Narrated Abu Tha'labah Al-Khushani:"I said: 'O Messenger of Allah! We are a people who hunt.' He said: 'If you send your dog and you mentioned the Name of Allah upon it, and he catches something for you, then eat it.' I said: 'Even if he kills it?' He said: 'Even if he kills it.' I said: 'We are a people who shoot (at game).' He said: 'What you catch with your bow, then eat it.'" He said: "Then I said:'Indeed we are a people who travel. We come across Jews, Christians, and Zoroastrians, and we do not find vessels other than theirs.' He said: 'If you do not find other than them, then wash them with water, then eat and drink from it
। আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, থাবা ও শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু (খেতে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৩২), নাসা-ঈ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ সাঈদ ইবনু আবদুর রাহমান আল-মাখযুমী ও অন্যান্যরা-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি আবূ ইদরীস আল-খাওলানীর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ ইদরীস আল-খাওলানীর নাম আইয়ুল্লাহ, পিতা আবদুল্লাহ।
#1465Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Jabir bin 'Abdullah:"We have been forbidden from the game caught by a Zoroastrian's dog
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমাদেরকে মাজুসীদের (অগ্নি উপাসকদের) কুকুর দ্বারা শিকার খেতে বারণ করা হয়েছে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩২০৯) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। শুধু উপরোক্ত সূত্রেই আমরা এ হাদীসটি জেনেছি। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ আলিম এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা মাজুসীদের কুকুরের কৃত শিকার খাওয়ার অনুমতি দেননি। কাসিম ইবনু আবী বাজ্যা হলে কাসিম ইবনু নাফি, মক্কার অধিবাসী।
#1467Shakir: MunkarAl-Albani: MunkarZai: Sahih - Agreed Upon
Narrated 'Adi bin Hatim:"I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about the game caught by a falcon. So he said: 'What it catches for you, then eat it
। আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে বাজ পাখির শিকার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ সে যা তোমার জন্য ধরে রাখে তা খাও। মুনকার; সহীহ আবূ দাউদ (২৫৪১) আবূ ঈসা বলেন, শুধুমাত্র শাবী হতে মুজালিদের সনদসূত্রেই আমরা এ হাদীসটি জেনেছি। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মতে বাজ, ঈগল ও শিকরার শিকার খাওয়াতে কোন সমস্যা নেই। মুজাহিদ (রাহঃ) বলেছেন, বাজ হল একটি শিকারী পাখি। এটা নখরযুক্ত প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “এবং যেসব শিকারী প্রাণীকে তোমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছ" (সূরাঃ মাইদা- ৪)। তার মতে, শিকারী জন্তু বলতে যেসব কুকুর ও পাখি দিয়ে শিকার করা হয় তা বুঝায়। কিছু আলিম বাজ পাখির শিকার প্রসঙ্গে বলেছেন, পাখি তা হতে কিছু অংশ খেয়ে নিলেও তা খাওয়া জায়িয। তারা বলেছেন, একে প্রশিক্ষণ দেয়ার অর্থ হচ্ছে, একে ডাকা হলে ফিরে আসবে। কিছু আলিম এটা খাওয়া মাকরূহ বলেছেন। কিন্তু বেশীরভাগ ফিকহবিদ আলিম বলেছেন, এই শিকার খাওয়া জায়িয যদিও পাখি তা থেকে কিছুটা খেয়েও নেয়।
#1468Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated 'Adi bin Hatim:"I said: 'O Messenger of Allah! I shoot some game and then find my arrow in it the next day.' He said: 'If you know that your arrow killed it, and you dont see any marks of predators, then eat it
। আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি শিকারের দিকে তীর ছুড়ে থাকি। পরবর্তী দিন সেটাতে আমার তীর বিদ্ধ অবস্থায় দেখি। তিনি বললেনঃ তুমি যদি জানতে পার যে, তোমার তীরই এটাকে মেরেছে এবং এতে কোন হিংস পশুর চিহ্ন না দেখ তাহলে তা খাও। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৫৩৯), নাসা-ঈ অনুরূপ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন। শুবা-আবূ বিশর ও আবদুল মালেক ইবনু মাইসারা হতে, তিনি সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাহঃ)-এর সূত্রেও আদী ইবনু হাতিমের এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রটিও সহীহ। আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
#1469Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated 'Adi bin Hatim:"I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about hunting, so he said: 'Mention Allah's Name when you shoot your arrow. Then, if you find it dead, eat from it, unless you found that it has fallen in (some body of) water. Then do not eat it, for you do not know if the water killed it, or your arrow
। আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শিকারের বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার তীর ছোঁড়ার সময় আল্লাহ্ তা'আলার নাম স্মরণ কর। তুমি যদি শিকারকে মৃত পাও তবুও তা খেতে পার। কিন্তু তুমি তা পানিতে পড়ে থাকা অবস্থায় পেলে তা খাওয়া থেকে বিরত থাক। কেননা তোমার জানা নেই, এটাকে পানি হত্যা করেছে না তোমার তীর হত্যা করেছে। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৫৪০), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
Narrated 'Adi bin Hatim:"I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about the game caught by a trained dog. He said: 'If you mention the Name of Allah when you send your trained dog, then eat from what it catches for you. But if it eats from it, then do not eat it, for he only caught it for himself.' I said: 'O Messenger of Allah! What do you say about when our dogs get mixed with other dogs.' He said: 'You only mentioned the Name of Allah over your dog, you did not mention it over the others.'" Sufyan said: "He disliked for him to eat it
। আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকারের বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার স্মরণ করে থাকলে সে তোমার জন্য যা ধরে রাখে তা খাও। যদি সে শিকারের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে তবে তা খেও না। কেননা সে তা নিজের জন্য শিকার করেছে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাদের কুকুরের সাথে অন্য কুকুর এসে মিলিত হয়ে যায়? তিনি বললেনঃ তুমি তো আল্লাহর নাম নিয়েছ তোমার কুকুরের ক্ষেত্রে, অন্য কারো কুকুরের বেলায় তো নাওনি। সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাউদ (২৫৩৮,২৫৪৩), ইরওয়া (২৫৪৬),নাসা-ঈ এটা খাওয়াকে সুফিয়ান সাওরী মাকরূহ বলেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীস মোতাবেক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও তৎপরবর্তীগণ আমল করেছেন। তাদের মতে শিকারকৃত এবং যবেহ কৃত পশু পানিতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলে তা খাওয়া বৈধ নয়। তাদের অপর একদল বলেছেন, কণ্ঠনালী কাটার পর পানিতে পড়ে গিয়ে মারাগেলে তা খাওয়া যাবে। এই অভিমত ইবনুল মুবারাকেরও। কুকুর শিকারের কিছু অংশ খাওয়ার পর তা খাওয়া বৈধ হবে কি-না এ বিষয়েও অভিজ্ঞ আলিমগণের মধ্যে মতভেদ আছে। বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম বলেছেন, কুকুর শিকার হতে কিছু অংশ খেয়ে নিলে সেই শিকার খাওয়া বৈধ নয়। এই কথা বলেছেন সুফিয়ান সাওরী, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। অন্যদিকে এটা খাওয়ার পক্ষে একদল সাহাবী ও তৎপরবর্তীগণ সম্মতি দিয়েছেন।
Narrated Jabir bin 'Abdullah:That a man from his people hunted a rabbit or two and slaughtered them with Marwah. Then he hung them up until he met the Messenger of Allah (ﷺ), so he asked him about that, and he (ﷺ) told him to eat them
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তার বংশের একজন লোক একটি অথবা দুটি খরগোশ শিকার করার পর একটি সাদা পাথর দ্বারা তা যবেহ করে। সে শিকার দুটি ঝুলানো অবস্থায় রেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দেখা করে। সে এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করে। তিনি তাকে এটা খাওয়ার নির্দেশ দেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৭৫) আবূ ঈসা বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ান, রাফি ও আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। সাদা পাথর দ্বারা যবেহ করার পক্ষে একদল আলিম অনুমতি প্রদান করেছেন। তারা খরগোশ খাওয়াতে কোন আপত্তি আছে বলে মনে করেন না। বেশিরভাগ আলিমের এই অভিমত।খরগোশের গোশত খাওয়াকে কিছু আলিম মাকরূহ বলেছেন। এ হাদীস বর্ণনায় (সনদসূত্রে) শাবী (রাহঃ)-এর শাগরিদগণ মতপার্থক্য করেছেন। দাউদ ইবনু আবূ হিন্দ-আশ-শাবী হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আসিম আল-আহওয়াল-শাবী হতে, তিনি সাফওয়ান ইবনু মুহাম্মাদ অথবা মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ান অনেক বেশি সহীহ। কাতাদা-শাবী-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের মত জাবির আল-জুকী-শাবী হতে, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। হয়ত একই হাদীস দু’জনেই শাবীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেছেন, জাবিরের সূত্রে শাবি হতে বর্ণিত হাদীসটি অরক্ষিত।
Narrated Abu Ad-Darda':"The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited eating the Mujath-thamah, and it is what is trapped and killed by arrows
। আবূদ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মুজাসসামা' খাওয়াকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। যে পশুকে চাদমারির নিশানা বানিয়ে তীর ছুড়ে হত্যা করা হয় তাকে মুজাসসামা' বলে। সহীহ, সহীহা (২৩৯১) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূদ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন।
Narrated Umm Habibah bint Al-'Irbad:From her father: "On the day of Khaibar, the Messenger of Allah (ﷺ) prohibited eating the meat of every predator that has canine teeth, the meat of every bird that has talons, the meat of the domestic donkey, the Mujath-thamah, the Khalisah, and from having relations with a pregnant slave until she gives birth to what is in her womb." Muhammad bin Yahya said: "Abu 'Asim was asked about Mujath-thamah and he said: "To ensnare a bird or something and then shoot it." He was asked about Khalisah, so he said: "(Prey) that a man finds with a wolf or a predator, then he takes it from him but it dies in his hand before it can be slaughtered
। উম্মু হাবীবা বিনতু ইরবায ইবনু সারিয়া (রহঃ) হতে তার বাবার সুত্রে বর্ণিত আছে, খাইবার যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নের পশুগুলো খাওয়া অবৈধ ঘোষণা করেছেনঃ শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু, নখর ও থাবাযুক্ত হিংস্র পাখি, গৃহপালিত গাধা, মুজাসসামা এবং খালীসা। তিনি (সদ্য হস্তগত) গর্ভবতী বাদীর সাথে সন্তান প্রসব না করা পর্যন্ত সহবাস করতেও বারণ করেছেন। সহীহ, খালীসা ব্যতীত অন্যগুলি পৃথক পৃথকভাবে সহীহ, সহীহা (৪/২৩৮-২৩৯), (১৬৭৩), (২৩৫৮), (২৩৯১), ইরওয়া (২৪৮৮), সহীহ আবূ দাউদ (১৮৮৩, ২৫০৭) মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া বলেন, মুজাসসামার ব্যাপারে আবূ আসিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে পাখি অথবা পশুকে চাদমারির নিশানা বানিয়ে তীর ছুড়ে মেরে ফেলা হয় তাকে মুজাসসামা’ বলে। ‘খালীসা’ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাঘ অথবা কোন হিংস্র পশু কোন প্রাণী ধরে নিলে কোন মানুষ তা ছিনিয়ে আনল, কিন্তু তা যবেহ করার আগেই তার হাতে মারা গেলে এটাকে ‘খালীসা’ বলে।
#1475Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Ibn 'Abbas:"The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited taking a living thing as a shooting target
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন জীবন্ত পশুকে তীর ছুড়ে মারার জন্য লক্ষ্যবস্তু (চাদমারি) বানাতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৮৭), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করার কথা বলেছেন।
Narrated Abu Sa'eed:That the Prophet (ﷺ) said: "Slaughtering the fetus is (achieved by) the slaughtering of its mother
। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জানীন (গর্ভস্থ ভ্রুণ)-এর মাকে যবেহ করাই এর জন্য যথেষ্ট। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৯৯) জাবির, আবূ উমামা, আবূদ দারদা ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এই মত ব্যক্ত করেছেন (গর্ভবতী পশু যবেহ করলে তার গর্ভস্থ বাচ্চা আলাদা করে যবেহ করার দরকার হবে না)। আবূল ওয়াদাক-এর নাম জাবর, পিতা নাওফ।
#1477Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Jabir:"On the Day of Khaibar, the Messenger of Allah (ﷺ) prohibited eating domesticated donkeys, the meat of mules, every predator that possesses canine teeth, and every bird that possesses talons
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, খাইবারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম ঘোষণা করেছেন গৃহপালিত গাধা, খচ্চরের গোশত, প্রত্যেক শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু এবং পাঞ্জাধারী শিকারী পাখিকে (খাওয়াকে)। সহীহ, ইরওয়া (৮/১৩৮) আবূ হুরাইরা, ইরবায ইবনু সারিয়া ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।
#1479Shakir: Hasan SahihAl-Albani: Hasan SahihMaarouf: Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَرَّمَ كُلَّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ .
Narrated Abu Hurairah:"The Prophet (ﷺ) prohibited every predator that possesses canine teeth
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু (খাওয়া) অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৩৩), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীস অনুসারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। এই কথা বলেছেন, (এসব পশুর গোশত হারাম) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও।
Narrated Abu Al-'Ushara':From his father that he said: "I said: 'O Messenger of Allah! Is there no slaughtering except upon the neck and the throat ?' He said: 'If you stab its thigh it would be accepted to you
। আবূল উশারা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (পিতা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। যবেহ কি শুধু কণ্ঠনালী ও বক্ষস্থলের উপরিভাগেই (কণ্ঠনালীর শুরু এবং শেষ অংশের মধ্যবর্তী স্থানে) করতে হবে? তিনি বললেনঃ তুমি যদি তার উরুতে আঘাত করতে পার তবে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩১৮৪) আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হারূন বলেছেন, উরুতে যবেহ করা শুধুমাত্র জরুরী অবস্থায় প্রযোজ্য। এ অনুচ্ছেদে রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। হাম্মাদ ইবনু সালামার সূত্রেই শুধুমাত্র আমরা এ হাদীস জেনেছি। আবূল উশারা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত উপরোক্ত হাদীস ব্যতীত আর কোন হাদীস বর্ণিত আছে কি না তা আমাদের জানা নেই। বিশেষজ্ঞগণ আবূল উশারার নামে মতভেদ করেছেন। কেউ বলেছেন তার নাম উসামা ইবনু কিহতাম, তিনি আবার ইয়াসার ইবনু বারয বা ইবনু বালয বলেও কথিত। ভিন্নমতে তার নাম উতারিদ, তার দাদার সাথে সম্পর্কিত।
#1482Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Abu Hurairah:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever kills a gecko in one strike, he has such and such reward, and if he kills it on the second strike, he will have such and such reward, and if he kills it on the third strike, then he has such and such reward
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রথম আঘাতেই যে লোক একটি গিরগিটি (টিকটিকি) মারতে পারে তার জন্য এই এই পরিমাণ সাওয়াব। সে এটাকে দ্বিতীয় আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য এই এই পরিমাণ সাওয়াব। সে তা তৃতীয় আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য এত এত সাওয়াব। সহীহ, মুসলিম (৭/৪২) ইবনু মাসউদ, সা’দ, আইশা ও উম্মু শারীক (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
#1483Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Ibn 'Umar:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Kill snakes and kill Dhut-Tufyatain and Al-Abtar, because they blind the sight and cause abortions of fetuses
। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাপ মার। পিঠে দু'টি দাগ বিশিষ্ট সাপ ও লেজকাটা সাপকে তোমরা মেরে ফেল। কেননা এ দু'টি সাপ দৃষ্টিশক্তি ধ্বংস করে এবং (মহিলাদের) গর্ভপাত ঘটায়। সহীহ, নাসা-ঈ ইবনু মাসউদ, আইশা, আবূ হুরাইরা ও সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ লুবাবা (রাঃ)-এর সূত্রে ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, “পরবর্তীতে ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন"। এ ধরণের সাপকে ‘আওয়ামির' বলা হয়। এ সম্পর্কিত হাদীস যাইদ ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতেও ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, হালকা ধরণের সাদা সাপ যা চলার সময় কুঁকড়ায় না তা মারা নিষিদ্ধ।
Narrated Abu Laila:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "When a snake appears in your dwellings then say to it: We ask you - by covenant of Nuh, and by the covenant of Sulaiman bin Dawud - that you do not harm us.' If it returns, then kill it
। আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবু লাইলা বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘরের মধ্যে সাপ দেখা গেলে তোমরা বল, “আমরা নূহ (আঃ)-এর দোহাই ও সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ)-এর দোহাই দিয়ে বলছি, তুমি আমাদের কষ্ট দিও না। এরপরও তা দেখা গেলে তোমরা একে হত্যা কর। যঈফ, যঈফা (১৫০৮) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা ইবনু আবূ লাইলার রিওয়াত হিসেবে সাবিত আল-বুনানীর সূত্রেই শুধু উল্লেখিত হাদীসটি জেনেছি।
#1486Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated 'Abdullah bin Mughaffal:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "If it were not that dogs were part of a nation among the nations, then I would order to that all of them be killed. So kill every one of them that is all black
। আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুকুর (আল্লাহ্ তা'আলার) সৃষ্ট প্রাণীগুলোর একটি প্রাণী না হলে আমি এর সবগুলোকে মেরে ফেলার হুকুম করতাম। অতএব এগুলোর মধ্যে যে কুকুরগুলো অত্যাধিক কালো সেগুলোকে তোমরা মেরে ফেল। সহীহ্, মিশকাত তাহকীক ছানী (৪১০২), গাইয়াতুল মারাম (১৪৮), সহীহ আৰূ দাউদ (২৫৩৫) ইবনু উমার, জাবির, আবূ রাফি ও আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। কোন কোন হাদীসের বর্ণনায় আছেঃ “কালো রং-এর কুকুরগুলো শাইতান”। সেগুলোই ঘোর কালো কুকুরের পর্যায়ে পরে যেগুলোর মধ্যে সাদা রং-এর কোন চিহ্নমাত্রও পাওয়া যায় না। কালো কুকুরের শিকার খাওয়াকে একদল আলিম মাকরূহ মনে করেন।
#1487Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Ibn 'Umar:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever keeps a dog" - or: "acquires a dog" - "neither of hunting nor to guard livestock, then two Qirat are deducted from his reward, daily
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক শিকারী কুকুর অথবা গবাদিপশু পাহারাদার কুকুর ব্যতীত ভিন্ন উদ্দেশ্যে কুকুর লালন-পালন করে থাকে, তার সাওয়াব হতে প্রতিদিন দুই কীরাত (উহুদ পর্বতের সমতুল্য নেকি) পরিমাণ কমে যায়। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৫৩৪), নাসা-ঈ আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল, আবূ হুরাইরা ও সুফিয়ান ইবনু আবৃ যুহাইর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ 'আও কালবা যারইন’ (অথবা ফসলাদি পাহারাদার কুকুর ব্যতীত)।
#1488Shakir: SahihAl-Albani: SahihMaarouf: Hasan Sahih
Narrated Ibn 'Umar:"The Messenger of Allah (ﷺ) ordered killing dogs, except for the hunting dog, or the dog that guards livestock." It was said to him: "Abu Hurairah would say: 'or a farm dog' so he (Ibn 'Umar) said: "Abu Hurairah had a farm
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিকারী কুকুর অথবা গবাদিপশু পাহারাদার কুকুর ব্যতীত অন্যান্য কুকুর মারার হুকুম দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাকে বলা হল, আবু হুরাইরা বলেন, "অথবা ফসলাদি পাহারাদার কুকুর" বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর কৃষিভূমি ছিল। সহীহ, ইরওয়া (২৫৪৯), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
#1489Shakir: SahihAl-Albani: SahihZai: Sahih Muslim
Narrated 'Abdullah bin Mughaffal:"I was one of those who held up the branches from the tree away from the face of the Messenger of Allah (ﷺ) while he was delivering the Khutbah saying: 'If it were not that dogs were a nation among nations, then I would order that they be killed. So kill every one among them that is all black. There is one inhabiting a home in which they keep a dog but their deeds are decreased by one Qirat every day - except for a hunting dog, or a farm dog, or a sheep dog
। আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবা দিচ্ছিলেন তখন তার চেহারার সম্মুখ থেকে যারা খেজুর গাছের ডাল সরিয়ে রেখেছিলেন তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ কুকুর যদি (আল্লাহ্ তা'আলার) সৃষ্ট প্রজাতিসমূহের মধ্যে একটি প্রজাতি না হতো তবে আমি এগুলোকে ধ্বংসের জন্য নির্দেশ দিতাম। অতএব এদের মধ্যে যে কুকুরগুলো মিশমিশে কালো তাদেরকে মেরে ফেল। যে বাড়ীর মানুষেরা শিকারের উদ্দেশ্যে, ফসলাদি ও মেষপাল পাহারা দেয়ার উদ্দেশ্য ব্যতীত কুকুর পালন করে থাকে তাদের সৎ আমল হতে প্রতিদিন এক কীরাত করে (সাওয়াব) কমে যায়। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২০৫) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে হাসান হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদেও বর্ণিত আছে।
Narrated Abu Hurairah:That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever acquires a dog - with the exception of a dog to guard livestock, a hunting dog, or a farm dog - each day a Qirat is deducted from his reward
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গবাদিপশু পাহারাদার কুকুর, শিকারী কুকুর অথবা কৃষিক্ষেত পাহারাদার কুকুর ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে যে লোক কুকুর লালন-পালন করে থাকে তার সাওয়াব হতে প্রতিদিন এক কীরাত পরিমাণ কমে যায়। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২০৪) নাসা-ঈ, বুখারীতে শিকারী কুকুরের উল্লেখ আছে মুয়াল্লাকভাবে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। কেবলমাত্র একটি ছাগলের মালিককেও আতা ইবনু আবূ রাবাহ (রাহঃ) কুকুর পালনের সম্মতি প্রদান করেছেন। ইসহাক ইবনু মানসূর-হাজ্জাজ ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি ইবনু জুরাইজ হতে, তিনি আতা (রাহঃ) হতে এইসূত্রে তা বর্ণিত।