যদি ঘরে আদায় করে তবে দুই রাকাআত আদায় করবে। তিনি দলীল হিসাবে এ হাদীস উল্লেখ করেছেন, وَاحْتَجَّ بِأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْجُمُعَةِ رَكْعَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর পর বাড়িতে গিয়ে দুই রাকাআত (সুন্নাত) নামায আদায় করেছেন।” তিনি আরে বলেছেনঃ وَحَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَانَ مِنْكُمْ مُصَلِّيًا بَعْدَ الْجُمُعَةِ فَلْيُصَلِّ أَرْبَعًا “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমুআর (ফরযের) পরে নামায আদায় করতে চায় সে যেন চার রাক’আত আদায় করে।" আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমার (রাঃ) যিনি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন, “জুমুআর পর তিনি বাড়িতে গিয়ে দুই রাকাআত আদায় করতেন।” তিনিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু”আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে জুমু'আর নামাযের পর মসজিদেই দুই রাকাআত নামায আদায় করেছেন, তারপর চার রাকাআত আদায় করেছেন। আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-কে জুমু'আর (ফরয নামাযের) পর দুই রাকাআত তারপর চার রাকাআত নামায আদায় করতে দেখেছি। -সহীহ। আবু দাউদ (১০৩৫, ১০৩৮) আমর ইবনু দীনার বলেন, যুহরীর চাইতে ভালভাবে হাদীস বর্ণনা করতে আমি আর কাউকে দেখতে পাইনি এবং তার মত আর কাউকে ধন-দৌলতকে তুচ্ছ ভাবিতে দেখিনি। তার দৃষ্টিতে ধন-দৌলত উটের মলতুল্য তুচ্ছ জিনিস। আমর ইবনু দীনার যুহরীর চাইতে বেশি বয়সী ছিলেন।
#524Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "Whoever catches a Rak'ah of the Salat then he has caught the Salat
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি (ইমামের সাথে) এক রাকাআত নামায পেল সে পূর্ণ নামায পেল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১২২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা ও অন্যান্যরা উল্লেখিত হাদীসের পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, যে ব্যক্তি ইমামের সাথে জুমুআর এক রাকাআত নামায পায় সে এর সাথে বাকী রাকাআত পূর্ণ করবে। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় রাকাআতের বৈঠকে জামা'আতে উপস্থিত হয় সে চার রাকাআত (যুহর) আদায় করবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন।
#525Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، رضى الله عنه قَالَ مَا كُنَّا نَتَغَدَّى فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ نَقِيلُ إِلاَّ بَعْدَ الْجُمُعَةِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضى الله عنه . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Sahl bin Sa'd narrated:"We would not have lunch during the time of Allah's Messenger, nor would we have a siesta, until after the Friday prayer
। সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে জুমুআর নামাযের পরেই দুপুরের খাবার খেতাম ও বিশ্রাম নিতাম। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৯৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#526Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated that :the Prophet said: "When one of you becomes sleepy during the Friday prayer, then let him move from where he is sitting
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমুআর দিন তোমাদের কোন ব্যক্তির ঘুমের আবেশ আসলে সে যেন নিজ জায়গা হতে উঠে যায়। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০২৫), তা’লীক ইবনু খুজাইমাহ (১৮১৯) আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet sent Abdullah bin Rawahah to lead a military detachment, and that corresponded to a Friday. So his companions left early in the day, and he said: 'I will remain behind to pray with Allah's Messenger then meet up with them.' When he prayed with the Prophet, he saw him and said: 'What prevented you from leaving earlier with your companions?' He said: 'I wanted to pray with you then meet up with them.' He said: 'If you have spent [all of] what is in the earth, you would not have achieved the virtue you have had you left early in the day with them
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-কে একটি সৈন্য বাহিনীর সাথে পাঠালেন। ঘটনাক্রমে তা ছিল জুমুআর দিন। তার সঙ্গীরা সকাল বেলা রাওয়ানা হয়ে গেলেন। তিনি বললেন, আমি পিছনে থেকে যেতে চাই, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করব, তারপর তাদের সাথে মিলিত হব। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে ফেললেন। তিনি তাকে বললেন সকাল বেলা তোমার সঙ্গীদের সাথে একত্রে যেতে কোন জিনিস তোমাকে বাধা দিল? তিনি বললেন, আমি আপনার সাথে নামায আদায় করার ইচ্ছা করেছি, তারপর তাদের সাথে গিয়ে মিলিত হব। তিনি বললেনঃ দুনিয়ার সমস্ত কিছু ব্যয় করলেও তুমি সকাল বেলায় চলে যাওয়া দলের সমান ফাযীলাত ও মর্যাদা লাভ করতে পারবে না। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেনঃ এটা গারীব হাদীস। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উল্লেখিত সনদেই জেনেছি। শুবা বলেছেন, হাকাম মিকসামের নিকট মাত্র পাঁচটি হাদীস শুনেছেন। শুবা হাদীসগুলো গণনা করেছেন কিন্তু তার মধ্যে উল্লেখিত হাদীসটি নেই। সম্ভবত হাকাম এ হাদীসটি মিকসামের নিকট শুনেননি। জুম'আর দিন সফর প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতের অমিল আছে। একদল বলেছেন, যদি নামাযের ওয়াক্ত উপস্থিত না হয় তবে জুমুআর দিন সফরে বের হওয়ায় কোন সমস্যা নেই। অপর একদল বলেছেন, শুক্রবার সকাল হওয়ার পর জুমু'আর নামায আদায়ের আগে সফরে বের হবে না।
Al-Bara bin Azib narrated that :Allah's Messenger said: "It is a duty for the Muslims, that they perform Ghusl on Friday, and that each of them wear some of his family's perfume. If he does not find any, then water is a perfume for him
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের কর্তব্য হল, তারা যেন জুমু'আর দিন গোসল করে। তাদের প্রত্যেকে যেন নিজ পরিবারে সুগন্ধি থাকলে তা ব্যবহার করে। তা না পাওয়া গেলে গোসলের পানিই তার জন্য সুগন্ধি। যঈফ, মিশকাত (১৪০০) এ অনুচ্ছেদে আবূ সাঈদ ও একজন আনসারী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীস হাসান। উল্লেখিত হাদীসটি হুশাইম ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ হতে উক্ত সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হুশাইমের এ বর্ণনাটি পূর্ববতী ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমের বর্ণনার চেয়ে বেশী উত্তম। কেননা পূর্ববর্তী সনদের রাবী ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমকে হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল বলা হয়েছে।