Ibn Abbas narrated that :the Prophet said: "Jibril (peace be upon him) led me (in Salat) twice at the House. So he prayed Zuhr the first time when the shadow was similar to (the length of) the strap a sandal. Then he prayed Asr when everything was similar (to the length of) its shadow. Then he prayed Maghrib when the sun had set and the fasting person breaks fast. Then he prayed Isha when the twilight had vanished. Then he prayed Fajr when Fajr (dawn) began, and when eating is prohibited for the fasting person. The second time he prayed Zuhr when the shadow of everything was similar to (the length of) it, at the time of Asr the day before. Then he prayed Asr when the shadow of everything was about twice as long as it. Then he prayed Maghrib at the same time as he did the first time. Then he prayed Isha, the later one, when a third of the night had gone. Then he prayed Subh when the land glowed. Then Jibril turned towards me and said: "O Muhammad! These are the times of the Prophets before you, and the (best) time is what is between these two times
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জিবরীল (আঃ) কা'বা শরীফের চত্বরে দু'বার আমার নামাযে ইমামতি করেছেন। তিনি প্রথমবার যুহরের নামায আদায় করালেন যখন প্রতিটি জিনিসের ছায়া জুতার ফিতার মত ছিল। অতঃপর তিনি আসরের নামায আদায় করালেন যখন কোন বস্তুর ছায়া তার সমান ছিল। অতঃপর মাগরিবের নামায আদায় করালেন যখন সূর্য ডুবে গেল এবং যে সময়ে রোযাদার ইফতার করে। অতঃপর ইশার নামায আদায় করালেন যখন লাল বর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেল। অতঃপর ফযরের নামায আদায় করালেন যখন ভোর বিদ্যুতের মত আলোকিত হল এবং যে সময় রোযাদারের উপর পানাহার হারাম হয়। তিনি (জিবরীল) দ্বিতীয় এবং পূর্ববর্তী দিন ঠিক যে সময় আসরের নামায আদায় করেছিলেন। অতঃপর আসরের নামায আদায় করালেন যখন কোন বস্তুর ছায়া তার দ্বিগুণ হল। অতঃপর মাগরিবের নামায আদায় করালেন পূর্বের দিনের সময়ে। অতঃপর ‘ইশার নামায আদায় করালেন যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ চলে গেল এবং ফযরের নামায আদায় করালেন যখন যমিন আলোকিত হয়ে গেল। অতঃপর জিবরীল (আঃ) আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, হে মুহাম্মাদ! এটাই হল আপনার পূর্ববর্তী নবীদের (নামাযের) ওয়াক্ত। নামাযের ওয়াক্ত এই দুই সীমার মাঝখানে। —হাসান সহীহ। মিশকাত— (৫৮৩), ইরওয়া— (২৪৯), সহীহ আবু দাউদ- (৪১৬)। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, বুরাইদা, আবু মূসা, আবু মাসউদ, আবু সাঈদ, জাবির, আমর ইবনু হাযাম, বারাআ ও আনাস (রাঃ) হতেও বর্ণনাকৃত হাদীস রয়েছে।
#150Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan
أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، أَخْبَرَنِي وَهْبُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَمَّنِي جِبْرِيلُ " . فَذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ بِمَعْنَاهُ . وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ " لِوَقْتِ الْعَصْرِ بِالأَمْسِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ . وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَالَ مُحَمَّدٌ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي الْمَوَاقِيتِ حَدِيثُ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ وَحَدِيثُ جَابِرٍ فِي الْمَوَاقِيتِ قَدْ رَوَاهُ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ وَعَمْرُو بْنُ دِينَارٍ وَأَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
Jabir bin Abdullah narrated that :Allah's Messenger said: "Jibril led me (in Salat)". He mentioned something similar to the Hadith of Ibn Abbas (no. 149) in meaning, but he did not mention: "At the time of Asr the day before
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জিবরীল (আঃ) আমার ইমামতি করলেন, হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা ইবনু আব্বাসের হাদীসের মত। তবে এ হাদীসে আসরের নামায সম্পর্কে “গতকাল” শব্দটির উল্লেখ নেই। -সহীহ। ইরওয়া- (২৫০), সহীহ আবু দাউদ- (৪১৮)। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ এবং জাবির (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেন, নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণিত জাবিরের হাদীসটি সনদের দৃষ্টিকোণ হতে সবচাইতে সহীহ। ওয়াক্ত সম্পর্কিত জাবিরের হাদীসটি “আতা ইবনু আবী রাবাহ আমর ইবনু দীনার ও আবু যুবাইর জাবির হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ওয়াহব ইবনু কাইসানের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Indeed for (the time of) Salat (there is a) beginning and an end. The beginning of the time for the Zuhr prayer is when the sun passes the zenith, and the end of its time is when the time for Asr enters. The beginning of the time for the Asr [prayer] is when its time enters, and the end of its time is when the sun yellows (turns pale). The beginning of the time of Maghrib is when the sun as set, and the end of its time is when the twilight has vanished (i.e., the horizon is invisible because of darkness). The beginning of the time for Isha, the later one, is when the horizon has vanished, and the end of its time is when the night is at its half. The beginning of the time for Fajr is when Fajr begins, and its end is when the sun rises
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযের ওয়াক্তের শুরু ও শেষ সীমা রয়েছে। যুহরের নামাযের শুরুর সময় হচ্ছে যখন (সূর্য পশ্চিম দিকে) ঢলতে শুরু করে এবং শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে আসরের ওয়াক্ত শুরু হওয়া। আসরের প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে যখন আসরের ওয়াক্ত প্রবেশ করে (যুহরের শেষ সময়) এবং তার শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে যখন সূর্যের আলো হলুদ রং ধারণ করে। মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে সূর্য ডুবে যাওয়ার পর এবং তার শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে যখন শাফাক চলে যায়। ইশার প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে যখন শাফাক বিলীন হয়ে যায়, আর তার শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে যখন অর্ধেক রাত চলে যায়। ফযরের নামাযের প্রথম ওয়াক্ত যখন ভোর শুরু হয় এবং তার ওয়াক্ত শেষ হয় যখন সূর্য উঠা শুরু হয়। -সহীহ। আস-সহীহাহ- (১৬৯৬)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে মুজাহিদ হতে আমাশের সূত্রে বর্ণনাকৃত হাদীসটি আমাশ হতে মুহাম্মাদ ইবনু ফুযাইলের সূত্রে বর্ণিত হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ। কেননা মুহাম্মাদ ইবনু ফুযাইল রাবীদের সনদের ধারা বর্ণনায় ক্রটি করেছেন। মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কথিত আছে যে, নামাযের ওয়াক্তের শুরু এবং শেষ প্রান্ত রয়েছে। এ হাদীসটি অর্থ ও বিষয়বস্তুর দিক হতে মুহাম্মদ ইবনু ফুযাইল হতে আমাশের সূত্রে বর্ণিত হাদীসের মতই।
#152Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Sulaiman bin Buraidah narrated that his father said:"A man came to the Prophet to ask him about the times for Salat. So he said: 'Stay with us, In sha Allah.' So he ordered Bilal to call the Iqamah when Fajr began, then he ordered him to call the Iqamah when the Sun passed the zenith, then he prayed Zuhr. Then he ordered him to call the Iqamah to pray Asr while the sun was elevated and white. Then he ordered him (to call the Iqamah for) Maghrib when the (top) edge of the sun had set. Then he ordered him to call the Iqamah for Isha when the horizon (twilight) had vanished. Then he ordered him in the morning (to give the call for Fajr prayer), when the light of Fajr glowed. Then he ordered (him to call the Iqamah for) Zuhr, so he waited well until it had cooled. Then he ordered (him to call the Iqamah for) Asr, so he calIed the Iqamah while the sun was later in its position than what it was (the day before). Then he ordered him to delay Maghrib until right before the twilight had disappeared. Then he ordered (him to call the Iqamah for) Isha, so he called the Iqamah when a third of the night had passed. Then he said: 'Where is the one who asked about he times for the Salat?' So the man said, 'It is I.' So he said: 'The times [or the Salat are what are between these two]
। সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (বুরাইদা) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ নবী আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তাকে নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা চান তো তুমি আমাদের সংগে থাক। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে নির্দেশ দিলেন এবং সে অনুযায়ী তিনি ভোর (সুবহি সাদিক) উদয় হলে ফযরের নামাযের ইকামাত দিলেন। তিনি আবার নির্দেশ দিলেন এবং সূর্য ঢলে গেলে তিনি (বিলাল) ইকামাত দিলেন। অতঃপর তিনি যুহরের নামায আদায় করালেন। তিনি আবার নির্দেশ দিলে বিলাল ইকামাত দিলেন। তখন সূর্য অনেক উপরে ছিল এবং আলোক উদ্ভাসিত ছিল। অতঃপর তিনি ‘আসরের নামায আদায় করালেন। অতঃপর সূর্য ডুবে যাওয়ার সাথে সাথে তিনি তাকে মাগরিবের নামাযের ইকামাত দেয়ার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি তাকে ইশার নামাযের (ইকামাতের) নির্দেশ দিলেন। শাফাক অদৃশ্য হলে তিনি ইকামাত দিলেন। পরবর্তী সকালে তিনি তাকে (ইকামাতের) নির্দেশ দিলেন। ভোর খুব পরিষ্কার হওয়ার পর তিনি ফযরের নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি তাকে যুহরের নামাযের (ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের) নির্দেশ দিলেন এবং (সূর্যের তাপ) যথেষ্ট ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত দেরি করে নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি তাকে আসরের নামাযের নির্দেশ দিলেন, সে অনুযায়ী তিনি (বিলাল) সূর্য শেষ সীমায় এবং পূর্ব দিনের চেয়ে অনেক নীচে নেমে আসলে ইকামাত দিলেন [অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামায আদায় করালেন]। অতঃপর তিনি তাকে (ইকামাতের) নির্দেশ দিলেন এবং শাফাক অদৃশ্য হওয়ার সামান্য পূর্বে মাগরিবের নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি তাকে ইশার নামাযের ইকামাত দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং সে অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশ রাত চলে যাবার পর ইকামাত দিলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? লোকটি বলল, আমি। তিনি বললেনঃ নামাযের সময় এই দুই সীমার মাঝখানে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৬৭), মুসলিম। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান, গারীব সহীহ। শুবাও এ হাদীসটি আলকামাহ ইবনু মারসাদ হতে বর্ণনা করেছেন।
#153Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:"Allah's Messenger would pray Subh (at such time that) the women would leave (after the prayer)" - AI-AnsarI (one of the narrators) said - the women would pass by wrapped in their Mirts and they would not be recognizable due to the darkness." And Qutaibah said: "covered." (instead of "wrapped)
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযরের নামায আদায় করতেন, অতঃপর মহিলারা ফিরে আসতেন। আনসারীর বর্ণনায় আছে– মহিলারা নিজেদের চাদর মুড়িয়ে চলে যেতেন এবং অন্ধকারের মধ্যে তাদের চেনা যেত না। কুতাইবার বর্ণনায় (মুতালাফফিফাতিন শব্দের স্থলে) মুতালাফফি'আতিন’ শব্দ রয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৬৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, আনাস ও কাইলা বিনতু মাখরামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। যুহরী হাদীসটি উরওয়া হতে তিনি আয়িশাহ হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিছু সাহাবা যেমন, আবু বাকার ও উমর (রাঃ) এবং তাদের পরবর্তীগণ অন্ধকার থাকতেই ফযরের নামায আদায় করা মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই মত ব্যক্ত করেছেন।
#154Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Rafi bin Khadlj said:"I heard Allah's Messenger saying: 'Perform Fajr at AI-Isfar, for indeed its reward is greater
। রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা ফযরের নামায (ভোরের অন্ধকার) ফর্সা করে আদায় কর। কেননা তাতে অনেক সাওয়াব রয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৭২)। শুবা ও সুফিয়ান সাওরী মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাকের সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু আজলান ও আসিম ইবনু উমারের সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ অনুচ্ছেদে আবু বারযা, জাবির এবং বিলাল (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ রাফি' (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একাধিক বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈন অন্ধকার চলে যাওয়ার পর ফযরের নামায আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী এ মত গ্রহণ করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক বলেছেন, (অন্ধকার) ফর্সা হওয়ার অর্থ হচ্ছে- সন্দেহাতীতরূপে ভোর হওয়া। কিন্তু ফর্সা হওয়ার অর্থ এই নয় যে, নামায দেরি করে আদায় করতে হবে।
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا كَانَ أَشَدَّ تَعْجِيلاً لِلظُّهْرِ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ مِنْ أَبِي بَكْرٍ وَلاَ مِنْ عُمَرَ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَخَبَّابٍ وَأَبِي بَرْزَةَ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَأَنَسٍ وَجَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ . قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ وَقَدْ تَكَلَّمَ شُعْبَةُ فِي حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ مِنْ أَجْلِ حَدِيثِهِ الَّذِي رَوَى عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " مَنْ سَأَلَ النَّاسَ وَلَهُ مَا يُغْنِيهِ " . قَالَ يَحْيَى وَرَوَى لَهُ سُفْيَانُ وَزَائِدَةُ وَلَمْ يَرَ يَحْيَى بِحَدِيثِهِ بَأْسًا . قَالَ مُحَمَّدٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي تَعْجِيلِ الظُّهْرِ .
Aishah narrated:"I have not seen anyone who hastened Zuhr more than Allah's Messenger nor Abu Bakr, nor Umar
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকার ও উমার (রাঃ)-এর তুলনায় অন্য কাউকে আমি যুহরের নামায তাড়াতাড়ি আদায় করতে দেখিনি (ওয়াক্ত শুরু হলেই তারা নামায আদায় করে নিতেন)। সনদ দুর্বল। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদিল্লাহ, খাব্বাব, আবূ বারযা, ইবনু মাসউদ, যাইদ ইবনু সাবিত, আনাস ও জাবির ইবনু সামূরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, আইশা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। সাহাবায়ে কিরাম ও তাদের পরবর্তী বিদ্ধানগণ আওয়াল (প্রথম) ওয়াক্তে নামায আদায় করা পছন্দ করেছেন। আলী ইবনুল মাদানী বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ বলেছেন, হাকীম ইবনু জুবাইর (রাহঃ) ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস,مَنْ سَأَلَ النَّاسَ وَلَهُ مَا يُغْنِيهِ “প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি মানুষের নিকট প্রার্থনা করে।" বর্ণনা করার প্রেক্ষিতে শুবাহ তার (হাকীমের) সমালোচনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু মুঈন বলেন, সুফইয়ান এবং যায়িদাহ তার (হাকীম) নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু মুঈন তার (হাকীম) বর্ণিত হাদীসে কোন ত্রুটি আছে বলে মনে করেন না। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেনঃ যুহরের নামায আওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা সম্পর্কিত আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ -এর হাদীসটি হাকীম ইবনু জুবাইর সাঈদ ইবনু জুবাইরের সূত্রেও বর্ণনা করেছেন।
#156Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Bukhari
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger prayed Zuhr when the sun had passed the zenith
। আনাস ইবনু মালিক হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে পড়লে যুহরের নামায আদায় করেছেন। —সহীহ। বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি সহীহ। এ অনুচ্ছেদে এ হাদীসটি সবেত্তম। এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।
#157Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "In very hot weather, delay the (Zuhr) prayer until it becomes (a bit) cooler, because the severity of heat is from the raging of the Hell
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন (সূর্যের) উত্তাপ বেড়ে যায়, তখন তোমরা ঠাণ্ডা করে নামায আদায় কর (বিলম্ব করে নামায আদায় কর)। কেননা প্রচণ্ড উত্তাপ জাহান্নামের নিঃশ্বাস হতে হয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৭৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ, আবু যার, ইবনু উমার, মুগীরা, কাসিম ইবনু সাফওয়ান তার পিতার সূত্রে, আবু মূসা, ইবনু আব্বাস ও আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে উমর (রাঃ)-এর একটি বর্ণনাও রয়েছে। কিন্তু এ বর্ণনাটি সহীহ নয়। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞদের একদল গরমের মওসুমে যুহরের নামায বিলম্বে আদায় করা পছন্দ করেছেন। ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক। ইমাম শাফিঈ বলেন, লোকেরা যখন দূরদূরান্ত হতে মসজিদে আসে তখন যুহরের নামায ঠাণ্ডার সময় আদায় করার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তি একাকি নামায আদায় করে অথবা নিজের গোত্রের মসজিদে নামায আদায় করে- খুব গরমের সময়েও আমি তার জন্য প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা উত্তম মনে করি। আবু ঈসা বলেনঃ অত্যধিক গরমের সময়ে যারা বিলম্বে যুহরের নামায আদায়ের কথা বলেন, তাদের মত অনুসরণযোগ্য। কিন্তু আবু যার (রাঃ)-এর হাদীস ইমাম শাফিঈর বক্তব্যের (দূর হতে আসা মুসল্লীর কারণে যুহরের নামায ঠাণ্ডার সময়ে আদায়ের নির্দেশ রয়েছে, কেননা তাতে তাদের কষ্ট কম হবে) পরিপন্থী। আবু যার (রাঃ) বলেনঃ “আমরা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। বিলাল (রাঃ) যুহরের নামাযের আযান দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে বিলাল! শীতল কর (গরমের তীব্রতা কমতে দাও)। তারপর শীতল করা হল (বিলম্বে নামায আদায় করা হল)।” ইমাম শাফিঈর বক্তব্য অনুযায়ী শীতল করার অর্থ যদি তাই হত তবে এ সময়ে শীতল করার কোন অর্থই হয় না। কেননা সফরের অবস্থায় সবাই একই স্থানে সমবেত ছিল, দূর হতে কারো আসার কোন প্রশ্নই ছিল না।
#158Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُهَاجِرٍ أَبِي الْحَسَنِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي سَفَرٍ وَمَعَهُ بِلاَلٌ فَأَرَادَ بِلاَلٌ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ " أَبْرِدْ " . ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَبْرِدْ فِي الظُّهْرِ " . قَالَ حَتَّى رَأَيْنَا فَىْءَ التُّلُولِ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَبْرِدُوا عَنِ الصَّلاَةِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Abu Dharr narrated:"Allah's Messenger was on a journey and Bilal was with him. So he wanted to call for the prayer, but he (the Prophet) said: 'Let it get cooler.' Then he wanted to call for the prayer, so Allah's Messenger said: 'Let it get to the cooler time of Zuhr.'" He (i.e., Abu Dharr) said: "Until we saw the shadows of the hillocks, then he commanded that the Iqamah be called and then led the people in prayer. Allah's Messenger said: 'The severity of heat is from the raging of Hell, so wait until it becomes cooler for the (Zuhr) prayer
। আবু যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। বিলাল (রাঃ)-ও তার সাথে ছিলেন। তিনি ইকামাত দিতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “যুহরকে শীতল কর।” আবু যার (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আবার ইকামাত দিতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যুহরের নামায আরও শীতল করে আদায় কর। আবু যার (রাঃ) বলেন, এমনকি আমরা যখন বালির স্তুপের ছায়া দেখতে পেলাম তখন তিনি ইকামাত দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করালেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাস। তোমরা শীতল করে (রোদের তাপ কমলে) নামায আদায় কর”। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৪২৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#159Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ مِنْ حُجْرَتِهَا . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ وَأَبِي أَرْوَى وَجَابِرٍ وَرَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ . قَالَ وَيُرْوَى عَنْ رَافِعٍ أَيْضًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي تَأْخِيرِ الْعَصْرِ وَلاَ يَصِحُّ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ وَعَائِشَةُ وَأَنَسٌ وَغَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ التَّابِعِينَ تَعْجِيلُ صَلاَةِ الْعَصْرِ وَكَرِهُوا تَأْخِيرَهَا . وَبِهِ يَقُولُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
Urwah narrated from Aishah:"Allah's Messenger prayed Asr while the sun was (shining) in her chamber, (and) no shadow appeared in her chamber
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, (একদিন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামায আদায় করালেন, তখনও সূর্যের কিরণ তার (আয়িশাহ'র) ঘরের মধ্যে ছিল এবং ছায়াও (দীর্ঘ না হওয়ার ফলে) তার ঘরের বাইরে যায়নি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৮৩)। এ অনুচ্ছেদে আনাস, আবু আরওয়া, জাবির ও রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। রাফি' (রাঃ) হতে আসরের নামায বিলম্বে আদায় করা সম্পর্কিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ বর্ণনাটি সহীহ নয়। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু বিশেষজ্ঞ সাহাবা ‘আসরের নামায শীঘ্রই (প্রথম ওয়াক্তে) আদায় করা পছন্দ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন উমার, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আয়িশাহ ও আনাস (রাঃ)। একাধিক তাবিঈও এ মত গ্রহণ করেছেন এবং দেরিতে ‘আসরের নামায আদায় করা মাকরুহ বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও একথা বলেছেন।
#160Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Ala bin Abdur-Raman narrated that :he visited Anas bin Malik in his home in Al Basrah after finishing Zuhr, and his home was next to the Masjid. So he said: 'Stand to pray Asr." He (Al-Ala) said: "So we stood to pray. When we were finished he (Anas) said: 'I heard Allah's Messenger saying: "That is the prayer of the hypocrite. He sits watching the sun, until when it is between the horns of the Shaitan he stands and pecks out four (units of prayer), not remembering Allah in them but a little
আলা ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বসরায় আনাস (রাঃ)-এর বাড়িতে আসলেন। তিনি তখন যুহরের নামায আদায় করে বাসায় ফিরে এসেছেন। তার ঘরটি মসজিদের পাশেই ছিল। তিনি (আনাস) বললেন, উঠো এবং আসরের নামায আদায় কর। আলা বলেন, আমরা উঠে গিয়ে আসরের নামায আদায় করলাম। আমরা যখন নামায শেষ করলাম তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ এটা মুনাফিকের নামায- যে বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে, যখন সূর্য শাইতানের দুই শিং এর মাঝখানে এসে যায় তখন উঠে চারটি ঠোকর মারে এবং তাতে আল্লাহ তা'আলাকে খুব কমই স্মরণ করে। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৪২০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#161Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَشَدَّ تَعْجِيلاً لِلظُّهْرِ مِنْكُمْ وَأَنْتُمْ أَشَدُّ تَعْجِيلاً لِلْعَصْرِ مِنْهُ .
Umm Salamah narrated:"Allah's Messenger would hasten Zuhr more than you (people), while you (people) hasten Asr more than him
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের নামায তোমাদের চেয়ে বেশি তাড়াতাড়ি (প্রথম ওয়াক্তে) আদায় করতেন। আর তোমরা আসরের নামায তার চেয়ে অধিক সকালে আদায় কর। —সহীহ। মিশকাত— (৬১৯৫) দ্বিতীয় তাহকীক। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু উলাইয়্যা- ইবনু জুরাইজ হতে, ইবনু আবী মুলাইকার সূত্রে উম্মু সালমাহ হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
Similar narration is reported by Bishr ibn Mu'adh Al-Bari who said that :Isma'il ibn Ulayyah narrated to him from Ibn Juraij. This latter chain is more correct
। বিশর ইবনু মুআয, ইসমাঈল ইবনু উলাইয়্যা হতে ইবনু জুরাইজের সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। —আর এই বর্ণনাটি অধিক সহীহ।
#164Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْمَغْرِبَ إِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَتَوَارَتْ بِالْحِجَابِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَالصُّنَابِحِيِّ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ وَأَنَسٍ وَرَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ وَأَبِي أَيُّوبَ وَأُمِّ حَبِيبَةَ وَعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَابْنِ عَبَّاسٍ . وَحَدِيثُ الْعَبَّاسِ قَدْ رُوِيَ مَوْقُوفًا عَنْهُ وَهُوَ أَصَحُّ . وَالصُّنَابِحِيُّ لَمْ يَسْمَعْ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ صَاحِبُ أَبِي بَكْرٍ رضى الله عنه . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ مِنَ التَّابِعِينَ اخْتَارُوا تَعْجِيلَ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ وَكَرِهُوا تَأْخِيرَهَا حَتَّى قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لَيْسَ لِصَلاَةِ الْمَغْرِبِ إِلاَّ وَقْتٌ وَاحِدٌ وَذَهَبُوا إِلَى حَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَيْثُ صَلَّى بِهِ جِبْرِيلُ . وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ .
Salmah bin AI-Akwa narrated:"Allah's Messenger prayed Maghrib when the sun had set and it (the sun) had hidden in the veil (of darkness)
। সালামাহ ইবনুল আকওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন সূর্য ডুবে পর্দার অন্তরালে চলে যেত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের নামায আদায় করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৮৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবীর, সুনাবিহী, যাইদ ইবনু খালিদ, আনাস, রাফি ইবনু খাদিজ, আবু আইউব, উম্মু হাবিবা, আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসটি মাওকুফ হিসাবেও বর্ণিত হয়েছে এবং এটাই বেশি সহীহ। সুনাবিহী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস শুনেননি, তিনি আবু বাকার (রাঃ)-এর সাখী। আবু ঈসা বলেনঃ সালামাহ ইবনুল আকওয়া (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা এবং তাদের পরবর্তীগণ মাগরিবের নামায সকাল সকাল (সূর্য ডুবে যাওয়ার সাথে সাথে) আদায় করা পছন্দ করতেন এবং দেরি করা মাকরূহ মনে করতেন। কোন কোন বিদ্বান এরূপ পর্যন্ত বলেছেন যে, মাগরিবের নামাযের জন্য একটি মাত্র ওয়াক্ত নির্ধারিত। তারা জিবরীলের ইমামতিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায আদায় করা সম্পর্কিত হাদীসের উপর আমল করেছেন। ইবনুল মুবারাক ও শাফিঈ এ মত ব্যক্ত করেছেন।
#165Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
An-Nu'man bin Bashir said:"I am the most knowledgeable among the people about the prescribed time of this prayer: Allah's Messenger would pray it when the moon set on the third (of the month)
নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি অন্যদের তুলনায় এ (ইশার) নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে বেশি ভাল জানি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত গেলে এ নামায আদায় করতেন। —সহীহ। মিশকাত— (৬১৩), সহীহ আবু দাউদ- (৪৪৫)।
An-Nu'man bin Bashir said:A similar narration (from another chain linking to) this chain is also reported
। এ হাদীসটি নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে মুহাম্মদ ইবনু আবান, আব্দুর রহমান ইবনু মাহদীর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হুশাইম বর্ণনা করেছেন আবু বিশর হতে, তিনি হাবীব ইবনু সালিম হতে তিনি নুমান ইবনু বাশীর হতে। হুশাইম তার বর্ণনায় বাশীর ইবনু সাবিতের উল্লেখ করেননি। আমাদের মতে আবু আওয়ানার সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি সর্বাধিক সহীহ। কেননা ইয়াযীদ ইবনু হারুন শুবা হতে, তিনি আবু বিশর হতে আবু আওয়ানার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
#167Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "If it were not that it would be a hardship on my Ummah, then I would have ordered you to delay Isha until the third of the night, or its half
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তাহলে তাদেরকে ইশার নামায রাতের একতৃতীয়াংশ অথবা অর্ধরাত পর্যন্ত দেরি করে আদায়ের নির্দেশ দিতাম। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৯১)। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু সামুরা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবু বারযা, ইবনু আব্বাস, আবু সাঈদ খুদরী, যাইদ ইবনু খালিদ ও ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈন ও তাবা-তাবিঈন ইশার নামায দেরিতে আদায় করা পছন্দ করেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এ অভিমত গ্রহণ করেছেন।
#168Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Barzah narrated:"The Prophet would dislike to sleep before Isha and to talk after it
। আবু বারযা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযের আগে ঘুমানো এবং নামাযের পর আলাপচারিতা করা অপছন্দ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭০১), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু বারযা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। বিদ্বানদের একদল ইশার নামাযের আগে ঘুমানো এবং নামাযের পরে আলাপ-চারিতা করা মাকরূহ বলেছেন এবং অপর দল অনুমতি দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেছেন, বেশিরভাগ হাদীস মাকরূহ মতের পক্ষে। কিছু ব্যক্তি রামাযান মাসে ইশার নামাযের আগে ঘুমানোর অনুমতি দিয়েছেন।
#169Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Daif
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْمُرُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ فِي الأَمْرِ مِنْ أَمْرِ الْمُسْلِمِينَ وَأَنَا مَعَهُمَا . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَوْسِ بْنِ حُذَيْفَةَ وَعِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ الْحَسَنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ جُعْفِيٍّ يُقَالُ لَهُ قَيْسٌ أَوِ ابْنُ قَيْسٍ عَنْ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْحَدِيثَ فِي قِصَّةٍ طَوِيلَةٍ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ فِي السَّمَرِ بَعْدَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ فَكَرِهَ قَوْمٌ مِنْهُمُ السَّمَرَ بَعْدَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ وَرَخَّصَ بَعْضُهُمْ إِذَا كَانَ فِي مَعْنَى الْعِلْمِ وَمَا لاَ بُدَّ مِنْهُ مِنَ الْحَوَائِجِ وَأَكْثَرُ الْحَدِيثِ عَلَى الرُّخْصَةِ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ سَمَرَ إِلاَّ لِمُصَلٍّ أَوْ مُسَافِرٍ " .
Umar bin Al-Khattab narrated:"Allah's Messenger would talk during the night with Abu Bakr about matters concerning the Muslims while I was with them
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা আবু বাকার (রাঃ)-এর সাথে মুসলিমদের স্বার্থ সম্পর্কিত ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করতেন। আমিও তাদের সাথে থাকতাম। -সহীহ। সহীহাহ– (২৭৮১)। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আওস ইবনু হুযাইফা ও 'ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ “উমর (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। হাদীসটি উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে আরো একটি সূত্রে একটু দীর্ঘ ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। ইশার নামাযের পর কথাবার্তা বলার ব্যাপারে সাহাবা, তাবিঈন ও পরবর্তী যুগের আলিমদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। একদল এটাকে মাকরূহ বলেছেন। অপর দলের মতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোচনা ও অতি প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলার অনুমতি রয়েছে। (তিরমিয়ী বলেন) বেশিরভাগ হাদীস হতে অনুমতির কথাই প্রমাণিত হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “নামায়ী এবং মুসাফির ব্যতীত কারো জন্য ইশার নামাযের পর কথাবার্তা বলা জায়িয নেই
#170Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ غَنَّامٍ، عَنْ عَمَّتِهِ أُمِّ فَرْوَةَ، وَكَانَتْ، مِمَّنْ بَايَعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ " الصَّلاَةُ لأَوَّلِ وَقْتِهَا " .
Umm Farwah - and she was one of those who gave pledge of allegiance to the Prophet - narrated:"The Prophet was asked: 'Which deed is the best?' So he said: 'Salat in the beginning of its time
। কাসিম ইবনু গান্নাম (রাহঃ) হতে তার ফুফু ফারওয়া (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে বাই’আত গ্রহণকারিণীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হল, কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল? তিনি বললেন, আওয়াল (প্রথম) ওয়াক্তে নামায আদায় করা। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৪৫২), মিশকাত— (৬০৭)।
Ali bin AbI Talib narrated that :the Prophet said to him: 'Ali! Three are not to be delayed: Salat when its time comes, a funeral whet it (a prepared body) is present, and the (marriage of a) single woman when there is an equal for her
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী : তাকে বললেনঃ হে আলী। তিনটি ব্যাপারে দেরি করো নাঃ নামায’-যখন তার ওয়াক্ত আসে, জানাযা’-যখন উপস্থিত হয় এবং বিবাহযোগ্য নারী’ যখন তুমি তার উপযুক্ত (পাত্র) পাও। (য’ঈফ, মিশকাত ৬০৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
Ibn Umar narrated that :Allah's Messenger said: "The beginning of the time for Salat is pleasing to Allah, and the end of its time is pardoned by Allah
ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ : বলেছেনঃ নামাযের প্রথম সময়ে রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ, আর শেষ সময়ে রয়েছে মার্জনা লাভের সুযোগ। (মাওয়ূ", ইরওয়া ২৫৯, মিশকাত ৬০৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। ইবনু আব্বাসও নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু উমার, আয়িশাহ ও ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন ; উম্মু ফরওয়া (রাযিঃ)-এর হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনু উমার আল-উমারী ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। অথচ তিনি (আবদুল্লাহ) হাদীস বিশারদদের মতে শক্তিশালী রাবী নন, যদিও তিনি সত্যবাদী। তাদের মতে তিনি এ হাদীসের সনদে গোলমাল করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাইদ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
#173Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Amr Ash-Shaibani narrated:"A man said to Ibn Mas'ud: 'Which deed is most virtuous?' He said: 'I asked Allah's Messenger (that). He said: "Salat at the beginning of its time." I asked him: "What is after that O Messenger of Allah?" He said: "Being dutiful to one's parents." I said: "What is after that [O Messenger of Allah]?" He said: "Jihad in the Way of Allah
। আবু আমর আশ-শাইবানী (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করল, কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল? তিনি বললেন, আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছেনঃ নির্দিষ্ট ওয়াক্তসমূহে নামায আদায় করা। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এরপর কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল? তিনি বললেনঃ পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলার রাস্তায় জিহাদ করা। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। মাসউদী, শুবা এবং সুলাইমান (আবু ইসহাক শাইবানী) এবং আরো অনেকে এই হাদীসটি ওয়ালিদ ইবনু আইযারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
Aishah narrated:"Allah's Messenger did not pray any Salat at the end of its time two times, until Allah took him
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার কোন নামায শেষ ওয়াক্তে আদায় করেননি। এমনকি এ অবস্থায় আল্লাহ তা’আলা তাকে তুলে নেন। -হাসান। মিশকাত— (৬০৮)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আর হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযোজিত) নয়। ইমাম শাফিঈ বলেন, প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা খুবই ভাল। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকার ও উমর (রাঃ) প্রথম ওয়াক্তেই নামায আদায় করতেন। তা হতে প্রমাণিত হয় যে, ওয়াক্তের শেষ সময়ের উপর প্রথম সময়ের ফায়ীলাত রয়েছে। বেশি ফাযীলাতের জিনিসই তারা গ্রহণ করতেন, তারা ফাযীলাতপূর্ণ কাজ ছেড়ে দেননি। প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করাই ছিল তাদের আমল। ইমাম তিরমিয়ী বলেনঃ আবুল ওয়ালীদ মাক্কী এই উদ্ধৃতিটি ইমাম শাফিঈ হতে বর্ণনা করেছেন।
#175Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الَّذِي تَفُوتُهُ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ بُرَيْدَةَ وَنَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رَوَاهُ الزُّهْرِيُّ أَيْضًا عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
Ibn Umar narrated that :the Prophet said: "Whoever misses the Asr prayer, then it is as if he was robbed of his family and his property
ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তির আসরের নামায ছুটে গেল, (তার অবস্থা এরূপ) যেন তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবকিছু লুষ্ঠিত হল। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৮৫), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে বুরাইদা ও নাওফাল ইবনু মুআবিয়া (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম যুহরীও এ হাদীসটি তার সনদ পরম্পরায় ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।
#176Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Abu Dharr narrated that :the Prophet said: "O Abu Dharr! There will be leaders after me who cause the Salat to die; so perform the Salat during its time. If you pray (with them) during its time, then that will be voluntary Salat for you, if not, then you will have attained your Salat
। আবু যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আবু যার! আমার পর এমনসব আমীর (রাষ্ট্রপ্রধান) ক্ষমতায় আসবে যারা নামাযকে হত্যা করে ফেলবে। অতএব তুমি সময়মত (আওয়াল ওয়াক্তে) নামায আদায় করে নিও। যদি তুমি নির্ধারিত সময়ে নামায (একাকি) আদায় করে নাও তাহলে পরে ইমামের সাথে আদায় করা নামায তোমার জন্য নফল হিসাবে ধরা হবে। পরে তুমি যদি ইমামের সাথে আবার নামায না আদায় কর তাহলে তুমি নিজের নামাযের হিফাজাত করলে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৫৬), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে, আবু ঈসা বলেনঃ আবু যার (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। ইমাম যদি নামায আদায়ে দেরি করে, তাহলে যে কোন ব্যক্তি একা নামায আদায় করে নেবে। অতঃপর ইমামের সাথে আবার তা আদায় করবে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে প্রথমের নামায ফরয হিসাবে বিবেচ্য হবে। আবু ইমরান আলজাওনী'র নাম আব্দুল মালিক ইবনু হাবীব।
#177Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Qatadah narrated:"They asked the Prophet about when they sIept past the Salat. He said: 'There is no negligence in sleep, negligence is only while one is awake. So when one of you forgets a Salat, or sleeps through it, then let him pray it when he remembers it
। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নামাযের কথা ভুলে গিয়ে ঘুমিয়ে থাকা সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তিনি বললেনঃ ঘুমন্ত ব্যক্তির কোন অপরাধ নেই, জেগে থাকা অবস্থায় দোষ হবে। যখন তোমাদের কেউ নামাযের কথা ভুলে যায় অথবা তা না আদায় করে ঘুমিয়ে থাকে, তাহলে মনে পরার সাথে সাথে নামায আদায় করে নেবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৬৯৮), মুসলিম, অনুরূপ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আবু মারইয়াম, ইমরান ইবনু হুসাইন, জুবাইর ইবনু মুতইম, আবু জুহাইফা, আমর ইবনু উমায়্যা ও যি-মিখবার (রাঃ) (তাকে যিমিখমারও বলা হয়ে থাকে। আর তিনি হলেন, নাজ্জাশীর ভাতিজা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু কাতাদার হাদীসটি হাসান সহীহ। যদি কোন ব্যক্তি নামাযের কথা ভুলে যায় অথবা ঘুমে অচেতন থাকে, অতঃপর এমন সময় তার নামাযের কথা মনে হয় অথবা ঘুম ভাংগে যখন নামাযের ওয়াক্ত চলে গেছে, অথবা সূর্য উঠছে কিংবা ডুবছে- এরূপ অবস্থায় সে নামায আদায় করবে কি-না সে সম্পর্কে বিদ্বানগণের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ইমাম আহমাদ, ইসহাক, শাফিঈ এবং মালিক (রহঃ) বলেছেন, এরূপ ক্ষেত্রে সে নামায আদায় করে নেবে, চাই সেটা সূর্যোদয় অথবা ডুবে যাওয়ার সময়ই হোক না কেন। অপর দলের মতে, সূর্যোদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় নামায আদায় করবে না, উদয় বা অস্ত শেষ হলেই নামায আদায় করবে।
#178Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas (bin Malik) narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever forgets a Salat then he is to pray it when he remembers it
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নামায আদায়ের কথা ভুলে গেছে সে যেন (নামাযের কথা) মনে হওয়ার সাথে সাথেই তা আদায় করে নেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৯৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে সামুরা (রাঃ) ও আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে, আবু ঈসা বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নামাযের কথা ভুলে গেছে, মনে হওয়ার সাথে সাথে সে তা আদায় করে নেবে, চাই নামাযের ওয়াক্ত থাক বা না থাক”। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত গ্রহণ করেছেন। আবু বাকরাহ (রাঃ) প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে, একবার তিনি ঘুমের ঘোরে আসরের নামাযের ওয়াক্ত কাটিয়ে দিলেন, এমনকি সূর্য ডুবার সময় তিনি জেগে উঠলেন। অতঃপর সূর্যাস্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নামায আদায় করলেন না।” কুফার আলিমগণ (আবু হানীফা ও তার মতানুসারীগণ) এই মত গ্রহণ করেছেন। (তিরমিয়ী বলেন) কিন্তু আমাদের সঙ্গীরা আলী (রাঃ)-এর মত গ্রহণ করেছেন।
Abdullah (bin Mas'ud] narrated:"The idolaters kept Allah's Messenger distracted from four prayers on the Day of Al-Khandaq (the battle of the Trench) until as much as Allah willed of the night had passed. So he ordered Bilal to call the Adhan, then he called the Iqamah to Zuhr, then he called the Iqamah to pray Asr, then he called the Iqamah to pray Maghrib, then he called the Iqamah to pray Isha
। আবু উবাইদা ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (লড়াইয়ে বিব্রত করে) চার ওয়াক্ত নামায হতে নিবৃত্ত রাখে। পরিশেষে আল্লাহর ইচ্ছায় যখন কিছু রাত চলে গেল তখন তিনি বিলালকে আযান দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি আযান দিলেন এবং ইক্কামাত বললেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুহরের নামায আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামাত দিলে তিনি আসরের নামায আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামাত দিলে তিনি মাগরিবের নামায আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামাত দিলে তিনি ইশার নামায আদায় করালেন। —হাসান, ইরওয়া— (১/২৫৭)। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ ও জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর হাদীসের সনদের মধ্যে কোন ক্রটি নেই। কিন্তু আবু উবাইদা সরাসরি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট কিছু শুনেননি। এ হাদীসের ভিত্তিতে এক দল বিদ্বান বলেছেন, একসাথে কয়েক ওয়াক্তের নামায ছুটে গেলে তার কাযা করার সময় প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য পৃথকভাবে ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিবে, তবে ইকামাত না দিলেও চলে। ইমাম শাফিঈ এ মত গ্রহণ করেছেন।
#180Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، بُنْدَارٌ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ وَجَعَلَ يَسُبُّ كُفَّارَ قُرَيْشٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا كِدْتُ أُصَلِّي الْعَصْرَ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَاللَّهِ إِنْ صَلَّيْتُهَا " . قَالَ فَنَزَلْنَا بُطْحَانَ فَتَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَوَضَّأْنَا فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ بَعْدَ مَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَهَا الْمَغْرِبَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Jabir bin Abdullah narrated:"On the Day of Al-Khandaq (the battle of the Trench), Umar bin Al-Khattab came cursing the disbelievers of Quraish and said: 'O Allah's Messenger! I could not offer he Asr prayer until the sun was about to set.' The Prophet said: 'By Allah! I too have not offered the Salat.'" So he said: "We descended into Buthan, Allah's Messenger performed Wudu and we too performed Wudu. Allah's Messenger prayed Asr after the sun had set, then after it he prayed Maghrib
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, খন্দকের যুদ্ধের দিন উমর (রাঃ) কুরাইশ কাফিরদের গালি দিতে দিতে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সূর্য ডুবে গেল অথচ আমি আসরের নামায আদায় করার সুযোগ পেলাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমিও তা আদায় করার সুযোগ পাইনি। উমার (রাঃ) বললেন, আমরা বুতহান নামক উপত্যকায় গিয়ে নামলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করলেন, আমরাও ওযু করলাম। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামায আদায় করলেন, এরপর মাগরিবের নামায আদায় করলেন। —সহীহ- বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#181Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdullah bin Mas'ud narrated that :Allah's Messenger said: "Salatul-Wusta is the Asr prayer
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মধ্যবর্তী নামায হচ্ছে আসরের নামায। —সহীহ। মিশকাত— (৬৩৪), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#182Shakir: Sahih LighairihiAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Smurah bin Jundub narrated that :the Prophet said: "Salatul-wusta is the Asr prayer
এআই অনুবাদ
সামুরাহ ইবনু জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "সালাতুল উসতা হলো আসরের সালাত।"
#183Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، وَهُوَ ابْنُ زَاذَانَ عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ غَيْرَ، وَاحِدٍ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَكَانَ مِنْ أَحَبِّهِمْ إِلَىَّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَعَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَمُعَاذِ بْنِ عَفْرَاءَ وَالصُّنَابِحِيِّ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَعَائِشَةَ وَكَعْبِ بْنِ مُرَّةَ وَأَبِي أُمَامَةَ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَيَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ وَمُعَاوِيَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ الْفُقَهَاءِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ أَنَّهُمْ كَرِهُوا الصَّلاَةَ بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَأَمَّا الصَّلَوَاتُ الْفَوَائِتُ فَلاَ بَأْسَ أَنْ تُقْضَى بَعْدَ الْعَصْرِ وَبَعْدَ الصُّبْحِ . قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ شُعْبَةُ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ أَبِي الْعَالِيَةِ إِلاَّ ثَلاَثَةَ أَشْيَاءَ حَدِيثَ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَحَدِيثَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لا يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى " . وَحَدِيثَ عَلِيٍّ " الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ " .
Ibn Abbas narrated:"I head more than one of the Companions of the Prophet; Umar bin Al-Khattab among, and he was one of the most beloved among them to me - (narrating) that Allah's Messenger prohibited the Salat after Fajr until the sun had risen, and the Salat after Asr until the sun had set
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবীর নিকট হতে এ হাদীস শুনেছি যাদের মধ্যে উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। সাহাবাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন আমার নিকট বেশি প্রিয়। (তারা বলেছেন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযরের নামাযের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের নামাযের পর সূর্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোন নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৫০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু মাসউদ, উকবা ইবনু আমির, আবু হুরাইরা, ইবনু উমার, সামুরা ইবনু জুনদুব, সালামা ইবনুল আকওয়া, যাইদ ইবনু সাবিত, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর, মুআয ইবনু আফরাআ, সুনাবিহী, আয়িশাহ, কাব ইবনু মুররা, আবু উমামা, আমর ইবনু আবাসা, ইয়া'লা ইবনু উমাইয়া এবং মু'আবিয়া (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উমর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান সহীহ। সুনাবিহী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে সরাসরি কোন হাদীস শুনেননি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ ফকীহ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ ফযর নামাযের পর হতে সূর্য উঠা পর্যন্ত এবং আসরের পর হতে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোন নামায আদায় করা মাকরুহ বলেছেন, কিন্তু ছুটে যাওয়া (ফওত হওয়া ফরয) নামায ফযর ও আসরের পর আদায় করা যাবে। আলী ইবনুল মাদীনী- ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের সূত্রে, তিনি শু’বার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (শুবা) বলেছেন, কাতাদা আবুল আলীয়ার নিকট হতে তিনটি কথা ছাড়া আর কিছুই শুনেননি। এক. 'উমার (রাঃ)-এর হাদীস- “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামাযের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফযরের নামাযের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন"। দুই. ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীস- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “কারো পক্ষে এটা শোভা পায় না যে, সে দাবি করবে, আমি ইউনুস (আঃ) ইবনু মাত্তার চেয়ে উত্তম” ৷ তিন. আলী (রাঃ)-এর হাদীস- 'বিচারক তিন রকমের হয়ে থাকে।
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّمَا صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ لأَنَّهُ أَتَاهُ مَالٌ فَشَغَلَهُ عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ فَصَلاَّهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ ثُمَّ لَمْ يَعُدْ لَهُمَا . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَمَيْمُونَةَ وَأَبِي مُوسَى . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى بَعْدَ الْعَصْرِ رَكْعَتَيْنِ . وَهَذَا خِلاَفُ مَا رُوِيَ عَنْهُ أَنَّهُ نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ " . وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ أَصَحُّ حَيْثُ قَالَ لَمْ يَعُدْ لَهُمَا . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ نَحْوُ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ فِي هَذَا الْبَابِ رِوَايَاتٌ رُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَا دَخَلَ عَلَيْهَا بَعْدَ الْعَصْرِ إِلاَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَرُوِيَ عَنْهَا عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ . وَالَّذِي اجْتَمَعَ عَلَيْهِ أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ عَلَى كَرَاهِيَةِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ إِلاَّ مَا اسْتُثْنِيَ مِنْ ذَلِكَ مِثْلُ الصَّلاَةِ بِمَكَّةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ بَعْدَ الطَّوَافِ فَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رُخْصَةٌ فِي ذَلِكَ . وَقَدْ قَالَ بِهِ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ . وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَدْ كَرِهَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمُ الصَّلاَةَ بِمَكَّةَ أَيْضًا بَعْدَ الْعَصْرِ وَبَعْدَ الصُّبْحِ . وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَبَعْضُ أَهْلِ الْكُوفَةِ .
Ibn Abbas narrated:"The Prophet only performed the two rak'ah (units of prayer) after Asr because some wealth came to him which distracted him from the two rak'ah after Zuhr, so he prayed them after Asr, then he did not repeat that
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামাযের পর দুই রাকাআত নামায আদায় করলেন। কেননা তার নিকট কিছু সম্পদ এসেছিল, তিনি তা বিলি করতে ব্যস্ত ছিলেন এবং যুহরের (ফরযের) পরের দুই রাকাআত আদায়ের সুযোগ পাননি। এই দুই রাকাআতই তিনি আসরের নামাযের পর আদায় করলেন। তারপর তিনি কখনো তার পুণসঙ্ঘটন করেননি। সনদ দুর্বল। তারপর তিনি কখনও পুণসঙ্ঘটন করেননি, অংশটুকু মুনকার এ অনুচ্ছেদে আইশা, উম্মু সালামা, মাইমূনা ও আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান। একাধিক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আসরের পর দুই রাকাআত নামায আদায় করেছিলেন। এই হাদীসটি আসরের পর নামায সম্পর্কিত নেতিবাচক হাদীস পরিপন্থী। ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসটি বেশী সহীহ, যাতে তিনি বলেছেনঃ তারপর তিনি তার পুণসঙ্ঘটন করেননি। ইবনু আব্বাসের হাদীসের অনুরূপ হাদীস যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে। এ অনুচ্ছেদে আইশা (রাঃ)-এর বেশ কয়েকটি বর্ণনা আছে। একটি বর্ণনা হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামাযের পর তার ঘরে গেলেই তিনি দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। আইশা (রাঃ)-এর দ্বিতীয় হাদীসটি উম্মু সালামা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত, এতে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফযরের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। এ বিষয়ে বিদ্ধানগণের অধিকাংশই ঐকমত্য পোষণ করেন যে, মক্কা মুআযযমায় বাইতুল্লাহ তাওয়াফের পর আসরের পর হতে সূর্য ডুবা পর্যন্ত এবং ফযরের পর হতে সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করা এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফের পর উল্লেখিত সময়ে নামায আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ (মাক্কাতে) উল্লেখিত সময়ে নামায আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এ অভিমত দিয়েছেন। সাহাবাদের অপর দল ও তাদের পরবর্তীগণ ফজরের পর এবং আসরের পর মক্কাতেও নামায আদায় করা মাকরুহ বলেছেন। সুফইয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস এবং কিছু কুফাবাসী এ মত সমর্থন করেছেন।
#185Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ لِمَنْ شَاءَ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الصَّلاَةِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ فَلَمْ يَرَ بَعْضُهُمُ الصَّلاَةَ قَبْلَ الْمَغْرِبِ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ كَانُوا يُصَلُّونَ قَبْلَ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ . وَقَالَ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ إِنْ صَلاَّهُمَا فَحَسَنٌ . وَهَذَا عِنْدَهُمَا عَلَى الاِسْتِحْبَابِ .
Abdullah bin Mughaffal narrated that :the Prophet said: "Between every two calls (to prayer) there is a Salat for whoever wills
। আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে নামায আছে, যে চায় তা আদায় করতে পারে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬২), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। মাগরিবের নামাযের পূর্বে (অতিরিক্ত) নামায আদায় সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবাদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাদের কতেকের মত হল, মাগরিবের (আযানের পর এবং ইকামাতের) পূর্বে কোন নামায না আদায় করাই শ্রেয়। অপর দিকে একাধিক সাহাবা মাগরিবের আযান ও ইকামাতের মাঝখানে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেন, কেউ যদি এ দুই রাকাআত নামায আদায় করে তবে সে ভালোই করে এ দুরাক’আত আদায় করে নেয়াটা মুস্তাহাব।
#186Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "Whoever catches a Rak'ah of Subh before the sun has risen, then he has caught Subh. Whoever catches a Rak'ah of Asr before the sun has set, then he has caught Asr
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্য উঠার পূর্বে ফযরের এক রাকাআত (ফরয নামায) পেল সে ফযরের নামায পেল। আর যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের এক রাকাআত পেল সেও আসরের নামায পেল। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৭০, ৬৯৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ, ইসহাক ও আমাদের সাথীরা এ হাদীসকে তাদের দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। তাদের মতে হাদীসে অর্পিত এ সুবিধা শুধু তারাই পাবে যাদের অজুহাত রয়েছে। যেমন কেউ ঘুমিয়ে ছিল এবং এমন সময় জেগেছে যখন সূর্য উঠা বা ডুবার উপক্রম হয়েছে, অথবা নামাযের কথা ভুলে গেছে এবং ঐ সময়ে মনে পড়েছে।
#187Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Ibn Abbas said:"Allah's Messenger combined the Zuhr and Asr (prayers), and the Maghrib and Isha (prayers) in Al-Madinah, without being in a state of fear, nor due to rain
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভয় অথবা বৃষ্টিজনিত কারণ ছাড়াই মাদীনাতে যুহর ও আসরের নামায একত্রে এবং মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। সাঈদ ইবনু যুবাইর বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, এরূপ করার পেছনে তার (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি উদ্দেশ্য ছিল? তিনি বললেন, উন্মাতের অসুবিধা হ্রাস করাই তার উদ্দেশ্য ছিল। —সহীহ। ইরওয়া— (১/৫৭৯), সহীহ আবু দাউদ- (১০৯৬), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি তার নিকট হতে বিভিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে। জাবির ইবনু যাইদ, সাঈদ ইবনু যুবাইর এবং আবদুল্লাহ ইবনু শাকীকও এ হাদীসটি তার নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনু আব্বাসের সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ভিন্নরূপও বর্ণিত হয়েছে।
#188Shakir: Very DaifAl-Albani: Very DaifMaarouf: Daif
Ibn Abbas narrated that :the Prophet said: "Whoever combines two prayers without any excuse then he has committed something from the major sins
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন অজুহাত ছাড়াই যে ব্যক্তি দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করে সে কাবীরা গুনাহের স্তরসমূহের মধ্যে একটি স্তরে পৌছে যায়। খুবই দুর্বল। তা’লীকুর রাগীব (১১৯৮),যঈফাহ্ (৪৫৮১) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীস বিশারদদের বিচারে হানাশ, উপনাম আবূ ‘আলী আল-রাহবী, নাম হুসাইন ইবনু কাইস একজন দুর্বল রাবী। ইমাম আহমাদ ও অন্যরা তাকে দুর্বল মনে করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে সফর ও আরাফাতের ময়দান ছাড়া দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করা যাবে না। কিছু তাবিঈ রুগ্ন ব্যক্তিকে দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করার অনুমতি দিয়েছেন। আহমাদ ও ইসহাক এ মত গ্রহণ করেছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ বৃষ্টির কারণে দুই নামায একত্রে আদায় করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছেন। শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও অনুরূপ কথা বলেছেন। কিন্তু শাফিঈ রুগ্ন ব্যক্তিকে দুই নামায একত্রে আদায়ের অনুমতি দেননি।
#189Shakir: HasanAl-Albani: HasanMaarouf: Hasan Sahih
Albdullah bin Zaid narrated:"When we awoke, we went to Allah's Messenger to inform him of the dream. He said: 'Indeed this dream is true. So go to Bilal, for he has a better and louder voice than you. Convey to him what was said to you, so that he may call (to the prayer) with that.'" He said: "When Umar bin Al-Khattab heard Bilal calling for the prayer he went to Allah's Messenger, and he was dragging his Izar, (as he was hurrying) saying: 'O Allah's Messenger! By the One Who sent you with the truth! I dreamt the same as what he said.''' He said: "So Allah's Messenger said: 'To Allah is the praise, so that confirms it even more
। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (যাইদ) বলেন, যখন সকাল হল, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম। তাকে (আমার) স্বপ্লের কথা বললাম। তিনি বললেনঃ “এটা নিশ্চয়ই বাস্তব (সত্য) স্বপ্ন। তুমি বিলালের সাথে যাও, কেননা তার কণ্ঠস্বর তোমার চেয়ে উচু এবং লম্বা। তাকে বলে দাও যা তোমাকে বলা হয়েছে এবং এগুলো দিয়ে সে আযান দেবে।” যাইদ (রাঃ) বলেন, "উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) যখন নামাযের জন্য বিলালের আযান শুনতে পেলেন, তখন তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি নিজের চাদর টানতে টানতে এবং এই বলতে বলতে আসলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য সহযোগে পাঠিয়েছেন! বিলাল যেমন বলেছে আমি তেমনই স্বপ্নে দেখেছি। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এটা আরো প্রবল হল। -হাসান। ইবনু মাজাহ– (৭০৬)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। অপর এক সূত্রে এ হাদীসটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা হয়েছে এবং তাতে আযানের শব্দ দুই দুই বার এবং ইকামাতের শব্দ এক একবার উল্লেখ রয়েছে। এই হাদীসটি ছাড়া আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আবদি রাব (রাঃ) হতে আর কোন সহীহ হাদীস বর্ণনা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আসিম হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
#190Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"When the Muslims arrived in AI-Madinah, they used to assemble for the Salat, and guess the time for it there was no one who called for it (the prayer). One day they discussed that and some of them said that they should use a bell like the bell the Christians use. Others said they should use a trumpet like the horn the Jews use. But Umar [bin Al-Khattab] said: 'Wouldn't it better if we had a man call for the prayer?'" He said: "So Allah's Messenger said: 'O Bilal! Stand up and call for the Salat
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মুসলিমরা যখন হিজরাত করে মাদীনায় আসলেন, তখন তারা আন্দাজ করে নামাযের জন্য একটা সময় ঠিক করে নিতেন এবং সে অনুসারে সমবেত হতেন। নামাযের জন্য কেউ আহবান করত না। একদিন তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেন। কেউ কেউ প্রস্তাব করলেন, খৃষ্টানদের মত একটি ঘন্টা বাজানো হোক। আবার কতেকে বললেন, ইয়াহুদীদের মত শিংগা বাজানো হোক। রাবী বলেন, উমার (রাঃ) বললেন, নামাযের জন্য ডাকতে তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না? রাবী বলেন, অতএব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে বিলাল! ওঠে এবং নামাযের জন্য আহবান কর। —সহীহ- বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু উমার হতে গারীব।
Abu Mahdhurah narrated that :Allah's Messenger sat with him and taught him the Adhan word for word. Ibrahim said, "It is the same as our Adhan." Bishr said: "So I said to him, 'Repeat it to me.' So he described the Adhan with At-Tarjl
। আবু মাহযুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিজের নিকট বসিয়ে আযানের প্রতিটি হরফ এক এক করে শিখিয়েছেন। (অধস্তন রাবী) ইবরাহীম বলেন, আমাদের আযানের মত। বিশর বলেন, আমি তাকে বললাম, আমার সামনে পুনঃপাঠ করুন। তিনি তারজী সহকারে তা বললেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭০৮)। আবু ঈসা বলেনঃ আবু মাহযুরা (রাঃ)-এর আযান সম্পর্কিত হাদীসটি সহীহ। এ হাদীসটি তার নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। মক্কার পবিত্র ভূমিতে এ নিয়মেই আযান দেওয়া হয়। ইমাম শাফিঈ এ মতের সমর্থক।
#192Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Mahdhurah narrated that :the Prophet taught him the Adhan with nineteen phrases, and the Iqamah with seventeen phrases
। আবু মাহযুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তাকে উনিশ বাক্যে আযান এবং সতের বাক্যে ইকামাত শিক্ষা দিয়েছেন। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭০৯)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু মাহযুরা এর নাম সামুরা ইবনু মিয়ার। কিছু মনীষী আযানের ব্যাপারে এ মত গ্রহণ করেছেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, আবৃ মাহযুরা (রাঃ) ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে বলতেন।
#193Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas bin Malik narrated:"Bilal was ordered to make the phrases of the Adhan even, and the phrases of the Iqamah odd
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো এক একবার বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭২৯-৭৩০)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতক সাহাবা, তাবিঈন, ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক (ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের শব্দগুলো একবার করে বলতে হবে)।
Abdullah bin Zaid said:"Allah's Messenger would say each phrase of the call (for prayer) two times, for the Adhan and the Iqamah
। আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আযান ও ইকামাতের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় ছিল (দুই দুইবার বলা হত)। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদের হাদীসটি ওয়াকী বর্ণনা করেছেন আমাশ হতে তিনি আমর ইবনু মুররাহ হতে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা হতে, তিনি বলেছেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবাগণ বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাঃ) আযান স্বপ্নে দেখেছেন। আর শুবা বর্ণনা করেছেন আমর ইবনু মুররাহ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ হতে যে, তিনি আযান স্বপ্নে দেখেছেন। প্রথম বর্ণনাটির চেয়ে পরবর্তী বর্ণনাগুলো বেশী সহীহ। আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদ হতে হাদীস শুনেন নাই। কতক বিদ্বান বলেছেন, আযান ও ইকামাতের শব্দগুলো দুই দুইবার বলতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও কুফাবাসীগণ এই মতেরই সমর্থক। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আবী লাইলা হলেন মুহাম্মাদ ইবনু আদির রহমান ইবনু আবী লাইলা। তিনি কুফার কাজী ছিলেন। তিনি তার পিতার নিকট কোন হাদীস শুনেন নাই। তিনি এক লোকের বরাতে তার পিতা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন।
#195Shakir: Very DaifAl-Albani: Very DaifZai: Daif
Jabir [bin Abdullah] narrated:"Allah's Messenger said to Bilal: "O Bilal! When you call the Adhan then do so deliberately and slowly, and when you call the Iqamah then be quick. Allow enough time between your Adhan and Iqamah for the person eating to finish what he is eating, the person drinking to finish what he is drinking, and the one who needs time to relive himself, and do not stand until you see me
। জাবির ইবনু আদিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল (রাঃ)-কে বললেনঃ হে বিলাল! যখন তুমি আযান দিবে, ধীরস্থিরভাবে ও দীর্ঘস্বরে আযান দিবে এবং যখন ইকামাত দিবে তাড়াতাড়ি ও অনুচ্চস্বরে ইকামাত দিবে। তোমার আযান ও ইকামাতের মাঝখানে এতটুকু সময় ফুরসত দিবে যেন খাবার গ্রহণকারী তার খাবার হতে, পানকারী তার পান হতে এবং পেশাব-পায়খানারত ব্যক্তি তার পায়খানা-পেশাব হতে অবসর হতে পারে। তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত নামাযে দাড়াবে না। খুবই দুর্বল। ইরওয়া (২২৮), হাদীসের বর্ণিত, তোমরা দাড়াইওনা অংশটুকু সহীহ। যাহা ৫১২ নং হাদীসেরও অংশ
Jabir [bin Abdullah] narrated:(Another chain for) a similar narration (as no)
। আবদ ইবনু হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ হতে তিনি আব্দুল মুনয়িম হতে..... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেনঃ জাবিরের এই হাদীসটি এই সূত্র ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে আমরা জানতে পারিনি। যা আব্দুল মুনয়িম কর্তৃক বর্ণিত। আর এই সনদ সূত্র অপরিচিত। আব্দুল মুনয়িম বাসরার অধিবাসী একজন রাবী।
#197Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Juhaifah narrated:"I saw Bilal calling the Adhan, and turning, and his (face) was following here and there, and his (index) fingers were in his ears, and Allah's Messenger was in a small red tent" - "I think," he (one of the narrators) said, "it was made from a hide" - so Bilal went out in front of him with an Anazah which he planted (in the ground) at Batha. Allah's Messenger prayed facing it, and a dog and a donkey passed in front of him; he was wearing a red Hullah, and it is as if I am now looking at the radiance of his shins." Sufyan said: "We think that it was a Hibrah
। আওন ইবনু আবু জুহাইফা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (আবু জুহাইফা) বলেন, আমি বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে দেখলাম এবং তাকে এদিক সেদিক ঘুরতে ও মুখ ঘুরাতে দেখলাম। তার (দুই হাতের) দুই আঙ্গুল উভয় কানের মধ্যে ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রঙ্গীন তাবুর মধ্যে ছিলেন। (রাবী বলেন) আমার ধারণা, তিনি (আবু জুহাইফা) বলেছেন, এটা চামড়ার তাবু ছিল। বিলাল (রাঃ) ছোট একটা বর্শা নিয়ে সামনে আসলেন এবং তা বাতহার শিলাময় যমিনে গেড়ে দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা সামনে রেখে নামায আদায় করলেন। তার সামনে দিয়ে কুকুর এবং গাধা চলে যেত। তার গায়ে লাল চাদর ছিল। আমি যেন তার পায়ের গোছার উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি। সুফিয়ান বলেন, আমার মনে হয় এটা ইয়ামানের তৈরী চাদর ছিল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭১১)। আবু ঈসা বলেনঃ জুহাইফার হাদীসটি হাসান সহীহ। মনীষীগণ আযানের সময় মুয়াযযিনের কানে আঙ্গুল দেওয়া মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম আওযাঈ ইকামাতের সময়ও কানে আঙ্গুল দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। আবু জুহাইফা (রাঃ)-এর নাম ওয়াহুব ইবনু আব্দুল্লাহ আস-সুয়াঈ।
Bilal narrated:"Allah's Messenger said [to me]: 'Do not say the Tathwib for any prayer except the Fajr prayer.'" [He said:] There is something on this topic from Abu Mahdhurah. Abu `Eisa said: We do not know of the Hadith of Bilal except as a narration of Abu Isra'il Al-Mula'i. Abu Isra'il did not hear this Hadith from Al-Hakam bin `Utaibah. He said: He only reported it from Al-Hasan bin `Umarah, from Al-Hakam bin `Utaibah. Abu Isra'il's name is [Isma`il bin Abi Ishaq, and he is not strong according to the people of Hadith. The people of knowledge have differed over the interpretation of At-Tathwib. Some of them say that At-Tathwib is when one says "As-Salatu Khairummin An-Nawm, (prayer is better than sleep)" for the Adhan of Fajr. This is the saying of Ibn Al-Mubarak and Ahmad. Ishaq said something different about At-Tathwib, he said: "[The disliked Tathwib] is something that the people started after the Prophet; when the Mu'adh-dhin calls the Adhan and the people are slow in coming, so between the Adhan and the Iqamah he says: 'Qad Qamatis-Salat, Hayya `Alasalat, Hayya `AlalFalah. (Prayer is ready, come to prayer, come to success.)" [He said:] This Tathwib, which Ishaq mentioned, is the one that the people of knowledge dislike, which they innovated after the Prophet. But Ibn Al-Mubarak and Ahmad explained that At-Tathwib is when the Mu'adh-dhin says: "As-Salatu Khairum minan-Nawm, (prayer is better than sleep)" for the Adhan of Fajr. And this is the correct saying, and it is called At-Tathawwub as well, and this is the one chosen by the people of knowledge, and it is their opinion. It has been reported from `Abdullah bin `Umar that he would say: "As-Salatu Khairum-minan-Nawm, (prayer is better than sleep)" for Fajr. It has been reported from Mujahid that he said: "I entered a Masjid with `Abdullah bin `Umar in which the Adhan was called, and we wanted to pray in it. Then the Mu'adh-dhin said the Tathwib. So `Abdullah bin `Umar left the Masjid and said: 'Let us leave the place of this innovator' And he did not pray in it." [He said:] `Abdullah only disliked the Tathwib that the people invented later on
। বিলাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ ফযরের নামায ছাড়া অন্য কোন নামাযে ‘তাসবীব করো না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৫) এ অনুচ্ছেদে আবূ মাহযুরা (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেন, আমরা শুধু আবূ ইসরাঈলের সূত্রে বিলাল (রাঃ)-এর হাদীসটি জানতে পেরেছি। অথচ আবূ ইসরাঈল হাকামের নিকট এ হাদীসটি কখনও শুনেননি। বরং তিনি হাসান ইবনু উমারার মাধ্যমে হাকামের নিকট হতে এ হাদীসটি সংগ্রহ করেছেন। আবূ ইসরাঈলের নাম ইসমাঈল ইবনু আবূ ইসহাক। তিনি হাদীস বিশারদদের মতে নির্ভরযোগ্য রাবী নন। তাসবীব শব্দের ব্যাখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতপার্থক্য আছে। ইবনুল মুবারাক ও আহমাদের মতে, ফযরের আযানের 'আসসালাতু খাইরুম মিনান্ নাওম’ বাক্যটিকে তাসবীব বলা হয়। ইসহাকের মতে, আযানের পর যদি লোকেরা আসতে দেরি করে তবে আযান ও ইকামাতের মাঝখানে কাদ কামাতিস্ সালাহ, হাইয়াঅলাস্ সালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ' বলে লোকদের ডাকার নাম হল তাসবীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর লোকেরা এটা নতুনভাবে চালু করেছে বিধায় ইসহাকের উল্লেখিত এ তাসবীবকে আলিমগণ মাকরূহ বলেছেন। ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ তাসবীবের (উপরের উল্লেখিত) যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেটাই নির্ভুল এবং সহীহ। ফজরের আযানে এ তাসবীব করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে একেই তাসবীব বলা হয়। আর আলিমগণ এ তাসবীবকেই পছন্দ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি ভোরের নামাযের সময় আস-সালাতু খাইরুম মিনান্ নাওম' বলে (লোকদের) ডাকতেন। মুজাহিদ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে কোন এক মসজিদে গেলাম। সেখানে আগেই আযান হয়ে গেছে। আমরা নামায আদায়ের উদ্দেশে সেখানে গিয়েছিলাম, এমন সময় মুয়াযযিন তাসবীব শুরু করে দিল। তা শুনা মাত্রই ইবনু উমর (রাঃ) এ বলতে বলতে মাসজিদ হতে বের হয়ে আসলেনঃ “এ বিদ'আতীর কাছ থেকে চলে আস।" তিনি সেখানে নামায আদায় করলেন না। পরবর্তী সময়ে লোকেরা যে তাসবীব আবিষ্কার করেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) এটাকে খুবই মন্দ জানতেন।
Ziyad bin Al-Harith As-Suda'i narrated:"Allah's Messenger ordered me to call the Adhan for the Fajr prayer. I called the Adhan, then Bilal wanted to call the lqamah. Allah's Messenger said: 'Indeed the brother from Suda' has called the Adhan, and whoever calls the Adhan he calls the Iqamah
। যিয়াদ ইবনু হারিস আস-সুদাঈ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নামাযের আযান দিতে বললেন। আমি আযান দিলাম। বিলাল (রাঃ) ইকামাত দিতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “সুদাঈ আযান দিয়েছে, আর যে আযান দিবে ইকামাতও সে-ই দিবে”। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৭) এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে, আবূ ‘ঈসা বলেনঃ যিয়াদের হাদীসটি আমরা ইফরিকীর হাদীসের মাধ্যমেই জানতে পারি। অথচ ইফরিকী হাদীস বিশারদদের মতে দুর্বল রাবী। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও অন্যরা তাকে দুর্বল মনে করেছেন। আহমাদ বলেছেন, আমি ইফরিকীর হাদীস লিখি না। আবূ ঈসা বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে দেখেছি তিনি তাকে মজবুত রাবী বলে সমর্থন করেছেন এবং তিনি বলেছেন, ইফরিকী একজন প্রিয়ভাজন রাবী। বেশিরভাগ ‘আলিমদের মত হল, যে আযান দিবে সে-ই ইকামাত দিবে।
#200Shakir: DaifAl-Albani: DaifZai: Daif
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى الصَّدَفِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يُؤَذِّنُ إِلاَّ مُتَوَضِّئٌ " .
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "None should call the Adhan except for one with Wudu
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিনা ওযুতে কেউ যেন আযান না দেয়। যঈফ, ইরওয়া
Ibn Shihab narrated that :Abu Hurairah said: "None should call (for the prayer except for one with Wudu)
। ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেছেন, বিনা ওযুতে কেউ যেন নামাযের আযান না দেয়। যঈফ, প্রাগুক্ত আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি পূর্বের হাদীস হতে বেশী সহীহ। ইবনু ওয়াহব- আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসটি মারফু হিসাবে বর্ণনা করেননি। এটা ওয়ালীদ ইবনু মুসলিমের হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ। যুহরী কখনও আবূ হুরাইরার নিকট হাদীস শুনেননি। বিনা ওযুতে আযান দেওয়া উচিত কি-না সে সম্পর্কে আলিমদের মাঝে মতের অমিল আছে। ইমাম শাফিঈ এবং ইসহাক এটাকে মাকরূহ বলেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ বিনা ওযুতে আযান দেবার অনুমতি দিয়েছেন।
Jabir bin Samurah narrated:The Mu'adh-dhin of Allah's Messenger would wait and he would not call the Iqamah until he saw the Allah's Messenger had come out, he would call the Iqamah when he saw him
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন (তার জন্য) প্রতীক্ষা করতে থাকতেন এবং ইকামাত দিতেন না। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (তার ঘর হতে) বেরিয়ে আসতে দেখতেন তখনই নামাযের জন্য ইকামাত দিতেন। -হাসান। সহীহ আবু দাউদ- (৫৪৮), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামুরার এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। এই সনদ ব্যতীত সিমাক হতে ইসরাঈলের কোন হাদীস জানা নেই। বিভিন্ন বিদ্বান এরূপই বলেছেন যে, মুয়াযযিন আযানের অধিকারী এবং ইমাম ইকামাতের অধিকারী (অর্থাৎ আযান মুয়াযযিনের ইচ্ছায় এবং ইমামের ইচ্ছায় ইকামাত দেয়া হবে)।
#203Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Salim narrated from his father (Ibn Umar) that :the Prophet said: "Indeed Bilal calls the Adhan in the night, so eat and drink until you hear the Adhan of Ibn Umm Maktum
। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। অতএব তোমরা ইবনু উম্মু মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার কর। —সহীহ। ইরওয়া— (২১৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আইশা, উনাইসা, আনাস, আবু যার ও সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমর (রাঃ)-এর বর্ণনাকৃত হাদীসটি হাসান সহীহ। রাত থাকতে আযান দেওয়ার ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, মুয়াযযিন রাতে সুবহি সাদিকের আগে আযান দিলে তা জায়িয এবং এটা পুনর্বার দেওয়ার দরকার নেই। ইমাম মালিক, শাফিঈ, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকের এটাই মত। অন্য দল বলেছেন, রাত থাকতে আযান দিলে পুনরায় আযান দিতে হবে। সুফিয়ান সাওরী এই মত প্রকাশ করেছেন। হাম্মাদ আইউবের সূত্রে, তিনি নাফির সূত্রে, তিনি ইবনু উমারের নিকট হতে বর্ণনা করেছেনঃ “একদা বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আবার আযান দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (তিনি বললেন) লোকেরা ঘুমিয়ে পড়েছে।” আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি সুরক্ষিত নয়। উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ও অন্যরা নাফির মাধ্যমে ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন সেটাই সহীহ। বর্ণনাটি নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। অতএব তোমরা (আবদুল্লাহ) ইবনু উম্মে মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক।" আবদুল আযীয ইবনু আবু রাওয়াদ নাফি'র সূত্রে বর্ণনা করেছেনঃ “উমর (রাঃ)-এর মুয়াযযিন রাত থাকতেই আযান দিলেন। উমর (রাঃ) তাকে আবার আযান দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।” এই বর্ণনাটিও সহীহ নয় কেননা নাফি’ এবং উমারের মাঝখানের একজন রাবী ছুটে গেছে। সম্ভবতঃ হাম্মাদ ইবনু সালামা এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমারের বর্ণনাটিই সহীহ। একাধিক রাবী নাফির সূত্রে ইবনু উমারের এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যুহরী সালিমের সূত্রে, তিনি ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" আবু ঈসা বলেনঃ হাম্মাদ হতে বর্ণিত হাদীসটি যদি সহীহ হয় তাহলে এই হাদীসের কোন অর্থ হয় না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" বিলাল (রাঃ) যখনি ফযর উদয় হওয়ার পূর্বে আযান দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি তাকে আবার আযান দেয়ার নির্দেশ দিতেন তাহলে তিনি কখনো এ কথা বলতেন না যে, “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" আলী ইবনুল মাদানী বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা হতে, তিনি আইউব হতে, তিনি নাফি' হতে, তিনি ইবনু উমার হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে- বর্ণনাকৃত হাদীসটি সুরক্ষিত নয়। হাম্মাদ ইবনু সালামা তা বর্ণনা করতে গিয়ে গোলমাল করেছেন।
#204Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Ash-Sha'tha said:"A man exited the Masjid after the Adhan for Asr had been called. So Abu Hurairah said: 'As for this person, he has indeed disobeyed Abul Qasim
। আবু শাসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘আসরের নামাযের আযান হয়ে যাওয়ার পর এক ব্যক্তি মাসজিদ হতে বেরিয়ে চলে গেল। আবু হুরাইরা (রাঃ) বললেন, এই ব্যক্তি আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ অমান্য করল। —হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৩৩), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে উসমান (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাদের পরবর্তীদের মতে আযান হয়ে যাওয়ার পর কোন ব্যক্তির মাসজিদ হতে বেরিয়ে যাওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। হ্যাঁ, যদি ওযু না থাকে কিংবা খুব দরকারী কাজ থাকে তবে ভিন্ন কথা। ইবরাহীম নাখঈ বলেন, মুয়াযযিনের ইকামাতের আগ পর্যন্ত বের হওয়া জায়িয। আবু ঈসা বলেনঃ আমাদের মতে, যার প্রয়োজন রয়েছে শুধু সে বের হতে পারে। আবু শা'সার নাম সুলাইম ইবনু আসওয়াদ। আর তিনি আশ'আস ইবনু আবী শা'সার পিতা। এই হাদীস আশ'আস ও তার পিতা আবু শা'সা হতে বর্ণনা করেছেন।
#205Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Malik bin Al-Huwairih said:"A cousin of mine and I arrived as guests of Allah's Messenger. He said to us: 'When you travel then call the Adhan and Iqamah and let the eldest of you lead the prayer
। মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি এবং আমার এক চাচাত ভাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে আসলাম। তিনি আমাদের বললেনঃ “যখন তোমরা উভয়ে সফর করবে তখন আযান দেবে, ইকামাত বলবে, অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে তোমাদের ইমামতি করবে"। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৭৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ আলিম এ হাদীস অনুযায়ী সফর অবস্থায় আযান দেওয়ার কথা বলেছেন এবং এটা পছন্দনীয় মনে করেছেন। কিছু সংখ্যক আলিম বলেছেন, শুধু ইকামাতই যথেষ্ট। আযান তো সে ব্যক্তিই দেবে যে মানুষকে সমবেত করতে চায়। প্রথম মতটিই বেশি সহীহ। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এ মতেরই প্রবক্তা।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet said: 'Whoever calls the Adhan for seven years, seeking reward for it, salvation from the Fire is written for him
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি নেকীর আকাঙ্ক্ষায় একাধারে সাত বছর আযান দেবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হতে নাজাত নির্ধারিত আছে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭২৭) এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, সাওবান, মুআবিয়া, আনাস, আবূ হুরাইরা ও আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি গারীব। আবূ তুমাইলা এর নাম ইয়াহইয়া ইবনু ওয়াযিহ, আবূ হামযার নাম মুহাম্মাদ ইবনু মাইমূন। হাদীসের একজন রাবী জাবির ইবনু ইয়াযীদকে মুহাদ্দিসগণ হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে পরিত্যাগ করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, আমি জারূদের সূত্রে এবং তিনি ওয়াকীর সূত্রে শুনেছেন, যদি জাবির আল-জুকী না হত তাহলে কূফাবাসীরা (আবূ হানীফা ও তার মতানুসারীগণ) হাদীসবিহীন অবস্থায় এবং যদি হাম্মাদ না হতেন তাহলে ফিকহবিহীন অবস্থায় থাকতেন।
#207Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Hasan
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَحَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الأَعْمَشِ قَالَ حُدِّثْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "The Imam is answerable and the Mu'adh-dhin is entrusted. O Allah! Guide the Imams and pardon the Mu'adh-dhins
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম হলো (নামাযের) যামিন এবং মুয়াযযিন হল আমানাতদার। হে আল্লাহ! ইমামকে সৎপথ দেখাও এবং মুয়াযযিনকে মাফ কর। সহীহ। মিশকাত- (৬৬৩), ইরওয়া- (২১৭), সহীহ আবু দাউদ- (৫৩০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ সাহল ইবনু সা’দ ও উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু হুরাইরার হাদীসটি আমাশের সূত্রে একাধিক রাবী বর্ণনা করেছেন। এটা আবু সালিহ হতে আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আমি আবৃ যুর'আকে বলতে শুনেছি, আবু হুরাইরার নিকট হতে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ। কিন্তু ইমাম বুখারী আয়িশাহ নিকট হতে বর্ণিত হাদীসটিকে বেশি সহীহ বলেছেন। কিন্তু ‘আলী ইবনুল মাদীনী এর কোনটিকেই শক্তিশালী মনে করেন না।
#208Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Sa'eed narrated that :Allah's Messenger said: "Whenyou hear the call (to prayer) then say the similar to what the Mu'adh-dhin says
। আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাবে, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও তাই বল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭২০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু রাফি, আবু হুরাইরা, উম্মু হাবীবা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবদুল্লাহ ইবনু রাবী'আহ, আয়িশাহ, মুআয ইবনু আনাস ও মু'আবিয়া (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তার মধ্যে মালিকের বর্ণনাটিই বেশি সহীহ।
Uthman bin Abi Al-As narrated:"Indeed, amount the last (of orders) Allah's Messenger ordered me with was to employ a Mu'adh-dhin who would not take a wage for his Adhan
। উসমান ইবনু আবুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট হতে সর্বশেষ যে ওয়াদা নিয়েছিলেন তা ছিলঃ আমি এমন একজন মুয়াযযিন রাখব যে আযানের বিনিময়ে মাহিনা নেবে না। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭১৪)। আবু ঈসা বলেনঃ উসমানের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞ ‘আলিমগণ আযান দিয়ে মাহিনা গ্রহণ করা মাকরূহ বলেছেন। তারা এটাই পছন্দ করেছেন যে, মুয়াযযিন আযানের বিনিময়ে নেকীর প্রত্যাশী হবেন।
#210Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Sa'd bin Abi Waqqas narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever says, when he hears the Mu'adh-dhin: (Wa Ana Ashadu An La Ilaha Illallah, Wahdahu La Sharika Lahu, Wa Anna Muhammadan Abduhu Wa Rasuluhu, Radittu Billahi Rabban Wa Bil-Islam Dinan, Wa Bi Muhammadin Rasulan) 'I too testify that none has the right to be worshiped but Allah, Alone without partners, and that Muhammad is His slave and Messenger, I am pleased with Allah as my Lord, with Islam as my religion and Muhammad as a Messenger.' - Allah will pardon his sins for him
। সা'দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলবে, “ওয়া আনা আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুল্লাহু রাযীতু বিল্লাহি রাব্বান ওয়া বিল-ইসলামি দীনান ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রাসূলান” আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭২১), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। উপরিউক্ত সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
#211Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Bukhari
Jabir bin Abdullah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever says, when he hears the call: (Allahumma, rabba hadhihidda 'watit-tammati was Salatilqa'imah, ati Muhammadanil wasilata wal-Fadilata, wab'athhu Maqamun Mahmudan alladhi wa'adtahu) 'O Allah! Lord of this perfect call and established prayer, grant Muhammad Al-Wasilah and Al-Fadilah, and raise him to the praised station that you promised him' - then intercession on the Day of Resurrection is made lawful for him
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আযান শুনে বলে, “হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত নামাযের তুমিই প্ৰভু! তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নৈকট্য ও মর্যাদা দান কর এবং তাকে তোমার ওয়াদাকৃত প্রশংসিত স্থানে পৌছাও" তার জন্য কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত ওয়াজিব হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭২২), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং (মুনকাদিরের বর্ণনায়) গারীব। মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদিরের নিকট হতে শুয়াইব ইবনু আবী হামযাহ ব্যাতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবু হামযাহ এর নাম দীনার।
#212Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَأَبُو أَحْمَدَ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زَيْدٍ الْعَمِّيِّ، عَنْ أَبِي إِيَاسٍ، مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الدُّعَاءُ لاَ يُرَدُّ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رَوَاهُ أَبُو إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ هَذَا .
Anas bin Malik narrated that :Allah's Messenger said: "The supplication made between the Adhan and Iqamah is not rejected
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না। —সহীহ, মিশকাত— (৬৭১), ইরওয়া— (২৪৪), সহীহ আবু দাউদ- (৫৩৪)। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু ইসহাকও তার সনদ পরম্পরায় আনাস (রাঃ) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
#213Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas bin Malik narrated:"On the Night of Isra, fifty prayers were made obligatory upon the Prophet. Then it was decreased until it was made five. Then it was called out: 'O Muhammad! Indeed My Word does not change; these five prayers will be recorded for you as fifty
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মিরাজের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরয করা হয়েছিল। অতঃপর তা কমাতে কমাতে পাঁচ ওয়াক্তে সীমাবদ্ধ করা হয়। অতঃপর ঘোষণা করা হল, হে মুহাম্মাদ! আমার নিকট কথার কোন অদল বদল নাই। তোমার জন্য এই পাঁচ ওয়াক্তের মধ্যে পঞ্চাশ ওয়াক্তের সাওয়াব রয়েছে। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে উবাদা ইবনু সামিত, তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ, আবু কাতাদা, আবু যার, মালিক ইবনু সাসাআ এবং আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
#214Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "The five prayers, and Al-Jumuah (the Friday prayer) to Al-Jumuah are atonement for what is between them, as long as the major sins have not been committed
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পাঁচ ওয়াক্তের নামায এবং জুমু'আর নামায হতে পরবর্তী জুমু'আর নামাযে তার মাঝখানে সংঘটিত (ছোটখাট) গুনাহসমূহের কাফফারা (ক্ষতিপূরণ) হয়ে যায়; তবে শর্ত হল কাবীরা গুনাহ হতে বেঁচে থাকতে হবে। -সহীহ। তা’লীকুর রাগীব- (১/১৩৭)। এ অনুচ্ছেদে জাবির, আনাস ও হানযালা আল-উসায়দী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ।
#215Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated that :Allah's Messenger said: "Salat in congregation is twenty-seven degrees more virtuous than a man's Salat alone
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির একাকি আদায়কৃত নামাযের উপর জামা'আতে আদায়কৃত নামাযের সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদা রয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৮৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, উবাই ইবনু কাব, মুআয ইবনু জাবাল, আবু সাঈদ, আবু হুরাইরা ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। একইভাবে নাফি হতে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে একই অর্থের অপর একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তাতে আছেঃ “জামা'আতের নামায একাকি নামাযের তুলনায় সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদা রাখে।” এ সম্পর্কিত অন্যান্য সব বর্ণনায়ই পচিশ গুণের কথা উল্লেখ রয়েছে, শুধু ইবনু উমারের বর্ণনায় সাতাশ গুণের কথা উল্লেখ আছে।
#216Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Indeed a man's Salat in the congregation is increased by twenty five rewards over his Salat alone
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তির জামা'আতের নামায তার একাকি নামাযের তুলনায় পচিশ গুণ (সাওয়াব) বৃদ্ধি পায়। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৮৬, ৭৮৭), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#217Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "I was about to order my boys to collect bundles of firewood, then order Salat to be held, then burn (the homes) of the people who did not attend the Salat
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার ইচ্ছা হয়, আমি আমার যুবকদের কাঠের স্তুপ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেই, অতঃপর নামায আদায়ের নির্দেশ দেই এবং ইকামাত বলা হবে (নামায শুরু হয়ে যাবে), অতঃপর যেসব লোক নামাযে উপস্থিত হয়নি তাদের (ঘরে) আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেই। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৯১), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আবু দারদা, ইবনু “আব্বাস, মুআয ইবনু আনাস ও জাবির (রাঃ) হতেও বর্ণিত হাদীস রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বহু সংখ্যক সাহাবী হতে বর্ণিত আছে, তারা বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শুনার পরও জামা'আতে উপস্থিত হয়নি তার কোন নামায নেই। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামাআতের গুরুত্ব বুঝাতে এবং জামা'আতে অনুপস্থিত ব্যক্তিকে ভৎসনা করার জন্য এরূপ বলেছেন। কোন উপযুক্ত কারণ ছাড়া কারো পক্ষে জামা'আতে অনুপস্থিত থাকার অনুমতি নাই।
Mujahid said:"Ibn Abbas was asked about a man who fasted during the day and stood (in prayers) during the night, but he did not attend the Friday prayer nor congregational prayer. He replied: 'He is in the Fire
। মুজাহিদ বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, সে দিনভর রোযা রাখে এবং রাতভর নামায আদায় করে, কিন্তু জুমুআ ও জামা'আতে উপস্থিত হয় না। তিনি বললেন, সে জাহান্নামী। ইমাম তিরমিয়ী বলেনঃ হান্নাদ মুহারেবী হতে তিনি লাইস হতে তিনি মুজাহিদ হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। সনদ দুর্বল মুজাহিদ এ হাদীসের নিম্নরূপ ব্যাখ্যা করেছেনঃ যে ব্যক্তি জামা'আতকে তুচ্ছ ও হালকা জ্ঞান করে এরূপ করবে সে জাহান্নামী হবে।
#219Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Jabir hin Yazid hin Al-Aswad [Al-Amir] narrated that his father said:"I attended Hajj with the Prophet. I prayed the Subh (Fajr) prayer with him in Masjid AI-Khaif." He said: "When the Prophet finished, he turned (from the Qiblah) and saw two men at the back of the people who had not prayed with him. He said, 'Bring them to me.' So I brought then while they were shuddering with fear. He said: 'What prevented you from praying with us?" They said: 'O Messenger of Allah!' We prayed at our camp.' So he said: 'Do not do that; when you pray in your camp then you come to a Masjid with a congregation, then pray with them. That will be a voluntary prayer for you
। জাবির ইবনু ইয়াযীদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (ইয়ামীদ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তার বিদায় হাজ্জে উপস্থিত ছিলাম। আমি তার সাথে (মিনায় অবস্থিত) মসজিদে খাইফে ফযরের নামায আদায় করলাম। নামায শেষ করে তিনি মোড় ফিরলেন। তিনি লোকদের এক প্রান্তে দুই ব্যক্তিকে দেখলেন, তারা তার সাথে নামায আদায় করেনি। তিনি বললেনঃ এদেরকে আমার নিকট নিয়ে এসো। তাদেরকে নিয়ে আসা হল, (কিন্তু ভয়ে) তাদের ঘাড়ের রগ কাপছিল। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ আমার সাথে নামায আদায় করতে তোমাদের উভয়কে কিসে বাধা দিল? তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা বাড়িতে নামায আদায় করে এসেছি। তিনি বললেনঃ এরূপ আর করবে না। তোমরা বাড়িতে নামায আদায়ের পর যদি মসজিদে এসে জামা'আত হতে দেখ, তাহলে তাদের সাথে আবার নামায আদায় করবে। এটা তোমাদের উভয়ের জন্য নফল হবে। —সহীহ। মিশকাত— (১১৫২), সহীহ আবু দাউদ- (৫৯০)। এ অনুচ্ছেদে মিহজান ও ইয়াযীদ ইবনু আমির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইয়াযিদ ইবনু আসওয়াদের হাদীসটি হাসান সহীহ। সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক বলেছেন, কোন ব্যক্তি একাকি নামায আদায়ের পর আবার জামা'আত পেলে পুনরায় নামায আদায় করে নেবে। যদি সে মাগরিবের নামায একাকি আদায়ের পর জামা'আত পায় তাহলে জামা'আতের সাথে তিন রাকাআত পড়ার পর সে আরো এক রাকাআত মিলিয়ে আদায় করবে। সে পূর্বে একাকী যে নামায আদায় করল সেটা তাদের মতে ফরয হিসেবে গণ্য হবে।
Abu Sa'eed narrated:"A man came when Allah's Messenger had already prayed, so he said: 'Which of you will give some reward to this person?' So a man stood to pray with him
। আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি এমন সময় (মসজিদে) আসল যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করে নিয়েছেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে এই ব্যক্তির সাথে ব্যবসা করতে চায়? এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়াল এবং তার সাথে নামায আদায় করল। —সহীহ। মিশকাত— (১১৪৬), ইরওয়া— (৫৩৫), রাওযুন নাযীর— (৯৭৯)। এ অনুচ্ছেদে আবু উমামা, আবু মূসা ও হাকাম ইবনু উমাইর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদ বর্ণিত হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক বিশেষজ্ঞ সাহাবা এবং তাবিঈদের মতেঃ মসজিদে জামা'আত হওয়ার পর কিছু লোক একত্র হয়ে আবার জামা’আত করে নামায আদায় করে নিলে এতে কোন দোষ নেই। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও এমন কথা বলেছেন। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, প্রথম জামা'আত হওয়ার পরে আসা লোকেরা একাকি নামায আদায় করবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, মালিক ও শাফিঈ একাকি নামায আদায় করা পছন্দ করেছেন। সুলাইমান আন-নাজী বাসরীকে সুলাইমান ইবনু আসওয়াদও বলা হয়। আবুল মুতাওয়াক্কিলের নাম আলী ইবনু দাউদ।
#221Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Uthman bin Affan narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever attends Isha (prayer) in congregation, then he has (the reward as if he had) stood half of the night. And whoever prays Isha and Fajr in congregation, then he has (the reward as if he had) spend the entire night standing (in prayer)
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এশার নামায জামা'আতের সাথে আদায় করে তার জন্য অর্ধরাত (নফল) নামায আদায়ের সাওয়াব রয়েছে। যে ব্যক্তি ইশা ও ফযরের নামায জামা'আতের সাথে আদায় করে তার জন্য সারারাত (নফল) নামায আদায়ের সমপরিমাণ সাওয়াব রয়েছে। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৫৫৫), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, আবু হুরাইরা, আনাস, উমারাহ ইবনু রুআইবা, জুনদাব, উবাই ইবনু কাব, আবু মূসা ও বুরাইদা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উসমান হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। আব্দুর রহমানের সূত্রে হাদীসটি উসমান হতে মাওকুফভাবেও বর্ণিত হয়েছে। আবার বিভিন্ন সূত্রে উসমান হতে মারফুরূপেও বর্ণিত হয়েছে।
#222Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Jundub bin Sufyan narrated that :the Prophet said: "Whoever prays the Subh then he is under the protection of Allah's covenant, so do not be treacherous with Allah in his covenant
। জুনদাব ইবনু সুফিয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি ফযরের নামায আদায় করল সে আল্লাহর হিফাজাতে চলে গেল। অতএব তোমরা আল্লাহ তা'আলার হিফাজাতকে চূর্ণ কর না, তুচ্ছ মনে কর না। সহীহ। তালীকুর রাগীব- (১/১৪১, ১৬৩), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#223Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ أَبُو غَسَّانَ الْعَنْبَرِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ الْكَحَّالِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَوْسٍ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَشِّرِ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مَرْفُوعٌ هُوَ صَحِيحٌ مُسْنَدٌ وَمَوْقُوفٌ إِلَى أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يُسْنَدْ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
Buraidah Al-Aslami narrated that :the Prophet said: "Give glad tiding to those who walk to the Masajid in the dark; of a complete light on the Day of Resurrection
। বুরাইদা আল-আসলামী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যারা অন্ধকার পার হয়ে মসজিদে যায় তাদেরকে কিয়ামতের দিনের পরিপূর্ণ নূরের সুখবর দাও। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৭৯-৭৮১)। আবু ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি এই সনদে মারফু গারীব। সহীহ সনদে হাদীসটি মাওকুফ।
#224Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "The best rows for the men are the first of them, and the worst are the last of them. And the best rows for the women are the last of them, and the worst are the first of them
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পুরুষ লোকদের জন্য প্রথম কাতার হচ্ছে সবচেয়ে ভাল এবং খুবই খারাপ হচ্ছে সবার পেছনের কাতার। স্ত্রীলোকদের জন্য সবার পেছনের কাতার সবচেয়ে ভাল এবং খুবই খারাপ হচ্ছে প্রথম কাতার। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০০০-১০০১)। এ অনুচ্ছেদে জাবির, ইবনু আব্বাস, আবু সাঈদ, উবাই, আয়িশাহ, ইরবায ইবনু সারিয়াহ ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম কাতারের লোকদের জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয় কাতারের লোকদের জন্য একবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
#225Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لَوْ أَنَّ النَّاسَ يَعْلَمُونَ مَا فِي النِّدَاءِ وَالصَّفِّ الأَوَّلِ ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلاَّ أَنْ يَسْتَهِمُوا عَلَيْهِ لاَسْتَهَمُوا عَلَيْهِ " . قَالَ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنَا مَعْنٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ سُمَىٍّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
Narrator not mentioned:And the Prophet said: "If the people knew what (reward) is in the call (Adhan) and the first row, and they found no other way to get that except drawing lots, then they would draw lots
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেরা যদি জানতে পারত আযান দেওয়া ও প্রথম কাতারে দাড়ানোর মধ্যে কত সাওয়াব রয়েছে, তাহলে তাদের এতো ভীড় হত যে, শেষ পর্যন্ত লটারি করে ঠিক করতে হত (কে আযান দেবে এবং কে প্রথম কাতারে দাঁড়াবে)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৯৮), বুখারী ও মুসলিম। এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনু মূসা আনসারী, তিনি মা'ন হতে, তিনি মালিক হতে, তিনি সুমাই হতে তিনি আবু সালিহ হতে তিনি আবু হুরাইরা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে।
An-Nu'man bin Bashir said:"Allah's Messenger would straighten our lines. One day he came out and saw a man whose chest was protruding from the people, so he said: 'You must straighten your lines, or Allah will cause disagreement to occur among your faces
। নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাতারসমূহ সমান করে দিতেন। একদিন তিনি (ঘর হতে) বের হয়ে এসে দেখলেন, এক ব্যক্তির বুক কাতারের বাইরে এগিয়ে রয়েছে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সারিগুলো সোজা করে দাড়াবে, অন্যথায় আল্লাহ তা'আলা তোমাদের মুখমণ্ডলে বিভেদ সৃষ্টি করে দেবেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৯৪), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু সামুরা, বারাআ, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আনাস, আবু হুরাইরা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও বর্ণনাকৃত হাদীস রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ নুমান ইবনু বাশীরের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ কাতার ঠিক করা নামায পরিপূর্ণ করার অন্তর্ভুক্ত। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি কাতার ঠিক করার জন্য একজন লোক নিযুক্ত করতেন। যে পর্যন্তনা তাকে জানানো না হত যে, কাতার সোজা হয়েছে সে পর্যন্ত তিনি তাকবির (তাহরীমা) বলতেন না। উসমান এবং আলী (রাঃ) এদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতেন এবং তারা বলতেন, তোমরা সোজা হও। আলী (রাঃ) তো নাম ধরেই বলতেন, অমুক একটু আগাও, অমুক একটু পিছাও।”
#228Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Abdullah (Ibn Masud) narrated that :the Prophet said: "Let those among you with understanding and reason be close to me, then those after them, then those after them. And do not separate or dissention will occur among your hearts, and beware of the commotion of the markets
। আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যারা বয়স্ক ও বুদ্ধিমান তারা যেন আমার নিকটে দাঁড়ায়; অতঃপর যারা (উভয় গুণে) এদের নিকটবর্তী; অতঃপর যারা এদের নিকটবর্তী। আঁকাবাঁকা (কাতারে) দাঁড়িও না, তাতে তোমাদের অন্তরসমূহ আলাদা হয়ে যাবে। সাবধান! মাসজিদকে বাজারে পরিণত কর না (হৈচৈ করে)। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬৭৯), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে উবাই ইবনু কা'ব, আবু মাসউদ, আবু সাঈদ, বারাআ ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাজির ও নিকট হতে তারা (নামাযের নিয়ম কানুন সঠিকভাবে) শিখে নেবে। খালিদ আল-হায্যা তিনি হলেন, খালিদ ইবনু মিহরান, উপনাম আবুল মানাযিল। তিরমিয়ী বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে বলতে শুনেছি, বলা হয়ে থাকে যে, খালিদ আল-হাযযা কখনো জুতা পরিধান করেননি। হায্যা’র নিকট বসতেন বলে তাকে হায্যা বলা হয়। আবু মা’শার-এর নাম যিয়াদ ইবনু কুলাইব।
#229Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
Abdul-Hamid bin Mahmud said:"We prayed behind one of the Amirs, the people compelled us such that we prayed between two columns. When we had prayed, Anas bin Malik said: 'We would be prevented from this during the time of Allah's Messenger
। আবদুল হামীদ ইবনু মাহমূদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা জনৈক আমীরের পেছনে নামায আদায় করলাম। লোকের এত ভীড় হল যে, আমরা বাধ্য হয়ে দুই খুঁটির মাঝখানে নামাযে দাঁড়ালাম। যখন নামায শেষ করলাম, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে (এভাবে দাড়ানো) এড়িয়ে যেতাম। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০০২)। এ অনুচ্ছেদে কুররা ইবনু ইয়াস আল-মুযানী (রাঃ) হতেও বর্ণিত হাদীস আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের মতে, দুই খুঁটির মাঝখানে নামাযের কাতার করা মাকরূহ। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম এর অনুমতি দিয়েছেন।
Hilal bin Yasar said:"Ziyad bin Abi Al-Ja'd took me by the hand while we were in Ar Raqqah, he made me stand before a Shaikh who was called Wabisah bin Ma'bad, from Bani Asad. Ziyad said: 'This Shaikh narrated to me that a prayed alone behind the row' - and the Shaikh was listening - 'so Allah's Messenger ordered him to repeat the Salat
। হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যিয়াদ ইবনু আবুল যাদ আমার হাত ধরলেন। এ সময়ে আমরা রাক্কা নামক জায়গায় ছিলাম। তিনি আমাকে এক মুরুব্বির নিকট নিয়ে গেলেন। তিনি ছিলেন আসাদ গোত্রের ওয়াবিসা ইবনু মা'বাদ (রাঃ)। যিয়াদ বললেন, আমাকে এই মুরুব্বি বলেছেন, এক ব্যক্তি কাতারের পেছনে একাকি দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছিল। মুরুবিব লোকটি শুনছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আবার নামায আদায়ের নির্দেশ দিলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০০৪)। এ অনুচ্ছেদে আলী ইবনু শাইবান ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ওয়াবিসার হাদীসটি হাসান। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম কাতারের পেছনে একাকি দাঁড়িয়ে নামায আদায় করা মাকরূহ বলেছেন। তারা আরো বলেছেন, কেউ এভাবে নামায আদায় করলে তাকে আবার নামায আদায় করতে হবে। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এ মত গ্রহণ করেছেন। অপর দল বলেছেন, নামায হয়ে যাবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও শাফিঈ এমত গ্রহণ করেছেন। কৃফাবাসীদের একদল ওয়াবিসার হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, সারির পেছনে একাকি দাড়িয়ে নামায আদায় করলে তা আবার আদায় করতে হবে। এদের মধ্যে রয়েছেন হাম্মাদ, ইবনু আবু লাইলা ও ওয়াকী"। হিলাল ইবনু ইয়াসাফের নিকট হতে প্রাপ্ত হুসাইনের হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যেমন আবুল আহওয়াস যিয়াদ ইবনু আবুল যাদ হতে, তিনি ওয়াবিসা হতে বর্ণনা করেছেন। হুসাইনের হাদীস হতে জানা যায়, হিলাল ওয়াবিসার সাক্ষাত পেয়েছেন। এ ব্যাপারে হাদীস বিশারদদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। কিছু লোক বলেছেন, হিলালের নিকট হতে আমর ইবনু মুররা হতে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ। আবার কিছু লোক বলেছেন, হিলালের নিকট হতে হুসাইনের বর্ণিত হাদীসটি অধিক সহীহ। আবু ঈসা বলেনঃ শেষের বর্ণনাটিই বেশি সহীহ। কেননা এই বর্ণনাটি হিলাল ছাড়াও অন্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
#231Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
Wabisah bin Ma'bad narrated:"A man prayed alone behind the row s the Prophet ordered him to repeat the Salat
। ওয়াবিসা ইবনু মা'বাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি কাতারের পেছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলো। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আবার নামায আদায়ের নির্দেশ দিলেন। —সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। আবু ঈসা বলেনঃ আমি জারূদকে বলতে শুনেছি, তিনি ওয়াকীকে বলতে শুনেছেনঃ কোন ব্যক্তি কাতারের পেছনে একাকি দাড়িয়ে নামায আদায় করলে তাকে আবার ঐ নামায আদায় করতে হবে।
#232Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَطَّارُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِرَأْسِي مِنْ وَرَائِي فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ قَالُوا إِذَا كَانَ الرَّجُلُ مَعَ الإِمَامِ يَقُومُ عَنْ يَمِينِ الإِمَامِ .
Ibn Abbas narrated:"I prayed with the Prophet one night. I stood at his left, so Allah's Messenger took me by my head, from behind me, to put me on his right (side)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করলাম। আমি তার বাম পাশে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথার পেছনের চুল ধরে আমাকে তার ডান পাশে এনে দাঁড় করালেন -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬২৩, ১২৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাদের পরবর্তীদের মতে, ইমামের সাথে মাত্র একজন মুক্তাদী হলে সে তার (ইমামের) ডান পাশে দাঁড়াবে।
Samurah bin Jundub narrated:"Allah's Messenger ordered us that when we were three, then one of us should stand forward
। সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেনঃ আমরা যখন তিনজন এক সাথে নামায আদায় করি তখন আমাদের একজন যেন সামনে এগিয়ে যায় (ইমামতির জন্য)। সনদ দূর্বল আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, জাবির এবং আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। সামুরার হাদীসটি হাসান গারীব। বিশেষজ্ঞ আলিমগণ বলেছেন, তিনজন লোক হলে দুইজন ইমামের পেছনে দাড়াবে। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি আলকামা ও আসওয়াদকে সাথে নিয়ে নামায আদায় করলেন, একজনকে তার ডান পাশে এবং অপরজনকে তার বাম পাশে দাড় করালেন। ইবনু মাসউদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কেও এরূপ বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ ইসমাঈল ইবনু মুসলিমের স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
#234Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ جَدَّتَهُ، مُلَيْكَةَ دَعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِطَعَامٍ صَنَعَتْهُ فَأَكَلَ مِنْهُ ثُمَّ قَالَ " قُومُوا فَلْنُصَلِّ بِكُمْ " . قَالَ أَنَسٌ فَقُمْتُ إِلَى حَصِيرٍ لَنَا قَدِ اسْوَدَّ مِنْ طُولِ مَا لُبِسَ فَنَضَحْتُهُ بِالْمَاءِ فَقَامَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَفَفْتُ عَلَيْهِ أَنَا وَالْيَتِيمُ وَرَاءَهُ وَالْعَجُوزُ مِنْ وَرَائِنَا فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا إِذَا كَانَ مَعَ الإِمَامِ رَجُلٌ وَامْرَأَةٌ قَامَ الرَّجُلُ عَنْ يَمِينِ الإِمَامِ وَالْمَرْأَةُ خَلْفَهُمَا . وَقَدِ احْتَجَّ بَعْضُ النَّاسِ بِهَذَا الْحَدِيثِ فِي إِجَازَةِ الصَّلاَةِ إِذَا كَانَ الرَّجُلُ خَلْفَ الصَّفِّ وَحْدَهُ وَقَالُوا إِنَّ الصَّبِيَّ لَمْ تَكُنْ لَهُ صَلاَةٌ وَكَأَنَّ أَنَسًا كَانَ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَحْدَهُ فِي الصَّفِّ . وَلَيْسَ الأَمْرُ عَلَى مَا ذَهَبُوا إِلَيْهِ لأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقَامَهُ مَعَ الْيَتِيمِ خَلْفَهُ فَلَوْلاَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَ لِلْيَتِيمِ صَلاَةً لَمَا أَقَامَ الْيَتِيمَ مَعَهُ وَلأَقَامَهُ عَنْ يَمِينِهِ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَقَامَهُ عَنْ يَمِينِهِ . وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ دَلاَلَةٌ أَنَّهُ إِنَّمَا صَلَّى تَطَوُّعًا أَرَادَ إِدْخَالَ الْبَرَكَةِ عَلَيْهِمْ .
Anas bin Malik narrated:"My grandmother Mutalikah invited Allah's Messenger to a meal that she prepared. He ate from it, then said: 'Stand so tht we may lead you in prayer.'" He said: "I got a Hasir of our which had become dark because of prolonged use, so I washed it with water. Allah's Messenger stood on it, and the orphan and I aligned behind him and the only lady stood behind us. He (Allah's Messenger) led us in two Rak'ah of prayer and then left
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তার নানী মুলাইকা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাওয়াত করলেন। তিনি তার জন্য খাবার তৈরী করলেন। তিনি তা খেলেন, অতঃপর বললেনঃ উঠো, তোমাদের সাথে নামায আদায় করব। আনাস (রাঃ) বলেন, নামায আদায়ের জন্য আমি একটি কালো পুরানো চাটাই নিলাম। এটাকে পরিষ্কার ও নরম করার জন্য পানি ছিটিয়ে দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর দাড়ালেন। আমি এবং ইয়াতীম (ছেলে)-ও তার উপর তার পেছনে দাঁড়ালাম। বুড়ো নানী আমাদের পেছনে দাড়ালেন। তিনি আমাদের নিয়ে এভাবে দুই রাকাআত নামায আদায় করার পর চলে গেলেন। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞ ‘আলিমগণ এ হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, যদি ইমাম ছাড়া মুক্তাদীর সংখ্যা পুরুষ স্ত্রী মিলিয়ে দু’জন হয় তবে পুরুষ লোকটি ইমামের ডান পাশে এবং স্ত্রীলোকটি তাদের পেছনে দাড়াবে। কিছু আলিম এ হাদীসের দ্বারা প্রমাণ করেছেন যে, কাতারের পেছনে একাকি দাঁড়িয়ে কোন ব্যাক্তি নামায আদায় করলে তার নামায জায়িয হবে। কেননা আনাস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে একা দাড়িয়েছিলেন। যেসব বালক তার সাথে দাড়িয়েছিল তাদের উপর তো নামায ফরযই হয়নি। (তিরমিয়ী বলেন,) কিন্তু এ দলীল বাস্তব ঘটনার পরিপন্থী। কেনান আনাসের সাথে বাচ্চাদের দাঁড় করানো এটাই প্রমাণ করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বালকদের জন্যও নামাযের ব্যবস্থা করেছেন। অন্যথায় তিনি আনাসকে তার ডান আছে, তিনি (আনাস) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করলেন। তিনি তাকে নিজের ডান পাশে দাঁড় করালেন। এ হাদীস দ্বারা এটাও প্রমাণ হয় যে, তাদের ঘরে বারকাত হওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নফল আদায় করেছিলেন।
#235Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Bukhari And Muslim
Abu Mas'ud narrated that :Allah's Messenger said: "The one who recites most of the Book of Allah is to lead the people (in prayers). If they are equal in recitation, then the most knowledgeable in the Sunnah among them. If they are equal regarding the Sunnah, then the earliest of them to emigrate. If they are equal in their emigration then the eldest among them. And a man is not to be led in prayer in the place of his authority, and his spot of esteem in his home is not to be sat on without his permission
আওস ইবনু যাম'আজ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরাআন বেশি ভাল পড়তে জানে সে লোকদের ইমামতি করবে। যদি কুর'আন পাঠে সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বেশি হাদীস (সুন্নাহ) জানে। যদি সুন্নাহর বেলায়ও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি প্রথম হিজরাত করেছে। যদি এ ব্যাপারেও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বয়সে বড়। কোন ব্যক্তি যেন অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় তার সম্মতি ছাড়া ইমামতি না করে এবং তার অনুমতি ছাড়া তার বাড়িতে তার নির্দিষ্ট আসনে না বসে। মাহমূদ বলেন, ইবনু নুমাইর তার হাদীসে (আকসারুহুম সিন্নান-এর স্থলে) আকদামুহুম সিন্নান বর্ণনা করেছেন (যে ব্যক্তি বয়জ্যেষ্ঠ)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৮০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ, আনাস ইবনু মালিক, মালিক ইবনু হুয়াইরিস ও আমর ইবনু সালামাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসের আলোকে বিদ্বানগণ বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসে রাসূলে বেশি জ্ঞানী, সে-ই লোকদের ইমামতি করার বেশি হকদার। তারা আরো বলেছেন, বাড়ির মালিক ইমামতি করার ব্যাপারে বেশি হকদার। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বাড়ির মালিকের সম্মতি বলে যে কেউ ইমামতি করতে পারে। কিন্তু অনেকে এটা পছন্দ করেননি। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ “অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় কেউ যেন ইমামতি না করে এবং তার সম্মানের আসনে তার সম্মতি ছাড়া না বসে” –এখানে বসার সম্মতি দিলে তার মধ্যে ইমামতি করার আজ্ঞাও নিহিত রয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষে ইমামতি করতেও দোষ নেই।
#236Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "When one of you leads the people in prayer then let him be brief, for indeed here are among them the young and the old, the weak and the ill. When one of you prays alone, then let him pray as he wishes
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ লোকদের ইমামতি করলে সে যেন (নামায) সংক্ষেপ করে। কেননা তাদের মধ্যে ছোট বালক, দুর্বল ও অসুস্থ লোক থাকতে পারে। যখন সে একাকি নামায আদায় করে, বয়োবৃদ্ধ তখন নিজ ইচ্ছামত (দীর্ঘ করে) আদায় করতে পারে। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৫৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আদী ইবনু হাতিম, আনাস, জাবির ইবনু সামুরা, মালিক ইবনু আবদুল্লাহ, আবু ওয়াকিদ, উসমান ইবনু আবুল আস, আবু মাসউদ জাবির ইবনু আদুল্লাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। দুর্বল, বৃদ্ধ ও রুগ্নদের কষ্ট হওয়ার আশংকায় বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, ইমাম যেন নামায লম্বা না করে। আবু ঈসা বলেনঃ আবুয্ যাননাদের নাম আব্দুল্লাহ ইবনু যাকওয়ান। আল-আ'রাজ হলেন, আব্দুর রহমান ইবনু হুরমুজ আল-মাদীনী তার উপনাম আবু দাউদ।
#237Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas [bin Malik] narrated:"Allah's Messenger was among the lightest of people in Salat with its completeness
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব লোকের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ নামায আদায়কারী ছিলেন। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু আউয়ানাহ'র নাম ওয়াযযাহ। আবু ঈসা বলেনঃ আমি কুতাইবাকে জিজ্ঞেস করলাম, আবু আউয়ানাহ'র নাম কি? তিনি বললেন, ওয়াযযাহ। জিজ্ঞেস করলাম, কার ছেলে? তিনি বললেন, জানি না। তিনি বাসরার এক মহিলার দাস ছিলেন।
Abu Sa'eed narrated that :Allah's Messenger said: "the key to Salat is the purification, its Tahrim is the Takbir, and its Tahlilis the Taslim, and there is no Salat for one who did not recite Al-Hamd and a Surah in the obligatory (prayer) or other prayers
। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযের চাবি হল পবিত্রতা; তার তাহরীম হল শুরুতে আল্লাহু আকবার বলা; তার তাহলীল হল (শেষে) সালাম বলা। যে ব্যক্তি আলহামদু লিল্লাহ (সূরা ফাতিহা) ও অন্য সূরা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি, চাই তা ফরয নামায হোক বা সুন্নাত নামায। —সহীহ। ইবনু মাজাহ-(২৭৫-২৭৬)। আবু ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। সনদের বিচারে ‘আলী (রাঃ)-এর হাদীস আবু সাঈদের হাদীসের তুলনায় বেশি শক্তিশালী ও সহীহ যা তাহারাত অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাবিঈগণ এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, "আল্লাহু আকবার’ বলে নামায শুরু করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত ব্যক্ত করেছেন যে আল্লাহু আকবার বলা ছাড়া কেউ নামাযের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না। আবদুর রহমান ইবনু মাহদী বলেছেন, কোন লোক যদি আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বই নামের যে কোন সত্তরটি নাম নিয়ে নামায শুরু করে কিন্তু 'আল্লাহু আকবার’ না বলে, তাহলে তার নামায হবে না। আর সালাম ফিরানোর আগ মুহুর্তে যদি কারো ওযু ছুটে যায়, তাহলে আমি তাকে হুকুম করব, সে যেন আবার ওযু করে নিজ স্থানে এসে সালাম ফিরায়। এ হাদীসের জাহির আপাতদৃষ্ট অর্থই গ্রহণযোগ্য হবে। আবু নাদরাহ'র নাম আল-মুনযির ইবনু মালিক ইবনু কুতায়াহ।
Abu Hurairah narrated:"When Allah's Messenger performed the Takbir for Salat he would spread his fingers
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযের জন্য তাকবীর তাহরীমা বলতেন তখন হাতের আঙ্গুলগুলো ফাক করে ছড়িয়ে দিতেন। যঈফ, তা’লীক আলা ইবনু খুযাইমাহ (৪৫৮) আবূ ঈসা বলেনঃ আবূ হুরাইরার হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এক বর্ণনায় শব্দগুলো নিম্নরূপ "আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে প্রবেশ করতেন, তখন উভয় হাত খাড়া করে (আঙ্গুল ফাক করে) উত্তোলন করতেন।” (তিরমিয়ী বলেন,) শেষোক্ত বর্ণনাটি ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ামানের বর্ণনার চেয়ে বেশি সহীহ। ইবনুল ইয়ামান এ হাদীসের রিওয়ায়াতে ভুল করেছেন।
#240Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Hasan
Abu Hurairah narrated:"When Allah's Messenger would enter the Salat he would raise his hands while they were extended
। সাঈদ ইবনু সামআন (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে দাঁড়াতেন, তখন নিজের উভয় হাতের আঙ্গুলগুলো ফাঁক করে উপরে তুলতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৬৭), তালীক আ'লা ইবনু খুযাইমাহ (৪৫৯), সহীহ আবু দাউদ- (৭৩৫)। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান বলেছেন, এই হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনুল ইয়ামানের হাদীস হতে অধিক সহীহ।
Anas bin Malik narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever performs Salat for Allah for forty days in congregation, catching the first Takbir, two absolutions are written for him: absolution from the Fire, and absolution from the Fire, and absolution from hypocrisy
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সন্তোষ অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধারে চল্লিশ দিন তাকবীরে উলার (প্রথম তাকবীর) সাথে জামা'আতে নামায আদায় করতে পারলে তাকে দুটি নাজাতের ছাড়পত্র দেওয়া হয়ঃ জাহান্নাম হতে নাজাত এবং মুনাফিকী হতে মুক্তি। -হাসান। তা’লীকুর রাগীব- (১/১৫১), সহীহাহ– (২৬৫২)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি আনাসের নিকট হতে একাধিক সূত্রে মাওকুফ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা নয়, আনাসের কথা হিসাবে)। হাবীব ইবনু আবী সাবিত ব্যাতীত অন্য কোন সূত্রে হাদীসটি মারফুরূপে বর্ণিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বরং হাদীসটি হাবীব ইবনু আবী হাবীব আল-বাজালীর সূত্রে আনাস হতে মাওকুফ রূপে বর্ণিত হয়েছে। অপর একটি সূত্রে দেখা যায়, আনাস (রাঃ) উমর (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনাটি অসংরক্ষিত এবং মুরসাল। কেননা এই সনদের রাবী উমারাহ ইবনু গাযিয়াহ আনাসের সাক্ষাত পাননি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বলেন, হাবীব ইবনু আবী হাবীবের উপনাম আবু কাশূসা বা আবু উমাইরাহ।
#242Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Hasan
Abu Sa'eeed Al Khudri narrated:"When Allah;s Messenger stood for Salat during the night, he would say the Takbir (Allahu Akbar), then say: (Subhanaka Allahumma wa bihamdika wa Tabarakasmuka wa Ta'ala Jadduka wa la ilaha ghairuk.) 'Glorious You are O Allah, and with Your praise, and blesses is Your Name, and exalted is Your majesty, and none has the right to be worshipped but You' Then he would say: (A'udhu Bilahi As-Sami'il-Alimi min Ash-Shaitanir-Rajimi, min Hamzihi Wa Nafkhihi wa Nafthihi.)" 'Allah is undoubtedly the greatest.' (Allahu Akbaru Kabira). Then he would say: 'I seek refuge in Allah the All-Hearing, the All-Knowing, from the cursed Shaitan, from his madness, his arrogance, and his poetry
। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নামায আদায় করতে উঠে প্রথমে তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলতেন, অতঃপর এই দু'আ পাঠ করতেনঃ 'সুবহানাকা আল্লাহুমা ...... ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।' অর্থাৎ “হে আল্লাহ! তুমি মহাপবিত্র, তোমার জন্যই প্রশংসা, তোমার নাম বারকাতপূর্ণ, তোমার মর্যাদা সর্বোচ্চ এবং তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই।" অতঃপর তিনি বলতেনঃ 'আল্লাহু আকবার কাবীরা', অতঃপর বলতেনঃ 'আউযু বিল্লাহিস ..... ওয়া নাফাসিহি। অর্থাৎ “অভিশপ্ত শাইতান এবং তার কুমন্ত্রণা, ঝাড়ফুক ও যাদুমন্ত্র হতে আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বময় জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহ তা'আলার নিকটে আশ্রয় চাই”। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮০৪)। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আলী, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আয়িশাহ, জাবির, জুবাইর ইবনু মুতাইম ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি অধিক মাশহুর। একদল বিদ্বান এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। কিন্তু বেশিরভাগ বিদ্বান বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহানাকা .... ইলাহা গাইরুকা' পর্যন্ত পড়তেন। উমার ইবনুল খাত্তাব ও ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে এরূপই বর্ণিত আছে। বেশিরভাগ তাবিঈ ও অন্যান্যরা এই হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। (তিরমিয়ী বলেন,) আবু সাঈদের হাদীসটি সমালোচিত হয়েছে। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এ হাদীসের এক রাবী আলী ইবনু আলীর সমালোচনা করেছেন (দুর্বল বলেছেন)। ইমাম আহমাদ বলেছেন, এ হাদীসটি সহীহ নয়।
Aishah narrated:"When the Prophet opened the Salat he would say: (Subhanaka Allahumma wa bihamdika wa tabarakasmuka, wa ta'ala jadduka wa la ilaha ghairuk)" 'Glorious You are O Allah, and with Your praise, and blessed is Your Name, and exalted is Your majesty, and none has the right to be worshipped but You
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামায শুরু করতেন তখন বলতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুমা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা”। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮০৬)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি আমরা উল্লেখিত সনদ পরম্পরায়ই জেনেছি। এ হাদীসের এক রাবী হারিসা ইবনু আবু রিজালের স্মরণশক্তির সমালোচনা করা হয়েছে। আবু রিজালের নাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান আল-মাদীনী।
Ibn Abdullah bin Mughaffal narrated:"While I was praying, I said: Bismillahir-Rahmanir-Rahim "In the Name of Allah, the Merciful, the Beneficent." My father heard me and said: "O my son this is a newly invented matter, beware of the newly-invented.'" He (Ibn Abdullah) said: "I have not seen any one of the Companions of Allah's Messenger who hated a newly invented matter in Islam more than him. And he said: 'Ihave performed Salat with the Prophet, and with Abu Bakr, and Umar, and with Uthman. I did not hear any one of them saying it. So do not say it. When you are performing Salat say: Al-Hamdu lilahi Rabbil-Alamin "All praise is due to Allah the Lord of all that exists
। ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার পিতা (আবদুল্লাহ) আমাকে নামাযের মধ্যে শব্দ করে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পাঠ করতে শুনলেন। তিনি বললেন, হে বৎস! এটা তো বিদ'আত; বিদ'আত হতে সাবধান হও। তারপর তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবাদের চেয়ে অন্য কাউকে ইসলামে বিদ'আতের প্রচলন করার প্রতি এত বেশী ঘৃণা ও শত্রুতা পোষণ করতে দেখিনি। তিনি আরো বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকার (রাঃ), উমার (রাঃ) ও উসমান (রাঃ)-এর সাথে নামায আদায় করেছি। কিন্তু তাদের কাউকে বিসমিল্লাহ সশব্দে পাঠ করতে শুনিনি। অতএব তুমিও সশব্দে পাঠ কর না। যখন তুমি নামায আদায় করবে তখন আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন” এর মাধ্যমে কিরা'আত শুরু করবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮১৫) আবূ ঈসা বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফালের হাদীসটি হাসান। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা (রাঃ) এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন (তাসমিয়া চুপে চুপে পাঠ করেছেন)। আবূ বাকার, উমার, উসমান ও আলী (রাঃ) তাদের অন্যতম। বেশিরভাগ তাবিঈ এই মতের অনুসারী। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাক এ মত গ্রহণ করেছেন। তারা বলেছেন, তাসমিয়া জোরে পাঠ করবে না, বরং আস্তে পাঠ করবে।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet would open his Salat with (Bismillahir-Rahmanir-Rahim)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম দিয়ে নামায শুরু করতেন। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসের সনদ খুব একটা শক্তিশালী নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবূ হুরাইরা, ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস ও ইবনু যুবাইর (রাঃ)। তাবিঈদের একদল এই মত গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন, সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরার মত বিসমিল্লাহও সশব্দে পাঠ করতে হবে। ইমাম শাফিঈ এই মত সমর্থন করেছেন। ইসমাঈল ইবনু হাম্মাদ তিনি ইবনু আবূ সুলাইমান এবং আবূ খালিদের নাম হুরমুয তিনি কুফী।
#246Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas narrated:"Allah's Messenger, Abu Bakr, Umar and Uthman opened the Salat with (Al-Hamdu-lillahi rabbil-alamin)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকার, উমার ও উসমান (রাঃ) আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন দিয়ে নামাযের কিরা'আত শুরু করতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮১৩), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা, তাবিঈন ও তাবা তাবিঈন এ হাদীস (অর্থাৎ সূরা ফাতিহা) দিয়েই নামাযের কিরাআত শুরু করেছেন। ইমাম শাফিঈ বলেন, এ হাদীসের তাৎপর্য হল, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকার, উমার ও উসমান (রাঃ) অন্য সূরা পাঠের পূর্বে সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। এর অর্থ এই নয় যে, তারা বিসমিল্লাহ পাঠ করতেন না। ইমাম শাফিঈর মত হল, বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম' দিয়েই কিরাআত শুরু করতে হবে এবং যখন সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে পাঠ করা হবে তখন “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম”ও উচ্চস্বরে পাঠ করতে হবে।
#247Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ubadah bin As-Samil narrated that :the Prophet said: "There is no Salat for the one who does not recite Fatihatil-Kitab
। উবাদা ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৭), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আয়িশাহ, আনাস, আবু কাতাদা ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, উবাদার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাহাবী এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। উমার ইবনুল খাত্তাব, ‘আলী ইবনু আবী তালিব, জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ, ইমরান ইবনু হুসাইন ও অপরাপর সাহাবী (রাঃ) বলেছেন, সূরা ফাতিহা পাঠ করা না হলে নামায হবে না। আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) বলেনঃ “যে নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করা হয়নি ঐ নামায অসম্পূর্ণ” ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ মত গ্রহণ করেছেন।
Wa'il bin Hujr narrated:"I heard the Prophet recite: (Not (the way) of those who earned Your anger, nor those who went astray) and he said: 'Amin.' And he stretched it out with his voice
। ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে “গাইরিল মাগযুবি আলাইহিম অলায-যালীন পাঠ করতে এবং আমীন' বলতে শুনেছি। আমীন বলতে গিয়ে তিনি নিজের কণ্ঠস্বর দীর্ঘ ও উচ্চ করলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৫৫)। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ওয়াইল ইবনু হুজরের হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীগণ ‘আমীন’ স্বশব্দে বলার পক্ষে মত দিয়েছেন এবং নিঃশব্দে বলতে নিষেধ করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত গ্রহণ করেছেন। শুবা এ হাদীসটি সালামা ইবনু কুহাইলের সূত্রে তিনি বর্ণনা করেছেন। তাতে আছেঃ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাইরিল মাগযুবি আলাইহিম অলায-যাল্লীন পাঠ করলেন। অতঃপর নীচু স্বরে আমীন' বললেন।" -শাজ। সহীহ আবু দাউদ- (৮৬৩)। আবু ঈসা বলেনঃ আমি মুহাম্মাদকে (বুখারীকে) বলতে শুনেছি, এ বিষয়ে শু’বার হাদীসের তুলনায় সুফিয়ানের হাদীস বেশি সহীহ। কেননা শু'বা এ হাদীসের কয়েকটি স্থানে ভুল করেছেন। যেমন তিনি বলেছেন عن حجر ابى العنبس অথচ হবে حجر بن العنبس দ্বিতীয়তঃ তিনি আলকামার নাম বাড়িয়ে বলেছেন, অথচ তিনি হাদীসের রাবী নন। এখানে সনদ হবে حجر بن العنبس عن واءل بن حجر তৃতীয়তঃ তিনি বর্ণনা করেছেন وحفص بها صوته অথচ হবে مد بها صوته আবু ঈসা বলেনঃ আমি আবু যুরআকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শু'বার হাদীসের চেয়ে সুফিয়ানের হাদীসটি বেশি সহীহ।
(Another chain) from Wa'il bin Hujr who narrated it from :the Prophet, and it is similar to the narrations of Sufyan from Salamah bin Kuhail
। আবু ঈসা বলেনঃ আবু বাকর মুহাম্মাদ ইবনু আবান, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু নুমাইর হতে, তিনি 'আলা ইবনু সালিহ আল-আসাদী হতে। তিনি সালামাহ ইবনু কুহাইল হতে তিনি হুজর ইবনু আনবাস হতে, তিনি ওয়াইল ইবনু হুজর হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সালামা ইবনু কুহাইলের সূত্রে সুফিয়ানের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। -সহীহ। দেখুন পূর্বের- (২৪৮ নং) হাদীস।
#250Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said "When the Imam says 'Amin' then (all of you) say 'Amin.' For whoever's 'Amin' concurs with the 'Amin' of the angels, then his past sins will be forgiven
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইমাম যখন আমীন’ বলবে তোমরাও তখন আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে সাথে হবে তার পূর্বেকার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৫১), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ।
Al-Hasan narrated that :Samurah said: "there are two pauses that I preserved from Allah's Messenger." But Imran bin Husain rejected that and said: "We preserved one pause." "So we wrote to Ubayy bin Ka'b in Al-Madinah. Ubayy wrote that Samurah was correct." Sa'eed said: "We said to Qatadah: 'What are those two pauses?' He said: 'When he entered into his Salat, and when he finished his recitation.' Then he (Qatadah) said after that: 'And when he recited (Nor those who went astray.)' And he said: 'He liked to pause when he finished the recitation until he caught his breath
। সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে দু'টি বিরতিস্থান মুখস্থ করে নিয়েছি। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) এতে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, আমি একটি মাত্র বিরতিস্থান মুখস্থ করেছি। (সামুরা বলেন, এর মীমাংসার জন্য) আমরা মাদীনায় উবাই ইবনু কাব (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলাম। তিনি উত্তরে লিখে জানালেন, সামুরাই সঠিকভাবে মুখস্থ রেখেছে। সাঈদ বলেন, আমরা কাতাদাকে প্রশ্ন করলাম, বিরতি দুটো কোন কোন জায়গায়ঃ তিনি বলেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামাযে প্রবেশ করতেন (তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার পর) এবং যখন কিরাআত শেষ করতেন। পরে তিনি (কাতাদা) বললেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অলায-যআল্লীন পাঠ করতেন। রাবী বলেন, কিরা'আত পাঠের পর তিনি ভালভাবে নিঃশ্বাস নেয়া পর্যন্ত বিরতি দেওয়া খুবই পছন্দ করতেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৪৪, ৮৪৫) এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ সামুরার হাদীসটি হাসান। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম নামায শুরু করার পর এবং কিরা'আত শেষ করার পর ইমামের জন্য বিরতি দেওয়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক ও আমাদের (তিরমিয়ীর) সঙ্গীরা এ মতের সমর্থক।
#252Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan
Qabisah bin Hulb narrated from :his father who said: "Allah's Messenger lead us in prayer and hold his left hand with his right
। কাবীসা ইবনু হুলব (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (হুলব) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ইমামতি করতেন এবং (দাড়ানো অবস্থায়) নিজের ডান হাত দিয়ে বা হাত ধরতেন। -হাসান, ইবনু মাজাহ– (৮০৯)। এ অনুচ্ছেদে ওয়াইল ইবনু হুজর, গুতাইফ ইবনু হারিস, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ ও সাহল ইবনু সাদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ হুলব এর হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা, তাবিঈন ও তাবা-তাবিঈন এ হাদীসের ভিত্তিতে মত দিয়েছেন যে, নামাযের মধ্যে ডান হাত বা হাতের উপর রাখতে হবে। কারো কারো মতে হাত নাভির উপরে বাধতে হবে; আবার কারো কারো মতে নাভির নীচে বাধতে হবে। তারা এরূপও বলেছে যে, নাভির উপরে-নীচে যে কোন স্থানে হাত বাধার অবকাশ আছে। হুলব এর নাম ইয়াযিদ ইবনু কুনাফা আত-তাঈ।
#253Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdullah bin Mas'ud narrated:"Allah's Messenger would say the Takbir for every lowering and raising, standing and sitting, and (so did) Abu Bakr and Umar
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, (নামাযরত অবস্থায়) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেকবার উঠা, নীচু হওয়া, দাড়ানো ও বসার সময় 'আল্লাহু আকবার’ বলতেন। আবু বাকার এবং উমার (রাঃ)-ও এরূপ আমল করতেন। —সহীহ। ইরওয়া— (৩৩০)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আনাস, ইবনু উমার, আবু মালিক আশআরী, আবু মূসা, ইমরান ইবনু হুসাইন, ওয়াইল ইবনু হুজর এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা যেমন আবু বাকর, উমার, উসমান ও আলী (রাঃ), তাদের পরবর্তীগণ এবং সমস্ত ফিকহবিদ ও বিশেষজ্ঞ আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন।
#254Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ الْحَسَنِ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُكَبِّرُ وَهُوَ يَهْوِي . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ مِنَ التَّابِعِينَ قَالُوا يُكَبِّرُ الرَّجُلُ وَهُوَ يَهْوِي لِلرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ .
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger would say the Takhir while he was going down
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) নীচের দিকে যেতে তাকবীর বলতেন। —সহীহ। ইরওয়া— (৩৩১), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। সাহাবয়ি কিরাম ও তাবিঈনেরও এই মত রুকূ-সিজদায় যাওয়ার সময় ঝুকে পড়ে আল্লাহু আকবার" বলবে।
#255Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Salim narrated from :his father (Ibn Umar) who said: "I saw Allah's Messenger when he opened the Salat, raising his hands to the level of his shoulders, and (again) when he bowed, and when he raised his head from bowing." In his narration, Ibn Abi Umar added: "And he wuld not raise them between the two prostrations
। সালিম (রাহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, আমি দেখেছি, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শুরু করতেন, তখন নিজের কাধ পর্যন্ত হাত তুলতেন এবং যখন রুকূতে যেতেন এবং রুকু হতে উঠতেন (তখনও এরূপ করতেন)। ইবনু আবু উমার তার বর্ণিত হাদীসে আরো বলেছেন, কিন্তু তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই সিজদার মাঝখানে হাত তুলতেন না। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৫৮), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
#256Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Salim narrated:Same as 255 (above) with a different chain
। আবু ঈসা বলেনঃ ফাযল ইবনু সাবাহ বাগদাদী তিনি সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে তিনি যুহরী হতে এই সনদ পরম্পরায় ইবনু আবী উমারের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। -সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস এ অনুচ্ছেদে উমার, আলী, ওয়াইল ইবনু হুজর, মালিক ইবনু সাদ, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা, আবু কাতাদা, আবু মূসা আশ'আরী, জাবির ও উমাইর লাইসী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা "আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) ও আরো অনেকে; তাবিঈদের মধ্যে হাসান বাসরী, আতা, তাউস, মুজাহিদ, নাফি, সালিম ইবনু আবদুল্লাহ, সাঈদ ইবনু যুবাইর প্রমুখ রুকূতে যাওয়া এবং রুকু হতে উঠার সময় ‘রাফউল ইয়াদাইন’ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম মালিক মামার, আওযায়ী ইবনু উয়াইনাহ ইমাম ‘আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রাহঃ) এই মত গ্রহণ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, হাত উত্তোলন সম্পর্কিত হাদীস সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপ্রমাণিত। ইবনু মাসউদ (রাঃ) যে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু একবার রাফউল ইয়াদাইন করেছেন, অতঃপর আর কখনো করেননি এ হাদীসটি প্রমাণিত নয় এবং প্রতিষ্ঠিতও নয়। আমাকে এ কথা আহমাদ ইবনু আবদাহ বলেছেন, তিনি ওয়াহব ইবনু যামআর সূত্রে, তিনি সুফিয়ান ইবনু আবদুল মালিকের সূত্রে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাকের সূত্রে পেয়েছেন। জারুদ ইবনু মুআয বলেনঃ সুফইয়ান ইবনু উয়াইনা, উমার ইবনু হারুন, নাযর ইবনু শুমাইল প্রমুখ ইমামগণ নামায শুরু করতে রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু হতে উঠার সময় রাফউল ইয়াদাইন করতেন।
Alqamah narrated that :Abdullah bin Mas'ud said: "Shall I not demonstrate the Salat of Allah's Messenger to you?" Then he offered Salat and he did not raise his hands except while saying the first Takbir
। আলকামা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (নিয়মে) নামায আদায় করে দেখাব না? তিনি (আবদুল্লাহ) নামায আদায় করলেন, কিন্তু প্রথম বার (তাকবীরে তাহরীমার সময়) ছাড়া আর কোথাও রাফউল ইয়াদাইন করেননি। —সহীহ। সিফাতুস সালাত, মূল- মিশকাত— (৮০৯)। এ অনুচ্ছেদে বারা ইবনু আযিব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবা ও তাবিঈন এ হাদীসের অনুকূলে মত দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণ এই মত গ্রহণ করেছেন।
#258Shakir: Sahih IsnaadAl-Albani: Sahih IsnaadMaarouf: Hasan Sahih
Abu Abdur-Rahman As-Sulami said:"Umar bin Al-Khattab [may Allah be pleased with him] said to us: 'The knees are the Sunnah for you, so hold the knees
। আবু আবদুর রাহমান আস-সুলামী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাদের বললেন, রুকূতে হাটুতে হাত রাখা তোমাদের জন্য সুন্নাত। অতএব তোমরা হাঁটুতে হাত রাখ। -সনদ সহীহ। এ অনুচ্ছেদে সাদ, আনাস, আবু হুমাইদ, আবু উসাইদ, সাহল ইবনু সাদ, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা ও আবু মাসউদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। সাহাবা, তাবিঈন ও তাবি তাবিঈনের মধ্যে রুকূর সময় হাটুতে হাত রাখার ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে যা বর্ণিত হয়েছে (রুকূর সময় দুই হাত একত্রে মিলিয়ে দুই উরুর মাঝখানে রাখা) তার সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য বিশেষজ্ঞ আলিমগণ বলেন, তার বর্ণনাটি মানসুখ (বাতিল) হয়ে গেছে।
#259Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Sa'd bin Abi Waqas said:"We would do that, but then we were prohibited from it, and we were ordered to put our hands on our knees
। সা'দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, আমরা প্রথমে এরূপ করতাম (দুই হাত একসাথে মিলিয়ে দুই রানের মাঝখানে রাখতাম)। কিন্তু পরে আমাদেরকে এমনটি করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং রুকূর সময় হাটুর উপর হাত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৭৩), বুখারী ও মুসলিম। মুসআব ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে তার পিতা সাদের সূত্রেও উপরে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবু হুমাইদ সায়িদীর নাম আব্দুর রহমান ইবনু সাদ ইবনুল মুনযির, আবু উসাইদের নাম মালিক ইবনু সুলামীর নাম আব্দুল্লাহ ইবনু হাবীব। আবু ইয়াফুর-এর নাম আব্দুর রহমান ইবনু উবাইদ। আবু ইয়াকুব আবদীর নাম ওয়াকিক। আর ইনিই আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আউফা হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরা উভয়েই কুফাবাসী।
#260Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، بُنْدَارٌ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ اجْتَمَعَ أَبُو حُمَيْدٍ وَأَبُو أُسَيْدٍ وَسَهْلُ بْنُ سَعْدٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ فَذَكَرُوا صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكَعَ فَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ كَأَنَّهُ قَابِضٌ عَلَيْهِمَا وَوَتَّرَ يَدَيْهِ فَنَحَّاهُمَا عَنْ جَنْبَيْهِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي حُمَيْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ أَهْلُ الْعِلْمِ أَنْ يُجَافِيَ الرَّجُلُ يَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ .
Abbas bin Sahl [bin Sa'd] narrated:"Abu Humaid, Abu Usaid, Sahl bin Sa'd, and Muhammad bin Maslamah were once together and they were mentioning the Salat of Allah's Messenger. Abu Humaid said: 'I am the most knowledgeable among you of the Salat of Allah's Messenger: Allah's Messenger would bow and place his hands on his knees as if he was grasping them, and he would draw his forearms to hold them away from his sides
। আব্বাস ইবনু সাহল হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আবু হুমাইদ, আবু সাঈদ, সাহল ইবনু সা'দ এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) একত্র হলেন। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায সম্পর্কে একে অপরের সংগে আলাপ করছিলেন। আবু হুমাইদ (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে আমি তোমাদের চেয়ে অনেক ভাল জানি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকুর সময় দুই হাত দুই হাটুতে রাখলেন। তিনি হাত দু'টোকে টানা তীরের মত (সোজা) রাখলেন এবং পার্শ্বদেশ হতে পৃথক (ফাক) করে রাখলেন। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭২৩), মিশকাত— (৮০১), সিফাতুস সালাত- (১১০)। এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুমাইদ-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ রুকু সিজদার সময় উভয় হাত পার্শ্বদেশ (পেট) হতে পৃথক রাখার নিয়মই অবলম্বন করেছেন।
Ibn Mas'ud narrated that :the Prophet said: "When one of you bows then says while he is bowing: (Subhana Rabbiyal Azim) 'Glorious is my Lord the Magnificent' three times, then he has completed his bowing. And that is the least of it. And when he prostrates and says while prostrating: (Subhana Rabbiyal A'la) 'Glorious is my Lord the Most High' three times, then he has completed his prostrations, and that is the least of it
। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ রুকূ করবে তখন পবিত্রতা বর্ণনা করছি) বলবে। তাহলে তার রুকূ পূর্ণ হবে। আর এটা হল সর্বনিম্ন পরিমাণ। যখন সে সিজদা করবে তখন সিজদায় তিনবার সুবহানা রবিয়াল আলা' বলবে। তাহলে তার সিজদা পূর্ণ হবে। আর এটা হল সর্বনিম্ন পরিমাণ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৯০) এ অনুচ্ছেদে হুযাইফা ও উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর হাদীসের সনদ মুত্তাসিল নয় (অর্থাৎ এটা সনদসূত্র কর্তিত হাদীস)। কেননা ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে আওন ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবার দেখা হয়নি। বিশেষজ্ঞ আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা রুকু ও সিজদায় তিন তাসবীহ-এর কম না বলাই মুস্তাহাব বলেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেছেন, আমি ইমামের জন্য পাঁচ বার তাসবীহ বলা মুস্তাহাব মনে করি। এতে মুক্তাদী ধীরেসুস্থে তিন তাসবীহ পাঠ করে নিতে পারবে। ইসহাক ইবনু ইবরাহীমও অনুরূপ কথা বলেছেন।
#262Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Hudhaifah narrated that :he performed Salat with the Prophet, and that while he was bowing he would say: (Subhana Rabbiyal Azim); "Glorious is my Lord the Magnificent" and while prostrating: (Subhana Rabbiyal A'la) 'Glorious is my Lord the Most High.' And he would not recite an Ayah mentioning mercy, except that he would stop and ask (for mercy), and he would not recite an Ayah mentioning punishment, except that he would stop and seek refuge (with Allah from it)
। হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামায আদায় করছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রুকূতে সুবহানা রব্বিয়াল আযীম' এবং সিজদায় "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা বলতেন। যখনই কোন রহমত সম্পর্কিত আয়াতে আসতেন, তখনই তিনি সামনে অগ্রসর হওয়া বন্ধ রেখে রহমত চাইতেন। যখনই তিনি কোন শাস্তি সম্পর্কিত আয়াতে আসতেন, তখন সামনে অগ্রসর হওয়া বন্ধ রেখে শাস্তি হতে আশ্রয় চাইতেন। —সহীহ। মিশকাত— (৮৮১)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#263Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
قَالَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، نَحْوَهُ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ حُذَيْفَةَ، هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ أَنَّهُ صَلَّى بِاللَّيْلِ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيثَ .
(Another similar narration) This Hadith has been narrated from Hudhaifah :from another route: "That he performed Salat during the night with the Prophet" and he mentioned the Hadith
ইমাম তিরমিয়ী বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি শু’বা হতে স্বীয় সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। —সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। হুযাইফা হতে অন্য সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তাতে তিনি রাত্রে নামায আদায় করেছেন বলে উল্লেখ আছে।
#264Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ali bin Abi Talib narrated:"The Prophet prohibited wearing Qassi, and that which is dyed with safflower, and from the gold ring, and from reciting the Quran while bowing
। আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেনঃ কাচ্ছি নামক রেশমী কাপড় ও কড়া লাল রং-এর কাপড় পরতে, সোনার আংটি পরতে এবং রুকূর মধ্যে কুর'আনের আয়াত পাঠ করতে। -সহীহ। মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আলী (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাদের পরবর্তী বিদ্বানগণ রুকু ও সিজদার মধ্যে কুর'আনের আয়াত পাঠ করা মাকরুহ বলেছেন।
#265Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Mas'ud Al-Ansari [Al-Badri] narrated that :Allah's Messenger said: "The Salat is not acceptable if a man is not at rest - meaning his back - while bowing and prostrating
। আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রুকৃ ও সিজদাতে পিঠ স্থিরভাবে সোজা করে না তার নামায সহীহ হয় না। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৭০)। এ অনুচ্ছেদে আলী ইবনু শাইবান, আনাস, আবু হুরাইরা ও রিফা'আহ আয-যুরাকী হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু মাসউদের এ হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীদের মত অনুসারে রুকু এবং সিজদায় পিঠ স্থিরভাবে সোজা করতে হবে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক বলেন, যে ব্যক্তি রুকূ-সিজদায় পিঠ স্থিরভাবে সোজা না করবে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের তাৎপর্য অনুযায়ী তার নামায বিফল হয়ে যাবে। আবু মামার এর নাম আব্দুল্লাহ ইবনু সাখবারাহ, আবু মাসউদ আনসারী এর নাম উকবা ইবনু আমর।
#266Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ali bin Abi Talib narrated:"When Allah's Messenger would raise his head from bowing he would say: (Sami Allahi liman hamidal. Rabba na lakal-hamd, mil'as-samawati wa mil'al-ardi wa mil'a ma bainahuma wa mil'a ma shi'ia min shay'in ba'd) 'Allah listens to those who praise Him. O our Lord! And to You is the praise that fills the heavens and fills the earth, and fills what is between them, and fills whatever there is beyond that You will.' He said: There are narrations on this topic from Ibn Umar, Ibn Abbas, Ibn Abi Awfa, Abu Juhaifa, and Abu Sa'eed
। আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু হতে মাথা উঠানোর সময় বলতেনঃ “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ মিলআস সামাওয়াতি ওয়া মিলআল আরযি ওয়া মিলআ মা বাইনাহুমা ওয়া মিলআ মাশি’তা মিন শাই-ইম বাদু"। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৩৮), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, ইবনু আবু আওফা, আবূ জুহাইফা ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল মনীষী এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ এই মত গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন, ফরয ও অন্যান্য সব নামাযেই এই দুআ পাঠ করতে হবে। কোন কোন কুফাবাসী (ইমাম আবু হানীফা ও তার মতানুসারীগণ) বলেছেন, এই দু'আ ফরয নামাযে পাঠ করবে না, নাফল ও অন্যান্য নামাযে পাঠ করবে।
#267Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "When the Imam says: (Sami Allahu liman hamidah) 'Allah listens to those who praise Him. Then (all of you) say: (Rabbana wa lakal-hamd) 'O our Lord! And to You is the praise for whoever's saying concurs with the saying of the angels, then his past sins will be forgiven
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইমাম যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে, তোমরা তখন রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বল। কেননা যার কথা ফিরিশতাদের কথার সাথে মিলে যাবে তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৯৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, ইমাম রুকু হতে উঠতে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহী রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বলবে এবং তার পেছনের লোকেরা রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ" বলবে। ইমাম আহমাদ এই মত দিয়েছেন। ইবনু সীরীন ও অপরাপর মনীষীগণ বলেছেন, ইমামের মত মুক্তাদীরাও সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ" বলবে। ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক এই মত প্রকাশ করেছেন।
Wa'il bin Hujr narrated:"I saw Allah's Messenger when he prostrated placing his knees (on the ground) before his hands, and when he got up, he raised his hands before his knees
। ওয়াইল ইবনু হুজ্বর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি- তিনি যখন সিজদা করতেন তখন মাটিতে হাত রাখার আগে হাটু রাখতেন এবং যখন তিনি (সিজদা হতে) উঠতেন তখন হাটু উঠানোর আগে হাত উঠাতেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৮২) হাসান ইবনু আলী তার হাদীসে উল্লেখ করেছেন, ইয়াযীদ ইবনু হারূন বলেছেন। আসিমের নিকট হতে শারীক শুধু এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। শারীক ছাড়া আর কেউ এ হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। বেশিরভাগ মনীষীই এ হাদীসের উপর আমল করেছেন এবং বলেছেন, সিজদায় যাওয়ার সময় মাটিতে প্রথমে হাটু ও পরে হাত রাখতে হবে এবং উঠার সময় আগে হাত ও পরে হাটু তুলতে হবে। হাম্মাম আসিমের নিকট হতে এ হাদীস মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাতে ওয়াইল ইবনু হুজরের নাম উল্লেখ করেননি।
#269Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Hasan
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said; "Is it that one of you intends to kneel in his Salat with the kneeling of the camel?
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ তার নামাযে কি উটের মত ভর দিয়ে বসবে? আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। কেননা এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবুষ যিনাদের সূত্রেই জেনেছি। সহীহ। মিশকাত— (৮৯৯), ইরওয়া— (২/৭৮), সহীহ আবু দাউদ– (৭৮৯)। 'আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল-মাকবুরী তার পিতার সূত্রে আবু হুরাইরার নিকট হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান ও অন্যরা আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল-মাকবুরীকে যঈফ (দুর্বল) বলেছেন।
#270Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Humaid As-Sa'idi narrated:"When the Prophet would prostrate, he placed his nose and his forehead on the ground, and he held his forearms away from his sides, and he placed his hands parallel to his shoulders
। আবু হুমাইদ আস-সায়েদী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সিজদা করতেন তখন নিজের নাক ও কপাল যমিনের সাথে লাগিয়ে রাখতেন, উভয় হাত পাজর হতে আলাদা রাখতেন এবং হাতের তালু কাঁধ বরাবর রাখতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ– (৭২৩), মিশকাত— (৮০১), সিফাতুস সালাত- (১২৩)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুমাইদের হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণের মতে, নাক ও কপাল দিয়ে সিজদা করতে হবে। যদি শুধু কপাল দিয়ে সিজদা করা হয় এবং নাক মাটিতে না ঠেকান হয় তবে এক দল আলিমের মতে নামায হয়ে যাবে। কিন্তু অন্য দলের মতে নাক ও কপাল মাটিতে না ঠেকালে নামায সম্পূর্ণ হবে না।
Abu Ishaq narrated:"I said to Al-Bara bin Azib: 'Where would the Prophet place his face when he prostrated?' He said: 'Between his hands
। আবু ইসহাক (রাহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদাতে মুখমণ্ডল কোন জায়গায় রাখতেন? তিনি বললেন, দুই হাতের তালুর মাঝ বরাবর রাখতেন। —সহীহ। মুসলিম- (২/১৩)। এ অনুচ্ছেদে ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবু হুমাইদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআ-এর হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। কোন কোন বিদ্বান এ হাদীস অনুযায়ী সিজদাতে উভয় হাত কান বরাবর রাখার নিয়ম অবলম্বন করেছেন।
#272Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Abbas bin Abdul-Muttalib narrated that he heard :Allah's Messenger Saying: "When the worshipper prostrates with him: His face, his hands, his knees, and his feet
। আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ বান্দা যখন সিজদা করে তখন তার সাথে তার (শরীরের) সাতটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও সিজদা করে অর্থাৎ মুখমণ্ডল, উভয় হাতের তালু, দুই হাটু ও দুই পা। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৮৫), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, আবু হুরাইরা, জাবির ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী আমল করেন।
#273Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Abbas narrated:"The Prophet ordered that one prostrate on seven bones and that he not gather his hair nor his garment
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদিষ্ট হয়েছেন সাত অঙ্গের সমন্বয়ে সিজদা করতে এবং (নামাযের মধ্যে) চুল ও কাপড় না গোছাতে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৮৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
#274Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَقْرَمِ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنْتُ مَعَ أَبِي بِالْقَاعِ مِنْ نَمِرَةَ فَمَرَّتْ رَكَبَةٌ فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَائِمٌ يُصَلِّي . قَالَ فَكُنْتُ أَنْظُرُ إِلَى عُفْرَتَىْ إِبْطَيْهِ إِذَا سَجَدَ أَىْ بَيَاضِهِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنِ بُحَيْنَةَ وَجَابِرٍ وَأَحْمَرَ بْنِ جَزْءٍ وَمَيْمُونَةَ وَأَبِي حُمَيْدٍ وَأَبِي مَسْعُودٍ وَأَبِي أُسَيْدٍ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَمُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ وَالْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ وَعَدِيِّ بْنِ عَمِيرَةَ وَعَائِشَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَأَحْمَرُ بْنُ جَزْءٍ هَذَا رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَهُ حَدِيثٌ وَاحِدٌ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَقْرَمَ حَدِيثٌ حَسَنٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ دَاوُدَ بْنِ قَيْسٍ وَلاَ نَعْرِفُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَقْرَمَ الْخُزَاعِيِّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَقْرَمَ الْخُزَاعِيُّ إِنَّمَا لَهُ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَرْقَمَ الزُّهْرِيُّ صَاحِبُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَهُوَ كَاتِبُ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ .
Ubaidallah bin Abdullah bin Arqam Al-Khuza'I narrated from his father (Abdullah bin Arqam), who said:"I was with my father at the plains of Namirah. I passed by a mount and saw Allah's Messenger standing in Salat." He said: "I was looking at the earthiness of his armpits when he prostrated." [That is]: "Whiteness
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আকরাম আল-খুযাঈ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, আমি আমার পিতার সাথে নামিরার সমতল ভূমিতে অবস্থান করছিলাম। ইতিমধ্যে একদল সাওয়ারী (আমাদের) পার হয়ে গেল। হঠাৎ দেখলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাড়িয়ে নামায আদায় করছেন। রাবী বলেন, যখন তিনি সিজদায় যেতেন তখন আমি তার বগলের শুভ্রতা দেখে নিতাম। --সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৮১)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, ইবনু বুহাইনা, জাবির, আহমাদ ইবনু সাদ, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা, বারাআ ইবনু আযিব, আদী ইবনু আমীরা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আহমার ইবনু জায নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। আবু ঈসা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু আকরামের হাদীসটি হাসান। দাউদ ইবনু কাইসের মাধ্যমেই আমরা এ হাদীসটি জেনেছি। আবদুল্লাহ ইবনু আকরাম (রাঃ)-এর নিকট হতে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ হাদীসটিই শুধু আমরা জানি। তিনি একটিমাত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন (সিজদাতে হাত এমনভাবে ছড়িয়ে রাখতে হবে যেন বগল ফাঁক থাকে)। 'আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম আয-যুহরী সাহাবী ছিলেন এবং তিনি আবু বাকার সিদীক (রাঃ)-এর কাতিব (সচিব) ছিলেন। আর আবদুল্লাহ ইবনু আকরাম আল-খুযাঈ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুধু এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
#275Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Jabir narrated that :the Prophet said: "When one of you prostrates, then let him be balanced, and let him not lay his forearms down like the lying of the dog
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন সিজদা করে তখন সে যেন সঠিকভাবে সিজদা করে এবং কুকুরের মত যমিনে যেন হাত বিছিয়ে না দেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৯১)। এ অনুচ্ছেদে আবদুর রহমান ইবনু শিবল, বারাআ, আনাস, আবৃ হুমাইদ ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ সঠিকভাবে সিজদা করার (এবং দুই সিজদার মাঝখানে বিরতি দেয়ার) প্রতি জোর দিয়েছেন এবং হিংস্র জন্তুর মত হাত মাটিতে বিছিয়ে দেয়াকে মাকরূহ বলেছেন।
#276Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas narrated that :Allah's Messenger said: "Be balanced in the prostration, and let one of you not spread his forearms (on the ground) in the Salat like the spreading of the dog
। কাতাদা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সঠিকভাবে সিজদা কর। তোমাদের কেউ যেন নামাযের মধ্যে কুকুরের মত যমিনে হাত বিছিয়ে না দেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৯২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
Amir bin Sa'd [bin Abi Waqqas] narrated from his father:"The Prophet ordered placing the hands (on the ground) keeping the feet erect. (by resting feet on the toes and making the tips of the toes facing the Qiblah)
। আমির ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত (তালু) মাটিতে রাখতে এবং পা খাড়া রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। -হাসান। সিফাতুস সালাত- (১২৬)।
#278Shakir: Hasan LighairihiAl-Albani: HasanZai: Hasan
(Another chain that) Amir bin Sa'd narrated:"The Prophet ordered placing the hands (on the ground)." And he mentioned in it: "From his father
। অপর এক বর্ণনায় আছে আমির ইবনু সা’দ এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। (হাসান) পূর্বের হাদীসের কারণে। এ বর্ণনা সূত্রটি ওহাইবের বর্ণনার চেয়ে বেশি সহীহ। মনীষীগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করা পছন্দ করেছেন।
#279Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Al-Bara bin Azib narrated:"The Salat of Allah's Messenger (was such that) when he bowed, and when he raised his head from bowing, and when he prostrated, and when he raised his head from prostration it (all) was nearly the same
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামাযের নিয়ম ছিলঃ যখন তিনি রুকূ করতেন, যখন রুকু হতে মাথা তুলতেন, যখন সিজদা করতেন এবং সিজদা হতে মাথা তুলতেন তখন এ কাজগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় সমানই হত। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৯৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Al-Bara bin Azib narrated:(Another chain) which is similar
। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার তিনি মুহাম্মাদ ইবনু জাফর হতে, তিনি শুবা হতে তিনি হাকাম হতে, তিনি স্বীয় সনদে পূর্বের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআ’র হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞ আলিমগণ উপরোক্ত হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন।
#281Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Bara said:"When we performed Salat behind Allah's Messenger, he would raise his head from bowing, and no man among us would bend his back until Allah's Messenger prostrated, then we prostrated
। আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে বারাআ (রাঃ) বলেছেন আর তিনি মিথ্যাবাদী নন। আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে নামায আদায় করতাম, তখন তিনি রুকু হতে মাথা তুলার পর সিজদায় যাওয়ার আগে আমাদের কেউই নিজ নিজ পিঠ (সিজদার জন্য) ঝুঁকিয়ে দিত না। তিনি সিজদায় যাওয়ার পর আমরা সিজদায় যেতাম। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬৩১-৬৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস, মুআবিয়া, ইবনু মাসআদা ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআ’র হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ বলেছেন, মুক্তাদীগণ ইমামের প্রতিটি কাজে তাকে অনুসরণ করবে এবং ইমাম রুকূতে যাওয়ার পর তারা রুকূতে যাবে, তার মাথা তুলার পর তারা মাথা তুলবে। এ ব্যাপারে বিদ্বানদের মধ্যে কোন মতের অমিল আছে বলে আমাদের জানা নেই।
Ali narrated:"Allah's Messenger said to me: 'O Ali! I love for you what I love for myself, and I dislike for you what I dislike for myself. Do not squat between prostrations
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আলী! আমি নিজের জন্য যা ভাল মনে করি তোমার জন্যও তা হিত মনে করি এবং আমার নিজের জন্য যা অপছন্দ করি তোমার জন্যও তা অপছন্দ করি। তুমি দুই সিজদার মাঝখানে ইকআ রীতিতে বস না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৯৪, ৮৯৫)। আবূ ঈসা বলেনঃ আলী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি শুধু মাত্র আবূ ইসহাক হতে হারিসের সূত্রে জানতে পেরেছি। কোন কোন জ্ঞানী এ হাদীসের রাবী হারিসকে যঈফ বলেছেন। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন এবং ইকআ পদ্ধতিতে বসা মাকরূহ বলেছেন। এ অনুচ্ছেদে আইশা, আনাস আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
#283Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Tawus said:"We asked Ibn Abbas about squatting (sitting) on the heels. He said: 'It is the Sunnah.' We said: 'We think that it is difficult for a man.' He said: 'Rather, it is Sunnah of your Prophet
। তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে ইক'আ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এটা সুন্নাত। আমরা বললাম, এতে আমরা পায়ে ব্যথা পাই। তিনি আবার বললেন, এটা তোমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ– (৭৯১), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু জ্ঞানী সাহাবা (রাঃ) এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা ইক্ব'আয় (দুই পায়ের পাতা খাড়া রেখে তার উপর নিতম্ব রেখে বসাতে) কোন সমস্যা দেখেন না। মক্কার কোন কোন ফিকহবিদেরও এই মত। কিন্তু বেশিরভাগ বিদ্বান দুই সিজদার মাঝখানে এভাবে বসা মাকরূহ মনে করেন।
Ibn Abbas narrated:"Between the two prostrations, the Prophet would say: (Allahummaghfir li, warhamni, wajburni, wahdini, warzuqni). 'O Allah! Pardon me, have mercy on me, help me, guide me, and grant me sustenance
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন, ‘আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াজবুরনী ওয়াহদিনী ওয়ারযুকনী। - সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৯৮)।
Ibn Abbas narrated:(Another chain) which is similar
। হাসান ইবনু আলী আল-খাল্লাল আল-হুলওয়ানী, তিনি ইয়াযিদ ইবনু হারুন হতে, তিনি যাইদ ইবনু হুবাব হতে, তিনি আবুল 'আলা কামিল হতে স্বীয় সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আলী (রাঃ) হতে একই রকম হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ হাদীসের সমর্থক। তারা ফরয, নফল সব নামাযে এ দু’আ পাঠ করা জায়িয বলেছেন। কেউ কেউ এ হাদীসটি আবুল 'আলা কামিল হতে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
#286Shakir: DaifAl-Albani: DaifZai: Daif
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ اشْتَكَى بَعْضُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَشَقَّةَ السُّجُودِ عَلَيْهِمْ إِذَا تَفَرَّجُوا فَقَالَ " اسْتَعِينُوا بِالرُّكَبِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ اللَّيْثِ عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ . وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُمَىٍّ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا . وَكَأَنَّ رِوَايَةَ هَؤُلاَءِ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ اللَّيْثِ .
Abu Hurairah narrated:"[Some of] the Companions of the Prophet complained [to the Prophet] about the hardship of the prostration on them, when they were so spread out, so he said: 'Use your knees
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবাগণ তার নিকট অভিযোগ করলেনঃ যখন তারা সিজদায় যান তখন কনুই পৃথক রাখতে তাদের খুব অসুবিধা হয়। তিনি বললেনঃ হাটুর সাথে কনুই ঠেকিয়ে সাহায্য নাও। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (১৬০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গরীব। এ হাদীসটি আমরা আবূ সালিহের সনদ পরম্পরায় লাইসের মাধ্যমে ইবনু আজলানের সূত্রেই শুধু জানতে পেরেছি। নুমান ইবনু আবূ আইয়াশও এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। লাইসের বর্ণনার চাইতে এই বর্ণনা বেশী সহীহ।
#287Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Malik bin Al-Huwairith Al-Laithi narrated that he saw :Allah's Messenger performing Salat. When he was in an odd number of his Salat, he would not get up until he had sat completely
। মালিক ইবনু হুয়াইরিস আল-লাইসী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামায আদায় করতে দেখেছেন। তিনি যখন নামাযের বেজোড় রাকআতে থাকতেন তখন (সিজদা হতে উঠে) সোজা হয়ে না বসা পর্যন্ত (পরবর্তী রাকাআতের জন্য) দাড়াতেন না। —সহীহ। ইরওয়া— (২/৮২-৮৩), সিফাতুস সালাত- (১৩৬), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ মালিক ইবনু হুযাইরিসের হাদীসটি হাসান সহীহ। কোন কোন বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। ইমাম ইসহাক (রহঃ) ও আমাদের কিছু সঙ্গীরা এই মত গ্রহণ করেছেন। মালিকের উপনাম আবূ সুলাইমান।
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger would get up during his Salat on the tips of his feet
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে (সিজদা হতে সরাসরি) নিজের পায়ের তালুতে (ভরদিয়ে) দাঁড়িয়ে যেতেন। যঈফ, ইরওয়া (৩৬২) আবূ ঈসা বলেন, বিদ্বানগণ আবূ হুরাইরা বর্ণিত হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা নামাযের মধ্যে (সিজদা হতে সরাসরি) পায়ের পাতার উপর দাঁড়ানোই মনঃপূত করেছেন। হাদীস বিশারদদের মতে খালিদ ইবনু আইয়াশ একজন যঈফ রাবী। তাকে খালিদ ইবনু ইয়াসও বলা হয়। আর সালিহ তিনি হলেন সালিহ ইবনু আবূ সালিহ। আবূ সালিহ এর নাম নাবহান, তিনি মদীনার অধিবাসী।
Abdullah bin Mas'ud narrated:"Allah's Messenger taught us, that when we sit for every two Rak'ah we should say: (At-Tahyyatulillah, was-salawatu wattayybaat. As-salamu alaika ayyuhannabiyyu wa rahmatullahi wa barakatuhu, as-salamu alaina wa ala ibadillahis-salihin. Ashhadu an la ilaha illallah wa ashadu anna Muhammadan abduhu wa Rasuluh.) 'All greetings, prayers, and pure words are Allah. Peace be upon you O Prophet, and Allah's mercy and His blessings. Peace be upon us and all of the righteous worshippers of Allah. I testify that nne has the right to be worshipped but Allah, and I testify that Muhammad is Allah's servant and Messenger
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, দুই রাকাআত নামায আদায়ের পর বসে যা পাঠ করতে হবে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তা শিক্ষা দিয়েছেন। তা হলঃ “আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি...... আবদুহু ওয়া রাসূলুহু"। অর্থাৎ- “সমস্ত সম্মান, ইবাদাত, আরাধনা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহর রহমত এবং প্রাচুর্যও। আমাদের উপর এবং আল্লাহর পুণ্যশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তার বান্দাহ ও রাসূল।” —সহীহ। ইরওয়া— (৩৩৬), দেখুন ইবনু মাজাহ– (৮৯৯)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, জাবির, আবু মূসা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তাশাহহুদ সম্পর্কিত এ হাদীসটি বেশি সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা এবং তাদের পরবর্তীগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ইসহাক এরকম অভিমত দিয়েছেন। আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসার সূত্রে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক হতে, তিনি মামার হতে, তিনি খুসাইফ হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন– “আমি স্বপ্লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেয়ে বললাম, 'হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকেরা তাশাহহুদের ব্যাপারে বিভক্ত হয়ে গেছে। তিনি বললেন, ‘তুমি ইবনু মাসউদ বর্ণিত তাশাহহুদকে আঁকড়ে ধর”।
#290Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Abbas narrated:"Allah's Messenger would teach us the Tashah-hud just as he would teach us the Qur'an. He would say: (At-Tahiyyatu, al mubarakatu, as-salawatu at-tayyibatulillah. Salamun alaika ayyuhan-naibiyyu wa rahmatullahi wa barakatuhu, salamun alaina wa ala ibadalillahis-salihin. Ashhadu an la ilaha illallah, wa ashhadu anna Muhammadan abduhu wa Raduluh.) 'All greetings, goodness, prayers, and pure words are for Allah. Peace be upon you O Prophet, and Allah's mercy and His blessings, Peace be upon us and all of the righteous worshippers of Allah. I testify that there is none worthy of worship except Allah, and I testify that Muhammad is Allah's worshipper and Messenger
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে কুরআন শিক্ষা দিতেন ঠিক অনুরূপভাবে তাশাহহুদ’ শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলতেনঃ “আত্তাহিয়াতুল মুবারাকাতুস সালাওয়াতুত তাইয়্যিবাতু লিল্লাহি ------ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯০০), মুসলিম। অর্থাৎ, “সমস্ত বারকাতময় সম্মান, ইবাদাত এবং পবিত্রতা আল্লাহ তা'আলার জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও প্রাচুর্য বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহ তা'আলার নেক বান্দাদের উপরও শান্তি আসুক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা'আলা ব্যাতিত কোন মাবুদ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ আল্লাহ্ তায়ালার রাসুল। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। জাবির (রাঃ)-এর নিকট হতেও এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ বর্ণনাটি সংরক্ষিত নয়। ইমাম শাফিঈ এ হাদীসে উল্লেখিত তাশাহহুদ গ্রহণ করেছেন।
Abdullah bin Mas`ud said:"It is from the Sunnah to say the Tashahhud quietly
। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নিঃশব্দে তাশাহহুদ পাঠ করাই সুন্নাত। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৯০৬), সিফাতুস সালাত- (১৪২)। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের এ হাদীসটি হাসান গারীব। ‘আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন।
#292Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Wa'il bin Hujr said:"I arrived in Al-Madinah and I said, 'Let me look at the Salat of Allah's Messenger.' When he sat - meaning for At-Tashah-hud - he spread his left foot, and placed his left hand - meaning on his left thigh - and held his right foot erect
। ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম। আমি (মনে মনে) বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায আদায় করা দেখব। তিনি যখন তাশাহহুদ পাঠ করতে বসলেন তখন বাম পা বিছিয়ে দিলেন, বাম হাত বাম উরুর উপর রাখলেন এবং ডান পা খাড়া করে রাখলেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭১৬)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ্। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও কুফাবাসীগণও (অাৰু হানীফ ও তার অনুসারীগণ) এ মতই ব্যক্ত করেছেন।
#293Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abbas bin SAhl [bin Sa'd] narrated:"Abu Humaid, Abu Usaid, Sahl bin Sa'd, and Muhammad bin Maslamah were once together and they were mentioning the Salat of Allah's Messenger. Abu Humaid said: "I am the most knowledgeable among you of the Salat of Allah's Messenger: Indeed Allah's Messenger sat - meaning for Tashah-hud - he spread his left foot, and made the top of his right (foot) face the Qiblah, and he placed his right hand on his right knee, and his left hand on his left knee, and indicated with his finger - meaning the index finge
। আব্বাস ইবনু সাহল আস-সাইদী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবু হুমাইদ, আবু উসাইদ, সাহল ইবনু সা’দ ও মুহাম্মাদ ইবনু মসলাম (রাঃ) একত্র হলেন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায আদায়ের নিয়ম প্রসঙ্গে একে অপরে আলাপ করলেন। আবু হুমাইদ (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে অনেক ভাল জানি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাশাহহুদ পাঠ করতে বসতেন, তখন বাম পা বিছিয়ে দিতেন, ডান পায়ের (পাতার) মাথার দিকটা কিবলার দিকে রাখতেন, ডান হাতের তালু ডান হাটুর উপর, বাম হাতের তালু বাম হাটুর উপর রাখতেন এবং তর্জনী (শাহাদত আংগুল) দিয়ে ইশারা করতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭২৩)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। কোন কোন বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ হাদীসের অনুগামী। তারা বলেন, শেষ বৈঠকে নিতম্বের উপর বসতে হবে। তারা আবু হুমাইদের হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন, প্রথম বৈঠকে বা পায়ের উপর বসতে হবে এবং ডান পা খাড়া রাখতে হবে।
#294Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Ibn Umar narrated:"When the Prophet would sit during the Salat, he would place his right hand on his knee, and raise his finger, the one that is next to the [right] thumb, supplicating with it, and his left hand was spread flat on his left knee
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে বসতেন তখন ডান হাত (ডান) হাঁটুতে রাখতেন, (ডান হাতের) বৃদ্ধাঙ্গুলের পার্শ্ববর্তী আঙ্গুল (তর্জনী) উত্তোলন করতেন এবং তা দিয়ে দুআ করতেন এবং বা হাত বা হাটুর উপর বিছিয়ে রাখতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯১৩), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর, নুমাইর আল-খুযাঈ, আবু হুরাইরা, আবু হুমাইদ ও ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে, আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা শুধু উল্লেখিত সনদেই এ হাদীসটি জেনেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী এবং তাবিঈগণ তাশাহহুদ পাঠের সময় ইশারা করা পছন্দ করেছেন। আমাদের সঙ্গীরা এ কথাই বলেছেন।
#295Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdullah narrated:"The Prophet would say the Salam from his right and from his left (saying): (As-Salamu alaikum wa rahmatullah, as-Salamu alaikum wa rahmatullah) 'Peace be upon you, and Allah's mercy. Peace be upon you, and Allah's mercy
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শেষে ডান দিকে তারপর বাম দিকে এ বলে সালাম ফিরাতেন, আসসালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯১৪), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে সা’দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস, ইবনু উমার, জাবির ইবনু উমাইরা ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা এবং তাদের উত্তরসুরিগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন।
Aishah narrated:"Allah's Messenger would say one Taslim for the Salat while facing forward and turning to his right side a little
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে এক সালামই ফিরাতেন, প্রথমে সামনের দিকে (শুরু করে) তারপর ডান দিকে কিছুটা মুখ ঘুরাতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯১৯)। এ অনুচ্ছেদে সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আমরা শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আয়িশার হাদীসটি মারফু হিসাবে পেয়েছি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেন, সিরিয়াবাসীগণ মুহাম্মাদ ইবনু যুহাইরের সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইরাকবাসীগণ তার নিকট হতে যে বর্ণনা গ্রহণ করেছে তা অধিক সহীহ। মুহাম্মাদ বলেন, আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেছেন, সিরিয়াবাসীগণ যে যুহাইরের দেখা পেয়েছিলেন সম্ভবতঃ তিনি সেই যুহাইর নন যার বর্ণনা ইরাকবাসীগণ গ্রহণ করেছেন। সম্ভবতঃ ইনি অন্য এক ব্যক্তি। আবু ঈসা বলেনঃ কোন কোন আলিম হাদীসে উল্লেখিত নিয়মে নামাযে সালাম ফিরানোর পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। কিন্তু সবচাইতে সহীহ বর্ণনামতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার সালাম ফিরাতেন। বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈন ও তাবউ’ তাবিঈন এ মতই গ্রহণ করেছেন। একদল সাহাবা, তাবি"ঈন ও অন্যান্যরা ফরয নামাযে একবার সালাম ফিরানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, দুটি পদ্ধতিরই অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে এক সালাম বা দুই সালামও ফিরাতে পারে।
Abu Hurairah narrated:"Hadhf the Salam is a Sunnah
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, সালামের মধ্যে হযফ করা সুন্নাত। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (১৭৯) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আলী ইবনু হুজ্বর বলেন, ইবনুল মুবারাক বলেছেন, ‘হযফের' তাৎপর্য হল, সালাম খুব লম্বা করে না টেনে বরং স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা। বিশেষজ্ঞগণ এ নিয়মকে মুসতাহাব বলেছেন। ইবরাহীম নাখঈ বলেছেন, তাকবীর এবং সালাম অধিকক্ষণ টানবে না। রাবী হিকল সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি ইমাম আওযায়ীর সচীব ছিলেন।
#298Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Aishah narrated:"When Allah's Messenger said the Salam he would not remain seated except long enough to say: (Allahumma antas-salam, wa minkas-salam, tabarakta dhal jalali wal-Ikram) 'O Allah! You are the One free of defects, and perfection is from You. Blessed are You, Possessor of Majesty and Honor
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরানোর পর এই দু'আ পাঠের বেশি সময় বসতেন না- “আল্লাহুম্মা আনতাস্ সালামু ..... ওয়াল ইকরাম।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিদাতা তোমার নিকট হতেই শান্তি আসে। হে সম্মান ও গৌরবের মালিক! তুমি প্রাচুর্যময় ও বারকাতময়"। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯২৪), মুসলিম।
#299Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:(Another chain) which is similar, but he said: (Tabarakta ya dhal-jalali wal-ikram) "Blessed are You, O Possessor of Majesty and Honor
। আসিম আল-আহওয়াল হতে উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে। শুধু 'যাল-জালালি' শব্দের পূর্বে ইয়া' (হে) শব্দটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। —সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। এ অনুচ্ছেদে সাওবান, ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, আবু সাঈদ, আবু হুরাইরা ও মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ “আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ। খালিদ আল-হাযযা ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে আব্দুল্লাহ ইবনু হারিসের সূত্রে আসিমের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত হয়েছে, তিনি সালাম ফিরানোর পর এ দুআ পাঠ করতেনঃ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তার কোন শারীক নেই, (মহাবিশ্বের) রাজত্ব তারই হাতে, তার জন্য সকল প্রশংসা। তিনিই হায়াত দেন, তিনিই মউত দেন, তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যাকে দান কর তা প্রতিরোধ করার শক্তি কারো নেই; তুমি যার প্রতিবন্ধক হও তাকে কেউ দান করতে পারে না এবং কোন চেষ্টা-তদবিরকারীই তার চেষ্টার মাধ্যমে তোমার নিকট হতে মঙ্গল ছিনিয়ে নিতে সমর্থ নয়।" অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলতেনঃ سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ وَسَلاَمٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ “তারা যা বলে থাকে তা থেকে আপনার রব, যিনি মহা মহিমান্বিত সকল ক্ষমতার মালিক, মহান পবিত্র। সালাম বর্ষিত হোক রাসূলদের প্রতি। সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই।” (সূরাঃ আস-সাফফাত)
#300Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Thawban, the freed slave of Allah's Messenger, narrated that :Allah's Messenger said: "When Allah's Messenger wanted to turn from his Salat, he would seek forgiveness from Allah three times, then say: (Allahumma Antas-Salam, wa minkas-salam, tabarakta ya dhal-jalali wal-Ikram) 'O Allah! You are the One free of defects and perfection is from You. Blessed are You, O Possesor of Majesty and Honor
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্ত করা গোলাম সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামায হতে ফুরসত হতে চাইতেন তখন তিনবার মার্জনা প্রার্থনা করতেন; তারপর বলতেন, “হে আল্লাহ! তুমিই শান্তি আনায়নকারী। তোমার নিকট হতেই শান্তি আসে। হে পরাক্রম ও সম্মানের অধিকারী! তুমি বারকাত ও প্রাচুর্যময়”। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯২৮), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#301Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan
Qabisah bin Hulb narrated that his father said:"When Allah's Messenger would lead us in Salat he would turn (to leave) from both sides, on his right and on his left
। কাবিসা ইবনু হুলব (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (হুলব) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ইমামতি করতেন। (সালাম ফিরানোর পর) তিনি ডান এবং বাম উভয় পাশেই ফিরে বসতেন। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আনাস, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস উল্লেখিত আছে। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯২৯)। আবু ঈসা বলেনঃ হুলব-এর হাদীসটি হাসান। এ হাদীসের দ্বারা বিশেষজ্ঞগণ বলেন, ডান, বাম যে কোন পাশে ইচ্ছা ফিরে বসা যেতে পারে। দুই পাশের যে কোন পাশে ঘুরে বসার বিধান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ক্রটিহীনভাবে প্রমাণিত। ‘আলী (রাঃ) বলেন, যদি ডান পাশে ঘুরে বসার প্রয়োজন হয় তবে ডান পাশে ঘুরে বসবে; যদি বাম পাশে ঘুরে বসার প্রয়োজন হয় তবে সেদিকে ঘুরে বসবে।
Rifa`ah bin Rafi` narrated:"One day Allah's Messenger was sitting in the Masjid" Rifa'ah said: "And we were with him. Then what appeared to be a Bedouin man entered to pray, but he performed his Salat in a very brief manner. He then got up and greeted the prophet with Salam. The Prophet said (returning the greeting): 'And upon you. Go back and perform Salat, for indeed you have no prayed.' So he returned to perform Salat then came and greeted the Prophet with Salam. So he (the Prophet) said (returning the greeting): 'And upon you. Go back and perform Salat, for indeed you have not prayed.' [He did that] two or three times, each time coming to the Prophet, greeted the Prophet with Salam and the Prophet saying: 'And upon you. Go back and perform Salat, for indeed you have not prayed.' - until the people got scared and became very worried that one whose prayer was so brief had not actually prayed. Then in the end the man said: 'Then show me, and teach me, for I am a human who has suffered and is mistaken.' So he said: 'Alright. When you stand for Salat then perform Wudu as Allah ordered you. Then say the Tashahhud, and the Iqamah as well. If you know any Quran then recite it, if not then praise Allah, mention His greatness, and the Tahlil. Then bow such that you are at rest in your bowing, then stand completely, then prostrate completely, then sit such that you are at rest while sitting them stand. When you have done that, then you have completed your Salat, and if you leave out something, then you have made your Salat deficient.' And this was easier on them than the first matter, because if some of this was deficient, It would only reduce the reward of his Salat, it would not have gone entirely
। রিফাআ ইবনু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে অবস্থান করছিলেন। রিফাআ (রাঃ) বলেন, আমরাও তার সাথে ছিলাম। এমন সময় বিদুইনের বেশে এক ব্যক্তি আসল। সে নামায আদায় করল, কিন্তু হালকাভাবে (তাড়াহুড়া করে, নামাযের রুকনসমূহ ঠিকভাবে আদায় না করে) নামায শেষ করে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাকেও (সালাম), ফিরে গিয়ে আবার নামায আদায় কর, কেননা তুমি নামায পড়নি। সে ফিরে গিয়ে নামায আদায় করল, তারপর এসে তাকে সালাম করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ তোমাকেও (সালাম), ফিরে গিয়ে আবার নামায আদায় কর, কেননা তুমি নামায পড়নি। দুই অথবা তিনবার এরূপ হল। প্রত্যেকবার সে এসে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করল। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে থাকলেনঃ তোমাকেও (সালাম), ফিরে গিয়ে আবার নামায আদায় কর, কেননা তুমি নামায আদায় করনি। ব্যাপারটা লোকদের (সাহাবাদের) নিকট ভয়ানক ও অস্বস্তিকর মনে হল যে, যে ব্যক্তি হালকাভাবে নামায আদায় করল তার নামাযই হল না। অবশেষে লোকটি বলল, আমাকে দেখিয়ে দিন, শিখিয়ে দিন, কেননা আমি তো একজন মানুষ ছাড়া আর কিছু নই, কখনও শুদ্ধ কাজ করি কখনও ক্রটি করি। তিনি বললেনঃ হ্যা, যখন তুমি নামায আদায় করতে দাড়াও, তখন তিনি (আল্লাহ) তোমাকে যেভাবে ওযু করার নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে ওযু কর, তারপর তাশাহহুদ পাঠ কর (আযান দাও), তারপর ইকামাত বল। যদি তোমার কুরআন জানা থাকে তবে তা হতে পাঠ কর। অন্যথায়- আলহামদুলিল্লাহ তাকবীর- আল্লাহু আকবার তাহলীল- “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু পাঠ কর, অতঃপর রুকু কর, শান্তভাবে রুকূতে অবস্থান কর। তারপর রুকু হতে সোজা হয়ে দাড়াও, তারপর সিজদায় যাও, ঠিকভাবে সিজদা কর, সিজদা হতে উঠে শান্তভাবে বস, তারপর উঠো। যদি তুমি এভাবে নামায আদায় কর তবে তোমার নামায পূর্ণ হল। যদি তুমি তাতে কোনরূপ ভুল কর তবে তোমার নামাযের মধ্যেই ভুল করলে। রাবী বলেন, পূর্বের কথার চেয়ে এই পরবর্তী কথাটা লোকদের (সাহাবাদের) নিকট সহজ লাগল। কেননা যে নামাযের মধ্যে কোনরূপ ভুল করল তার নামাযে ভুল হল কিন্তু পরিপূর্ণ নামায নষ্ট হল না। —সহীহ। মিশকাত— (৮০৪), সিফাতুস সালাত (মূল), সহীহ আবু দাউদ- (৮০৩-৮০৭), ইরওয়া— (১/৩২১-৩২২)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ রিফাআ ইবনু রাফি'র হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি রিফা'আ (রাঃ)-এর নিকট হতে অন্যান্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।
#303Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger entered the Masjid, and a man entered and offered Salat. Then he came to give Salam to the Propet. He returned the Salam to him and said: 'Go back and perform Salat, for indeed you have not prayed.' So the man returned to pray as he had prayed. Then he came to give Salam to the Prophet. He returned Salam to him, then [Allah's Messenger] said: 'Go back and perform Salat, for indeed you have not prayed' until he had done that three times. So the man said to him: 'By the One who sent you with the Truth, I do not know any better than this, so teach me.' So he said [to him]: 'When you stand for Salat then say the Takbir, then recite what is easy for you of the Quran. Then bow until you are at rest while bowing, then rise up until you are at rest sitting. Do that in all of your Salat
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে গেলেন। এ সময় একটি লোক এসে নামায আদায় করল। (নামায শেষ করে) সে এসে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করল। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে তাকে বললেনঃ তুমি আবার গিয়ে নামায আদায় করে এসো, তোমার নামায হয়নি। এভাবে সে তিনবার নামায আদায় করল। তারপর লোকটি তাকে বলল, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন! আমি এর চেয়ে ভালভাবে নামায আদায় করতে পারছি না, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি নামায আদায় করতে দাড়াও তখন তাকবীর (তাহরীমা) বল, তারপর কুরআনের যে জায়গা হতে পাঠ করতে সহজ হয় তা পাঠ কর; তারপর রুকূতে যাও এবং রুকূর মধ্যে স্থির থাক; তারপর মাথা তুলে সোজা হয়ে দাড়াও; তারপর সিজদা কর এবং সিজদার মধ্যে স্থির থাক; তারপর মাথা তুলে আরামে বস। তোমার সমস্ত নামায এভাবে আদায় কর। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৬০), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু নুমাইর বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার হতে, তিনি সাঈদ আল-মাক্ববুরী হতে তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় সাঈদ তার পিতা থেকে কথাটি উল্লেখ নেই। উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার হতে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের বর্ণনাটি অধিক সহীহ। সাঈদ মাক্ববুরী আবু হুরাইরার নিকট হাদীস শুনেছেন। আবার তার পিতার সূত্রে আবু হুরাইরা হতেও বর্ণনা করেছেন। আবু সাঈদ মাক্ববুরীর নাম কাইসান। উপনাম আবু সাঈদ। কাইসান মুকাতাব দাস ছিলেন।
#304Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Muhammad bin Amr bin Ata' narrated from Abu Humaid As-Saidi, :he (Muhammad) said: "I heard him saying - while he was among ten of the Companions of the Prophet, one of whom was Abu Qatadah bin Ribi - 'I am the most knowledgeable among you of the Salat of the Allah's Messenger.' They said: 'You did not precede us in his companionship, nor were you in his company more than us.' He said: 'Even still." They said: 'Go ahead.' So he said: 'When Allah's Messenger stood for Salat he would stand with his back straight and raise his hands until they were at the level of his shoulder. Then he would say: (Allahu Akbar) "Allah is Most Great" and bow. Then he would straighten (his back) so that he would not lower his head, nor raise it, and he placed his hands on his knees. Then he said: (Sami Allahu liman hamidah) "Allah listens to those who praise Him." And he raised his hands and stood up straight until all of his bones completely returned to their places. Then he went down to the ground prostrating, then he said: (Allahu Akbar) "Allah is Most Great." Then he held his upper arms away from his midsection, and opened his toes on his feet (facing the Qiblah), then he bend his left foot and sat on it then straightened up until all of his bones completely returned to their placed, then he went down to prostrate. Then he said: (Allahu Akbar) "Allah is Most Great," then he bent his foot and sat and straightened up until all of his bones completely returned to their places. Then he got up. Then in the second Rak'ah he did the same as that, such that when he stood from the two prostrations, he sad the Takbir and raised his hands until they were at the level of his shoulders as he did when he opened the Salat. Then he did like that until it was the Rak'ah in which his Salat was to end, when he moved his left foot over and sat on his side (in the Mutawarrik postion). Then he said the Taslim
। মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আতা (রঃ) হতে আবু হুমাইদ আস-সাইদী (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (মুহাম্মাদ) বলেন, আমি তাকে (আবু হুমাইদকে) দশজন সাহাবীর উপস্থিতিতে এ হাদীস বলতে শুনেছি। আবু কাতাদা ইবনু রিবঈ (রাঃ)-ও তাদের অন্তর্ভুক্ত। তাদের সামনে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে বেশি জানি। তারা বললেন, তা কেমন করে? তুমি তো আমাদের আগে তার সান্নিধ্য লাভ করতে পারনি। তাছাড়া তুমি তার নিকট আমাদের চেয়ে বেশি যাতায়াত করতে না। তিনি বললেন, হ্যা। তারা বললেন, ঠিক আছে বর্ণনা কর। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে দাড়াতেন তখন সোজা হয়ে দাড়াতেন, কাধ পর্যন্ত হাত তুলতেন (তাকবীরে তাহরীমা করার জন্য); যখন রুকূতে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন কাঁধ পর্যন্ত হাত তুলতেন; তারপর 'আল্লাহু আকবার’ বলে রুকূতে যেতেন এবং শান্তভাবে রুকূতে থাকতেন, মাথা নীচের দিকেও ঝুঁকতেন না এবং উপরের দিকেও উঠাতেন না, উভয় হাত উভয় হাটুতে রাখতেন; তারপর সামিআল্লাহু (উভয় হাত উপরের দিকে তুলতেন) এবং সোজা হয়ে দাড়াতেন, এমনকি প্রতিটি হাড় নিজ নিজ স্থানে স্বাভাবিকভাবে এসে যেত। তারপর সিজদার জন্য যমিনের দিকে নীচু হতেন এবং আল্লাহু আকবার বলতেন; দুই বাহু দুই বগল হতে আলাদা রাখতেন; পায়ের আঙ্গুলগুলোকে ফাক করে দিতেন; বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসতেন; অতঃপর সোজা হয়ে বসতেন যাতে তার প্রতিটি হাড় নিজ নিজ স্থানে ঠিকভাবে বসে যেত; অতঃপর দ্বিতীয় সিজদায় যেতেন; "আল্লাহু আকবার’ বলে সিজদা হতে উঠে পা বিছিয়ে দিয়ে বসতেন (জলসায়ে ইস্তিরাহাত করতেন); এমনকি প্রতিটি হাড় নিজ নিজ স্থানে ঠিকভাবে বসে যেত; তারপর দাড়াতেন; তারপর দ্বিতীয় রাকাআতেও এরূপ করতেন। তারপর দুই রাকাআত আদায় করতে যখন দাড়াতেন, তখনও তাকবীর বলতেন এবং দুই হাত নামায শুরু করার সময়ের মত কাঁধ পর্যন্ত তুলতেন। বাকী নামাযেও তিনি এরূপ করতেন; তারপর যখন শেষ সিজদায় পৌছতেন যেখানে তার নামায শেষ হত তখন বা পা বিছিয়ে দিতেন এবং পাছার উপর চেপে বসতেন; তারপর সালাম ফিরাতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৬১)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। দুই সিজদার পর যখন দাড়াতেন’ বাক্যাংশটুকুর অর্থ দুই রাকাআত শেষ করে যখন দাড়াতেন।
#305Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ الْحُلْوَانِيُّ، وَسَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ السَّاعِدِيَّ، فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ أَبُو قَتَادَةَ بْنُ رِبْعِيٍّ فَذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ بِمَعْنَاهُ وَزَادَ فِيهِ أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ هَذَا الْحَرْفَ قَالُوا صَدَقْتَ هَكَذَا صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو عِيسَى زَادَ أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ هَذَا الْحَرْفَ قَالُوا صَدَقْتَ هَكَذَا صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم .
(Another chain) that Muhammad bin Amir bin Ata narrated from Abu Humaid As-Saidi,:he (Muhammad) said: "I heard him saying - while he was among ten of the Companions of the Prophet, one of whom was Abu Qatadah bin Ribi
। মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু হুমাইদ আস-সায়েদী (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দশজন সাহাবীর সামনে বলতে শুনেছি, তাদের মধ্যে কাতাদ ইবনু রিবঈ (রাঃ)-ও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী বর্ণনা ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের হাদীসের অনুরূপ। তবে আবু আসিম এ হাদীসে আবদুল হামীদ ইবনু জাফরের সূত্রে এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেনঃ তারা বললেন, তুমি সত্যিই বলেছ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপভাবেই নামায আদায় করতেন। -সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদিস।
#306Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Qutbah bin Malik narrated:"I heard Allah's Messenger reciting for Fajr: And tall date palms in the first Rak'ah
। কুতবা ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফযরের প্রথম রাকআতে ওয়ান-নাখলা বাসিকাতিন’ (সূরা কাফ) পাঠ করতে শুনেছি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮১৬)। এ অনুচ্ছেদে আমর ইবনু হুরাইস, জাবির ইবনু সামুরা, ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সায়িব, আবু বারযা ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ কুতবা ইবনু মালিকের হাদীসটি হাসান সহীহ। অপর এক বর্ণনায় আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালের নামাযে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করেছেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি ফযরের নামাযে ষাট হতে একশো আয়াত পাঠ করতেন। আর এক বর্ণনায় আছে, তিনি “ইযাশ শামসু কুব্বিরাত" সূরা পাঠ করেছেন। বর্ণিত আছে যে, উমার (রাঃ) আবু মূসা (রাঃ)-কে লিখে পাঠালেন, তুমি ফযর নামাযে লম্বা সূরা (তিওয়ালে মুফাসসাল) পাঠ কর। আবু ঈসা বলেনঃ আলিমগণ এর উপরই আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওর, ইবনুল মুবারাক ও শাফিঈ একই রকম অভিমত দিয়েছেন।
#307Shakir: Hasan SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan
Jabir bin Samurah narrated:"For Zuhr and Asr, Allah's Messenger would recite: By the heavens, holding the Buruj and (By the heavens and At-Tariq) and similar to them
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর এবং আসরের নামাযে সূরা “ওয়াস সামায়ি যাতিল বুরূজ’, ‘ওয়াস সামায়ি ওয়াত তারিকু এ ধরনের (আকার বিশিষ্ট) সূরা পাঠ করতেন। —হাসান সহীহ। সিফাতুস সালাত— (৯৪), সহীহ আবু দাউদ- (৭৬৭)। এ অনুচ্ছেদে খাব্বাব, আবু সাঈদ, আবু কাতাদা, যাইদ ইবনু সাবিত ও বারাআ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামুরার হাদীসটি হাসান সহীহ্। এক বর্ণনায় আছে, সাজদা’র মত লম্বা সূরা পাঠ করেছেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি যুহরের প্রথম রাকআতে তিরিশ আয়াত পরিমাণ এবং দ্বিতীয় রাকআতে পনের আয়াত পরিমাণ কিরাআত পাঠ করতেন। উমার (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে, তিনি আবু মূসা (রাঃ)-কে লিখে পাঠানঃ যুহরের নামাযে মধ্যম (আওসাতে মুফাসসাল) ধরনের সূরা পাঠ কর। কিছু বিদ্বান আসরের নামাযে মাগরিবের নামাযের মত সূরা অর্থাৎ কিসারি মুফাসসাল ধরনের সূরা পাঠ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। ইবরাহীম নাখঈ বলেছেন, আসরের নামাযের কিরা'আত মাগরিবের নামাযের কিরা'আতের সমান হবে। তিনি আরো বলেছেন, যুহরের নামাযের কিরা'আত আসরের কিরা'আতের চার গুণ লম্বা হবে।
#308Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Umm Al-Fadl narrated:"Allah's Messenger came out to us with his head bandaged from his illness. He prayed Maghrib, reciting (Surat) Al-Mursalat." [She said:] "He did not pray it again until he met Allah the Might and Sublime
। উম্মুল ফযল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। অসুখের কারণে এ সময়ে তার মাথায় পট্টি বাধা ছিল। তিনি মাগরিবের নামায আদায় করলেন এবং তাতে সূরা “ওয়াল মুরসালাত" পাঠ করলেন তারপর তিনি মহান আল্লাহ তা'আলার সাথে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আর কখনও এ সূরা পাঠ করেননি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩১), বুখারী ও মুসলিম এ অনুচ্ছেদে যুবাইর ইবনু মুতঈম, ইবনু উমার, আবু আইউব ও যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উম্মুল ফযলের হাদীসটি হাসান সহীহ। বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের উভয় রাকআতে সূরা আল-আরাফ হতেও পাঠ করেছেন। আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের নামাযে সূরা তুর পাঠ করেছেন। উমার (রাঃ) মাগরিবের নামাযে ছোট সূরা (কিসারি মুফাসসাল) পাঠ করার জন্য আবু মূসা (রাঃ)-কে নির্দেশ পাঠান। আবু বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি মাগরিবের নামাযে ছোট আকারের সূরা পাঠ করতেন। ইমাম তিরমিয়ী বলেন, বিশেষজ্ঞ ‘আলিমগণ এরকমই 'আমল করেছেন। ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাক এরকমই বলেছেন। ইমাম শাফিঈ বলেন, ইমাম মালিক মাগরিবের নামাযে সূরা তুর, মুরসালাত ইত্যাদির মত লম্বা সূরা পাঠ করা মাকরূহ জানতেন। শাফিঈ আরো বলেন, আমি মাগরিবের নামাযে এ ধরনের লম্বা সূরা পাঠ করা মাকরূহ মনে করি না, বরং মুস্তাহাব মনে করি।
#309Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَنَحْوِهَا مِنَ السُّوَرِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ وَأَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ بُرَيْدَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَرَأَ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ . وَرُوِيَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ فِي الْعِشَاءِ بِسُوَرٍ مِنْ أَوْسَاطِ الْمُفَصَّلِ نَحْوِ سُورَةِ الْمُنَافِقِينَ وَأَشْبَاهِهَا . وَرُوِيَ عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ أَنَّهُمْ قَرَءُوا بِأَكْثَرَ مِنْ هَذَا وَأَقَلَّ فَكَأَنَّ الأَمْرَ عِنْدَهُمْ وَاسِعٌ فِي هَذَا . وَأَحْسَنُ شَيْءٍ فِي ذَلِكَ مَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَرَأَ بِالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ .
Abdullah bin Buraidah narrated that his father (Buraidah) said:"Allah's Messenger would recite: By the sun and its brightness, or similar Surah for the latter Isha (prayer)
। আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াশ-শামসি ওয়া যুহাহা’ ও এ ধরনের সূরাগুলো পাঠ করতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৯৭)। আবু ঈসা বলেনঃ বুরাইদার হাদীসটি হাসান। এ অনুচ্ছেদে বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ইশার নামাযে সূরা আল-মুনাফিকূন ও অনুরূপ ধরনের আওসাতি মুফাফসাল সূরা পাঠ করতেন। অন্যান্য সাহাবা ও তাবিঈদের প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে, তারা কখনও উল্লেখিত পরিমাণের বেশিও পাঠ করেছেন আবার কখনও কম পাঠ করেছেন। তাদের মতে, সূরা পাঠের আকার-আয়তন ও পরিধি ব্যাপক। সূরা-কিরা'আত বড় বা ছোট করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ)-এর বর্ণনাটি সবচাইতে ভাল। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াশ-শামসি ওয়া যুহাহা’ ও ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন।
#310Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Al-Bara bin Azib narrated:"The Prophet would recite: By the fig and the olive for Isha
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Ubadah bin As-Samit narrated:"Allah's Messenger prayed the Subh prayer, and he had difficulty with the recitation. When turned (after finishing) he said: 'I think that you are reciting behind your Imam?'" He said: "We said: 'Yes, Messenger of Allah, by Allah!' He said: 'Do not do that, except for Umm Al-Kitab, for there is no Salat for one who does not recite it
। উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে (ফযরের) নামায আদায় করলেন। কিন্তু কিরাআত পাঠ তার নিকট একটু শক্ত ঠেকল। তিনি নামায শেষে বললেন, আমার মনে হয় তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ কর। রাবী বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর শপথ হ্যা আমরা পাঠ করে থাকি। তিনি বললেনঃ সূরা ফাতিহা ছাড়া (ইমামের পিছনে) অন্য কোন কিরা'আত পাঠ করবে না। কেননা যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করে না তার নামায হয় না। —যঈফ। যঈফ আবু দাউদ- (১৪৬) এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আনাস, আবু কাতাদা ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। "এ হাদীসটি ইমাম যুহরী (রহঃ) মাহমূদ ইবনু রাবী হতে, তিনি উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ)-এর সূত্রে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি।” —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৭), বুখারী ও মুসলিম।
#312Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنْ صَلاَةٍ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ " هَلْ قَرَأَ مَعِي أَحَدٌ مِنْكُمْ آنِفًا " . فَقَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ " . قَالَ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيمَا جَهَرَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الصَّلَوَاتِ بِالْقِرَاءَةِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَعِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَابْنُ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيُّ اسْمُهُ عُمَارَةُ . وَيُقَالُ عَمْرُو بْنُ أُكَيْمَةَ . وَرَوَى بَعْضُ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ هَذَا الْحَدِيثَ وَذَكَرُوا هَذَا الْحَرْفَ قَالَ قَالَ الزُّهْرِيُّ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَيْسَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ مَا يَدْخُلُ عَلَى مَنْ رَأَى الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ لأَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ هُوَ الَّذِي رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْحَدِيثَ وَرَوَى أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ " . فَقَالَ لَهُ حَامِلُ الْحَدِيثِ إِنِّي أَكُونُ أَحْيَانًا وَرَاءَ الإِمَامِ قَالَ اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ . وَرَوَى أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِيُّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَمَرَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُنَادِيَ أَنْ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ . وَاخْتَارَ أَكْثَرُ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ أَنْ لاَ يَقْرَأَ الرَّجُلُ إِذَا جَهَرَ الإِمَامُ بِالْقِرَاءَةِ وَقَالُوا يَتَتَبَّعُ سَكَتَاتِ الإِمَامِ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الإِمَامِ فَرَأَى أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمُ الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَرُوِيَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُ قَالَ أَنَا أَقْرَأُ خَلْفَ الإِمَامِ وَالنَّاسُ يَقْرَءُونَ إِلاَّ قَوْمًا مِنَ الْكُوفِيِّينَ وَأَرَى أَنَّ مَنْ لَمْ يَقْرَأْ صَلاَتُهُ جَائِزَةٌ . وَشَدَّدَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي تَرْكِ قِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَإِنْ كَانَ خَلْفَ الإِمَامِ فَقَالُوا لاَ تُجْزِئُ صَلاَةٌ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَحْدَهُ كَانَ أَوْ خَلْفَ الإِمَامِ . وَذَهَبُوا إِلَى مَا رَوَى عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَقَرَأَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ بَعْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَلْفَ الإِمَامِ وَتَأَوَّلَ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَإِسْحَاقُ وَغَيْرُهُمَا . وَأَمَّا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ فَقَالَ مَعْنَى قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . إِذَا كَانَ وَحْدَهُ . وَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَيْثُ قَالَ مَنْ صَلَّى رَكْعَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَلَمْ يُصَلِّ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ وَرَاءَ الإِمَامِ . قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ فَهَذَا رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَأَوَّلَ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . أَنَّ هَذَا إِذَا كَانَ وَحْدَهُ . وَاخْتَارَ أَحْمَدُ مَعَ هَذَا الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ وَأَنْ لاَ يَتْرُكَ الرَّجُلُ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَإِنْ كَانَ خَلْفَ الإِمَامِ .
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger turned (after praying) from a Salat in which he recited aloud and said: 'Has any one of you recite along with me just now?' A man said: 'Yes, O Messenger of Allah.' He said: 'Indeed I said to myself: Why was I being contended with for the Quran?'" He (Az-Zuhri one of the narrators) said: "So when they heard that from Allah's Messenger, the people stopped reciting with Allah's Messenger in the prayers that Allah's Messenger recited aloud
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশব্দে কিরাআত পাঠ করা নামায শেষ করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ এখন কি আমার সাথে কিরা'আত পাঠ করেছিলো? এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ আমি নামাযে মনে মনে বলছিলাম, আমার কি হল, কুরআন পাঠ করতে আমি বাধাগ্রস্ত হচ্ছি কেন? রাবী বলেন, লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে এরূপ শুনল তখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেহরী (সশব্দে) কিরা'আত পাঠ করা নামাযে তার পিছনে কিরা'আত পাঠ করা হতে ক্ষান্ত থাকল। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৭৯), সহীহ আবু দাউদ- (৭৮১)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, ইমরান ইবনু হুসাইন ও জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস উল্লেখিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। ইবনু উকাইমা লাইসীর নাম 'উমারা, তাকে আমর ইবনু উকাইমাও বলা হয়ে থাকে। ইমাম যুহরীর কিছু ছাত্র এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন এবং তা নিম্নোক্ত বাক্যে উল্লেখ করেছেনঃ------- “যুহরী বলেছেন, লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এরূপ শুনল তখন হতে ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ করা ছেড়ে দিল।” যারা ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ করার স্বপক্ষে, এ হাদীসের আলোকে তাদের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা যায় না। কেননা যে আবু হুরাইরা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে উপরোল্লিখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তিনিই আবার তার নিকট হতে এ হাদীসও বর্ণনা করেছেনঃ “যে ব্যক্তি নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।” এ হাদীসের একজন বাহক তাকে (আবু হুরাইরাকে) বললেন, আমি কখনও ইমামের সাথে নামায আদায় করে থাকি। তিনি বললেন, নিজের মনে মনে তা পাঠ করে নাও। (হাদীসের বাহক বলতে আবু হুরাইরার কোন ছাত্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৮), মুসলিম। আবু উসমান আন্নাহদী আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে এও বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আহবান জানাতে আদেশ দিলেন- “সূরা ফাতিহা পাঠ না করলে নামায হয় না।” হাদীস বিশারদগণ এই বিধান পছন্দ করেছেনঃ ইমাম যখন সশব্দে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে, মুক্তাদীগণ তখন ফাতিহা পাঠ করবে না। বরং ইমাম যখন আয়াত পাঠ করে থামবে, সেই সুযোগে ফাঁকে ফাকে মুক্তাদীগণও ফাতিহা পাঠ করে নিবে। ইমামের পিছনে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীগণের মতে, মুক্তাদীগণ ইমামের পিছনে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে। ইমাম মালিক, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, আমি ইমামের পিছনে কিরাআত (ফাতিহা) পাঠ করি এবং অন্যান্য লোকও পাঠ করে থাকে, কিন্তু কুফাবাসীদের একদল পাঠ করে না। আমি যদিও ইমামের পিছনে ফাতিহা পাঠ করে থাকি, তবুও যারা পাঠ করে না তাদের নামাযও আমি জায়িয মনে করি। বিশেষভাবে একদল বিশেষজ্ঞ আলিম এ ব্যাপারে আপোষহীনতা মত অবলম্বন করেছেন। তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি হয় একাকী না হয় জামাআতে নামায আদায় করুক না কেন, সে যদি সূরা ফাতিহা পাঠ না করে তবে তার নামাযই হবে না। তারা উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের ভিত্তিতে এ মত দিয়েছেন। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পরও ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করেছেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের উপর আমল করেছেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি।" ইমাম শাফিঈ, ইসহাক এবং অন্যান্যরাও এমন কথা বলেছেন। আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেন, “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ বাণী একাকি নামায আদায়কারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ সে যদি একাকি নামায আদায় করে এবং সূরা ফাতিহা পাঠ না করে তবে তার নামায হবে না। তিনি তার এ দাবির সমর্থনে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস পেশ করেছেন। জাবির (রাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি নামায আদায় করল এবং তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, সে যেন নামাযই আদায় করল না, অবশ্য ইমামের পিছনে হলে অন্য কথা।” ইমাম আহমাদ বলেন, জাবির (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী। তিনি তার হাদীস “যে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি" -এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, এ হুকুম একাকী নামায পাঠকারীর বেলায় প্রযোজ্য। এতদসত্ত্বেও ইমাম আহমাদ (রহঃ) ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করার নীতি অনুসরণ করেছেন এবং (বলেছেন) লোকেরা যেন ইমামের সাথে নামায আদায় করলেও সূরা ফাতিহা পাঠ করা ছেড়ে না দেয়।
#313Shakir: Sahih MuqufAl-Albani: Sahih MuqufMaarouf: Hasan Sahih
Abu Nu'aim Wahb bin Kaisan narated that he heard Jabir bin 'Abdullah saying:"Whoever prayed a Rak'ah in which he did not recite Umm Al-Qur'an, then he did not pray except if he was behind an Imam." [Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih
। আবু নু'আইম ওয়াহব ইবনু কাইসান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি নামায আদায় করল অথচ তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, সে নামাযই আদায় করেনি। হ্যাঁ ইমামের পিছনে হলে ভিন্ন কথা, সেক্ষেত্রে ফাতিহা পাঠের দরকার নাই। —সহীহ। মাওকুফ ইরওয়া— (২/২৩৭)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Fatimah the Great narrated:"When Allah's Messenger entered the Masjid he said Salat and Salam upon Muhammad and then said: (Rabbighfirli dhunubi, waftahli abwaba rahmatik) 'O pardon my sins, and open the gates of Your mercy for me.' And when he exited he said Salat and Salam upon Muhammad, and then said: (Rabbighfirli dunubi, waftahli abwaba rakmatik) 'O Lord pardon my sins, and open the gates of Your blessings for me
। ফাতিমা আল-কুবরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে ঢুকতেন তখন মুহাম্মাদের (স্বয়ং নিজের) প্রতি দুরুদ ও সালাম পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ “রকিবগফির লী যুনুবী ওয়াফতাহ লী আবওয়াবা রহমতিকা।” যখন তিনি মাসজিদ হতে বের হতেন তখনও মুহাম্মাদের (নিজের) প্রতি দুরুদ ও সালাম পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ “রকিবগফির লী যুনুবী ওয়াফতাহ লী আবওয়াবা ফাদলিকা।” —রব্বিগ ফিরলী বাক্যবাদে সহীহ। ফজলুস সালাত আলান্নবী (৭২-৭৩), তামাতুল মিন্নাহ– (২৯০)।
Ismail bin Ibrahim (a narrator in the chain of Hadith no. 314) said:"I met Abdullah bin al Husain in Makkah, so I asked him about this Hadith, so he narrated it to me, he said: 'When Allah's Messenger entered, he said (Rabbi aftahli abwaba rahmatik) 'O Lord, open the gates of Your mercy for me.' And when he exited he said: (Rabbi iftahli abwaba fadlik) 'O Lord, open the gates of Your blessings for me
। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) বলেন, ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম বলেছেন, আমি মক্কায় আবদুল্লাহ ইবনু হাসানের সাথে দেখা করে তাকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমার নিকট হাদীসটি এভাবে বর্ণনা করলেন- “যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে ঢুকতেন তখন বলতেনঃ “রব্বিফতাহলী বাবা রহমতিকা" এবং যখন বের হতেন তখন বলতেনঃ রব্বিফতাহলী বাবা ফাৰ্যলিকা। —সহীহ। পূর্বের হাদীসের শব্দগুলো অধিক সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবু হুমাইদ, আবু উসাইদ ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ফাতিমা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। ফাতিমার হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযুক্ত) নয়। কেননা হুসাইন (রাঃ)-এর কন্যা ফাতিমা তার দাদী ফাতিমাতুল কুবরা (রাঃ)-এর দেখা পাননি। কেননা ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর মাত্র কয়েক মাস বেঁচে ছিলেন।
#316Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Qatadah narrated that :Allah's Messenger said: "When one of you comes to the Masjid, then let him perform two Rak'ah before sitting
। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন মসজিদে আসে, তখন সে যেন বসার আগে দুই রাকাআত নামায আদায় করে নেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০১৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির, আবু উমামা, আবু হুরাইরা, আবু যার ও কা'ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু কাতাদা’র হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু আজলান এবং আরো অনেকে আমির ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর হতে মালিক ইবনু আনাসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সুহাইল ইবনু আবু সালিহ স্বীয় সনদে জাবির ইবনু আব্দুল্লাহর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এটি সুরক্ষিত নয়। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিই সঠিক। আমাদের সংগীরা এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। কোন ব্যক্তির মসজিদে ঢুকার পর বসার আগে দুই রাকাআত নামায আদায় করাকে তারা মুস্তাহাব মনে করেন। তিরমিয়ী বলেনঃ ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আমাকে তথ্য দিয়েছেন যে, আলী ইবনু মাদীনী বলেন, সুহাইল ইবনু আবী সালিহ-এর হাদীসটি ভুল।
#317Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَأَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْمَرْوَزِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الأَرْضُ كُلُّهَا مَسْجِدٌ إِلاَّ الْمَقْبُرَةَ وَالْحَمَّامَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحُذَيْفَةَ وَأَنَسٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي ذَرٍّ قَالُوا إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا " . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ قَدْ رُوِيَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ رِوَايَتَيْنِ مِنْهُمْ مَنْ ذَكَرَهُ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَمِنْهُمْ مَنْ لَمْ يَذْكُرْهُ . وَهَذَا حَدِيثٌ فِيهِ اضْطِرَابٌ . رَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلٌ . وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ قَالَ وَكَانَ عَامَّةُ رِوَايَتِهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَكَأَنَّ رِوَايَةَ الثَّوْرِيِّ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَثْبَتُ وَأَصَحُّ مُرْسَلاً .
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated that :Allah's Messenger said: "All of the earth is a Masjid except for the graveyard and the washroom
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কবরস্থান ও গোসলখানা ছাড়া সারা পৃথিবীই নামায আদায়ের উপযোগী। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৪৫)। এ অনুচ্ছেদে আলী, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, আবু হুরায়রা, জাবির, ইবনু আব্বাস, হুযাইফা, আনাস, আবু উমামা ও আবু যার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। তারা বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا "সারা পৃথিবীকে আমার জন্য মসজিদ এবং পবিত্র হওয়ার মাধ্যম বানানো হয়েছে।” আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদের সূত্রে দুটি ধারায় বর্ণিত হয়েছে। একটি ধারায় আবু সাঈদের বরাত দিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে, অপর ধারায় তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ হাদীসটিকে মুযতারিব (গোলমাল) বলা হয়েছে। সুফিয়ান সাওরী-আমর ইবনু ইয়াহইয়া হতে, তিনি তার পিতার সূত্রে এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এ সূত্রটিই বেশি সহীহ ও সুপ্রতিষ্ঠিত।
#318Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا بَنَى اللَّهُ لَهُ مِثْلَهُ فِي الْجَنَّةِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَنَسٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَعَائِشَةَ وَأُمِّ حَبِيبَةَ وَأَبِي ذَرٍّ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَوَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُثْمَانَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمَحْمُودُ بْنُ لَبِيدٍ قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَمَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ قَدْ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُمَا غُلاَمَانِ صَغِيرَانِ مَدَنِيَّانِ .
Uthman bin Affan narrated that :he heard Allah's Messenger say: "Whoever builds a Masjid for (the sake of) Allah, then Allah will build a similar house for him in Paradise
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সুপ্রসন্নতা অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি মাসজিদ তৈরী করে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর তৈরী করেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৩৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু বাকর, উমার, আলী, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আনাস ইবনু আব্বাস, আয়িশাহ, উম্মু হাবিবা, আবু যার, আমর ইবনু আবাসা, ওয়াসিলা ইবনুল আসকা', আবু হুরাইরা ও জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উসমানের হাদীসটি হাসান সহীহ। মাহমূদ ইবনু লাবীদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পেয়েছেন এবং মাহমূদ ইবনু রাবী’ও নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন। তারা দু’জনই মাদীনার বালক ছিলেন।
#319Shakir: DaifAl-Albani: DaifZai: Daif
وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا صَغِيرًا كَانَ أَوْ كَبِيرًا بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ " . حَدَّثَنَا بِذَلِكَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى قَيْسٍ عَنْ زِيَادٍ النُّمَيْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا .
It has been related that :the Prophet said: "Whoever builds a Masjid for (the sake of) Allah, be it small or large, then Allah will build a house for him in Paradise
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সুপ্ৰসন্নতা অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি মাসজিদ তৈরী করে চাই তা ছোট হোক বা বড়, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। যঈফ,তা’লীকুর রাগীব (১১১৭) এ হাদীসটি কুতাইবা তিনি নুহু ইবনু কাইস হতে তিনি আব্দুর রহমান হতে তিনি যিয়াদ আন-নুসাইরী হতে তিনি আনাস (রাঃ) হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন।
Ibn Abbbas narrated:"Allah's Messenger cursed the women who visit the graves, and those who use them as Masajid and put torches on them
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণকারীদের এবং কবরে বাতি জ্বালানো ব্যক্তিদের অভিসম্পাত করেছেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৫৭৫) অধিক যিয়ারতকারীনী এই অর্থে এবং বাতি জ্বালানো বাদে হাদীসটি সহীহ এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা ও আইশা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান। রাবী আবূ সালিহ আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানির আযাদকৃত গোলাম, তার নাম বাযান বা বাযাম।
#321Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"We would sleep in the Masjid during the time of Allah's Messenger and we were young men
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন কালে মসজিদে ঘুমাতাম। অথচ আমরা তখন যুবক ছিলাম। -সহীহ। বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিদ্বান মসজিদে ঘুমানোর পক্ষে অভিমত দিয়েছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “মাসজিদকে দিনের বা রাতের শোয়ার জায়গায় পরিণত কর না।” বিদ্বানদের একদল ইবনু আব্বাসের মতকেই গ্রহণ করেছেন।
#322Shakir: HasanAl-Albani: HasanZai: Isnaad Hasan
Amr bin Shu'aib narrated from his father, from his grandfather (Abdullah bin Amr Al-As), that :Allah's Messenger prohibited the recitation of poetry in the Masjid, and from selling and buying in it, and (he prohibited) the people from forming circles in it on Friday before the Salat
। আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে কবিতা আবৃতি করতে, কেনা-বেচা করতে এবং জুমুআর দিন জুমুআর নামাযের আগে বৃত্তাকারে গোল হয়ে বসতে নিষেধ করেছেন। -হাসান। ইবনু মাজাহ– (৭৪৯)। এ অনুচ্ছেদে বুরাইদা, জাবির ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস-এর হাদীসটি হাসান। আমর ইবনু শু'আইব হলেন ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) বলেন, আমি দেখেছি, ইমাম আহমাদ, ইসহাক ও অন্যান্যরা নিজেদের মতের সপক্ষে আমর ইবনু শু'আইবের হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) আরও বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু শু'আইব (রহঃ) তার দাদা আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর হাদীস শুনেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ কিছু লোক আমর ইবনু শুআইবের হাদীসের সমালোচনা করেছেন এবং তাকে যঈফ বলেছেন। তারা মনে করেন, 'আমর তার দাদার লিখিত সহীফা (সংকলিত হাদীসগ্রন্থ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। মনে হয় তারা একথাই বলতে চান যে, আমর ইবনু শুআইব তার দাদার নিকট হতে এসব হাদীস শুনেননি। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ বলেছেন, আমাদের মতে আমর ইবনু শু'আইবের হাদীসটি দুর্বল। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম মসজিদে কেনা-বেচা করা মাকরূহ বলেছেন। আহমাদ ও ইসহাক একইরকম মত পোষণ করেছেন। তাবিঈদের একদল বিদ্বান এ ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কয়েকটি হাদীস হতে মসজিদে কবিতা আবৃত্তি করার অনুমতির কথা জানা যায়।
#323Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated:"A man from Banu Khudrah and a man from Banu Amr bin Awf were disputing about the Masjid that was founded upon Taqwa. The man from Banu Khudrah said: 'It is the Masjid of Allah's Messenger.' The other one said that it was Masjid Qub. So they went to ask Allah's Messenger about that. He said: 'It is this - meaning his Masjid - 'and in that one (Masjid Quba) there is much good
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, খুদরা গোত্রের এক ব্যক্তি এবং আমর ইবনু আওফ গোত্রের এক ব্যক্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত মাসজিদ কোনটি-তা নিয়ে সন্দেহে পতিত হল। খুদরা গোত্রের লোকটি বলল, এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাসজিদ (মাদীনার মাসজিদ)। অপর ব্যক্তি বলল, এটা কুবার মাসজিদ। বিষয়টি নিয়ে তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে আসল। তিনি বললেনঃ এটা এই মাসজিদ অর্থাৎ মসজিদে নাববী। এ মসজিদে অফুরন্ত কল্যাণ নিহিত রয়েছে। —সহীহ। মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। হাদিসের রাবী ওনাইস ইবনু আবী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদকে জিজ্ঞেস করা হলে উত্তরে তিনি বলেন, তার মধ্যে কোন সমস্যা নেই। তার ভাই উনাইস ইবনু আবী ইয়াহইয়া তার চাইতে অধিক সুদৃঢ়।
#324Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Al-Abrad the freed slave of Banu Khatmah narrated that he heard Usaid bin Zuhair Al-Ansari - and he was one of the Companions of the Prophet - narrated that :the Prophet said: "The Salat in Masjid Quba is like Umrah
। উসাইদ ইবনু যুহাইর আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ছিলেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, কুবার মসজিদে নামায আদায় করলে উমরা করার সমান নেকী পাওয়া যায়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪১১)। এ অনুচ্ছেদে সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উসাইদ-এর হাদীসটি হাসান গারীব। আবদুল হামীদ ইবনু জাফর হতে আবু উসামা বর্ণিত এ হাদীসটি ব্যতীত উসাইদের আর কোন সহীহ হাদীস আমাদের জানা নেই। রাবী আবুল আবরাদের নাম যিয়াদ মাদীনী।
#325Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Salat is this Masjid of mine is better than a thousand Salat in another, except for Masjid Al-Haram
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার এই মসজিদে এক রাক'আত নামায আদায় করা অন্য মসজিদে এক হাজার রাকাআত নামায আদায় করা হতেও উত্তম, কিন্তু মাসজিদুল হারাম ব্যতীত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪০৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসের রাবী কুতাইবা তার সনদে উবাইদুল্লাহ'র উল্লেখ করেননি। বরং তার সনদ যাইদ ইবনু রাবাহ, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-আগার তিনি আবু হুরাইরাহ হতে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আবু হুরাইরার নিকট হতে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবু আব্দুল্লাহ আল-আগারের নাম সালমান। এ অনুচ্ছেদে আলী, মাইমূনা, আবু সাঈদ, জুবাইর ইবনু মুতাইম, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর, ইবনু উমার ও আবু যার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
#326Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated that :Allah's Messenger said: "A mount is not saddled (for a journey) except to three Masajid: Al-Masjid Al-Haram, this Masjid of mine, and Masjid Al-Aqsa." [Abu `Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি মাসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও (সাওয়াবের আশায়) সফর করা যায় না। এ মাসজিদগুলো হল, মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪০৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#327Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "When the Iqamah is called for Salat do not come to it rushing, rather come to it walking, and while you have tranquility. What you catch of it then pray it, and what you missed of it, then complete it
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযের জামাআত শুরু হয়ে গেলে তোমরা দৌড়ে বা তাড়াহুড়া করে এসো না, বরং ধীরেসুস্থে হেঁটে এসো। জামাআতে যতটুকু পাও আদায় করে নাও, যতটুকু ছুটে যায় তা সালামের পরে পুরা কর। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৭৫), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু কাতাদা, উবাই ইবনু কাব, আবু সাঈদ, যাইদ ইবনু সাবিত, জাবির ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ‘ঈসা বলেনঃ মসজিদে হেঁটে আসা সম্পর্কে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। এক দলের মতে, তাকবীরে উলা (তাকবীরে তাহরীমা) ছুটে যাওয়ার আশংকা হলে তাড়াতাড়ি আসবে। তাদের কারো কারো সম্পর্কে এ পর্যন্তও বর্ণিত আছে, তারা দৌড়ে এসে নামায ধরতেন। অপর দল দৌড়ে আসাকে মাকরুহ বলেছেন। তারা ধীরেসুস্থে, শান্তভাবে আসাই পছন্দ করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাক এই মতের প্রবক্তা। তারা উভয়ে বলেছেন, এ ব্যাপারে আবু হুরাইরার হাদীস অনুযায়ী আমল করতে হবে। ইসহাক বলেছেন, তাকবীরে উলা ছুটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে দ্রুত হেঁটে এসে জামাআত ধরাতে কোন অপরাধ নেই।
#328Zai: Sahih
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِمَعْنَاهُ . هَكَذَا قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ .
(Another chain with a similar narration) from Abu Hurairah :[from the Prophet]. And this is more correct than the Hadith of Yazid bin Zurai. (no)
। আল-হাসান ইবনু আলী বর্ণনা করেন, তিনি আব্দুর রাজ্জাক হতে, তিনি মামার হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব ওয়াসাল্লাম হতে, আবু সালামার সূত্রে বর্ণিত আবু হুরাইরার মতোই হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটি ইয়াযিদ ইবনু যুরাই-এর হাদীসের চেয়ে অধিক সহীহ।
#329Zai: Sahih
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
(Another chain with a similar narration) from Abu Hurairah, :from the Prophet
। ইবনু আবী উমার বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে তিনি আবু হুরাইরা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
#330Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "One of you does not cease to be in Salat as long as he is waiting for it. And the angels do not cease praying for one of you as long as he remains in the Masjid (saying): 'Allah! Forgive him. O Allah! Have mercy upon him' - as long as he does not commit Hadath." A man from Hadramawt said: "And just what is Hadath Abu Hurairah?" He said: "Breaking wind, or passing gas
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যে পর্যন্ত মসজিদে নামাযের প্রতীক্ষায় থাকে, সে যেন নামাযের মধ্যেই থাকে, আর যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের কেউ মসজিদে থাকে ফেরেশতারা সে পর্যন্ত তার জন্য দু’আ করতে থাকে“আল্লাহুম্মাগফিরহু আল্লাহুম্মারহামহু।” হাদাস (ওযু ছুটে) না যাওয়া পর্যন্ত তার জন্য এ দু’আ চলতে থাকে। হাযরামাওতের এক ব্যক্তি বলল, হে আবু হুরাইরা! হাদাস কাকে বলে? তিনি বললেন, নিঃশব্দে বা স্বশব্দে বায়ু বের হওয়া। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৯৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, আবু সাঈদ, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা’র হাদীসটি হাসান সহীহ।
#331Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى الْخُمْرَةِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَأُمِّ سُلَيْمٍ وَعَائِشَةَ وَمَيْمُونَةَ وَأُمِّ كُلْثُومٍ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الأَسَدِ وَلَمْ تَسْمَعْ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأُمِّ سَلَمَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَبِهِ يَقُولُ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ . وَقَالَ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ قَدْ ثَبَتَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةُ عَلَى الْخُمْرَةِ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَالْخُمْرَةُ هُوَ حَصِيرٌ قَصِيرٌ .
Ibn Abbas narrated:"Allah's Messenger performed Salat on a Khumrah
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাইয়ের উপর নামায আদায় করতেন। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ, বুখারী। এ অনুচ্ছেদে উম্মু হাবীবা, ইবনু উমার, উম্মু সালামা, ‘আয়িশাহ, মাইমূনা ও উম্মু কুলসূম বিনতু আবু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু কুলসুম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও উম্মু-সালামাহ হতে হাদীস শুনেননি। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু আলিম এ হাদীসের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেন, চাটাইয়ের উপর নামায আদায় করা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেই প্রমাণিত। আবু ঈসা বলেনঃ খুমরা অর্থ ছোট চাটাই অথবা মাদুর।
#332Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Bukhari And Muslim
Abu Sa'eed narrated:"The Prophet performed Salat on a Hasir
। আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদুরের উপর নামায আদায় করেছেন। -সহীহ।- ইবনু মাজাহ– (১০২৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস ও মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। অত্যন্ত অল্প সংখ্যক বিদ্বান মাটিতে নামায আদায় করা মুস্তাহাব মনে করেছেন। রাবী আবু সুফইয়ানের নাম তালহা ইবনু নাফি।
#333Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger used to mingle with us such that he said to my younger brother: 'O Abu Umair! What did the Nughair do?'" He (Anas) said: "A Bisat of ours would be sprinkled (with water) to perform Salat on
। আবু তাইয়াহ আয-যুবাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কপট লোকাচার বাদ দিয়ে) স্বাভাবিকভাবে আমাদের সাথে মিলেমিশে থাকতেন। এমনকি তিনি আমার ছোট ভাইকে বলতেনঃ হে আবু উমাইর! কোথা তোমার নুগায়ির (লাল পাখি)। রাবী বলেন, আমাদের বিছানা পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়া হল, তিনি তার উপর নামায আদায় করলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৭২০, ৩৭৪০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের উত্তরসুরিগণ বিছানা ও কার্পেটের উপর নামায আদায় করা দোষণীয় মনে করেন না। আহমাদ এবং ইসহাকও এ কথা বলেছেন। আবু তাইয়্যাহ'র নাম ইয়াযিদ ইবনু হুমাইদ।
Muba bin Talhah narrated from his father (Talhah) that :Allah's Messenger said: "When one of you placed something like the post (handle) of the camel saddle in front of him, then let him perform Salat and not concern himself with who passes beyond that
। মূসা ইবনু তালহা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে। তিনি (তালহা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন নিজের সামনে হাওদার খুঁটির মত কিছু রেখে দেয়, তারপর তার দিকে নামায আদায় করে তখন খুঁটির বাইরে দিয়ে কেউ চলাচল করলে কোন ভয় নেই। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৪০)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, সাহল ইবনু আবু হাসমা, ইবনু উমার, সাবরা ইবনু মাবাদ, আবু জুহাইফা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ তালহার হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, ইমামের সুতরাই (অন্তরাল) মুক্তাদীদের জন্য যথেষ্ট।
#336Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Zaid bin Khalid Al-Juhni sent a message to Abu Juhaim asking him what he had heard from Allah's Messenger about passing in front of a person who was performing Salat. Abu Juhaim said :that Allah's Messenger said: "If the one who passed in front of the person performing Salat knew what he was doing, then for him to stop (and wait for forty) would be better for him than to pass in front of him
। বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত আছে, যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রঃ) আবু জুহাইমের নিকট লোক পাঠালেন। উদ্দেশ্য ছিল, নামায়ীর সামনে দিয়ে যাওয়া সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তিনি যা শুনেছেন তা জিজ্ঞেস করা। আবু জুহাইম (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামায়ীর সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত তার কত বড় গুনাহ হয়, তবে সে নামায়ীর সামনে দিয়ে চলাচল করা অপেক্ষা চল্লিশ পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকা নিজের জন্যে ভাল মনে করত। আবু নাযর বলেন, তিনি (আবৃ জুহাইম) কি চল্লিশ দিনের না চল্লিশ মাসের না চল্লিশ বছরের কথা বলেছেন তা আমার মনে নেই। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৪৫), বুখারী ও মুসলিম আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ আল-খুদরী, আবু হুরাইরা, ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদিস বর্ণিত আছে- رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " لأَنْ يَقِفَ أَحَدُكُمْ مِائَةَ عَامٍ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَىْ أَخِيهِ وَهُوَ يُصَلِّي নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের কোন ব্যক্তির জন্য তার নামাযরত ভাইয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার চেয়ে একশত বছর অপেক্ষা করা বেশি কল্যাণকর” বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া মাকরূহ। তবে কেউ গেলে তাতে নামায়ীর নামায নষ্ট হবে বলে তারা মনে করেন না। আবু নাযুরের নাম সালিম। তিনি উমর ইবনু উবাইদুল্লাহ আল-মাদীনীর আযাদকৃত গোলাম।
#337Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Abbas narrated:"I was a companion rider on a female donkey with Al-Fadl. We came while the Prophet and his Companions were performing Salat at Mina." He said: "We dismounted from it and joined the row. The donkey then passed in front of them, and this did not invalidate their Salat
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি একটি গাধীর পিঠে ফযলের পিছনে সাওয়ার ছিলাম। আমরা মিনায় পৌছলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবাদের নিয়ে নামাযরত অবস্থায় ছিলেন। আমরা গাধার পিঠ হতে নেমে (নামাযের) কাতারে শামিল হয়ে গেলাম। গাধীটা কাতারের সামনে দিয়ে চলে গেল। কিন্তু তাতে তাদের নামায নষ্ট হয়নি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৪৭), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ফযল ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীদের মতে, কোন জিনিস নামায নষ্ট করতে পারে না। সুফিয়ান সাওরী এবং শাফিঈও একথা বলেছেন।
#338Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Dharr said that :Allah's Messenger said: "When a man performs Salat, and there is nothing in front of him like the post of a saddle, or a camel saddle, then his Salat is severed by (passing of) a black dog, a woman, and a donkey." It was said to Abu Dharr: "What is the problem with the black dog rather than the red or white one?" He said: "O my nephew! I asked Allah's Messenger just as you have asked me. He said: 'The black dog is a Shaitan (devil)
। আবদুল্লাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু যার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি নামায আদায় করে তখন তার সামনে হাওদার পিছনের কাঠের মত কিছু (অন্তরাল) না থাকলে কালো কুকুর, গাধা ও স্ত্রীলোক তার নামায নষ্ট করে দিবে। আমি আবু যার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, কালো কুকুর এমন কি অপরাধ করল, অথচ লাল অথবা সাদা কুকুরও তো রয়েছে? তিনি বললেন, হে ভ্রাতুষ্পপুত্র! আমিও তোমার মত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বললেনঃ কালো কুকুর শাইতান সমতুল্য। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৫২), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ, হাকাম আল-গিফারী, আবু হুরাইরা ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু যার-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু সংখ্যক বিদ্বান এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, গাধা, স্ত্রীলোক ও কালো কুকুর নামায়ীর সামনে দিয়ে গেলে নামায নষ্ট হয়ে যায়। ইমাম আহমাদ বলেন, এ ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই যে, কালো কুকুর নামায নষ্ট করে দেয়; কিন্তু গাধা এবং স্ত্রীলোকের ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। ইমাম ইসহাক বলেন, কালো কুকুর নামায নষ্ট করে দেয়। এ ছাড়া আর কোন কিছু নামায নষ্ট করতে পারে না।
#339Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Umar bin Abi Salamah narrated that he saw :Allah's Messenger performing Salat in the house of Umm Salamah wrapped in one garment
। উমার ইবনু আবু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উম্মু সালামা (রাঃ)-এর ঘরে এক কাপড়ে নামায আদায় করতে দেখেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৪৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, জাবির, সালামা ইবনু আকওয়া, আনাস, আমর ইবনু আবু উসাইদ, আবু সাঈদ, কাইসান, ইবনু আব্বাস, আইয়িশাহ, উম্মু হানী, আম্মার ইবনু ইয়াসির, তলক ইবনু আলী ও উবাদা ইবনু সামিত (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উমার ইবনু আবী সালামার হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ সাহাবা ও তাবিঈন এ হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, একই কাপড়ে নামায আদায় করা হলে তাতে আপত্তির কিছু নেই। কিছু অলিম বলেছেন, দুই কাপড়ে নামায আদায় করা উচিত।
#340Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Bara bin Azib narrated:"When Allah's Messener arrived in Al-Madinah, he faced Bait Al-Maqdis in Salat for sixteen or seventeen months. Allah's Messenger longed to face the direction of the Ka'bah, so Allah Most High revealed: Verily! We have seen the turning of your face towards the heaven. Surely We shall turn you o a Qiblah that shall please you. So turn your face in the direction of Al-Masjid Al-Haram.So he faced the Ka'bah, and he liked that. A man performed the Asr prayer with him, then passed by some of the Ansar who were bowing in Salat for Asr while facing Bait Al-Maqdis." He told them that he had faced the direction of the Ka'bah, so they changed (their direction) while they were bowing." [He said:] There are narrations on this topic from Ibn Umar, Ibn Abbas, Umarah bin Aws, Amr bin Awf Al-Muzani and Anas
। বারআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আসার পর হতে ষোল অথবা সতের মাস বাইতুল মুকাদ্দাসকে কিবলা করে নামায আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আন্তরিক বাসনা ছিল কাবার দিকে ফিরে নামায আদায় করা। তারপর মহান আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমার বারবার আকাশের দিকে মুখ করে তাকানোকে আমরা দেখতে পাচ্ছি। তোমার আকাংখিত কিবলার দিকে আমরা তোমার মুখ ফিরিয়ে দিচ্ছি। এখন হতে মসজিদে হারামের দিকে তোমার মুখ ফিরাও" (সূরাঃ আল-বাকারা- ১৪৪)। তিনি কা'বার দিকে মুখ ফিরালেন, আর তিনি এটাই চাচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি তার সাথে আসরের নামায আদায়ের পর আনসার সম্প্রদায়ের একদল লোকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তখন বাইতুল মুকাদ্দাসকে সামনে রেখে আসরের নামাযের রুকূর মধ্যে ছিলেন। লোকটি সাক্ষ্য দিয়ে বললেন যে, তিনি এই মাত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কাবার দিকে মুখ করে নামায আদায় করে এসেছেন। রাবী বলেন, তারা রুকূর অবস্থাই ঘুরে গেলেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত— (৫৬), ইরওয়া- (২৯০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, উমারা ইবনু আওস, আমর ইবনু আওফ ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Ibn Umar said:"They were bowing during the Subh (Fajr) Prayer
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, তারা তখন ফযরের নামাযের রুকূতে ছিলেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৫৭), ইরওয়া— (২৯০), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#342Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَةٌ " .
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "What is between the east and the west is Qiblah
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী দিকে কিবলা অবস্থিত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০১১)।
Abu Hurairah narrated:(Another chain with a similar narration)
ইয়াহইয়া ইবনু মূসা তিনি মুহাম্মাদ ইবনু আবী মা’শার হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। কোন কোন বিশেষজ্ঞ আবু মা'শারের স্মরণশক্তি সম্পর্কে ওজর তুলেছেন। আবু মা'শারের নাম নাজীহ। মুহাম্মাদ বলেন, আমি তার নিকট হতে কিছু বর্ণনা করি না, অন্য লোকেরা তার নিকট হতে বর্ণনা করে থাকে। মুহাম্মাদ বলেন, আবু মা’শারের বর্ণনার চেয়ে আবদুল্লাহ ইবনু জাফরের বর্ণনাটি বেশি শক্তিশালী এবং সহীহ।
(Another chain narrating that) Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "What is between the east and the west is Qiblah
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে কিবলা অবস্থিত। —সহীহ। দেখুন পূর্বোক্ত হাদীস। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আব্দুল্লাহ ইবনু জাফর মাখরামী এজন্য বলা হয়ে থাকে যে, তিনি মিসওয়ার ইবনু মাখরামার সন্তান। এ হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবা বর্ণনা করেছেন। উমার ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবু তালিব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত। ইবনু উমার (রাঃ) বলেনঃ "যখন তুমি পশ্চিমকে ডান দিকে এবং পূর্বকে বাম দিকে রেখে কিবলামুখী হয়ে দাড়াও তখন এই উভয় দিকের মধ্যবর্তী দিকই কিবলার দিক ৷” ইবনুল মুবারাক বলেন, পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যবর্তী দিকগুলো প্রাচ্যবাসীদের কিবলা। তিনি মরুবাসীদের জন্য বাঁ দিক কিবলা নির্দিষ্ট করেছেন।
Abdullah bin Amir bin Rabi'ah narrated from his father who said:"We were with the Prophet on a journey on a very dark night and we did not know the direction of the Qiblah. So each man among us prayed in his own direction. In the morning when we mentioned that to the Prophet, then the following was revealed: So where ever you turn, there is the Face of Allah
‘আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রবী'আ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আমির) বলেন, আমরা এক অন্ধকার রাতে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে ছিলাম। কিবলা যে কোন দিকে তা আমরা ঠিক করতে পারলাম না। আমাদের প্রত্যেকে যার যার সামনের দিকে ফিরে নামায আদায় করল। সকাল বেলা আমরা এ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম। এ প্রসংগে এই আয়াত অবতীর্ণ হল- “পূর্ব ও পশ্চিম সবই আল্লাহ তা'আলার। যে দিকে তুমি মুখ ফিরাবে, সেদিকেই আল্লাহ তা'আলার চেহারা বিরাজমান"- (সূরাঃ আল-বাকারা-১১৫)। —হাসান। ইবনু মাজাহ– (১০২০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ খুব একটা শক্তিশালী নয়। এ হাদীসের রাবী আশ'আস ইবনু সাঈদ একজন দুর্বল রাবী। আমরা শুধু তার মাধ্যমেই হাদীসটি জেনেছি। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, মেঘের কারণে কিবলা ছাড়া অন্য দিকে নামায আদায় করা হল, তারপর নামায শেষে জানা গেল যে, কিবলার দিক ব্যতীত অন্য দিকে ফিরে নামায আদায় করা হয়েছে, এ অবস্থায় নামায নির্ভুল হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাক এ মতের সমর্থক।
Ibn Umar narrated:"The Prophet prohibited Salat from being performed in seven places: the dung heap, the slaughtering area, the graveyard, the commonly used road, the wash area, in the area that camels rest at, and above the House of Allah (the Ka'bah)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাতটি জায়গায় নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেনঃ ময়লা রাখার স্থানে, কসাইখানায়, কবরস্থানে, পথিমধ্যে, গোসলখানায়, উট (পশু)-শালায় এবং বাইতুল্লাহর (কাবা ঘরের) ছাদে। যঈফ, ইবনু মাজাহ
Ibn Umar narrated:(Another chain with a similar narration)
। আলী ইবনু হুজ্বর স্বীয় সনদে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস এ অনুচ্ছেদে আবূ মারসাদ, জাবির ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু উমারের হাদীসের সনদ খুব একটা শক্তিশালী নয়। যাইদ ইবনু জাবীরার স্মরণশক্তির সমালোচনা করা হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ যাইদ ইবনু জুবাইর আল-কুফী যাইদ ইবনু জাবীরার তুলনায় অধিক বিশ্বস্ত ও অধিক বয়স্ক। আর তিনি ইবনু উমার হতে হাদীস শুনেছেন। লাইস ইবনু সা’দ-আবদুল্লাহ ইবনু উমার আল-উমারীর সনদ পরম্পরায় ইবনু উমারের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। দাউদের হাদিস নাফি' হতে তিনি ইব্বনু উমার হতে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনাটি লাইসের বর্ণনার চেয়ে অধিক সহীহ। কিছু হাদীস বিশারদ আল-উমারীর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, তার স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল। সমালোচকদের মধ্যে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান অন্যতম।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Perform Salat in sheep pens but do not perform Salat in the camels' resting area
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ছাগলের ঘরে নামায আদায় করতে পার কিন্তু উটশালায় নামায আদায় করবে না। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৬৮)।
(Another chain) from Abu Hurairah, :from the Prophet and it is the same or similar
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ...... উপরের হাদীসের অনুরূপ। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু সামুরা, বারাআ, সাবরা ইবনু মাবাদ, আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল, ইবনু উমার ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আমাদের সঙ্গীরা এই হাদীস অনুসারে আমল করেন। আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেন। আবু হুরাইরা হতে আবু সালিহ'র সূত্রে আবু হাসীন কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি গারীব। এ হাদীসটি ইসরাঈল আবু হাসীন হতে তিনি আবৃ সালিহ হতে তিনি আবু হুরাইরা হতে মাওকুফরুপে বর্ণনা করেছেন। আবু হাসীনের নাম উসমান ইবনু আসিম।
Anas bin Malik narrated:"The Prophet would perform Salat in sheep pens
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীশালায় নামায আদায় করতেন। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#351Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Jabir narrated:"The Prophet dispatched me for something he needed. I came to him while he was performing Salat on his mount, heading east, he made the prostrations lower than the bowing
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কোন এক কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখি, তিনি তার সাওয়ারীর উপর পূর্ব দিকে ফিরে নামায আদায় করছেন এবং সিজদাতে রুকু অপেক্ষা বেশি নীচু হচ্ছেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১১২), বুখারী ও মুসলিম সিজদার কথা উল্লেখ না করে; বুখারী, কাজে পাঠানো শব্দ ব্যতীত। এ অনুচ্ছেদে আনাস, ইবনু উমার, আবু সাঈদ ও আমির ইবনু রাবী'আহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। উল্লেখিত হাদীসটি জাবিরের নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সব বিশেষজ্ঞ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। আমরা তাদের মধ্যে এ ব্যাপারে কোনরূপ অমিল খুঁজে পাইনি। জন্তুযান যানবাহন যেদিকে মুখ করে থাকে আরোহী সেদিকে ফিরেই নফল নামায আদায় করতে পারে, এ বিষয়ে তাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, চাই জন্তুযান যানবাহন কিবলার দিকে হোক বা অন্য দিকে।
#352Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"The Prophet performed Salat towards his she-camel, or his mount, and he would perform Salat while on his mount, whichever direction it was facing
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট অথবা বাহনের দিকে (বাহন সামনে রেখে) নামায আদয় করেছেন। জন্তুযান যানবাহন তাকে নিয়ে যেদিকে চলত তিনি সেদিকে ফিরেই (ফরয ছাড়া অন্যান্য) নামায আদায় করতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৫৫), সহীহ আবু দাউদ- (৬৯১, ১১০৯), বুখারী ও মুসলিম, বিচ্ছিন্নভাবে। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, উটকে অন্তরাল বানিয়ে (নামায়ীর সামনে রেখে) নামায আদায় করতে কোন অপরাধ নেই।
#353Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas conveyed that :the Prophet said: "When supper is present and the Iqamah for Salat has been called, then begin with supper
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নামাযের ইকামাতও দেওয়া হয় তখন আগে খাবার খেয়ে নাও। --সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ইবনু উমার, সালামা ইবনুল আকওয়া ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা যেমন, আবু বাকর, উমার ও ইবনু উমার (রাঃ) এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেছেনঃ যদি নামাযের জামাআতও হারাবার আশংকা থাকে তবুও আগে খাবার খেয়ে নিবে। ওয়াকী (রহঃ) এ হাদীসের ব্যাপারে বলেছেন, যদি খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে তবে প্রথমে খেয়ে নিবে। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবা উল্লেখিত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করেছেন যে, মন যদি কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত থাকে তবে তখন নামায আদায় করবে না। এই মতের অনুসরণ করাই উত্তম। খাবারের ব্যাপারটাও একই রকম, সুতরাং আহারই আগে খেয়ে নিবে। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “মনের কোন চিন্তা বা ব্যস্ততা থাকলে আমরা নামাযে দাড়াই না।”
Ibn Umar narrated that:the Prophet said: "When the supper is presented and the Iqamah is called for Salat, then begin with the supper
। ইবনু উমর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ “যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয় এবং নামাযেরও ইকামাত দেওয়া হয় তখন প্রথমে খাবার খেয়ে নাও।” –সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। ইমামের কিরাআতের শব্দ শুনার পরও ইবনু উমার (রাঃ) “প্রথমে খাবার খেয়ে নিতেন"। তিরমিয়ী বলেনঃ আমাদের ইহাইহা বর্ণনা করেছেন হান্নাদ, তিনি আব্দাহ হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি নাফি হতে, তিনি ইবনু উমার হতে।
#355Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated that :Allah's Messenger said: "When one of you is sleepy and he is performing Salat, then let him lie down until the sleep is gone from him. For when one of you performs Salat while he is sleepy, perhaps he wants to seek forgiveness but he curses himself
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঘুম আসলে সে যেন প্রথমে ঘুমিয়ে নেয়। তাতে তার ঘুমের আবেশ কেটে যাবে। কেননা সে যদি তন্দ্রা অবস্থায় নামায আদায় করে তবে এরূপ হওয়া মোটেই অসম্ভব নয় যে, সে গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ।
#356Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Atiyyah narrated that :a man among them said: "Malik bin Al-Huwairith came to us in our Musalla to narrate. One day when it was time for Salat, we told him to go ahead (to lead the prayer). He said: 'Let one of you go forward, until I narrate to you why I would not go forward (to lead prayer): I heard Allah's Messenger saying: "Whoever visits a people, then he does not lead them, but a man among them leads them
। আবু আতীয়া (রহঃ) হতে,বর্ণিত আছে, তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বলল, মালিক ইবনু হুয়াইরিস (রাঃ) আমাদের নামাযের জায়গায় (মসজিদে) এসে আমাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতেন। একদিন নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেল। আমরা তাকে বললাম, সামনে যান (ইমামতি করুন)। তিনি বললেন, তোমাদের কেউ সামনে যাক। আমি সামনে না যাওয়ার কারণ তোমাদের বলব। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি কোন কাওমের সাথে দেখা করতে গিয়ে সে যেন তাদের ইমামতি না করে, বরং তাদের মধ্যেরই কেউ যেন ইমামতি করে। - সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬০৯), মালিকের ঘটনা উল্লেখ ব্যতীত। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা ও অন্যান্যরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, ইমামতি করার ব্যাপারে বাড়িওয়ালাই সাক্ষাতপ্রার্থীর চেয়ে বেশি হকদার। কিছু মনীষী বলেছেন, বাড়ির মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মেহমানের ইমাম হওয়াতে কোন অপরাধ নেই। ইমাম ইসহাক কঠোরতার সাথে বলেছেন, বাড়িওয়ালা অনুমতি দিলেও মেহমানের ইমামতি করা উচিত নয়। ঠিক তেমনিভাবে মসজিদেও ইমামতি করবে না, বরং তাদেরই কেউ ইমামতি করবে।
Thawban narrated that :the Prophet said: "It is not allowed for a man to look into the interior of a man's house until he has been given permission, for if he looks, then he has entered. And one who leads people (in Salat) should not supplicate for himself alone with the exclusion of his congregation. If he does, then he has betrayed them. And one is not to stand for Salat while he has to urinate
। সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বাড়ির মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তির পক্ষেই তার ঘরের মধ্যে তাকানো জায়িয নয়। যদি সে তাকায়, তবে সে যেন বিনা অনুমতিতেই তার ঘরে ঢুকলো। কোন ব্যক্তির পক্ষেই এটা শোভনীয় নয় যে, সে লোকদের ইমামতি করে এবং তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধু নিজের জন্য দু'আ করে। যদি সে এমনটি করে তবে সে যেন শঠতা (বিশ্বাসভঙ্গ) করল। প্রাকৃতিক প্রয়োজনের বেগ নিয়েও কেউ যেন নামাযে না দাড়ায়। -প্রাকৃতিক প্রয়োজনের বেগ নিয়ে কেউ যেন নামাযে না দাড়ায়। হাদীসের এই অংশটুকু বাদে হাদীসটি যঈফ। যঈফ আবু দাউদ (১১-১২)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও আবু উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ সাওবানের হাদীসটি হাসান। উল্লেখিত হাদীসটি আলাদা আলাদাভাবে আবু উমামা ও আবু হুরাইরা (রাঃ)-ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। তবে সাওবানের বর্ণনাসূত্রটি খুব বেশি মজবুত এবং বিখ্যাত।
#358Shakir: Very Daif IsnaadAl-Albani: Very Daif IsnaadMaarouf: Daif
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger cursed three people: A man who leads people (in Salat) while they dislike him, a woman who spends a night while her husband is angry with her, and a man who hears: 'Hayya Alal Falah (come to success)' then does not respond
। হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন। তারা হলঃ যে ব্যক্তি মুক্তাদীদের অপছন্দ সত্ত্বেও তাদের ইমামতি করে; যে নারী স্বামীর বিরাগ নিয়ে রাত কাটায় এবং যে ব্যক্তি "হাইয়্যা আলাল ফালাহ' শুনেও তাতে সাড়া দেয় না (জামা'আতে উপস্থিত হয় না)। সনদ খুবই দুর্বল এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, তালহা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবূ উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি সহীহ নয়। কেননা এটি হাসানের সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে মুরসাল হিসাবেও বর্ণিত হয়েছে। তাছাড়া ইমাম আহমাদ এ হাদীসের অধঃস্তন রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিমের সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, তিনি হাদীসশাস্ত্রে যঈফ এবং তার স্মরণশক্তি মোটেই ধারালো নয়। একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, লোকেরা যদি ইমামকে খারাপ জানে তবে তাদের ইমামতি করা তার জন্য মাকরূহ। কিন্তু ইমাম যদি যালিম না হয় তবে যারা তাকে খারাপ জানে তারা গুনাহগার হবে। এ প্রসঙ্গে ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেছেন, যদি এক, দুই অথবা তিনজন লোক তাকে খারাপ জানে তবে তার ইমামতি করাতে কোন অপরাধ নেই। হ্যাঁ যদি বেশীরভাগ মুক্তাদী তাকে খারাপ জানে তবে তাদের ইমামতি করা তার জন্য শ্রেয় হবে না।
Amr bin Al-Harith Al-Mustaliq said:"It used to be said that the people with the worst punishment [on the Day of Judgment] are two: A woman who disobeyed her husband, and a people's Imam whom they dislike
। আমর ইবনুল হারিস ইবনু মুস্তালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কথিত আছে, দুই ব্যক্তির উপর সবচেয়ে ভয়াবহ শাস্তি হবেঃ যে নারী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করে এবং কোন গোত্রের ইমাম যাকে তারা অপছন্দ করে। -সনদ সহীহ। হান্নাদ বলেন, জারীর বলেন যে, মানসূর বলেছেন, আমরা ইমাম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। আমাদেরকে বলা হল, এটা যালিম ইমাম সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে ইমাম সুন্নাত (ইসলামী বিধান) কায়িম করে, তাকে অপছন্দকারী গুনাহগার বলে গণ্য হবে।
Abu Umamah narrated that :Allah's Messenger said: "There are three whose Salat would not rise up beyond their ears: The runaway slave until he returns, a woman who spends a night while her husband is angry with her, and a people's Imam whom they dislike
। আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণনা আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যক্তির নামায তাদের কান ডিঙ্গায় না (কবুল হয় না)। পলায়নকারী দাস যে পর্যন্ত তার মালিকের নিকটে ফিরে না আসে; যে মহিলা তার স্বামীর বিরাগ নিয়ে রাত কাটায় এবং যে ইমামকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা পছন্দ করে না। -হাসান। মিশকাত- (১১২২)। আবু ঈসা বলেনঃ এ সূত্রে হাদীসটি হাসান গারীব। আবু গালিবের নাম হাযাওয়ার।
#361Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger fell from a horse and got injured, so he led Salat sitting and we also offered Salat sitting. When he completed the Salat he said: "The Imam is appointed to be followed; when he says the Takbir then say the Takbir, when he bows, then bow, and when he raises his head, then raise your heads. When he says: "Sami' Allahu liman hamidah (Allah listens to those who praise him)" then say: "Rabbana wa lakal-hamd. (O our Lord! And all praise is Yours.)" and when he prostrates, then prostrate, and when he performs Salat sitting, then pray sitting altogether
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন এক সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের নামায আদায় করালেন, আমরাও তার সাথে বসে বসে নামায আদায় করলাম। নামায হতে ফিরে তিনি বললেনঃ ইমাম এজন্যই নিযুক্ত করা হয় যাতে তার অনুসরণ করা হয়। যখন সে আল্লাহু আকবার বলবে তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন সে রুকূতে যাবে তোমরাও রুকূতে যাবে; যখন সে মাথা তুলবে তোমরাও মাথা তুলবে; যখন সে সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তোমরা তখন রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বল; যখন তিনি সিজদাতে যান তোমরাও সিজদায় যাও; যখন তিনি বসে নামায আদায় করেন তোমরাও সবাই বসে নামায আদায় কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৩৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, আবু হুরাইরা, জাবির, ইবনু উমার ও মু'আবিয়া (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবী এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মধ্যে জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ, উসাইদ ইবনু হুযাইর, আবু হুরাইরা (রাঃ) ও অন্যান্যরা রয়েছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, ইমাম বসে নামায আদায় করলেও মুক্তাদীগণ দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। যদি তারা বসে নামায আদায় করে তবে তাদের নামায হবে না। ইমাম সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস, ইবনুল মুবারাক ও শাফিঈ একথা বলেছেন।
#362Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ قَاعِدًا . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا صَلَّى الإِمَامُ جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا " . وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فِي مَرَضِهِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَصَلَّى إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّاسُ يَأْتَمُّونَ بِأَبِي بَكْرٍ وَأَبُو بَكْرٍ يَأْتَمُّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ قَاعِدًا . وَرُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ وَهُوَ قَاعِدٌ .
Aishah narrated:"Allah's Messenger performed Salat behind Abu Bakr, during the illness from which he died, and he was sitting
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন ঐ রোগে তিনি আবু বাকার (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৩২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈস বলেনঃ আয়িশাহর হাদীসটি হাসান, সহিহ গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا صَلَّى الإِمَامُ جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “ইমাম যখন বসে নামায আদায় করে, তখন তোমরাও বসে নামায আদায় কর।” وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فِي مَرَضِهِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَصَلَّى إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّاسُ يَأْتَمُّونَ بِأَبِي بَكْرٍ وَأَبُو بَكْرٍ يَأْتَمُّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগাক্রান্ত অবস্থায় মসজিদে আসলেন। আবু বাকার (রাঃ) তখন লোকদের নামায পড়াচ্ছিলেন। তিনি আবু বাকরের পাশে বসে নামায আদায় করলেন। লোকেরা আবু বাকারের অনুসরণে নামায আদায় করল" আর আবু বাকার (রাঃ) রাসূলের অনুসরণ করলেনঃ وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ قَاعِدًا আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকরের পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। وَرُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ وَهُوَ قَاعِدٌ একইভাবে আনাস (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন।
#363Shakir: Sahih IsnaadAl-Albani: Sahih IsnaadMaarouf: Hasan Sahih
Anas narrated:"Allah's Messenger performed Salat during his illness behind Abu Bakr while seated, wrapped in a garment
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগাক্রান্ত অবস্থায় এক কাপড় পরে আবু বাকর (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। —সহীহ। তা’লীকাত হাসসান-(৩/২৮৩/২১২২)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। অনুরূপভাবে ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন হুমাইদ হতে, তিনি সাবিত হতে তিনি আনাস হতে। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি আনাস (রাঃ)-এর নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু সেসব বর্ণনায় সাবিতের নাম উল্লেখ করা হয়নি। যেসব বর্ণনাকারী সাবিতের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তাদের সূত্রটিই সবচাইতে সহীহ।
#364Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Ash-Sha'bi narrated:"Al-Mughirah bin Shu'bah led us in Salat, and he continued after the two Rak'ah, so the people said: 'Subhan Allah' and he said: 'Subhan Allah' to them. When he finished his Salat he said the Taslim then performed two prostrations of As-Sahw while he was sitting. Then he narrated to them that Allah's Messenger did the same with them as he had done
। শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) আমাদের নামায আদায় করালেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতে (ভুলে) দাড়িয়ে গেলেন। মুক্তাদীগণ তাকে শুনিয়ে সুবহানাল্লাহ' বলল। তিনিও তাদের সাথে সুবহানাল্লাহ বললেন। নামায শেষ করে তিনি সালাম ফিরালেন তারপর তিনি বসা অবস্থায় সাহু (ভুলের) সিজদা করলেন। অতঃপর তাদেরকে বললেন, (নামাযে ভুল হওয়ায়) তিনি (মুগীরা) যেরূপ করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নিয়ে ঠিক এরূপই করেছেন -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৮)। এ অনুচ্ছেদে উকবাহ ইবনু আমির, সা’দ ও আবদুল্লাহ ইবনু বুহাইনা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ মুগীরা (রাঃ)-এর হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণনা হয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ ইবনু আবী লাইলার স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, ইবনু আবী লাইলার হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণ করা যায় না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, ইবনু আবী লাইলা একজন সত্যবাদী লোক। কিন্তু আমি তার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করি না। কেননা তিনি সহীহ এবং যঈফ হাদীসের মধ্যে কোন ভেদাভেদ করেন না। এ ধরনের যে কোন ব্যক্তির নিকট হতে আমি হাদীস বর্ণনা করি না। সুফিয়ান সাওরীও তার সনদ পরম্পরায় মুগীরার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ সূত্রের একজন রাবী জাবির আল-জুকীকে কিছু হাদীস বিশারদ জ'ঈফ বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে বাদ দিয়েছেন। আলিমগণ বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি (ভুলে) দ্বিতীয় রাকআতে না বসেই দাড়িয়ে যায় তবে সে বাকী নামায আদায় করতে থাকবে এবং পরে দুটো সিজদা করে নিবে। একদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর আগে সিজদা করবে। অন্যদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর পর সিজদা করবে। যারা সালাম ফিরানোর আগে সাজদা করার মত দিয়েছেন তাদের হাদিস বেশি সহীহ। তাদের পক্ষের হাদীসটি যুহরী ও ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
#365Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ziyad bin Haqah narrated:"Al-Mughirah bin Shu'bah les us in Salat. When he prayed two Rak'ah he stood without sitting. Those who were behind him said 'Subhan Allah' and he indicated to them that they should stand. He said the Taslim when he had finished his Salat and he performed two prostrations of As-Sahw, and said the Taslim. He said that Allah's Messenger did this
। যিয়াদ ইবনু ইলাকা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) আমাদের নামায আদায় করালেন। তিনি দুই রাক’আত আদায় করে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। তার পিছনের লোকেরা তাকে শুনিয়ে 'সুবহানাল্লাহ' বলল। তিনি তাদেরকে ইশারায় বললেন, দাঁড়িয়ে যাও। নামায শেষ করে তিনি সালাম ফিরালেন, তারপর দুটি ভুলের সিজদা করলেন এবং আবার সালাম ফিরালেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটিই করেছেন। সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি মুগীরা ইবনু শুবা হতে বর্ণিত হয়েছে।
Ubaidullah bin Abdullah bin Mas'ud narrated from his father (Abdullah bin Mas'ud) that he said:"When Allah's Messenger sat for the first two Rak'ah it was as if he was on hot stones." Shu'bah (one of the narrators) said: "Then Sa'd's lips moved (saying) something. So I said: 'Until he stood?' He said: 'Until he stood
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রথম দুই রাক’আত আদায় করার পর বসতেন, তখন মনে হত যেন গরম পাথরের উপর বসেছেন (অল্প সময় বসতেন)। শুবা বলেন, সা’দ কিছু বলে ঠোঁট নাড়ছিলেন অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু পাঠ করতেন। আমি তখন বললাম, তারপর তিনি উঠে যেতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ তিনি তারপর উঠে যেতেন। যঈফ, মিশকাত (৯১৫), যঈফ আবূ দাউদ (১৭৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। কিন্তু আবূ উবায়দাহ তার পিতার নিকট হাদীস শুনেন নাই। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা এ পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন, কোন লোক প্রথম দুই রাকআতের পরের বৈঠক যেন লম্বা না করে এবং তাশাহহুদের পর অন্য কিছু না পড়ে। তারা আরো বলেছেন, তাশাহহুদের পর বেশী কিছু পড়লে দুটি সাহু সিজদা করা ওয়াজিব হবে। শাবী ও অন্যান্যরা এমনই বলেছেন।
Suhaib narrated:"I passed by Allah's Messenger (S) while he was performing Salat, so I said greeted him with Salam, and he returned it by making signals." He said: "I do not know except that he said: 'He indicated with his finger
। সুহাইব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি তখন নামাযে ছিলেন। আমি তাকে সালাম করলাম। তিনি ইশারায় আমার সালামের জবাব দিলেন। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৮৫৮)। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, আমি এটাই জানি যে, তিনি (সুহাইব) বলেছেন, তিনি আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করেছেন। এ অনুচ্ছেদে বিলাল, আবু হুরাইরা, আনাস ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আমরা এ হাদীসটি বুকাইরের সূত্রে লাইছ হতে জেনেছি।
#368Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"I said to Bilal: 'How did the Prophet (S) reply to them when they gave him Salams and he was performing Salat?' He said: 'He would motion with his hand
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিলালকে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে থাকতেন তখন তাকে সাহাবাগণ সালাম দিলে তিনি কিভাবে জবাব দিতেন? তিনি বলেন, তিনি হাত দিয়ে ইশারা করতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০১৭)। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। যাইদ ইবনু আসলাম ইবনু উমার হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ “আমি বিলালকে প্রশ্ন করলাম, লোকেরা যখন আমর ইবনু আওফ গোত্রের মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করত তখন তিনি কিভাবে তাদের সালামের জবাব দিতেন তিনি বললেন, তিনি ইশারায় জবাব দিতেন।” এ দুটি হাদীসই আমার নিকট সহীহ। কেননা সুহাইবের হাদীসের ঘটনা বিলালের হাদীসের ঘটনা হতে ভিন্ন। যদিও ইবনু উমার (রাঃ) উভয়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। হতে পারে তিনি দু'জনের নিকটই শুনেছেন।
#369Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَجَابِرٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عُمَرَ . وَقَالَ عَلِيٌّ كُنْتُ إِذَا اسْتَأْذَنْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُصَلِّي سَبَّحَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger said: "The Tasbih is for the men and clapping is for the women
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (ইমাম যখন নামাযে ভুল করে তাকে সতর্ক করার জন্য) পুরুষ মুক্তাদীগণ সুবহানাল্লাহ বলবে এবং স্ত্রীলোকেরা হাততালি’ দিবে। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৩৪-১০৩৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, সাহল ইবনু সাদ, জাবির, আবু সাঈদ ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ভিতরে আসার সম্মতি চাইলে তিনি নামাযের মধ্যে থাকলে সুবহানাল্লাহ' বলতেন। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ)র হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন।
#370Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that the Prophet (ﷺ) said:"Yawning in prayer (salah) is from the Shaitan, so when one of you yawns then let him suppress (it) as much as possible
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নামাযের মধ্যে হাই তোলা শাইতানের তরফ হতে হয়ে থাকে। তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন তা ফিরাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে। —সহীহ। য’ঈফা— (২৪২০), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ আল-খুদরী এবং আদী ইবনু সাবিতের দাদা হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ)’র হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমদের একটি দল নামাযের মধ্যে হাই তোলা মাকরূহ মনে করেন। ইবরাহীম নাখঈ বলেন, আমি কাশি দিয়ে হাই তোলা নিবারণ করি।
#371Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Imran bin Husain narrated:"I asked Allah's Messenger (S) about the Salat for a man who is sitting. He said: 'Whoever performs Salat while standing then that is more virtuous. And whoever performs Salat while sitting, then he gets half the rewards of the one standing, and whoever performs Salat while lying down, then he gets half the rewards of the one sitting
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন ব্যক্তির বসে বসে নামায আদায় করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি দাড়িয়ে (নফল) নামায আদায় করে সেটাই উত্তম। যে ব্যক্তি বসে নামায আদায় করে তার জন্য দাড়িয়ে নামায আদায়কারীর অর্ধেক নেকী রয়েছে। আর যে ব্যক্তি ঘুমে অসাড় অবস্থায় বা শুয়ে নামায আদায় করে তার জন্য বসে বসে নামায আদায়কারীর অর্ধেক নেকী রয়েছে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৩১), বুখারী। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আনাস ও সাইব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইমরান ইবনু হুসাইনের হাদীসটি হাসান সহীহ্।
This Hadith has been related from Ibrahim bin Tahman with this chain. Except that he said:"From Imran bin Husain who said: 'I asked Allah's Messenger (S) about Salat for a sick person. He said: "He performs Salat standing, if he is not able then sitting, if he is not able then on his side
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অসুস্থ ব্যক্তির নামায আদায় করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ দাঁড়িয়ে নামায আদায় কর; যদি দাড়িয়ে আদায় করতে সক্ষম না হও তবে বসে নামায আদায় কর; যদি বসে নামায আদায় করতে সক্ষম না হও তবে (শুয়ে) কাত হয়ে নামায আদায় কর। —সহীহ। ইরওয়া— (২৯৯), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ হুসাইন আল-মুয়াল্লিম হতে ইবরাহীম ইবনু তাহমানের বর্ণনার মতো অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবু উসামা এবং আরো অনেকে হুসাইন আল-মুয়াল্লিম হতে ঈসা ইবনু ইউনুসের বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিছু বিদ্বানের মতে নফল নামাযের জন্য এ সম্মতি দেয়া হয়েছে। হাসান (বাসরী) হতে বর্ণিত আছে, নফল নামায আদায়কারী ইচ্ছা করলে দাড়িয়ে, বসে বা শুয়েও নামায আদায় করতে পারে। সনদ সহীহ। যে অসুস্থ ব্যক্তি বসে নামায আদায় করতে অক্ষম সে ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে এ ব্যাপারে বিদ্বানগণের মতের অমিল রয়েছে। একদল বিদ্বান বলেন, এমন ব্যক্তি ডানকাতে শুয়ে (কিবলার দিকে মুখ করে) নামায আদায় করবে। আরেক দল বিদ্বান বলেন, চিৎ হয়ে শুয়ে কিবলার দিকে পা দিয়ে (মাথা সামান্য উচু করে) নামায আদায় করবে। ইমরান ইবনু হুসাইনের এ হাদীসের ব্যাখ্যায় সুফইয়ান সাওরী বলেনঃ সুস্থ্য ব্যক্তি যার কোন উযর নেই সে বসে নামায পড়লে দাড়িয়ে নামায পড়ার অর্ধেক সাওয়াব পাবে যদি তা নফল নামায হয়। আর যে ব্যক্তির উযর বা আপত্তি আছে সে যদি বসে নামায পড়ে তবে সে দাড়িয়ে নামায পড়ার মতোই সাওয়াব পাবে। কোন কোন হাদীসে সুফইয়ান সাওরীর মতের সমর্থনে বর্ণনা রয়েছে।
#373Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ أَبِي وَدَاعَةَ السَّهْمِيِّ، عَنْ حَفْصَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي سُبْحَتِهِ قَاعِدًا حَتَّى كَانَ قَبْلَ وَفَاتِهِ صلى الله عليه وسلم بِعَامٍ فَإِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي فِي سُبْحَتِهِ قَاعِدًا وَيَقْرَأُ بِالسُّورَةِ وَيُرَتِّلُهَا حَتَّى تَكُونَ أَطْوَلَ مِنْ أَطْوَلَ مِنْهَا . وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ حَفْصَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ جَالِسًا فَإِذَا بَقِيَ مِنْ قِرَاءَتِهِ قَدْرُ ثَلاَثِينَ أَوْ أَرْبَعِينَ آيَةً قَامَ فَقَرَأَ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ صَنَعَ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ مِثْلَ ذَلِكَ . وَرُوِيَ عَنْهُ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي قَاعِدًا فَإِذَا قَرَأَ وَهُوَ قَائِمٌ رَكَعَ وَسَجَدَ وَهُوَ قَائِمٌ وَإِذَا قَرَأَ وَهُوَ قَاعِدٌ رَكَعَ وَسَجَدَ وَهُوَ قَاعِدٌ . قَالَ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ وَالْعَمَلُ عَلَى كِلاَ الْحَدِيثَيْنِ . كَأَنَّهُمَا رَأَيَا كِلاَ الْحَدِيثَيْنِ صَحِيحًا مَعْمُولاً بِهِمَا .
Hafsah, the wife of the Prophet (S), narrated:"I did not see Allah's Messenger (S) praying voluntary prayers sitting until the year before he died. Then he would perform Salat for the voluntary prayers sitting, and he would recite a Surah and prolong it such that it would be longer than the longest of them
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী হাফসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের এক বছর পূর্ব পর্যন্ত আমি তাকে বসে বসে নফল নামায আদায় করতে দেখিনি। তারপর তিনি বসে বসে নফল নামায আদায় করতেন এবং সূরাসমূহ শান্ত-স্থিরভাবে থেমে থেমে পাঠ করতেন। এতে তা দীর্ঘ হতে দীর্ঘতর হত। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৬০), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে উম্মু সালামা এবং আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ হাফসার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এরূপও বর্ণিত হয়েছেঃ “তিনি রাতের বেলা বসে নামায আদায় করতেন। কিরা'আতের তিরিশ অথবা চল্লিশ আয়াত বাকি থাকতে তিনি উঠে দাঁড়াতেন এবং তা পড়ে রুকূ-সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাকআতেও তিনি এরূপ করতেন। আরো বর্ণিত আছে, তিনি বসে নামায আদায় করতেন যখন তিনি দাড়িয়ে কিরা'আত পাঠ করতেন, রুকূ-সিজদাও দাঁড়িয়ে করতেন। তিনি বসে কিরা'আত পাঠ করলে রুকূ-সজদাহও বসে করতেন।” ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেন, উভয় হাদীস অনুযায়ী আমল করা যায়। অর্থাৎ দু'টো হাদীসই সহীহ এবং তদনুযায়ী আমল করার যোগ্য।
#374Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:"The Prophet (S) would perform Salat while sitting. And he would recite while sitting. When about thirty or forty Ayah of his recitation remained he would standup and recite while he was standing, then he would bow and prostrate. Then he would do the same in the second Rak'ah
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করলে কিরা'আতও বসে পাঠ করতেন। তার কিরা'আতের তিরিশ বা চল্লিশ আয়াত বাকি থাকতে তিনি উঠে দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতেন, তারপর রুকূ-সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাকআতেও তিনি অনুরূপ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২২৬), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#375Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdullah bun Shaqiq narrated from Aishah, he said:"I asked her about the voluntary Salat of Allah's Messenger (S), she said: 'He would pray long into the night standing, and long into the night sitting. So when he recited and he was standing, he would bow and prostrate whole he was standing, and when he recited while he was sitting, he bowed and prostrated while he was sitting
আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক হতে আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি তাকে (আয়িশাহকে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নফল নামায আদায় করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, তিনি কখনও দীর্ঘ রাত পর্যন্ত দাড়িয়ে নামায আদায় করতেন, আবার কখনও দীর্ঘ রাত ধরে বসে নামায আদায় করতেন। তিনি যখন দাড়িয়ে কিরা'আত পাঠ করতেন, তখন রুকূ-সিজদাও দাড়ানো অবস্থায় করতেন। তিনি বসে কিরা'আত পাঠ করলে রুকূ-সিজদাও বসে করতেন -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২২৮), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#376Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Anas bin Malik narrated that:Allah's Messenger said: "Indeed I hear the crying of a small boy while I am in Salat, so I shorten it in fear that his mother may be tormented
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি নামাযের মধ্যে বাচ্চার কান্না শুনতে পেলে তার মায়ের ব্যাকুল হওয়ার সম্ভাবনায় আমি নামায সংক্ষেপ করি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৮৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু কাতাদা, আবু সাঈদ ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated that:Allah's Messenger said: "The Salat of a women who has reached the age of menstruation is not accepted without a Khimar
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওড়না ব্যতিত প্রাপ্তবয়স্কা মেয়েদের নামায কুবুল হয় না। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৫৫)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীস বর্ণিত হায়িয শব্দের অর্থ বালেগ। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান। বিদ্বানগণ এ হাদীসের আলোকে বলেছেন, কোন মহিলা বালেগ হওয়ার পর নামাযের সময় মাথার চুলের কিছু অংশ খোলা রাখলে তার নামায জায়িয হবে না।। ইমাম শাফিঈ এমত পোষণ করেন। তিনি বলেছেন, তার শরীরের কোন অংশ অনাবৃত থাকলে তার নামায হবে না, হ্যাঁ পায়ের পাতার পিঠ খোলা থাকলে নামায হবে।
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger (S) prohibited As-Sadl in the Salat
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে সাদল করতে (কাপড় ঝুলিয়ে দিতে) নিষেধ করেছেন। এ অনুচ্ছেদে আবু জুহাইফা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাসান। মিশকাত— (৭৬৪), তা’লীক 'আলা ইবনু খুজাইমাহ– (৯১৮), সহীহ আবু দাউদ- (৬৫০)। আবু ঈসা বলেন, আবূ হুরায়রার হাদিসটি আমরা আতার সুত্রে মারফু হিসাবে জানতে পারিনি, তবে ইসল ইবনু সুফিয়ানের সূত্রে জেনেছি। নামাযের মধ্যে বন্ধনহীনভাবে কাপড় ঝুলিয়ে দেয়া প্রসঙ্গে বিদ্বানদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তাদের একদল এটাকে মাকরূহ বলেছেন। তারা আরো বলেছেন, ইহুদীরা এরূপ করে। অপর দল বলেছেন, এক কাপড়ে নামায আদায় করলে বন্ধনহীনভাবে কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া মাকরূহ। জামার উপর কাপড়ে সাদল করা হলে কোন আপত্তি নেই। ইমাম আহমাদ এই মত দিয়েছেন। ইবনুল মুবারাক নামাযের মধ্যে সাদল করা মাকরূহ বলেছেন।
Abu Dharr narrated that :the Prophet (S) said: "When one of you stands for Salat then he should not smoothen the pebbles, for indeed it is mercy that he is facing
। আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি রাসাল্লাম বলেন ; তোমাদের কেউ যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন সে যেন তার সামনের কাকর না মোছে। কেননা তখন রহমত’ তার সামনে -থাকে। যঈফ, ইবনু মাজাহ
#380Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Mu'aiqib narrated:"I asked Allah's Messenger (S) about smoothening the pebbles during Salat. He said: 'If you must do so, then let it be only once
। মু'আইকীব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামাযের মধ্যে কাকর সরানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তা সরানো খুবই দরকার হয় তবে একবার মাত্র সরাবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০২৬)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Umm Salamah narrated:"The Prophet (S) saw a boy of ours - called Aflah - blowing when he prostrated. So he said: 'O Aflah! Put your face in the dirt
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আফলাহ নামের যুবককে দেখলেন, সে যখন সিজদায় যায় তখন ফু দিয়ে ধুলা সরায়। তিনি বললেনঃ হে আফলাহ! তোমার চেহারায় ধুলাবালি লাগাও। যঈফ, তালীকুর রাগীব (১/১৯৩), মিশকাত (১০০২), যঈফাহ (৫৪৮৫) আহমাদ ইবনু মানী বলেন, আব্বাদ ইবনু আওয়াম (রাঃ) নামাযের মধ্যে ফু দেয়া মাকরূহ মনে করতেন। তিনি বলেছেন, এরূপ করলে নামায অবশ্য নষ্ট হবে না। আহমাদ ইবনু মানী বলেনঃ আমি এই অভিমত সমর্থন করি। অপর এক বর্ণনায় এ যুবকের নাম রাবাহ’ বলে উল্লেখ আছে।
(Another chain) in which Abu Hamzah narrated:"A boy of ours named Rabah
। আহমাদ ইবনু আবদা আয-যাব্বী হতে, তিনি হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে, তিনি মাইমূন হতে..... উক্ত সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় গোলামের নাম রাবাহ উল্লেখিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ উম্মু সালামার হাদীসের সনদ তেমন একটা সুবিধাজনক নয়। মাইমুন-আবূ হামাযাকে কিছু বিশেষজ্ঞ দুর্বল বলেছেন। নামাযের মধ্যে ফুঁ দেয়া প্রসঙ্গে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। একদল বলেছেন, নামাযের মধ্যে ফুঁ দিলে আবার নামায আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণ এ মত ব্যক্ত করেছেন। অপর দল বলেছেন, এটা মাকরূহ, তবে এতে নামায নষ্ট হবে না। আহমাদ ও ইসহাক একথা বলেছেন।
#383Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Abu Hurairah narrated:"The Prophet (S) prohibited than a man to pray with his hands on his hip
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন ব্যক্তিকে কোমরে হাত রেখে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৬৯), সহীহ আবু দাউদ- (৮৭৩), রাওয- (১১৫২), ইরওয়া— (৩৭৪), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিশেষজ্ঞ কোমরে হাত দিয়ে নামাযে দাড়ানো মাকরুহ বলেছেন। অপর একদল বিদ্বান কোমরে হাত রেখে হাটা মাকরূহ বলেছেন। নামাযের মধ্যে এক হাত অথবা দুই হাত কোমরে রাখাকে ইখতিসার বলে। বর্ণিত আছে, ইবলীস পথ চলার সময় কোমরে হাত রেখে চলে।
Abu Rafi narrated that :He passed by Al-Hasan bin Ali while he was performing Salat and he had gathered his locks at the back of his head, so he (Abu Rafi) undid them, and Al-Hasan turned to him angrily. He said: "Resume your Salat and do not be angry, for indeed I heard Allah's Messenger (S) saying: 'That is the seat of Ash-Shaitan
। আবু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি নামায আদায় করছিলেন। তার চুল ঘাড়ের নিকট বাধা ছিল। তিনি (আবু রাফি) তা খুলে দিলেন। এতে হাসান (রাঃ) রাগান্বিত হয়ে তার দিকে তাকালেন। তিনি (আবু রাফি) বললেন, নামাযে মনোনিবেশ কর, রাগ কর না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, এটা (নামাযে চুল বাধা) শাইতানের অংশ। -হাসান। সহীহ আবু দাউদ- (৬৫৩)। এ অনুচ্ছেদে উম্মু সালামা ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু রাফির হাদীসটি হাসান। বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা ঘাড়ের নিকট চুল বাধা রেখে নামায আদায় করা মাকরুহ বলেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ ইমরান ইবনু মূসা মক্কাবাসী কুরাইশ, তিনি আইয়ুব ইবনু মূসার ভাই।
Al-Fadl bin Al-`Abbas narrated that:Allah's Messenger (S) said: "As-Salat is two and two, with a Tashahhud for every two Rak`ah, with humility, imploring, having a sense of tranquility, pleading and showing helplessness and stretching out your hand" - he said: raising them - "to your Lord, with the insides of them facing your face, saying: 'O Lord! O Lord! And whoever does not do this, then it is like this or that
। ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামায দুই দুই রাকাআত; প্রতি দুই রাকাআত পর তাশাহহুদ পাঠ করতে হবে; নামায়ীকে বিনয়ী হতে হবে, মিনতির সাথে প্রার্থনা করতে হবে; কপর্দকহীন হতে হবে। কোন কিছুকে ওয়াসীলা করে চাইতে হবে। এ অবস্থায় তোমার প্রতিপালকের দরবারে নিজের দু'হাত তুলবে, হাতের তালু তোমার চেহারার দিকে থাকবে, তারপর বলবে, হে প্ৰভু, হে প্রতিপালক। যে ব্যক্তি এমনটি না করবে তার নামায এরূপ এবং এরূপ হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩২৫) আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনুল মুবারাক ছাড়া অন্যান্য রাবীগণ হাদীসের শেষের অংশ এরূপ বর্ণনা করেছেনঃ যে ব্যক্তি এরূপ (বিনয়-নম্রতা অবলম্বন) করল না তার নামায পূর্ণাঙ্গ হল না। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি, শুবা এ হাদীসটি আবদে রাব্বিহি ইবনু সাঈদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কয়েকটি জায়গায় ভুল করেছেন। তিনি বলেছেন, আনাস ইবনু আবী আনাস হতে প্রকৃত পক্ষে তা হবে ইমরান ইবনু আবী আনাস, তিনি বলেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস হতে প্রকৃত পক্ষে তা হবে আব্দুল্লাহ ইবনু নাফি হতে তিনি রাবীয়া ইবনুল হারিস হতে। শুবা বলেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস হতে তিনি মুত্তালিব হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। প্রকৃত পক্ষে তা হবে রাবীয়া ইবনুল হারিস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব হতে, তিনি ফাযল ইবনুল আব্বাস হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেছেন, শুবার বর্ণিত হাদীসের চেয়ে লাইসের বর্ণনাটি বেশি সহীহ।
Ka'b bun Ujrah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "When one of you performs Wudu and does so well, then he leaves intending to go to the Masjid, then let him not intertwine his fingers, for indeed he is in Salat
। কাব ইবনু উযরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ ভালভাবে ওযু করে নামায আদায়ের নিয়্যাতে মসজিদের দিকে যেতে থাকে তখন সে যেন নিজের হাতের আঙ্গুলগুলো পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ না করায়। কেননা সে তখন নামাযের মধ্যেই আছে।-সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৭৬)। আবু ঈসা বলেনঃ কাব ইবনু উযরার হাদীসটি একাধিক সূত্রে ইবনু আজলান হতে লাইসের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। শারীক তার সনদ পরম্পরায় এ হাদীসটি আবু হুরাইরার নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার বর্ণনাসূত্রটি সঠিকভাবে রক্ষিত হয়নি।
#387Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قِيلَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الصَّلاَةِ أَفْضَلُ قَالَ " طُولُ الْقُنُوتِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُبْشِيٍّ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ .
Jabir narrated:"It was said to the Prophet (S): 'Which Salat is most virtuous?' He said: 'That with the longest Qunut
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হল, কোন ধরনের নামায উত্তম? তিনি বললেনঃ যে নামাযে দীর্ঘক্ষণ দাড়ানো হয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪২১), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু হুবশী ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু আব্দুল্লাহর হাদীসটি হাসান সহীহ। উল্লেখিত হাদীসটি জাবিরের নিকট হতে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
Ma'dan bin Talhah Al Yamari said:"I met Thawban the freed slave of Allah's Messenger (S) and said to him, 'Guide me to a deed by which Allah benefit me, and for which Allah will admit me into Paradise.' He was silent for quite a while, then he turned to me and said: 'Perform prostrations, for I heard Allah's Messenger (S) saying: 'No worshipper performs a prostration to Allah except that by it, Allah will raise him a level, and erase a sin from him for it
। মাদান ইবনু আবু তালহা আল-ইয়ামারী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আযাদকৃত দাস সাওবান (রাঃ)-এর সাথে দেখা করলাম। আমি তাকে বললাম, আমাকে এমন একটি কাজের কথা বলে দিন যার বিনিময়ে আল্লাহ তা'আলা আমাকে উপকৃত করবেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমার প্রশ্নে তিনি কিছুক্ষণ চুপ থাকলেন। তারপর তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি অবশ্যই বেশি বেশি সিজদা করবে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে কোন বান্দাহ আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তার জন্য একটি সিজদা করে, আল্লাহ তা'আলা তার একটি মর্যাদা বাড়িয়ে দেন এবং তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪২৩), মুসলিম।
#389Al-Albani: SahihMaarouf: Hasan SahihZai: Sahih
Madan [bin Talhah] said:"I met Abu Ad-Darda, and I asked him what I had asked Thawban, so he said: 'Perform prostrations, for I heard Allah's Messenger saying: 'No worshipper performs a prostration to Allah except that by it Allah will raise him a level, and erase a sin from him for it
। মাদান বলেন, অতঃপর আমি আবু দারদা (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে তাকেও সাওবানের নিকট যে প্রশ্ন করেছিলাম তাই করলাম। তিনি বললেন, তুমি অবশ্যই সিজদা করতে থাক। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে কোন ব্যক্তিই আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তাকে একটি সিজদা করে, আল্লাহ তা'আলা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন এবং তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেন। —সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। মাদান ইবনু ইয়ামারীকে ইবনু আবী তালহাও বলা হয়। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আবু উমামা ও আবু ফাতিমা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ অধিক রুকু সিজদা্ সম্পর্কিত সাওবান ও আবু দারদা (রাঃ)-এর হাদীস দুটো হাসান সহীহ। হাদীসে বর্ণিত বিষয়ে বিদ্বানগণের মতের অমিল রয়েছে। একদল আলিম বলেছেন নামাজে দীর্ঘ কিয়াম করা বেশি রুকু সিজদা করা হতেও উত্তম। অপর দল বলেছেন, দীর্ঘ কিয়ামের তুলনায় বেশি রুকূ-সিজদা করা উত্তম। ইমাম আহমাদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস দুটি হতে উভয় মতেরই সমর্থন পাওয়া যায়, তাতে কোন সমাধান নাই। ইসহাক বলেন, দিনের বেলা বেশি রুকূ-সিজদা এবং রাতের বেলা দীর্ঘ কিয়াম করা উত্তম। হ্যাঁ যদি কোন ব্যক্তি রাতের কিয়ামের জন্য সময় নির্দিষ্ট করে নেয় তবে বেশি রুকু সিজদা করাই উত্তম। কেননা সে তার নির্দিষ্ট সময়ও পূর্ণ করবে আর বেশি রুকু সিজদা'রও সাওয়াব পাবে এবং কল্যাণের মধ্যে থাকবে। আবু ঈসা বলেনঃ ইমাম ইসহাকের এ মতের সমর্থনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমল বিদ্যমান রয়েছে। তিনি রাতে দীর্ঘ কিয়াম করতেন এবং দিনে বেশি রুকূ-সিজদা করতেন (অনেক রাকাআত নামায আদায় করতেন)। তিনি দিনের নামাযে রাতের নামাযের মতো দীর্ঘ কিয়াম করতেন না।
#390Al-Albani: SahihMaarouf: Hasan SahihZai: Isnaad Sahih
Abu Hurairah narrated:"Allah's Messenger (S) ordered killing the two black things in Salat; the snake and the scorpion
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে থাকা অবস্থায়ও দুটি কালো প্রাণী অর্থাৎ সাপ এবং বিছা হত্যা করার আদেশ দিয়েছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৪৫)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস ও আবু রাফি (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবা ও অন্যান্যরা এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একইরকম কথা বলেছেন। কিছু বিদ্বান নামাযে থাকা অবস্থায় সাপ-বিছা মারা মাকরুহ বলেছেন। ইবরাহীম বলেছেন, নামাযের মধ্যে একটা ব্যস্ততা রয়েছে। (তিরমিয়ী বলেন) প্রথম কথাটাই বেশি সহীহ।
#391Al-Albani: Sahih Isnaad
#392Al-Albani: SahihMaarouf: Hasan SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Abdullah bin Masud narrated:"The Prophet (S) prayed five (Rakah) for Zuhr, so it was said to him: 'Has the prayer been added to, or have you merely forgotten?' So he (S) performed two prostrations after he had said the Salam
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের নামায পাঁচ রাকাআত আদায় করলেন। তাকে বলা হল, নামায কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? ফলে সালাম ফিরানোর পর তিনি দুটি সিজদা করলেন। -—সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৫, ১২১১, ১২১২, ১২১৮), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#393Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Abdullah (bin Masud) narrated:"The Prophet (S) performed two prostrations for As-Sahw after talking
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাবার্তা বলার পর সাহুসিজদা করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২১২) এ অনুচ্ছেদে মু'আবিয়া, আবদুল্লাহ ইবনু জাফর ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
#394Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated:"The Prophet (S) performed two prostrations after the Salam
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভুলের সিজদা দুটো সালাম ফিরানোর পর করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২১৪), বুকারী ও মুসলিমে বিস্তারিত। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আইয়ুব এবং আরো অনেকে ইবনু সীরীন হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনু মাসউদের হাদীসটিও হাসান সহীহ। একদল বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি ভুলে যুহরে পাঁচ রাকাআত নামায আদায় করে ফেলে তবে তার নামায জায়িয হবে, সে যদি চতুর্থ রাকাআতে নাও বসে থাকে, তবে দুটি ভুলের সিজদা করবে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ কথা বলেছেন। সুফিয়ান সাওরী ও কিছু কুফাবাসী বলেছেন, যদি যুহরের নামায পাঁচ রাকাআত আদায় করা হয় এবং চতুর্থ রাকাআতে তাশাহহুদের পরিমাণ সময় না বসা হয়ে থাকে তবে এ নামায ফাসিদ বলে ধরা হবে।
Abu Al-Muhallab narrated from Imran bin Husain that :the Prophet (S) led them in Salat he forgot (something) so he performed two prostrations, then the Tashah-hud, then the Salam
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নামায আদায় করালেন। তিনি ভুল করলেন, তারপর দুটি সিজদা করলেন, তারপর তাশাহহুদ পাঠ করলেন, তারপর সালাম ফিরালেন। তাশাহহুদের উল্লেখ সহ বর্ণনাটি শাজ, ইরওয়া (৪০৩), যঈফ আবূ দাউদ (১৯৩), মিশকাত (১০১৯)। আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান গারীব। মুহাম্মাদ ইবনু সীরন অন্যান্য হাদীস আবূ কিলাবার চাচা আবূল মুহাল্লাব হতে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি এ হাদীসটি খালিদ আল-হাযযা হতে, তিনি কিলাবা হতে তিনি আবূল মুহাল্লাব হতে বর্ণনা করেছেন। আবূল মুহাল্লাব-এর নাম আব্দুর রহমান। তাকে মুয়াবিয়া ইবনু আমরও বলা হয়। আব্দুল ওয়াহহাব আস সাকাফী হুশাইম ও অন্যান্যরা এ হাদীসটি খালিদ আল-হায্যা হতে তিনি আবূ কিলাবা হতে পূর্ণটাই বর্ণনা করেছেন। ইমরান ইবনু হুসাইনের অপর বর্ণনায় আছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের তৃতীয় রাক'আতে সালাম ফিরালেন। এক ব্যাক্তি উঠে দাঁড়াল, তাঁর নাম ছিল খিরবাক। সিজদা সাহুর পর তাশাহহুদ পাঠের ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। একদল বলেছেন, সিজদা করার পর তাশাহহুদ পাঠ করবে, তারপর সালাম ফিরাবে। অপর দল বলেছেন, সিজদা সাহুর পর তাশাহহুদ নেই, সালামও নেই। সালাম ফিরানোর পূর্বে সিজদা করলে তাশাহহুদ পাঠ করবে না। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক। তারা উভয়ে বলেছেন, সালাম ফিরানোর পূর্বে সিজদা সাহু করলে তাশাহহুদ পাঠ করবে না।
Iyad bin Hilal said:"I said to Abu Sa'eed: 'One of us performs Salat and we do not know how (much) we prayed.' So he said: 'Allah's Messenger (S) said: "When one of you performs Salat and he does now know how (much) he prayed then let him perform two prostrations while he is sitting
। ইয়ায ইবনু হিলাল (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু সাঈদ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, আমাদের কেউ নামায আদায় করল কিন্তু তার মনে নেই সে কত রাক’আত আদায় করল? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন নামায আদায় করে, কিন্তু বলতে পারছে না সে কত রাকাআত আদায় করল, সে বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করবে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৪), মুসলিম অনুরূপ আরো পূর্ণভাবে। এ অনুচ্ছেদে উসমান, ইবনু মাসউদ, আয়িশাহ, আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি হাসান। উল্লেখিত হাদীসটি আবু সাঈদের নিকট হতে অপরাপর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ “যদি তোমাদের কেউ এক এবং দুই রাকাআতের মধ্যে দ্বিধায় পরে যায় (এক রাকাআত আদায় করেছে না দুই রাকাআত আদায় করেছে) তবে সে এক রাকাআতই হিসাবে ধরবে। যদি সে দুই এবং তিন রাকাআতের মধ্যে সন্দেহে পরে তবে দুই রাকাআতই হিসাবে ধরবে এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে দুটি সিজদা করবে।” আমাদের সঙ্গীরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। এক দল ‘আলিম বলেছেন, কত রাক’আত আদায় করেছে তা ঠিক করতে পারছে না- এ ধরনের সন্দেহে পরলে আবার নামায আদায় করবে।
#397Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Indeed the Shaitan comes to one of you in his Salat confusing him until he does now know how much he has prayed. When one of you experiences that then let him perform two prostrations while sitting
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো নামাযের সময় শাইতুন উপস্থিত হয়ে তার নামাযের মধ্যে গন্ডগোল সৃষ্টি করে। এমনকি সে (কোন কোন সময়) বলতে পারে না যে, সে কত রাকাআত আদায় করেছে। তোমাদের কেউ এরূপ অবস্থায় পরলে সে যেন বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করে। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৯৪৩-৯৪৫), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#398Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdur-Rahman bi Awf narrated that he heard the Prophet (S) saying:"When one of you becomes forgetful in his Salat so that he does not know if he prayed one or two, then let him consider it one. When he does not know if he prayed three or four, then let him consider it three, and let him perform two prostrations before he says the Taslim
। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যখন তার নামাযে ভুল করে তারপর সে বলতে পারছে না সে কি এক রাক’আত আদায় করেছে না দুই রাকাআত আদায় করেছে, এমতাবস্থায় সে এক রাকাআতের উপরই ভিত্তি করবে। সে কি দুই রাকাআত আদায় করেছে না তিন রাকাআত — তা ঠিক করতে না পারলে দুই রাকাআতকেই ভিত্তি ধরবে। সে তিন রাক’আত আদায় করেছে না চার রাকাআত — তা ঠিক করতে না পারলে তিন রাকাআতকেই ভিত্তি ধরবে এবং সালাম ফিরানোর আগে দুটি সিজদা করবে। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৯)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ। আবদুর রহমান (রাঃ)-এর নিকট হতে অপরাপর সূত্রেও এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। যুহুরী তার সনদ পরম্পরায় আব্দুর রহঃমান ইবনু আউফের সুত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
#399Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated:"The Prophet (S) turned (finished the prayer) after two (Rak'ah), so Dhul-Yadain said: 'Has the prayer been shortened or have you forgotten O Messenger of Allah?" The Prophet (S) said: 'Is what Dhul-Yadain said the truth?' The people said yes, so Allah's Messenger (S) stood to perform the last two (Rakah) of Salat, then he said the Taslim. Then he said the Takbir and prostrated in a manner the same or longer than his (normal) prostrations
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাআত নামায আদায় করে সালাম ফিরালেন। যুল-ইয়াদাইন (রাঃ) তাকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নামায কি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে না আপনি ভুলে গেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (লোকদের) প্রশ্ন করলেনঃ যুল-ইয়াদাইন কি ঠিক বলছে? লোকেরা বলল, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাড়ালেন, বাকী দুই রাকাআত আদায় করালেন, তারপর সালাম ফিরালেন, তারপর তাকবীর বললেন, এবং আগের সিজদার সমান অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সময় সিজদায় থাকলেন, তারপর তাকবীর বলে মাথা তুললেন। তিনি আবার সিজদা্য় গিয়ে আগের সিজদার সমান বা তার চেয়ে বেশি সময় সিজদায় কাটালেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২১৪), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইমরান ইবনু হুসাইন, ইবনু উমার ও যুল-ইয়াদাইন (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসকে কেন্দ্র করে বিদ্বানদের মধ্যে মত পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। কুফাবাসীদের একদল বলেছেন, যদি ভুলে অথবা অজ্ঞতাবশত অথবা যে কোন প্রকারে নামাযের মধ্যে কথা বলা হয় তবে আবার নামায আদায় করতে হবে। কেননা এ হাদীসটি নামাযের মধ্যে কথাবার্তা হারাম হওয়ার পূর্বেকার। ইমাম শাফিঈর মতে উল্লেখিত হাদীসটি সহীহ। তিনি এ হাদীসের সমর্থক। তিনি বলেছেন, “রোযাদার যদি ভুলক্রমে পানাহার করে ফেলে তবে তাকে এ রোযা আর রাখতে হবে না (কাযা করতে হবে না)। কেননা আল্লাহ তা'আলাই তাকে এ রিযক দিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ হাদীসটির তুলনায় পূর্বোল্লেখিত হাদীসটি বেশি সহীহ। তিনি আরো বলেছেন, ফাকীহগণ আবু হুরাইরার হাদীস অনুযায়ী রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা এবং ভুলে পানাহার করার মধ্যে পার্থক্য করেছেন। আবু হুরাইরার হাদীস প্রসঙ্গে ইমাম আহমাদ বলেন, নামায পূর্ণ হয়েছে এই মনে করে যদি ইমাম নামাযের মধ্যে কথা বলে এবং পরে জানতে পারে যে, নামায এখনও বাকী রয়েছে-এ অবস্থায় সে বাকী নামায পূর্ণ করবে (কথা বলায় নামায বাতিল হয়নি)। নামায এখনো বাকী রয়েছে একথা জেনেও মুক্তাদী যদি কথা বলে তবে তাকে আবার নামায আদায় করতে হবে। তিনি এ যুক্তি প্রদান করেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফরয নামাযে (ওহীর মাধ্যমে) কম বেশি করা হত। এজন্য যুল-ইয়াদাইনের বিশ্বাস ছিল হয়ত নামায পূর্ণ হয়েছে। তাই তিনি কথা বলেছেন, কিন্তু আজকাল এরূপ কথা চলবে না, কেননা এখন আর নামাযের কম-বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এজন্য আজকাল আর যুল-ইয়াদাইনের মত (নামায কি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে?) প্রশ্ন করা চলবে না। ইমাম ইসহাকও এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদের সাথে একমত।
#400Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Sa'eed bin Yazid Abu Maslamah said:"I said to Anas bin Malik: 'Would Allah's Messenger (S) perform Salat wearing his sandals?' He said: 'Yes
। সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ আবু মাসলাম (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুতা পরে নামায আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ -সহীহ। সিফাতুস সালাত মূল, বুখারী ও মুসলিম এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আবদুল্লাহ ইবনু আবু হাবীবা, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, আমর ইবনু হুরাইস, সাদ্দাদ ইবনু আওস, আওস আস-সাকাফী, আবু হুরাইরা ও আতা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এ হাদীসের সমর্থনে সমাধান গ্রহণ করেছেন (জুতা পরা অবস্থায় নামায আদায় করা বৈধ, যদি তাতে নাপাক না থাকে)।
#401Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Bara bin Azib narrated:"The Prophet (S) would perform the Qunut in the Subh and Maghrib prayers
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযর ও মাগরিবের নামাযে দু’আ কুনৃত পাঠ করতেন। --সহীহ। মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, আনাস, আবু হুরাইরা, ইবনু আব্বাস এবং খুফাফ ইবনু ঈমাআ ইবনু রাহাযাহ আলগিফারী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআর হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ ফযরের নামাযে দু'আ কুনৃত পাঠ নিয়ে মতভেদ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যরা ফযরের নামাযে কুনূত পাঠের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম মালিক ও শাফিঈ এ মত মেনে নিয়েছেন। আহমাদ ও ইসহাক বলেন, আমাদের মতে ফযরে কোন কুনূত পাঠ করবে না। হ্যাঁ যদি কোথাও মুসলিমদের উপর মুসিবত এসে যায় তবে ইমাম সাহেব মুসলিম বাহিনীর জন্য দু’আ করতে পারেন।
#402Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Malik Al-Ashjai narrated:"I said to my father: 'O my father! You offered Salat behind Allah's Messenger (S), Abu Bakr, Umar, Uthman, and Ali bin Abi Talib here in Al-Kufah for about five years. Did they say the Qunut?' He said: 'It is a newly invented matter my son
। আবু মালিক আল-আশজাঈ (রঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বললাম, আব্বাজান! আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর, উমার ও উসমান (রাঃ)-এর পিছনে নামায আদায় করেছেন এবং এই কুফা শহরে প্রায় পাঁচ বছর যাবত আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর পিছনে নামায আদায় করেছেন। তারা কি কুনুত পাঠ করতেন? তিনি উত্তর দিলেন, হে বৎস! এটা তো বিদ'আত। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৪১)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, ফযরের নামাযে কুনুত পাঠ করে নিলে সেটাই উত্তম এবং যদি পাঠ না করে তাও উত্তম। কিন্তু তিনি পাঠ না করাই অবলম্বন করেছেন। ইবনুল মুবারাকের মতেও ফযরে কোন কুনূত নেই। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের রাবী আবু মালিক আল-আশজাঈর নাম সা'দ ইবনু তারিক ইবনু আশইয়াম।
Muadh bin Rifa'ah narrated that his father said:"I prayed behind Allah's Messenger (S). I sneezed and said: Al-Hamdulillah, hamdan kathiran tayyiban mubarakan fih, mubarakan alaihi kama yuhibbu Rabbana Wa Yarda (All praise is due to Alah, many good blessed praises, blessings for Him as our Lord loves and is pleased with.) When Allah's Messenger (S) prayed and turned (after finishing) he said: 'Who was the speaker during the Salat?' No one spoke. Then he said it a second time: 'Who was the speaker during the Salat?' But no one spoke. Then he said it a third time: 'Who was the speaker during the Salat?'" So Rifa'ah bin Rafi bin Afra said: "It was I, O Messenger of Allah (S)." He said: "What did you say?" He said: "I said: 'Al-Hamdulillah, hamdan kathiran tayyiban mubarakan fih, mubarakan alaihi kama yuhibbu Rabbana Wa Yarda. The Prophet (S) said: "By the One in Whose Hand is my soul! I saw thirty-some angels competing over which of then would ascend with it
। রিফা'আ ইবনু রাফি' (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে নামায আদায় করছিলাম। হঠাৎ আমার হাঁচি বের হল। আমি বললাম, মুবারাকান আলাইহি কামা ইউহিববু রবরুনা ওয়া ইয়ারদা।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামায শেষ করে ফিরে বসলেন তখন প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? কেউ কোন সাড়া শব্দ করল না। তিনি দ্বিতীয় বার প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? এবারও কেউ কোন কথা বলল না। তিনি তৃতীয় বার প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? (রাবী) রিফা'আহ ইবনু রাফি ইবনু আফরাআ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কথা বলেছি। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কিভাবে বললে? রাবী বলেন, আমি বলেছি, "আল্লাহর জন্য অশেষ প্রশংসা, পবিত্রময় প্রশংসা, বারকাতময় প্রশংসা (এবং প্রশংসাকারীর জন্য) বারকাতময় প্রশংসা যা আমাদের প্রতিপালক ভালবাসেন ও পছন্দ করেন।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি দেখছি তিরিশের বেশি ফিরিশতা তাড়াহুড়া করছে কে কার আগে এটা নিয়ে উপরে উঠবে। —হাসান। সহীহ আবু দাউদ- ৭৪৭, মিশকাত— (৯৯২)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ ও মুয়াবিয়া ইবনু হাকাম হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ যাইদ ইবনু আরকামের হাদীসটি হাসান সহীহ। অধিকাংশ বিদ্বানের আমল-এর উপরই। তারা বলেন, কেউ যদি নামাযে স্বেচ্ছায় বা ভুলে কথা বলে তাহলে পুনরায় নামায পড়তে হবে। সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক ও কুফাবাসীদের অভিমত এটাই। কারো মতে যদি স্বেচ্ছায় কথা বলে তাহলে পুনরায় নামায পড়তে হবে। আর যদি ভুলে বা অজ্ঞতাবশতঃ কথা বলে তাহলে পুনরায় পড়ার প্রয়োজন নেই। ইমাম শাফিঈ এ মতের সমর্থক।
#405Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Zaid bin Arqam narrated:"We used to talk behind Allah's Messenger (S) during the Salat, a man among us would talk to his companions next to him until (the following) was revealed: And stand before Allah with obedience. (2:238) So we were ordered to be silent and prohibited from talking
এআই অনুবাদ
যায়িদ ইবনু আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা সালাতের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে কথা বলতাম, আমাদের মধ্য থেকে একজন তার পাশের সাথীর সাথে কথা বলত, যতক্ষণ না এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ (এবং তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনয়াবনতভাবে দাঁড়াও) [সূরা আল-বাকারা: ২৩৮]। তখন আমাদেরকে চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো এবং কথা বলা থেকে নিষেধ করা হলো।
Asma bin Al-Hakam Al-Fazari said:"I heard Ali saying: 'Indeed I am a man who, when I heard a Hadith from Allah's Messenger (S) then Allah causes me to benefit from it as much as He wills for me to benefit from it. When a man among his Companions narrated to me I ask him to swear an oath to me about it, and when he swears an oath to me I trust him. And Abu Bakr narrated to me - and Abu Bakr told the truth - he said: "I heard Allah's Messenger (S) saying: 'There is no man who commits a sin, then makes Wudu, then performs Salat, then seeks forgiveness from Allah, except that Allah forgives him.' Then he recited this Ayah: Those who when they have committed Fahishah or wronged themselves with eveil, remember Allah. (3:135) until the end of the Ayah
। আসমা ইবনু হাকাম আল-ফাযারী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি এমন এক ব্যক্তি ছিলাম যখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনতাম, আল্লাহ তা'আলা যতটুকু চাইতেন আমি তা হতে ফায়দা উঠাতাম। যখন তার কোন সাহাবী আমার নিকট হাদীস বলতেন আমি তাকে শপথ করাতাম। সে যখন শপথ করে বলত আমি তাকে বিশ্বাস করতাম। আবু বাকর (রাঃ) আমাকেও হাদীস বলেছেন, আর তিনি সত্যিই বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে কোন ব্যক্তি যদি গুনাহ করে ফেলে, তা'আলার নিকট তাওবা করে আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহ মাফ করে দিবেন। তারপর তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “যাদের অবস্থা এরূপ যে, তাদের দ্বারা যদি কোন অশ্লীল কাজ সংঘটিত হয় অথবা তারা কোন গুনাহ করে নিজেদের উপর যুলুম করে বসে, তবে সংগে সংগেই তারা আল্লাহ তা'আলার কথা মনে করে এবং তাদের গুনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ তা'আলা ছাড়া গুনাহ মাফ করতে পারে এমন কে আছে? এ লোকেরা জেনে বুঝে নিজেদের অন্যায় কাজ বারবার করে না”— (সূরাঃ আলে ইমরান-১৩৫)। -হাসান, ইবনু মাজাহ– (১৩৯৫)। উসমান ইবনু মুগীরার সূত্রেই আমরা হাদীসটি জেনেছি। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আবু দারদা, আনাস, আবু উমামা, মুআয, ওয়াসিলা এবং আবুল ইয়াসার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আলীর হাদীসটি হাসান। আমরা হাদীসটি শুধুমাত্র উসমান ইবনু মুগীরার সূত্রেই জেনেছ। উল্লেখিত হাদীসটি শুবা মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান সাওরী ও মিসআর মাওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মিসআর অবশ্য মারফু হিসাবেও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আসমা ইবনুল হাকাম হতে এই হাদীসটি ছাড়া আমাদের অন্য কোন মারফু হাদীস জানা নেই।
#407Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan
(Sabrah bin Ma'bad al-Juhni) narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Teach the boy Salat when he is seven years old, and beat him (if he does not pray) when he is ten
। সাবরা ইবনু মা'বাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাত বছর বয়সে বালকদের নামায শিখাও এবং দশ বছরে পৌছলে নামায আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য দৈহিক শাস্তি দাও। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাসান সহীহ। মিশকাত- (৫৭২, ৫৭৩), সহীহ আবু দাউদ(২৪৭), ইরওয়া- (২৪৭), তা’লীক আলা ইবনু খুজাইমাহ– (১০০২)। আবু ঈসা বলেনঃ সাবরা ইবনু মা'বাদের হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একথা বলেছেন। তারা উভয়ে বলেছেন, কোন বালক দশ বছরের পর নামায না আদায় করলে এগুলোর কাযা তাকে অবশ্যই আদায় করতে হবে। আবু ঈসা বলেনঃ সাবরা হলেন ইবনু মা'বাদ আল-জুহানী, এও বলা হয়ে থাকে যে, তিনি ইবনু আওসাজাহ।
Abdullah bin Amr narrated that:Allah's Messenger (S) said: "When he commits Hadath - meaning a man - and he is sitting in the end of his Salat before saying the Taslim, then his Salat is acceptable
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি যদি নামাযের শেষে (তাশাহহুদের জন্য) বসে সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম করে তবে তার নামায জায়িয হবে (নতুন করে আদায় করতে হবে না)। যঈফ, আবূ দাউদ (২৬, ১৮১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। এর বর্ণনাকারীগণ তাদের বর্ণনায় গরমিল করেছেন। এ হাদীসের ভিত্তিতে একদল মনীষী বলেছেনঃ তাশাহহুদ পাঠের পরিমাণ সময় বসার পর এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম হলে নামায পূর্ণ হয়ে যাবে। অপর একদল মনীষী বলেছেনঃ যদি তাশাহহুদ ও সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম হয় তবে আবার নামায আদায় করতে হবে। ইমাম শাফিঈ একথা বলেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, যদি তাশাহহুদ পাঠ না করে সালাম ফিরানো হয় তবে নামায হয়ে যাবে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “নামাযের সমাপ্তি ঘোষণা হল সালাম " আর তাশাহহুদ এমন কোন জরুরী বিষয় নয়। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশাহহুদ না পাঠ করেই দ্বিতীয় রাকাআত থেকে উঠে দাড়ালেন এবং নামায পূর্ণ করলেন। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেছেন, তাশাহহুদ পাঠের পর এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে (বাতকর্ম হলে) নামায জায়িয হবে। তিনি ইবনু মাসউদের হাদীসকে তার মতের সমর্থনে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দেওয়ার সময় বললেনঃ إِذَا فَرَغْتَ مِنْ هَذَا فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ “যখন তুমি এটা পাঠ করে অবসর হলে, তখন তোমার দায়িত্ব শেষ হল।” আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের এক রাবী আবদুর রহমান ইবনু যিয়াদকে হাদীসবিশারদগণ দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আহমাদ ইবনু হাম্বল তাদের মধ্যে আছেন।
#409Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Jabir narrated:"We were with the Prophet (S) on a journey when it started to rain on us, so the Prophet (S) said: 'Whoever wishes, let him perform Salat in his place
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমাদেরকে বৃষ্টিতে পেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার ইচ্ছা নিজের হাওদার মধ্যে নামায আদায় করে নিতে পারে। -সহীহ। ইরওয়া- (২/৩৪০, ৩৪১), সহীহ আবু দাউদ- (৯৭৬)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, সামুরা, আবুল মালীহ নিজ পিতার সূত্রে ও আবদুর রহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিদ্বানগণ বৃষ্টি ও কাদা মাটির কারণে জামা'আত ছেড়ে ঘরে নামায আদায়ের সম্মতি দিয়েছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। আবু যুর'আহ বলেন, 'আফফান ইবনু মুসলিম (রহঃ) আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ)-এর সূত্রে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু যুর'আ আরো বলেন, আমি বসরায় আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনুশ শাযাকুনী ও আমর ইবনু আলী (রহঃ)-এর চেয়ে বড় হাফিজে হাদীস দেখিনি।
Ibn Abbas narrated:"Some of the poor people came to Allah's Messenger (S) and said: 'O Messenger of Allah (S)! The rich pray as we pray, they fast as we fast, but they have wealth with which they free slaves and which they give in charity.' He said: 'When you perform Salat, then say: 'Subhan Allah' thirty-three times, and: 'Al-Hamdulillah' thirty-three times, and: 'Allahu Akbar' thirty-four times, and 'La ilaha illallah' ten times. With that you will have surprassed them, and none would surpass you afterwards
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, গরীব সাহাবাগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এলেন। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ধনীরা আমাদের মত নামায আদায় করে এবং রোযা রাখে। তাদের সম্পদ আছে, তারা দাস আযাদ করতে পারে এবং দান-খায়রাত করতে পারে। তিনি বললেনঃ যখন তোমরা নামায আদায় করবে তখন (নামায শেষে) তেত্রিশ বার "সুবহানাল্লাহ' তেত্রিশবার "আলহামদু লিল্লাহ,” চৌত্রিশ বার “আল্লাহু আকবার" এবং দশবার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" পাঠ করবে। যারা (সাওয়াবের ক্ষেত্রে) তোমাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে এর দ্বারা তোমরা তাদেরকে ধরে ফেলতে পারবে না। সনদ দুর্বল, তালীকুর রাগীব (২২৬০), তাহলীলের অংশটুকু মুনকার এ অনুচ্ছেদে কাব ইবনু উজরা, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, যাইদ ইবনু সাবিত, আবূ দারদা, ইবনু উমার আবূ যার, আবূ হুরাইরা ও মুগীরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান গারীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ দুটি বৈশিষ্ট্য যে মুসলিমের মধ্যে পাওয়া যাবে সে জান্নাতে যাবে। তার একটি হল, প্রতি ওয়াক্তের নামাযের পর দশবার “সুবহানাল্লাহ,” দশবার "আলহামদু লিল্লাহ" এবং চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা। দ্বিতীয়টি হল, শোয়ার সময় তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ" তেত্রিশবার "আলহামদুলিল্লাহ" এবং চৌত্রিশবার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা।
Amr bin Uthman bin Ya'la bin Murrah narrated from his father, from his grand-father that :They were with the Prophet (S) on a journey. They wound up in a narrow area when Salat became due. Then it began raining from the sky above them, and it was wet beneath them. So Allah's Messenger (S) called the Adhan while he was on his mount, and then the Iqamah, going forward on his mount. He let them in Salat by making gestures, making his prostrations lower than his bowing
। 'আমর ইবনু উসমান ইবনু ইয়ালা ইবনু মুররাহ (রাযিঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। একবার তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে সফরে ছিলেন। তারা একটি সংকীর্ণ স্থান গিয়ে পৌছালো। নামাযের ওয়াক্ত এসে গেল। উপর থেকে আকাশ বৃষ্টিবৰ্ষণ করছিল এবং নীচে ছিল কর্দমাক্ত মাটি। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্তুযান থেকে আযান দিলেন এবং ইকামাত বললেন অথবা শুধু ইকামাত দিলেন। তিনি আপন সওয়ারীসহ সামনে আগালেন এবং তাদের নামায আদায় করালেন। তিনি ইশারায় রুকূ’ সিজদা করলেন এবং রুকূ’র চেয়ে সিজদায় বেশি ঝুঁকলেন। (সনদ দুর্বল) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি গারীব। কেননা এক পর্যায়ে উমর ইবনু রিমাহ আল-বলখী একা বর্ণনা করেছেন। অবশ্য তার নিকট হতে অনেকেই বর্ণনা করেছেন। এমনিভাবে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, "তিনি পানি কাদার সময় বাহনের পিঠে নামায আদায় করেছেন। বিশেষজ্ঞগণ বাহনের পিঠে বসে নামায আদায় করা জায়িয বলেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন।
#412Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Al-Mughirah bin Shu'bah narrated:"Allah's Messenger (S) performed Salat until his feet were swollen, so it was said to him: 'You burden yourself like this, while your past and future sins have been forgiven?' He said: 'Shouldn't I be a grateful worshipper?
। মুগীরা ইবনু শুবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত সময় ধরে নামায আদায় করলেন যে, তার পা দুটি ফুলে উঠল। তাকে বলা হল, আপনি এতো কষ্ট করছেন, অথচ আপনার পূর্বাপর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে! তিনি বললেনঃ আমি কি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হব না। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১৪১৯, ১৪২০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ মুগীরা ইবনু শু’বার হাদীসটি হাসান সহীহ।
Huraith bin Qabisah narrated:"I arrived in Al-Madinah and said: 'O Allah! Facilitate me to be in a righteous gathering.'" He said: "I sat with Abu Hurairah and said: 'Indeed I asked Allah to provide me with a righteous gathering. So narrate a hadith to me which you heard from Allah's Messenger (ﷺ) so that perhaps Allah would cause me to benefit from it.' He said: 'I heard Allah's Messenger (ﷺ) say: "Indeed the first deed by which a servant will be called to account on the Day of Resurrection is his Salat. If it is complete, he is successful and saved, but if it is defective, he has failed and lost. So if something is deficient in his obligatory (prayers) then the Lord, Mighty and Sublime says: 'Look! Are there any voluntary (prayers) for my worshipper?' So with them, what was deficient in his obligatory (prayers) will be completed. Then the rest of his deeds will be treated like that
। হুরাইস ইবনু কাবীসা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম এবং বললাম, “হে আল্লাহ! আমাকে একজন নেককার সহযোগী দান কর।” রাবী বলেন, আমি আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর নিকট অবস্থান করলাম। আমি (তাকে) বললাম, আমি আল্লাহ তা'আলার নিকট একজন উত্তম সহযোগী চাইলাম। অতএব আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শুনেছেন এমন একটি হাদীস আমাকে বলুন। আশা করা যায় আল্লাহ তা'আলা আমাকে এর মাধ্যমে কল্যাণ দিবেন। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন বান্দার কাজসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেয়া হবে। যদি (নিয়মিতভাবে) ঠিকমত নামায আদায় করা হয়ে থাকে তবে সে নাজাত পাবে এবং সফলকাম হবে। যদি নামায নষ্ট হয়ে থাকে তবে সে ব্যর্থ ও বিপর্যস্ত হবে। যদি ফরয নামাযের মধ্যে কিছু কমতি হয়ে থাকে তবে মহান আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ দেখ, বান্দার কোন নফল নামায আছে কি না। থাকলে তা দিয়ে ফরযের এ ঘাটতি পূরণ করা হবে। তারপর সকল কাজের বিচার পালাক্রমে এভাবে করা হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪২৫, ১৪২৬)। এ অনুচ্ছেদে তামীম আদ-দারী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি উপরোক্ত সূত্রে হাসান গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। হাসানের কোন কোন সঙ্গী হাসানের সূত্রে কাবীসা ইবনু হুরাইস হতে অন্য হাদীস বর্ণনা করেছেন। আনাস ইবনু হাকীমের সূত্রে ও আবু হুরাইরা হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
#414Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Hasan
Aishah narrated that Allah's Messenger (S) said:"Whoever is regular with twelve Rak'ah of Sunnah (prayer), Allah will build a house for him in Paradise: Four Rak'ah before Zuhr, two Rak'ah after it, two Rak'ah after Maghrib, two Rak'ah after Isha, and two Rak'ah before Fajr
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সবসময় বার রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। এ সুন্নাতগুলো হল, যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত ও পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের (ফরযের) পর দুই রাকাআত, ইশার (ফরযের) পর দুই রাকাআত এবং ফযরের (ফরযের) পূর্বে দুই রাকাআত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪০)। এ অনুচ্ছেদে উম্মু হাবীবা, আবু হুরাইরা, আবু মূসা ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উল্লেখিত সনদে আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি গারীব। একদল বিশেষজ্ঞ মুগীরা ইবনু যিয়াদের স্মরণশক্তির (দুর্বলতার) সমালোচনা করেছেন।
#415Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Umm Habibah narrated that Allah's Messenger (S) sad:"Whoever prays twelve Rak'ah in a day and night, a house will be built from him in Paradise: Four Rak'ah before Zuhr, two Rak'ah after it, two Rak'ah after Maghrib, two Rak'ah after Isha, and two Rak'ah before Fajr in the morning Salat
। উম্মু হাবীবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দিন রাতে বার রাক'আত নামায আদায় করবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। যুহরের নামাযের পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের নামাযের পরে দুই রাকাআত, ইশার নামাযের পরে দুই রাকাআত এবং ভোরের ফজরের নামাযের পূর্বে দুই রাকাআত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪১)। আবু ঈসা বলেনঃ আনবাসার সূত্রে উম্মু হাবীবার হাদীসটি হাসান সহীহ। আনবাসা হতে অন্য সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
#416Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated that :Allah's Messenger (S) said: "The two Rak'ah of Fajr are better than the world and what is in it
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের দুই রাক’আত (সুন্নাত) নামায দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম। —সহীহ। ইরওয়া— (৪৩৭), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল সালিহ ইবনু আবদিল্লাহর সূত্রে আয়িশাহ হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
Ibn Umar narrated:"I watched the Prophet (S) for a month. In the two Rak'ah before Fajr he would recite: Say: "O you disbelievers!" and Say: "Allah is One
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি এক মাস পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পর্যবেক্ষণ করলাম। তিনি ফজরের (ফরযের) পূর্বের দুই রাকাআতে সূরা 'কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন ও কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪৯)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আনাস, আবু হুরাইরা, ইবনু আব্বাস, হাফসা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান। আমরা উল্লেখিত হাদীসটি সুফিয়ান সাওরী হতে আবু ইসহাকের সূত্রে আবু আহমাদ ছাড়া অন্য কারো নিকট থেকে পাইনি। লোকদের নিকট ইসরাঈল হতে আবু ইসহাকের সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি বেশি পরিচিত। ইসরাঈল হতে আবু আহমদের সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবু আহমাদ নির্ভরযোগ্য হাফিজ। বুনদার বলেন, আবূ আহমাদ আয যুবাইরীর চেয়ে উত্তম স্মৃতিসম্পন্ন আর কাউকে দেখিনি। আবু আহমাদের নাম মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আয্-যুবাইর আল-কূফী আল-আসাদী।
#418Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:"When Allah's Messenger (S) prayed the two Rak'ah (before) Fajr if he needed something from me he would talk to me, if not, he would go to Salat
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করতেন, তারপর আমার সাথে কথা বলার দরকার হলে কথা বলতেন, নতুবা নামাযের জন্য মসজিদে চলে যেতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৪৭, ১১৪৮), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন কোন সাহাবা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর হতে নামায আদায়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে কথাবার্তা বলা মাকরূহ বলেছেন। হ্যাঁ আল্লাহর যিকির ও অতি প্রয়োজনীয় কথা বলা যেতে পারে। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন।
Ibn Umar narrated that:Allah's Messenger (S) said: "There is no Salat after Al-Fajr (begins) except two prostrations
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দুই রাকাআত (সুন্নাত) নামায ব্যতীত আর কোন নামায নেই। উল্লেখিত হাদীসের অর্থ হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত নামায ছাড়া ফজরের ফরয নামাযের আগে সুবহি সাদিক শুরু হওয়ার পর আর কোন নামায নেই। --সহীহ। ইরওয়া- (৪৭৮), সহীহ আবু দাউদ- (১১৫৯)। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও হাফসা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু মাত্র কুদামা ইবনু মূসার সূত্রেই হাদীসটি জেনেছি। ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ফরয নামাযের আগে দুই রাকাআত সুন্নাত ব্যতীত অন্য কোন নামায আদায় করা মাকরূহ। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিন্নমত রয়েছে।
#420Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "When one of you prays the two Rak'ah of Fajr then let him lay down on his right (side)
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করে তখন সে যেন ডান কাতে একটু শুয়ে নেয়। -সহীহ। মিশকাত- (১২০৬), সহীহ আবু দাউদ- (১১৪৬)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا صَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فِي بَيْتِهِ اضْطَجَعَ عَلَى يَمِينِهِ আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নিজের ঘরে ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করতেন তখন ডান কাতে শুয়ে নিতেন।" - কোন কোন বিদ্বান এটাকে মুস্তাহাব বলেছেন।
#421Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ صَلاَةَ إِلاَّ الْمَكْتُوبَةُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ بُحَيْنَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَهَكَذَا رَوَى أَيُّوبُ وَوَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ وَزِيَادُ بْنُ سَعْدٍ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ فَلَمْ يَرْفَعَاهُ . وَالْحَدِيثُ الْمَرْفُوعُ أَصَحُّ عِنْدَنَا . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ أَنْ لاَ يُصَلِّيَ الرَّجُلُ إِلاَّ الْمَكْتُوبَةَ . وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ رَوَاهُ عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيُّ الْمِصْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا .
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "When the Iqamah has been called for the Salat then there is no Salat except the obligatory
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হয় তখন ফরয নামায ছাড়া অন্য কোন নামায নেই। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫১), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু বুহাইনা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস, ইবনু আব্বাস ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান। আইউব, ওয়ারাকা ইবনু উমার, যিয়াদ ইবনু সা’দ, ইসমাঈল ইবনু মুসলিম এবং মুহাম্মাদ ইবনু জুহাদা সম্মিলিতভাবে এ হাদীসটি আমর ইবনু দীনার হতে, তিনি আতা হতে, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবনু যায়িদ ও সুফিয়ান ইবনু উআইনা তাদের সনদ পরম্পরায় আমর ইবনু দীনার-এর সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তারা মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেননি। তবে মারফু' হিসাবে বর্ণিত হাদীসটিই আমাদের মতে বেশি সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেছেন, নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হলে কোন ব্যক্তিই ফরয নামায ব্যতীত অন্য কোন নামায আদায় করবে না। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন। আরো কয়েকটি সূত্রে আবু হুরাইরার নিকট হতে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। 'আইয়্যাশ ইবনু আব্বাস আবু সালামা হতে তিনি আবু হুরাইরা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
Qais narrated:"Allah's Messenger (S) went out and the Iqamah was called for the Salat so I prayed As-Subh with him. Then the Prophet (S) turned and found me performing Salat so he said: 'Easy O Qais! Are there two prayers together?' I said: 'O Messenger of Allah! I did not perform the two Rak'ah (before) Fajr.' He said: 'Then there is no harm
। মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম হতে তার দাদা কাইস (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (কাইস) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজের ঘর হতে) বেরিয়ে আসলেন, অতঃপর নামাযের ইকামাত দেওয়া হল। আমি তার সাথে নামায আদায় করলাম। নামায হতে অবসর হয়ে তিনি আমাকে নামাযরত অবস্থায় দেখলেন। তিনি বললেনঃ হে কাইস, থামো! তুমি কি দুই নামায একত্রে আদায় করছ? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নাত) আদায় করতে পারিনি। তিনি বললেনঃ তাহলে কোন দোষ নেই (পড়ে নাও)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫১)। আবু ঈসা বলেনঃ সা’দ ইবনু সাঈদের হাদীসের মাধ্যমেই কেবল আমরা মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীমের হাদীসটি এভাবে জেনেছি। সুফিয়ান ইবনু উআইনা বলেন, আতা ইবনু আবু রাবাহ এ হাদীসটি সা’দ ইবনু সাঈদের নিকট শুনেছেন। এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। মক্কাবাসী আলিমদের একদল ফরয নামাযের পর সূর্য উঠার পূর্বে ফাওত হওয়া সুন্নাত দুই রাক’আত আদায় করতে কোন অপরাধ মনে করেন না। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযুক্ত) নয়। মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম কখনও কাইসের নিকট শুনেননি। অপর এক বর্ণনায় আছেঃ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فَرَأَى قَيْسًا “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং কাইসকে দেখতে পেলেন.......।" সাদ ইবনু সাঈদের সূত্রে বর্ণিত আব্দুল আযীযের হাদীসের চেয়ে এটি অধিক সহীহ।
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Whoever did not pray the two Rak'ah (before) Fajr then let him pray them after the sun has risen
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত (ফরযের পূর্বে) আদায় করতে পারেনি সে সূর্য উঠার পর তা আদায় করবে। -সহীহ। সহীহাহ– (২৩৬১)। আবু ঈসা বলেনঃ আমরা উল্লেখিত সূত্রেই শুধুমাত্র এ হাদীসটি জেনেছি। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) এই হাদীস অনুসারে আমল করতেন। একদল বিশেষজ্ঞ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ, ইসহাক এবং ইবনুল মুবারাক একই রকম মত ব্যক্ত করেছেন। আবু ঈসা আরো বলেনঃ আমর ইবনু আসিম ব্যতীত অন্য কেউ হাম্মাম হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। وَالْمَعْرُوفُ مِنْ حَدِيثِ قَتَادَةَ عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি সূর্য উঠার পূর্বে ফজরের এক রাকাআত ধরতে পারল সে ফজরের ওয়াক্ত পেল।" -উপরোক্ত সূত্রে বর্ণিত এ হাদীসটিই প্রসিদ্ধ।
Ali narrated:"The Prophet (S) would pray four Rak'ah before Az-Zuhr and two Rak'ah after it
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের (ফরয) নামাযের পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত (সুন্নাত নামায) আদায় করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬১)। ৪৩০ নং হাদীসে এর বাকী অংশ বর্ণিত হবে। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ ও উম্মু হাবীবা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন- আলী (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ যুহরের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করা পছন্দ করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, ইসহাক এবং কুফাবাসীগণ একই রকম কথা বলেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, রাত এবং দিনের (অন্যান্য) নামায দুই দুই রাকাআত। তারা দুই দুই রাকাআত পর সালাম ফিরানোর কথা বলেছেন। ইমাম শাফিঈ এবং আহমাদ একথা বলেছেন।
#425Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"I prayed two Rak'ah with the Prophet (S) before Az-Zuhr and two Rak'ah after it
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যুহরের (ফরয) নামাযের পূর্বে দুই রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করেছি। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৩৮), বুখারী আরো পূর্ণভাবে। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated:"When the Prophet (S) would not perform the four Rak'ah before Az-Zuhr he would pray them after it
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি যুহরের পূর্বে চার রাকাআত না আদায় করতেন তবে যুহরের (ফরযের) পর তা আদায় করতেন। —সহীহ। তামামুল মিন্নাহ। যঈফা— (৪২০৮)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইবনুল মুবারাকের সূত্রেই আমরা এ হাদীসটি জেনেছি। কাইস ইবনু রাবী শুবার সূত্রে খালিদ হাযযা হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কাইস ইবনু রাবী ব্যতীত অন্য কেউ শুবা হতে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলার সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
Umm Habibah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Whoever prays four before Az-Zuhr and four after, Allah makes him prohibited for the Fire
। উম্মু হাবীব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে চার রাকাআত নামায আদায় করবে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। অন্য সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
#428Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Umm Habibah the wife of the Prophet (S) narrated that:She heard Allah's Messenger (S) saying: "Whoever maintains four Rak'ah before Az-Zuhr and four after it, Allah makes him prohibited for the Fire
। আনবাসা ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার বোন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে চার রাকাআত নামাযের হিফাজাত করবে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। -সহীহ। প্রাগুক্ত। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আবু আবদুর রহমান আল-কাসিম একজন সিকাহ রাবী। তিনি প্রখ্যাত মুহাদিস আবৃ উমামার শাগরিদ।
Ali narrated:"Allah's Messenger (S) would pray four Rak'ah before Al-Asr separating between them with At-Taslim upon the angels that are close (to Allah) and those who follow them among the Muslims and the believers
। ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের (ফরয নামাযের) পূর্বে চার রাকাআত নামায আদায় করতেন। তিনি (আল্লাহর) নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতা ও তাদের অনুগামী মুসলিম এবং মুমিনদের প্রতি সালাম করার মাধ্যমে এ নামাযের মাঝখানে বিভক্তি করতেন (দুই সালামে চার রাকাআতৃ আদায় করতেন। -হাসান। ইবনু মাজাহ– (১১৬১), এটা পূর্বে বর্ণিত ৪২৫ নং হাদীসের বাকী অংশ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আলী (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আসরের পূর্বে এক সালামেই চার রাক’আত আদায় করা পছন্দ করেছেন। তিনি এ হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করে বলেছেন, সালামের মাধ্যমে বিভক্তি করার’ তাৎপর্য হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাআত পর তাশাহহুদ পাঠ করতেন। ইমাম শাফিঈ এবং আহমাদের মতে, রাত এবং দিনের (ফরয নামায ছাড়া অন্যান্য সব) নামায দুই রাকাআত করে আদায় হবে। তারা উভয়ে আসরের পূর্বের চার রাকাআতে দুই রাকাআত পর পর সালাম ফিরানোই পছন্দ করেছেন।
Ibn Umar narrated that :The Prophet (S) said: "May Allah have mercy upon a man who prays four before Al-Asr
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আসরের পূর্বে চার রাকাআত নামায আদায় করবে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি অনুগ্রহ করুন। -হাসান। মিশকাত- (১১৭০), সহীহ আবু দাউদ- (১১৫৪), তা’লীকুর রাগীব- (১/২০৪), তা’লীক আলা ইবনু খুজাইমাহ– (১১৯৩)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
#431Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihZai: Daif
Abdullah bin Mas'ud narrated:"I can not enumerate (how many times) I heard Allah's Messenger (S) reciting - in the two Rak'ah after Al-Maghrib and the two Rak'ah before Salatul-Fajr with: Say: "O you disbelievers!" and Say: "He is Allah the One
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের পরের দুই রাকাআতে এবং ফজরের পূর্বের দুই রাকাআতে “কুল ইয়া আয়ু হাল কাফিরূন" এবং “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ" সূরা দুটি এত সংখ্যকবার পাঠ করতে শুনেছি যে, তা গণনা করে শেষ করতে পারব না। এ অনুচ্ছেদে ইবনু 'উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬৬)। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদের হাদীসটি গারীব। আবদুল মালিক ইবনু মা'দান হতে শুধুমাত্র আসিমের সূত্রেই এই হাদীসটি আমরা জেনেছি।
#432Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"I prayed two Rak'ah after Al-Maghrib with the Prophet (S) in his house
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তার বাসায় মাগরিবের পর দুই রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করেছি। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৫৮), বুখারী। এ অনুচ্ছেদে রাফি ইবনু খাদীজ ও কাব ইবনু উজরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ।
#433Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated:"I memorized ten Rak'ah from Allah's Messenger (S) which he would pray in a night and a day: Two Rak'ah before Az-Zuhr, two after it; two Rak'ah after Al-Maghrib and two Rak'ah after the latter Isha." He said: "And Hafsah narrated to me that he (S) would pray two Rak'ah before Al-Fajr
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে দশ রাকাআত নামায মুখস্থ রেখেছি। তিনি দিনরাত (চব্বিশ ঘন্টায়) এ নামাযগুলো আদায় করতেন। যুহরের পূর্বে দুই রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের পরে দুই রাকাআত এবং ইশার পর দুই রাকাআত। রাবী বলেন হাফসাহ আমাকে বলেছেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ) ফজরের পূর্বেও দুই রাক’আত আদায় করতেন। -সহীহ। ইরওয়া- (৪৪০), বুখারী। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
#434Maarouf: Hasan SahihZai: Sahih - Agreed Upon
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
Ibn Umar :has a similar narration
। সালিম হতে ও ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে .... একই হাদীস পুনর্বার বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
#435Shakir: Very DaifAl-Albani: Very DaifMaarouf: Daif
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Whoever prays six Rak'ah after Al-Maghrib, and he does not speak about anything between them, then they will be counted for him as twelve years of worship
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মাগরিবের পর ছয় রাকাআত নামায আদায় করলে এবং তার মাঝখানে কোন অশালীন কথা না বললে তাকে এর বিনিময়ে বার বছরের ইবাদাতের সমান সাওয়াব দেয়া হবে। অত্যন্ত দুর্বল, ইবনু মাজাহ (১১৬৭) আবূ ঈসা বলেনঃ আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাক'আত নামায আদায় করে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। আবূ ঈসা বলেনঃ আবূ হুরাইরার হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র যাইদ ইবনু হুবাব হতে উমর ইবনু আবূ খাসআমের সূত্রেই এ হাদীসটি জানতে পেরেছি। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে বলতে শুনেছি, উমার ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ খাসআম একজন প্রত্যাখ্যাত রাবী। হাদীসশাস্ত্রে তিনি খুবই দুর্বল।
#436Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abdullah bin Shaqiq said:"I asked Aishah about the Salat of Allah's Messenger (S). She said: 'He would pray four Rak'ah before Az-Zuhr and two Rak'ah after it, and two after Al-Maghrib, and two Rak'ah after Al-Isha, and two before Al-Fajr
। আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি , বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ) যুহরের পূর্বে দুই রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের পর দুই রাকাআত, ইশার পর দুই রাকাআত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। —সহীহ। মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু শাকীকের সূত্রে আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ।
#437Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated that:The Prophet (S) said: "Salat in the night is two by two. So when you fear the dawn (is near) then make it odd by one, and make that the last of your Salat odd
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রাতের নামায দুই দুই রাকাআত (করে আদায় করতে হয়)। তুমি যদি ভোর হয়ে যাওয়ার ভয় কর তবে এক রাকাআত আদায় করে বিতর পূর্ণ করে নাও। বিতের নামাযকেই তোমার সর্বশেষ নামায কর। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩১৯, ১৩২০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন এবং রাতের নামায দুই দুই রাকাআত করে আদায় করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক এই কথা বলেছেন।
#438Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "The most virtuous fasting after the month of Ramadan is that of Allah's month of Al-Muharram. And the most virtuous Salat after the obligatory is the night prayer
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রামাযান মাসের রোযার পর সর্বোৎকৃষ্ট রোযা হল আল্লাহ তা'আলার মাস মুহাররামের রোযা। ফরয নামাযের পর সর্বোৎকৃষ্ট নামায হল রাতের (তাহাৰ্জ্জুদের) নামায। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৭৪২), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির, বিলাল ও আবু উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ)র হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু ঈসা বলেনঃ রাবী আবু বিশরের নাম জাফর ইবনু আবী ওয়াহশীয়াহ আবু ওয়াহশীয়ার নাম ইয়াস।
#439Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Sa'eed bin Abi Sa'eed Al-Maqburi narrated that:Sa'eed bin Abi Sa'eed Al-Maqburi narrated that Abu Salamah informed him that he had asked Aishah: "How was the Salat of Allah's Messenger (A) [at night] during Ramadan?" She said: "Allah's Messenger (S) would pray - neither in Ramadan nor in any other month - more than eleven Rak'ah. He would pray four, and do not ask about their excellence or length, then he would pray four, and do not ask about their excellence or length, then he would pray three." Aishah said: "I asked: 'O Messenger of Allah! Do you sleep before having performed Witr?" He said: 'O Aishah! Indeed my eyes sleep but my heart does not sleep
। আবু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, আয়িশাহ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, রামাযান মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামাযের বৈশিষ্ট্য কি বা ধরন কেমন ছিল? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রামাযান মাসে ও অন্যান্য সময়ে (রাতের বেলা) এগার রাকাআত নামাযের বেশি আদায় করতেন না। তিনি চার রাক’আত করে মোট আট রাক’আত আদায় করতেন। এর সৌন্দর্য এবং দৈর্ঘ্য সম্পর্কে তুমি আমাকে আর প্রশ্ন কর না। অতঃপর তিনি তিন রাকাআত নামায আদায় করতেন। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি বিতর আদায়ের পূর্বে ঘুমান? তিনি বললেন, হে আয়িশাহ! আমার চক্ষু দুটি ঘুমায় কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না। —সহীহ। সালাতুত তারাবীহ, সহীহ আবু দাউদ- (১২১২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated:"Allah's Messenger (S) would pray eleven Rak'ah at night, making them off with one. When he finished them he would lay down on his right side
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা এগার রাকাআত নামায আদায় করতেন। তার মধ্যে এক রাকাআত বিতর আদায় করে নিতেন। তিনি নামায শেষে অবসর হয়ে ডান কাতে শুয়ে যেতেন। সহীহ। এই হাদীসে শুবার বর্ণনাটি সাজ, সহীহ আবু দাউদ(১২০৬)। সঠিক কথা হচ্ছে- শুবার বর্ণনা ফজরের সুন্নাতের পরে- বুখারী।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet (S) would pray thirteen Rak'ah at night
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তের রাকাআত নামায আদায় করতেন। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২০৫), বুখারী ও মুসলিম আরো পূর্ণরূপে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু জামরাহ যুবাঈর নাম নাসর ইবনু ইমরান যুবাঈ।
#443Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:"The Prophet (S) would pray nine Rak'ah in the night
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা নয় রাকাআত নামায আদায় করতেন। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২১৩), মুসলিম আরো পূর্ণরূপে। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, যাইদ ইবনু খালিদ ও ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি উল্লেখিত সনদে হাসান সহীহ গারীব।
Narrator not mentioned:(Another chain with similar narration)
। সুফিয়ান সাওরী আমাশের বরাতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের (তাহাজ্জুদের) নামায বিতরসহ সর্বোচ্চ তের রাকাআত এবং সর্বনিম্ন নয় রাকাআত ছিল বলে বর্ণিত আছে।
#445Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Aishah narrated:"When the Prophet (S) did not pray at night because he was prevented from it by sleep or being sleepy then he would pray twelve Rak'ah during the daytime
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি বেশি ঘুম অথবা তন্দ্রার কারণে রাতের নামায আদায় করতে সক্ষম না হতেন, তবে দিনের বেলা বার রাকাআত আদায় করে নিতেন। —সহীহ। মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। রাবী হিশাম তিনি ইবনু আমির আর হিশাম ইবনু আমির সাহাবীদের মধ্যে একজন। বাহয ইবনু হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যুরারা ইবনু আওফা বসরার কাযী (বিচারপতি) ছিলেন। তিনি কুশাইর গোত্রের ইমামতি করতেন। একদিন সকালের নামাযে তিনি এই আয়াত পাঠ করলেনঃ “স্মরণ কর, যখন শিংগায় ফু দেওয়া হবে। সে দিনটি বড়ই কঠোর ও সাংঘাতিক হবে”— (সূরাঃ আল-মুদ্দাসসিরঃ ৮, ৯)। তিনি সাথে সাথে পড়ে গিয়ে মারা গেলেন। যারা তাকে তুলে তার ঘরে নিয়ে গেলেন, আমিও তাদের সাথে ছিলাম। —সনদ হাসান।
#446Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Allah, Blessed and Exalted is He, descends to the earth's heaven every night when the first third of the night has passed. He says: "I am the Sovereign. Is there any who calls upon Me so that I may respond to him? Is there any who asks of Me that I may give him? Is there any who seeks forgiveness from Me so that I may forgive him?' He continues in that until the illumination of Al-Fajr
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ চলে যাওয়ার পর প্রতি রাতে পৃথিবীর নিকটতম আকাশে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমিই রাজাধিরাজ। আমার নিকট প্রার্থনাকারী কে আছে, আমি তার প্রার্থনা কুবুল করব। আমার নিকট আবেদনকারী কে আছে, আমি তার আবেদন পূর্ণ করব। আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাকারী কে আছে, আমি তাকে ক্ষমা করব। সকাল আলোকিত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা তার বান্দাদের এভাবে আহবান করতে থাকেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৬৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী ইবনু আবু তালিব, আবু সাঈদ, রিফাআ আল-জুহানী, জুবাইর ইবনু মুত'ইম, ইবনু মাসউদ, আবু দারদা ও উসমান ইবনু আবুল আস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ) এর হাদীসটি হাসান সহীহ। উল্লেখিত হাদীসটি আবু হুরাইরার নিকট হতে অসংখ্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে এও বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে বারকাতময় আল্লাহ তা'আলা (পৃথিবীর) নিকটতম আকাশে অবতীর্ণ হন। সব বর্ণনাগুলোর মধ্যে এটিই সর্বাধিক সহীহ বর্ণনা।
#447Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Hasan
Abu Qatadah narrated that :The Prophet (S) said to Abu Bakr: "I passed by you while you were reciting and your voice was low." He said: "I let He who, I was consulting hear." He said: "Raise your voice." Then he said to Umar: "I passed by while you were reciting and your voice was loud." So he said: "I repel drowsiness and keep Ash-Shaitan away." So he said: "Lower your voice
। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার (রাঃ)-কে বললেনঃ আমি আপনার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আপনি নামায আদায় করছিলেন এবং আপনার কণ্ঠস্বর খুব নীচু ছিল। তিনি (আবু বাকর) বললেন, আমি তাকে শুনাচ্ছিলাম যিনি আমার কানকথাও জানেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কিছুটা উচ্চস্বরে পাঠ করুন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমর (রাঃ)-কে বললেনঃ আমি আপনার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আপনি নামায আদায় করছিলেন এবং আপনার কণ্ঠস্বর খুব উচু ছিল। তিনি (উমার) বললেন, আমি অলসদের জাগরিত করছিলাম এবং শাইতানকে তাড়াচ্ছিলাম। তিনি বললেন, আপনার কণ্ঠস্বর কিছুটা নীচু করুন। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২০০), মিশকাত— (১২০৪)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, উম্মু হানী, আনাস, উম্মু সালামাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু ইসহাক মুসনাদ হিসাবে বর্ণনা করেছেন, আর অনেকেই এই হাদীসটিকে আবদুল্লাহ ইবনু আবু রবাহর নিকট হতে মুরসাল হিসাবেও বর্ণনা করেছেন।
#448Shakir: Sahih IsnaadAl-Albani: Sahih IsnaadZai: Isnaad Sahih
Aishah narrated:"The Prophet (S) stood (in prayer) with an Ayah from the Qur'an at night
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পাঠ করেই রাত কাটিয়ে দিলেন। —সনদ সহীহ। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি উপরোক্ত সূত্রে হাসান গারীব।
#449Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Isnaad Sahih
Abdullah bin Abi Qais narrated:"I asked Aishah how the recitation of the Prophet (S) was at night. [Would he recite silently o audibly?] So she said: 'He would do both of those. Sometimes he was silent with his recitation and sometimes it was audible.' So I said: 'All praise is due to Allah, the One who made the matter broad
। আবদুল্লাহ ইবনু আবু কাইস (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাতের (তাহাজ্জুদ) নামাযে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিরা'আত কেমন ছিল? তিনি নীরবে কির’আত করতেন না স্বরবে? তিনি (আয়িশাহ) বললেন, কখনও তিনি নীচু আওয়াযে এবং কখনও উচু আওয়াযে কিরা'আত পাঠ করতেন। আমি বললাম, সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য যিনি এ কাজের মধ্যে প্রশস্ততা রেখেছেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২৯১), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
#450Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih - Agreed Upon
Zaid bin Thabit narrated that:The Prophet (S) said: "The most virtuous prayer of yours is in your homes, except for the obligatory
। যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ফরয নামায ব্যতীত তোমাদের বাড়িতে আদায়কৃত নামায সর্বোৎকৃষ্ট। - সহিহ। সহিহ আবূ দাউদ- (১৩০১), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে 'উমার, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবু সাঈদ, আবু হুরাইরা, ইবনু উমার, আয়িশাহ, আবদুল্লাহ ইবনু সা’দ ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ যাইদ ইবনু সাবিতের হাদীসটি হাসান। এ হাদীস বর্ণনায় রাবীগণের মধ্যে (সনদের দিক হতে) মতের অমিল হয়েছে। মূসা ইবনু উক্ববা ও ইবরাহীম ইবনু আবু নাযর আবু নাযর হতে মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন। মালিক ইবনু আনাস আবু নাযর হতে এ হাদীসটি মারফু হিসাবে বর্ণনা করেননি। মারফু বর্ণনাটি অপেক্ষাকৃত সহীহ
#451Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Ibn Umar narrated that :The Prophet (S) said: "Offer Salat in your homes and do not turn them into graves
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের বাড়িতেও নামায আদায় কর, তাকে কবরস্থানে পরিণত কর না। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৯৫৮, ১৩০২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।